ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নাটোরে এক গ্রামে ৪ শতাধিক জামাইয়ের বাস! ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু নয়নের খাল খননে নয়ন কি জুড়াবে এবার? বিশ্বকাপে মিশরকে প্রথম ম্যাচ জয় উপহার দিয়ে উচ্ছ্বসিত সালাহ ঘরছাড়া মানুষের বাস্তবতা ও বৈশ্বিক দায়িত্ব আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে ভাইরাল ভেড়া অপরাধ নির্মূলে কার্যকর ভূমিকার বিকল্প নেই চুয়েট হলে চলন্ত ফ্যান ছিঁড়ে পড়ায় আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা ‘মাথা উঁচু করে বিদায় নিচ্ছি’- ড্রেসিংরুমে ইরানের বার্তা যার শেষ পরিণতি হবে জাহান্নাম চকরিয়ায় সৌদিয়া বাস উল্টে আহত ৭ আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হবে ঈশ্বরগঞ্জে কৃষকদের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে আগুন অসংক্রামক রোগের আগ্রাসন মোকাবিলায় ৩৫ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে অভ্যন্তরীণ রুটে ১৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় গুজব মোকাবিলায় ফ্যাক্ট-চেকিং সেল ২৪ ঘণ্টা সক্রিয়: তথ্যমন্ত্রী শিবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ সাতকানিয়ায় মিলল মহাবিপন্ন হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১৬টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নোবিপ্রবিতে শিক্ষামন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনবল নিয়োগ, পদ ১১১ মালয়েশিয়া থেকে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাঙ্গায় শিক্ষার্থীর সঙ্গে অসদাচরণ, মাদরাসাশিক্ষক আটক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা রাবি ছাত্রদলের বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রামগঞ্জে স্কুলছাত্র মেহেদী হত্যা মামলায় হল সুপারসহ গ্রেপ্তার ২ স্কটল্যান্ডকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল: লুকাস পাকুয়েতা আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেরপুরে পিকআপভর্তি ভারতীয় মদসহ আটক ৩

পদ্মায় ধরা পড়া ১৯ কেজির কাতল ৫৩ হাজারে বিক্রি

প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৫ পিএম
পদ্মায় ধরা পড়া ১৯ কেজির কাতল ৫৩ হাজারে বিক্রি
ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীতে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৯ কেজি ওজনের একটি বড় কাতল মাছ। মাছটি নিলামে ৫৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোরে পদ্মা নদীর চরকর্ণেশনা এলাকার চর মজলিসপুরে জেলে কৃষ্ণ হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

জানা গেছে, জেলে কৃষ্ণ হালদার তার সঙ্গীদের নিয়ে ভোরে পদ্মা নদীর চরকর্ণেশনা এলাকায় চর মজলিসপুরে জাল ফেলেন। তখন ওই জালে ১৯ কেজি ওজনের বড় একটি কাতল মাছ আটকা পড়ে। পরে কৃষ্ণ হালদার মাছটি বিক্রির জন্য চকু মোল্লার আড়তে নিয়ে গেলে উন্মুক্ত নিলামে কেজি প্রতি ২ হাজার ৮০০ টাকা দরে মোট ৫৩ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাজাহান শেখ।

মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাজাহান শেখ বলেন, 'পদ্মা নদীর বড় কাতল মাছের চাহিদা সব সময়ই বেশি থাকে। এজন্য বেশি দাম দিয়েই কিনেছি। এখন কেজি প্রতি সামান্য লাভ হলে বিক্রি করে দেব।'

বড় মাছগুলোর ক্রেতা কারা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাধারণত এত দাম দিয়ে বড় মাছগুলো প্রবাসী ক্রেতারাই তাদের পরিবারের জন্য কিনে থাকেন। এছাড়া ঢাকার বড় শিল্পপতি, ব্যবসায়ী কিংবা হাইপ্রোফাইল লোকজন মাছগুলো সরাসরি আমাদের কাছ থেকে বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কিনে নেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক বলেন, পদ্মা নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেলেদের জালে বড় আকৃতির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। এতে জেলেরা ভালো লাভবান হচ্ছেন।

মেহেদী/

নাটোরে এক গ্রামে ৪ শতাধিক জামাইয়ের বাস!

