ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিল হাইতি হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দেশে আরও কমল স্বর্ণের দাম প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন আনচেলত্তির সন্তুষ্টি, স্কটল্যান্ড ম্যাচেই ফিরছেন নেইমার কাতারের দেওয়া 'উড়ন্ত হোয়াইট হাউস' উন্মোচন করলেন ট্রাম্প জি-৭ সম্মেলনের ‘আমি বস’ মন্তব্য ছিল শুধুই মজা, বললেন ট্রাম্প চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা তুমুল হট্টগোল, জাতিসংঘ কর্মকর্তাকে ‘চুপ থাকতে’ বললেন ইসরায়েলি দূত আন্তর্জাতিক তহবিল কাটছাঁট: মানবিক সংকটে রোহিঙ্গারা রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ স্কটল্যান্ড কোচ ক্লার্ক শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট-শপিংমল বন্ধ জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরানো অন্যতম চ্যালেঞ্জ মুখে হাত দিয়ে কথা বলে প্রথম লাল কার্ড দেখলেন প্যারাগুয়ের আলমিরন অভিমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন বিএনপির অনেক নেতা জিতলেই নকআউটে জার্মানি গতির রাজা জর্ডান মরোক্কোর রেকর্ড ভেঙে দ্রুততম গোল প্যারাগুয়ের ব্রাজিল ম্যাচের চেয়েও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো খেলেছে মরক্কো: ওয়াহবি হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন ব্রাজিলের রাফিনহা ৯ বছরেও খোলেনি রোহিঙ্গাদের ফেরার পথ বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোলে সাগরিকায় ক্রিকেটের উন্মাদনা শ্রীমঙ্গলে হারমোনি ফেস্টিভ্যালের বর্ণিল উদ্বোধন ইসমাইল সাইবারিকে ছাড়িয়ে এবার ৬৪ সেকেন্ডে দ্রুততম গোল গ্যালারজারের দূষণের শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার অবস্থান কত? ব্রেকে হাওয়া না থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর পাড়ে ঝুলে পড়ল যাত্রীবাহী বাস

ঈশ্বরদীর ভোগান্তির সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেই

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৫, ০৯:৩৫ এএম
ঈশ্বরদীর ভোগান্তির সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেই
পাবনার ঈশ্বরদী পৌরশহরের কলেজ রোড।

পাবনার ঈশ্বরদী পৌরশহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কলেজ রোড। এ সড়কের পাশে রয়েছে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় অরণকোলা পশুর হাট। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সবাইকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। পুরো সড়কে রয়েছে বড় বড় গর্ত। এ কারণে যানবাহনের গতি থাকে অনেক কম। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পানি জমে সড়কটি একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কয়েক বছর ধরে এমন অবস্থা দেখা গেলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে সড়ক সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, তিন কিলোমিটারের চেয়ে একটু বড় সড়কটি ২০১৫ সালে নির্মাণ করা হয়। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি নষ্ট হতে থাকে। এখন সড়কটির অবস্থা খুবই করুণ। স্থানীয়দের পাশাপাশি এই সড়কে চলাচলকারীদের দাবি, মানুষের ভোগান্তি নিরসনের জন্য দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করা হোক। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় ঠাকুরবাড়ির মন্দির থেকে পৌর এলাকার শেষ সীমানা পাবনা সড়ক পর্যন্ত তিন কিলোমিটারের বেশি রাস্তাটির বেশিরভাগ অংশই বেহাল। সড়কের পিচ, পাথর, খোয়া উঠে গর্ত হয়ে আছে। রয়েছে খানাখন্দ। এগুলোতে জমেছে বৃষ্টির পানি। এসব গর্তে পড়ে গাড়ি বিকল হচ্ছে। ভোগান্তি পোহাচ্ছেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিতে আসা হাজারও মানুষ।

