ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৬ গোলের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ইংল্যান্ড দুবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরল ক্রোয়েশিয়া ফুটবল তার শক্তি দেখাল, মাঠে আসছেন ভোজিনহার মা বিশ্বমঞ্চে নিস্তেজ রোনালদো রোনালদোর পর্তুগালকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস বিশ্বকাপে প্রথম গোলে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতায় কঙ্গো ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল মেসির পর রোনালদোর কীর্তি পর্তুগালের একাদশে রোনালদো ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন অনুষ্ঠান হবে জুনের শেষ সপ্তাহে ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া হবে, ভারত সীমান্তেও পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যারা বলে ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ তাদের থেকে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী নাসার আর্টেমিস থ্রি মিশনের নভোচারীদের নাম চূড়ান্ত নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ৮০৭ প্রবাসীর হাতে যাচ্ছে এনআইডি হেরোইনসহ মা-বাবা ও ছেলে আটক, বাড়িতে আগুন
Nagad desktop

ধামরাইয়ে নাম নকল করে অবৈধ হাসপাতাল, ভুল চিকিৎসায় নিঃস্ব রোগী

প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৫ পিএম
ধামরাইয়ে নাম নকল করে অবৈধ হাসপাতাল, ভুল চিকিৎসায় নিঃস্ব রোগী
ধামরাই উপজেলার কালামপুর বাজারে পপুলার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতাল। খবরের কাগজ

ঢাকার ধামরাইয়ে চিকিৎসাসেবার নামে অপচিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে পপুলার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতাল। নামের মিলের কারণে অনেকেই এটিকে দেশের স্বনামধন্য পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেডের শাখা ভেবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অথচ ধামরাইয়ের এই হাসপাতালটির নেই বৈধ নিবন্ধন। এখানে চিকিৎসা নিয়ে বহু রোগী পড়েছেন বিপাকে। 

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, হাসপাতালটিতে সিজারিয়ান ও অন্যান্য অস্ত্রোপচারের পর অন্তত ২২ রোগীর শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। কারও কারও ক্ষেত্রে একই স্থানে একাধিকবার অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। অনেক রোগীর শরীরে অস্ত্রোপচারের ক্ষতস্থানে পচন, ইনফেকশন এমনকি যক্ষার মতো জটিল রোগ ধরা পড়েছে। একাধিক ভুক্তভোগীর ভাষ্য, আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধশতাধিক হতে পারে।

অভিযোগ রয়েছে, অপারেশন থিয়েটারে পর্যাপ্ত স্টেরিলাইজেশনের অভাব, দায়িত্বহীন সার্জিক্যাল টিম ও প্রশাসনিক গাফিলতির কারণেই একই ধরনের সংক্রমণে একের পর এক রোগী আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকেই চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে হয়েছেন নিঃস্ব। বিষয়টি জানতে পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আইইডিসিআরকে চিঠি দেয়। সেখান থেকে তদন্তে আসে একটি টিম। তবে তদন্তে সত্যতা মিললেও কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কেন ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়েও সমালোচনার ঝড় বইছে। 

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন সুমি আক্তার (২৬)। অস্ত্রোপচারের ৩২ দিন পর তার সেলাইয়ের স্থানে ফোলা, তীব্র ব্যথা ও পচন দেখা দেয়। পুনরায় ওই হাসপাতালে গেলে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকা বিল আদায় করা হয়। এরপরও অবস্থার অবনতি হলে পরীক্ষায় তার শরীরে যক্ষ্মার সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তৃতীয় দফা অস্ত্রোপচার করতে হয়।

সুমি আক্তার বলেন, ‘পপুলার হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে আমি এখন যক্ষ্মায় আক্রান্ত। তিনবার অপারেশন করতে হয়েছে। চিকিৎসায় ৪-৫ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। পরিবার এখন চরম সংকটে।’ কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

একই হাসপাতালে গত ২৮ মে সন্ধ্যায় ঈসিতা আক্তার (১৮) ও স্বপ্না আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই দুজনের ক্ষতস্থানে একই ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। পরে একাধিকবার অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসায় তাদের খরচ হয় ৩-৪ লাখ টাকা। সন্তান জন্মের সাত-আট মাস পার হলেও এখনো নিয়মিত ড্রেসিং ও যক্ষ্মার ওষুধ নিতে হচ্ছে তাদের।