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
নাটোরে এক গ্রামে ৪ শতাধিক জামাইয়ের বাস!
ছবি: খবরের কাগজ

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গড়মাটি গ্রামে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাস করছেন ৪ শতাধিক জামাই। দেশের বিভিন্ন এলাকায় যেখানে মেয়ের বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে বসবাসকেই স্বাভাবিক রীতি ধরা হয়, সেখানে ওই গ্রামে মেয়ের জন্মস্থানে স্বামীর এমন ব্যতিক্রমী বসবাস কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মজা করে ওই গ্রামকে ‘জামাইদের গ্রাম’ বলেও সম্বোধন করেন। গত প্রায় ৫০ বছর ধরেই ওই গ্রামে জামাইদের বসবাসের এ রীতি চলে আসছে।

স্থানীয়দের দাবি, ওই গ্রামে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি। এ ছাড়া জামাই আদরসহ নানা কারণে সেখানে এমন ব্যতিক্রমী রীতির প্রচলন হয়েছে।

তথ্যানুসারে, গোপালপুর ইউনিয়নে মোট ১৩টি গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে ৫টি গ্রামে পুরুষের সংখ্যা বেশি হলেও বাকি ৮টি গ্রামে নারীর সংখ্যা বেশি, যার মধ্যে গড়মাটি গ্রাম অন্যতম।

ইউপি সূত্রে জানা যায়, গড়মাটি গ্রামের মোট জনসংখ্যা ৬ হাজার ৭৫৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩ হাজার ১২০ জন এবং নারী ৩ হাজার ৬৩৬ জন। ইউনিয়নটিতে শিক্ষার হারও ভালো। এখানে রয়েছে ১টি কলেজ, ৩টি উচ্চবিদ্যালয়, ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০টি মাদরাসা, ৪৫টি মসজিদ, ১১টি মন্দির ও ১টি গির্জা।

মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির বন্ধন সবাইকে মুগ্ধ করে। এলাকায় প্রবাসী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ছাড়াও রয়েছেন দিনমজুর, মৎস্যজীবীসহ নানা পেশার মানুষ।

সরেজমিনে জানা যায়, গড়মাটি গ্রামের অনেক পরিবারেই প্রথম সন্তান মেয়ে। এতে বাবা-মায়ের প্রতি স্বাভাবিকভাবেই মেয়েদের অবদান বেশি থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গে মেয়েরাই বেশি ঘনিষ্ঠ।

এ ছাড়া অনেক পরিবারের ছেলেরা বিয়ের পর পৃথক সংসার গড়ে বাবা-মায়ের প্রতি তেমন দায়িত্ব পালন না করায় মেয়েদের প্রতিই বেশি মনোযোগ দেন অভিভাবকেরা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরজাহান খাতুন জানান, অনেক মেয়ের স্বামী প্রবাসী হওয়ায় তারা শ্বশুরবাড়ির পরিবর্তে বাবার বাড়িতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। স্বামীরা দেশে ফিরে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মেয়ের বাবা-মায়ের দেওয়া সম্পত্তিতে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে বসবাস করেন। আবার অনেক মেয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতন সইতে না পেরে স্বামীসহ বাবা-মায়ের দেওয়া জমিতে বাড়ি করে সংসার করছেন। পাশাপাশি ওই গ্রামে পেঁয়াজ-রসুনসহ বিভিন্ন লাভজনক কৃষিপণ্য উৎপাদন হওয়ায় কৃষিজীবী পরিবারগুলোও সেখানে বসবাসে আগ্রহী।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ঘরজামাই তেমন নেই বললেই চলে। অধিকাংশই পৃথক জমিতে বাড়ি করে বসবাস করেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কোনো জামাই বা মেয়েকে পরিবারের ছেলেরা কোনো ধরনের কটাক্ষ বা খারাপ আচরণ করেন না। বরং সবাই জামাইদের আদর-আপ্যায়ন করতে পছন্দ করেন। এ কারণে স্ত্রীর জন্মগ্রামে বসবাস করতে জামাইদেরও কোনো অনীহা নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জামাই জানান, ওই গ্রামে তার মতো ৪ শতাধিক জামাই বসবাস করলেও ঘরজামাই খুব কম। অধিকাংশই নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করেন।

ইউপি সদস্য জামিরুল ইসলাম জামে জানান, গড়মাটি গ্রামের সবাই শান্তিপ্রিয়। তারা মিলেমিশে বসবাস করেন। অনেক জামাইয়ের নাতি-নাতনিরাও বড় হয়েছে। তাদের কাছে এই গ্রামই নিজের গ্রাম। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ, শ্বশুর-জামাই সবাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ।

কামাল মৃধা/রিফাত/

চকরিয়ায় সৌদিয়া বাস উল্টে আহত ৭

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
চকরিয়ায় সৌদিয়া বাস উল্টে আহত ৭
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার আজিজনগর গয়ালমারা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘সৌদিয়া পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে অন্তত সাতজন যাত্রী আহত হয়েছেন।

সোমবার (২২ জুন)ভোর ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল থাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কক্সবাজারগামী সৌদিয়া পরিবহনের বাসটি ভোরে গয়ালমারা এলাকায় পৌঁছালে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ভোরে বৃষ্টি হওয়ার কারণে মহাসড়কের ওপর মাটি ও পানি মিশে সড়ক অত্যন্ত পিচ্ছিল হয়ে পড়েছিল। চাকা পিছলে যাওয়ায় চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং বাসটি সড়কের ওপর উল্টে যায়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ও চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করে। বাসটির ভেতর থেকে গুরুতর আহত ৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