কলেজ রোডের বকুলের মোড়ের চা দোকানি রজব আলী বিশ্বাস বলেন, ‘১০ বছর ধরে সড়কটি বেহাল। যানবাহন চালকরা অনেক কষ্ট করে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। অনেকের রিকশা, অটোরিকশা গর্তে পড়ে নষ্ট হয়। অরণকোলা পশুর হাট যেদিন বসে, সেদিন ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না।’

স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সড়কটির সবখানে খানাখন্দ। বিশেষ করে অরণকোলা পশুর হাটে গরু-মহিষ আনা-নেওয়ায় ব্যবসায়ীদের খুব কষ্ট করতে হয়। কলেজ রোড ঈশ্বরদীর অন্যতম একটি সড়ক। এটি দ্রুত মেরামত করা দরকার।  

ঈশ্বরদী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপসহকারী প্রশিক্ষক বাকী বিল্লাহ বলেন, ‘আমাদের এখানে ৯১৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তারা সব সময় এ সড়ক ব্যবহার করে। কিন্তু বর্তমানে সড়কের যে অবস্থা, শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন থাকলেও ভোগান্তির ভয়ে রাস্তায় যেতে চায় না। এই রাস্তায় আমাদের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।’ ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর কবিতা চাকলাদার বলেন, রিকশা-অটোরিকশায় যাতায়াতের সময় প্রচণ্ড ঝাঁকুনি সইতে হয়। দ্রুত সড়কটি মেরামত করা দরকার।

কলেজ রোড মেরামতের বিষয়ে জানতে চাইলে ঈশ্বরদী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জহুরুল হক প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলতে বলেন। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘কলেজ রোডটির জন্য টেন্ডার আহ্বান প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। টেন্ডার হলে রোডের মেরামতের কাজ শুরু হবে।’ 

নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৩১ এএম
নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান
নওগাঁর আম বাগান পরিদর্শন করেছে জাপানের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা/ছবি: খবরের কাগজ

নওগাঁর বেশ কয়েকটি আম বাগান পরিদর্শন করেছে জাপানের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের যৌথ প্রতিনিধিদল। পরিদর্শন শেষে দলটি নিরাপদ আম উৎপাদন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। সুযোগ পেলে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম জাপানে আমদানি করতে চান তারা।

শনিবার (২০ জুন) নওগাঁর পোরশা উপজেলার ছাওড় ও তেঁতুলিয়া এলাকার দুটি রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন শেষে এমন প্রত্যাশার কথা জানায় জাপানের ব্যবসায়ীরা।

জাপানি ওই প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন জাপানি ব্যবসায়ী কাওয়ামতু, সাকাকিবারা, ইশিমটু ও শিগিমরি। এ ছাড়া পরিদর্শনের সময় জাপানি প্রতিনিধিদলটির সাথে আবু সাঈদ নামে এক বাংলাদেশী আম রপ্তানীকারকও ছিলেন।

ছাওড় এলাকার ম্যাংগো ফার্ম নামে একটি বড় বাগান পরিদর্শন শেষে জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্য কাওয়ামতু বলেন, মূলত বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাসের আমন্ত্রণে তারা রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে রপ্তানিযোগ্য বেশ কিছু আমবাগান পরিদর্শন করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নওগাঁর আমবাগানেও এসেছেন। জাপানে সুমিষ্ঠ আমের ব্যপক চাহিদা রয়েছে। সেই দিক মাথায় রেখে বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানির বিভিন্ন পর্যায় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সব পক্ষ রাজি থাকলে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম নেওয়া হবে। মূলত বাংলাদেশের রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের প্রশংসা করেন তারা।

কাওয়ামতু বলেন, তারা জেনেছেন মাটির গুনগত মানের কারনে নওগাঁর আম খুবই সুমিষ্ট। এই এলাকায় বেশ কিছু রপ্তানীযোগ্য আম বাগান রয়েছে। চাষিরাও রপ্তানীতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আর তাই এখানে উৎপাদিত সুস্বাদু ফ্রেশ আম তারা জাপানে বাজারে নিতে চান।