সোমভাগ ইউনিয়নের দেপাশাই গ্রামের ভুক্তভোগী স্বপ্না আক্তার বলেন, ‘একই জায়গায় বারবার অপারেশন হয়েছে। ছয় মাসেও পুরোপুরি সুস্থ হইনি। কাজ করতে পারছি না। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পরিবার হিমশিম খাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘গত ২৮ মে ওই হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হই। ডাক্তার তানজিলা সুলতানা সিজার করেন। হাসপাতাল থেকে রিলিজ নেওয়ার দুই মাস পরও ঘা না শুকানোয় গত ১৯ জুলাই পুনরায় ভর্তি হই। আবারও অপারেশন করা হয়। এরপর যক্ষ্মা ধরা পড়ে। এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। চিকিৎসার টাকার জন্য হিমশিম খাচ্ছে পরিবার।’

এ ছাড়া গত ১৫ জুন জরায়ুর অপারেশন করানো রহিমা বেগমের শরীরেও মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে ফিরে গেলে মালিকপক্ষ দায়িত্ব নেওয়ার বদলে তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলে। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয় পরিবার।

ব্র্যাকের ধামরাই শাখার যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রোগ্রাম অফিসার তানিয়া সুলতানা জানান, সম্প্রতি কালামপুর এলাকার ওই হাসপাতাল থেকে আসা একাধিক যক্ষ্মা রোগী তাদের কাছে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে রোগীর সংখ্যাসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য দিতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।

হাসপাতালের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত যেসব সিজারিয়ান ও অস্ত্রোপচার হয়েছে, তাদের অধিকাংশের মধ্যেই জটিলতা দেখা দিয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক রাশেদুল ইসলাম রফিক স্বীকার করে বলেন, ৫০ জন নয়, এমন ভুক্তভোগী রোগীর সংখ্যা ২০ জন বা এর একটু বেশি হতে পারে। আমাদের হাসপাতালে একজন যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির অপারেশন হয়েছিল। সেখান থেকে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। যারা চিকিৎসা নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের দায়ভার আমরা নেব। পপুলার হাসপাতাল নেবে। এ কথা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।’ সামনে আর এ ধরনের সমস্যা হবে না বলে জানান তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মঞ্জুর আল মোর্শেদ চৌধুরী জানান, তদন্তে আট রোগীর শরীরে যক্ষ্মার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। তবে আক্রান্তদের পরিচয় বা হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকেও পাওয়া যায়নি।

একই হাসপাতালে একসঙ্গে এত রোগীর মারাত্মক সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়াকে সাধারণ চিকিৎসাগত ভুল নয় বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবি, অবিলম্বে অবৈধ হাসপাতালটি বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
মোটরসাইকেল চোরচক্রের তিন সদস্য। ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের অভিযানে মোটরসাইকেল চোরচক্রের তিন সদস্যসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি বিশেষ টিম কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মোটরসাইকেল চোরচক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, কালীগঞ্জের মস্তফাপুর গ্রামের জাহিদ হাসান, ফরাসপুর গ্রামের মেহেদী হাসান সান্টু এবং চাঁচড়া গ্রামের রাজ কুমার।

পুলিশ জানায় এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মোটরসাইকেল চুরি এবং চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতো। অভিযানে চুরি করা দুইটি মোটরসাইকেল, ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা, ফেনসিডিল-জাতীয় মাদকদ্রব্য এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ।

ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ জানায়, জেলায় যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। মাদক, জুয়া ও চুরি-ছিনতাই রোধে জেলা পুলিশের এই বিশেষ সমন্বিত অ্যাকশন ও ঝটিকা অভিযান আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার করা হবে।

এছাড়া অন্যান্য অভিযানে আটক ১৭ আসামিকে বুধবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মাহফুজুর/আমান

রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম
রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী
ছবি: খবরের কাগজ

রংপুরে ফ্যামিলি কার্ড পেলেন পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ৬৬৫ জন নারী।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল ৪ টায় মৌলভীবাজারের জনসভা থেকে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এসময় পীরগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে বসে থাকা উপকারভোগীরা মোবাইলে টাকা পেয়ে যান সঙ্গে সঙ্গে। এ নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন তারা। পরে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