বানিয়ারছড়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফুল আমিন দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করে। দুর্ঘটনাকবলিত সৌদিয়া পরিবহনের বাসটিকে জব্দ করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।

রাকিবুল/রিফাত/

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে আগুন

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে আগুন
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) একটি আরটিজি-৪০১৪ (রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি) ক্রেনে আগুন লেগেছে। পরে একঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আরটিজি হচ্ছে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর যন্ত্র।

সোমবার (২২ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে এনসিটির তিন নম্বর জেটিতে আগুন লাগে।

জানা গেছে, আগুন লাগার খবর পেয়ে নগরের বন্দর ফায়ার স্টেশন থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভাতে কাজ শুরু করে। পরে নৌবাহিনীর একটি দলও আগুন নেভানোর কাজে যুক্ত হয়। এ সময় ঘটনাস্থলের কাজ সাময়িক বন্ধ ছিল।

বন্দর ফায়ার স্টেশনের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. মোনেম বিল্লাহ জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে একটি আরটিজি ক্রেনের ইঞ্জিন থেকে আগুনটি লাগে। দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনের তাপে চারটি কনটেইনার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাসির উদ্দিন জানান, দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ক্রেনে আগুনের সূত্রপাত হয়। বন্দর ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি দলও যুক্ত হয়। বর্তমানে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় ও লাভজনক টার্মিনাল এনসিটি। এটিতে চারটি জেটি রয়েছে এবং বন্দরের মোট কনটেইনারের প্রায় অর্ধেক হ্যান্ডলিং করা হয় এই টার্মিনাল দিয়ে। এই টার্মিনালে একসঙ্গে ছোট-বড় মিলিয়ে পাঁচটি জাহাজ ভেড়ানো যায়। ২০০৭ সালে ৭০০ কোটি টাকা খরচ করে টার্মিনালটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা খরচ করে ১৪টি কি গ্যান্ট্রিক্রেনসহ আধুনিক ইকুইপমেন্ট স্থাপন করা হয়। এর আগে গত বছরের ১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে এনসিটিতে আমদানি করা যন্ত্রাংশের একটি কনটেইনারে আগুন লেগেছিল।

নাঈম/

সাতকানিয়ায় মিলল মহাবিপন্ন হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
সাতকানিয়ায় মিলল মহাবিপন্ন হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি মহাবিপন্ন হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। পরে কচ্ছপটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়।

সোমবার (২২ জুন) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে থেকে কচ্ছপটিকে উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা দাঁড়িয়েছিল। চালক একটি দোকান থেকে খাবার খেয়ে অটোরিকশায় ওঠার সময় সামনের সিটের পাশে বস্তাবন্দি অবস্থায় কচ্ছপটি দেখতে পান। এরপর স্থানীয়রা বড়দুয়ারা বিট কাম চেক স্টেশন কর্মকর্তাকে খবর দেন। পরে তারা এসে হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপটি উদ্ধার করে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রথমে এটাকে সাধারণ কচ্ছপ মনে করেছিলাম। পরবর্তীতে বন বিভাগের লোকজনদের মাধ্যমে জানতে পারি, এটি মহাবিপন্ন হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ। এরপর আমরা সেটিকে বন বিভাগের হাতে তুলে দিয়েছি।

বড়দুয়ারা বিট কাম থেকে স্টেশন কর্মকর্তা মো. ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, এটি মূলত মহাবিপন্ন প্রজাতির হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ। সাধারণত এরা ডাঙায় বসবাস করে। উদ্ধারের পরপরই কচ্ছপটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আবমুক্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বন বিভাগ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএনের হিসাবে বাংলাদেশে মোট ৩০ প্রজাতির কচ্ছপ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ একটি মহাবিপন্ন প্রজাতি। এরা বেশিরভাগ সময় ডাঙাতেই থাকে।

আরিফুল ইসলাম/নাঈম

ভাঙ্গায় শিক্ষার্থীর সঙ্গে অসদাচরণ, মাদরাসাশিক্ষক আটক

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
ভাঙ্গায় শিক্ষার্থীর সঙ্গে অসদাচরণ,  মাদরাসাশিক্ষক আটক
মাদরাসা শিক্ষককে উদ্ধার থানায় নিয়ে যাওয়ার সময়। ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদরাসা পড়ুয়া তৃতীয় শ্রেণির এক মেয়ে শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের ভরিলহাট নেছারিয়া দাখিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আমির হোসেন ওই মাদরাসার সহকারী শিক্ষক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ছুটির পর এক শিক্ষার্থীকে উপহার দেওয়ার কথা বলে তার সঙ্গে অসদাচরণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

সোমবার সকালে শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও স্থানীয়রা মাদরাসায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন। এ সময় শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় মাদরাসার সামনে থাকা কয়েকটি দোকানে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে থানায় নিয়ে যায়৷

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, 'খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনকেবি নয়ন/আজহার/