এর ঠিক আগের দিন প্রতিনিধি দলটি নওগাঁর পোরশা উপজেলার বন্ধুপাড়া এলাকার ফ্রুটস মিউজিয়াম এগ্রো ফার্ম নামে একটি রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন করেন। এরইমধ্যে নওগাঁ ছাড়াও রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন করেছেন তারা।

জাপানি ব্যবাসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন ছাড়াও তারা কয়েকটি জেলায় আম গ্রেডিং, শর্টিং ও শোধনকেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখছেন। পরিদর্শন শেষে তাঁরা বাংলাদেশ থেকে আম আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন। আর এতে খুশি বাগানমালিক ও উদ্যোক্তারা।

বাগান পরিদর্শনের সময় ম্যাংগো ফার্ম এর মালিক আনিছুর রহমান, স্থানীয় সোহেল, সালাউদ্দিন ও পোরশা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা উপস্থিত ছিলেন।
আম চাষি সালাউদ্দিন জানান, নওগাঁয় উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে জাপানি প্রতিনিধিদলকে ধারণা দেওয়া হয়েছে। গত বছর থেকে চিনে আম রপ্তানী হচ্ছে। এছাড়া কয়েক বছর ধরেই নওগাঁ থেকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আম যাচ্ছে। তবে এ বছর প্রথম জাপানের বাজারে দেশের আম রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জাপানে আম রপ্তানি করা গেলে স্থানীয় আমচাষিরা অনেক লাভবান হবেন।

পোরশা উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, নওগাঁ কৃষি বিভাগ সব সময় আম চাষিদের পাশে আছে। নিরাপদ আম উৎপাদনে স্থানীয় চাষিদের পরামর্শ ও সহযোগীত দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রপ্তানীচ্ছু চাষিদের আলাদা করে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল আমবাগানগুলো পরিদর্শন করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। আশা করা হচ্ছে খুব শিঘ্রই তারা নওগাঁর আম জাপানের বাজারে নেবেন।

হারুন/এএফ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সীমান্তের শূন্যলাইনে অবস্থান করা ২০ জন পুরুষ, নারী ও শিশু। ছবি: খবরের কাগজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রতিরোধের মুখে এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে চৌকা সীমান্তের শূন্যলাইনে এ ঘটনা ঘটে। এই ২০ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৫টি শিশু রয়েছে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে চৌকা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৭৭/২ এস দিয়ে বিএসএফ ওই ২০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সেখানে অবস্থান নেয়। বিজিবির বাধার মুখে তারা এখন ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।

মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চৌকা বিওপির সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে  পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবির অবস্থানের কারণে শূন্যলাইনে ভারতের অভ্যন্তরেই ওই ২০ জনকে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

মো.আসাদুল্লাহ/আজহার/

শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট-শপিংমল বন্ধ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৩২ এএম
শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট-শপিংমল বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পায় সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব।

প্রতিদিনই মানুষের কিছু না কিছু কেনাকাটার প্রয়োজন হয়। এছাড়া মানুষ ঘুরতেও বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে থাকেন। প্রয়োজনীয় কেনাকাটা কিংবা ঘুরতে গিয়ে যদি দেখেন ওই এলাকার মার্কেট বন্ধ, তাহলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে নষ্ট হয় সময়ও।

তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নিন শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকান

শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেন্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শাঁখারী বাজার। 

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট

ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, নয়াবাজার, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার, শারিফ ম্যানসন ও আজিমপুর সুপার মার্কেট।

যে দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে

শিশু একাডেমি জাদুঘর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।

আমান/

ব্রেকে হাওয়া না থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর পাড়ে ঝুলে পড়ল যাত্রীবাহী বাস

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
ব্রেকে হাওয়া না থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর পাড়ে ঝুলে পড়ল যাত্রীবাহী বাস
নদীর তীরের দিকে ঝুলে আছে সেলফি পরিবহন । ছবি খবরের কাগজ

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে একটি যাত্রীবাহী বাস। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটির সামনের অংশ নদীর তীরের দিকে ঝুলে পড়লেও শেষ পর্যন্ত নদীতে পড়েনি।

শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাটুরিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেলফি পরিবহনের একটি বাস ঘাট এলাকায় সিরিয়ালের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল। ট্রিপের সিরিয়াল আসার পর বাসটি ঘাট এলাকা থেকে স্ট্যান্ডের দিকে নেওয়ার জন্য চালু করা হয়। এ সময় ব্রেকে পর্যাপ্ত হাওয়া না থাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে বাসটির দুটি চাকা রাস্তার বাইরে চলে যায় এবং বাসটি নদীর পাড়ের কিনারে বিপজ্জনক অবস্থায় আটকে পড়ে।

তবে বাসটিতে কোনো যাত্রী ছিল না। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে চালক দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে আসেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির র্যাকার দিয়ে বাসটিকে উদ্ধার করে সড়কে তোলা হয়।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুস সালাম বলেন, ‘তারা বাসটিকে বাস বা ট্রাক স্ট্যান্ডে না রেখে আমাদের ঘাট এলাকায় রাখে। বারবার নিষেধ করার পরও কথা শোনে না। আজ যদি বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটত, তাহলে মানুষ জানত ফেরিঘাট থেকে আবারও বাস নদীতে পড়ে গেছে। আসলে তারা আমাদের ৩ নম্বর ঘাটের হাই ওয়াটার লেভেল এলাকায় অবৈধভাবে পার্কিং করে রেখেছিল।’

মানিকগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমরাও বাস ও ট্রাক চালকদের নির্ধারিত স্ট্যান্ডে গাড়ি রাখার জন্য বলে থাকি। কিন্তু তারা বিভিন্ন স্থানে নিজেদের সুবিধামতো পার্কিং করে। পাটুরিয়া এলাকায় আমাদের মাত্র দুইজন সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ফলে সব বিষয় সার্বক্ষণিক তদারকি করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে আমরা কঠোর নির্দেশনা দেব। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আসাদ জামান/আজহার/

নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম
নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা
ছবি: প্রতীকী

নাটোর সদর উপজেলার কাফুরিয়া ইউনিয়নের ঢালান এলাকায় দীর্ঘদিন প্রেমের পরও বিরহ নেমে আসে এক প্রেমিক-প্রেমিকার জীবনে। দুজনার রাস্তা হয় দুদিকে। কিন্তু প্রেমের পূর্ণতা পেতে মরিয়া ছিলেন তারা। অবশেষে বিয়ে করলেও জীবনাবসান হলো মাত্র দুই মাসেই। নিজ ঘরে এক ওড়নায় আত্মহত্যা করলেন ওই দম্পতি।
 
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে সদর থানা পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

মৃতরা হলেন রাহাত (২৩) ও তানিয়া (২০)। 

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান এবং কাফুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃতদের প্রতিবেশী আনোয়ার আলী জানান, শিক্ষাজীবনে তানিয়া-রাহাতের পরিচয় থেকে প্রেম। সাত-আট বছর প্রেম চললেও উভয়ের পরিবার মেনে না নেওয়ায় দুইজনেরই পৃথক সংসার হয়। এক পর্যায়ে রাহাত ঢাকায় চাকরি শুরু করেন। কিন্তু কিছুদিন পর উভয়ের আবারও যোগাযোগ হয়। এরপর প্রেমের পূর্ণতা দিতে প্রথম সংসার ত্যাগ করে উভয়ে গত প্রায় দুই মাস আগে বিয়ে করেন।

রাহাতের স্বজনদের দাবি, শুক্রবার জুম্মা নামাজ পড়ে নিজ ঘরে যান রাহাত। বিকেল হলেও দরজা না খোলায় ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে দরজা ভাঙার পর তাদের গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উভয়ে এক ওড়নায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, নিজেরা দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যা করেন ওই যুগল। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে নিজেদের ইমোশনেই এমন সিদ্ধান্ত নেন তারা। পরিবারের আবেদন পেয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

কামাল মৃধা/খাদিজা রুমি/