রিতা বর্মন বলেন, ‘মোবাইলে আমি টাকা পেয়েছি। প্রতিমাসে এই টাকা পাবো। এটা আমার পরিবারের জন্য অনেক উপকার হবে। তাই প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’

ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পেয়েছেন বিধবা সাহারা বান। পরিবার পরিজন নিয়ে খুবই কষ্টে জীবন কাটে তার। টাকা পেয়ে খুব খুশি তিনি এবং ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রীকে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সামু জানান, ‘বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে, যা প্রসংশনীয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি জিবা আমিনা খান জানান, ‘ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেয়া টাকা দিয়ে নারীরা তাদের পরিবারের জন্য পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার, স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং হাইজিন খাতে ব্যয় করার সুযোগ পাবে। এতে একটি পরিবার ধীরে ধীরে উন্নত হতে থাকবে।’

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি সবার আগে বাংলাদেশ। কোন ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।’

রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, সমাজসেবা মন্ত্রণালয় থেকে প্রথমে চতরা ইউনিয়নের  ৪ নং ওয়ার্ডের ৮৫৫ জনকে প্রাথমিকভাবে সিলেকশন করা হয়। পরে তার মধ্য হতে অতি গুরুত্ব বিবেচনায় ৬৬৫ জনকে চূড়ান্ত হিসেবে এই কার্ড দেয়া হলো।

আজ তারা এ মাসের টাকা পেলেন। এভাবে প্রতি মাসে তারা তাদের মোবাইলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পেয়ে যাবেন।

সেলিম/আমান 

নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম
নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন থেকে পড়ে দুইজন নির্মাণশ্রমিক নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল পাঁচটার দিকে নগরীর কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুইজনের মধ্যে একজনের নাম মাসুদ রানা (৩০)। তিনি চাপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা। অপর একজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভবন নির্মাণ কাজের সুবাদে তারা ময়মনসিংহ শহরে বসবাস করছিলেন। বিকেল পাঁচটার দিকে কলেজ রোড এলাকায় একটি বহুতল ভবনের লিফট স্থাপনের কাজ করছিল কয়েকজন শ্রমিক। এসময় দুই শ্রমিক আটতলা থেকে নিচে পড়ে যায়। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

বক্তব্য জানতে চাইলে বহুতল ভবন মালিক মো. বেলাল বলেন, ভবন নির্মাণের জন্য কন্ট্রাক্টরকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। তিনিই শ্রমিক নিয়ে এসেছেন। এ ঘটনায় আমার কোন ধরনের গাফিলতি নেই।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এসএন

শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. কাশেম মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে পৌর শহরের খমড়পুর বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কাশেম মিয়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের রুটি নুরপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে। তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আখাউড়াগামী একটি ট্রাক খড়মপুর বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে বিজয়নগরমুখী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা কাশেম মিয়া গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।

স্বজনেরা জানান, এক আত্মীয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে কাশেম মিয়া লাশ দেখতে ও জানাজায় অংশ নিতে বিজয়নগর উপজেলায় যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তাঁর প্রাণহানি ঘটে।

দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যান। ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশাটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনে আপত্তি না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুটন বনিক/এসএন

সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
ছবি: খবরের কাগজ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকের দূর্গম উদয়পুর সীমান্ত এলাকায় দুই শতাধিক পাহাড়ি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ ও অনুদান বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি ২৭ মারিশ্যা জোন।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে সাজেক উদয়পুর সীমান্তে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানে বিজিবির পক্ষ থেকে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন ছাড়াও সেলাই মেশিন, ঢেউটিন, পানির ট্যাংকি বিতরণ করা হয়।

২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (পিএসসি) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সহায়তা প্রদান করেন। তিনি বলেন 'বিজিবি সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও জানমালের নিরাপত্তার পাশাপাশি জনকল্যাণমুখী কাজের নিয়মিত অংশ হিসেবে এসব সহায়তা প্রদান করা হয়েছে'।

সভায় ২৭ বিজিবির মেডিকেল অফিসার মেজর অমিত কুমার সাহা ও স্থানীয় গ্রাম প্রধান হেডম্যান কারবারিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জিয়াউর/আমান