ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৯ বছরেও খোলেনি রোহিঙ্গাদের ফেরার পথ বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোলে সাগরিকায় ক্রিকেটের উন্মাদনা শ্রীমঙ্গলে হারমোনি ফেস্টিভ্যালের বর্ণিল উদ্বোধন দূষণের শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার অবস্থান কত? আর্জেন্টিনা ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফায় আলজেরিয়ার অভিযোগ সিরিজ বাঁচাতে পারল না বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া জয়ী ৭ রানে নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান ফেসবুকে কান্না করা সেই নয়ন পেলেন ছাত্রদলে পদ নামফলকে নিজের নাম থাকলে উদ্বোধন করব না: এমপি মমিনুল ঈশ্বরদীতে রুশ নাগরিকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা হাইতিকে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল কুমিল্লায় চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে হত্যাচেষ্টা যুবদল কর্মীর পাকিস্তান সম্মান ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে: শেহবাজ শরিফ ২০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেছেন যিনি ২০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল গফরগাঁওয়ে মাদরাসা থেকে ফেরার পথে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ বাংলাদেশের আজ দ্বিতীয় লক্ষ্য পূরণের ম্যাচ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ধানমন্ডিতে শিশু গৃহপরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যু অরুণাচলে বাঁধ নির্মাণ করেছে চীন পাল্টা প্রকল্প ভারতের সুইডেনের বিপক্ষে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের খেলা নিয়ে সংশয় হাইতিকে ৩-০ গোলে হারাল ব্রাজিল টাইলস আমদানিতে ধস, কমেছে রাজস্ব আয় ব্রিটেনে উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়, চ্যালেঞ্জের মুখে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত চা-শ্রমিকরা রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে সৌদিপ্রবাসীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য গফরগাঁওয়ে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে মৃত্যু

চট্টগ্রামে মহাবিপন্ন একমাত্র মাতৃ বৈলামগাছের গোড়া কেটেছে বিএফআরআই

প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬, ১০:০৯ এএম
আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬, ১০:১১ এএম
চট্টগ্রামে মহাবিপন্ন একমাত্র মাতৃ বৈলামগাছের গোড়া কেটেছে বিএফআরআই
বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের একমাত্র মাতৃ বৈলামগাছ; যার উচ্চতা প্রায় শত ফুট। সংস্থাটি গাছটির গোড়া কেটে ফেলেছে। ইনসেটে সাইবোর্ডসহ গাছটি। ছবি: খবরের কাগজ

বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের (বিএফআরআই) একমাত্র মাতৃ বৈলামগাছটির গোড়া কাটা হয়েছে। সংস্থাটির ‘সম্পূর্ণ বৃক্ষে উন্নত মানের আগর রেজিন সঞ্চয়ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন’ প্রকল্পের সীমানাদেয়াল নির্মাণের জন্য গাছটির প্রধান শিকড়গুলো কেটে ফেলা হয়। বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাছটি দাঁড়িয়ে আছে। ছোট একটি ঝোড়ো হাওয়ায় এটি হেলে পড়তে পারে। যেহেতু প্রধান শিকড়গুলো কেটে ফেলা হয়েছে, তাই এটি বাঁচার সম্ভাবনাও কম বলে জানিয়েছেন বিএফআরআইয়ের একাধিক কর্মকর্তা।
 
সংশ্লিষ্টরা জানান, অতিবিপন্ন উদ্ভিদগুলোর মধ্যে অন্যতম দেশের সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ বৈলাম। একসময় সমতলে গাছটি দেখা গেলেও এখন নেই বললেই চলে। সারা দেশে যে কয়টি বৈলামগাছ রয়েছে তা খুবই যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, নির্বিচারে নিধনসহ নানা কারণেই বিলুপ্তির পথে বৃক্ষটি। রাঙামাটির কাপ্তাই ও বিলাইছড়ির সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হাতে গোনা কয়েকটি বৈলামগাছ আছে বলে জানা গেছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৈলাম বড় আকৃতির চিরসবুজ বৃক্ষ। উচ্চতা হয় ৩০ থেকে ৪৫ মিটার পর্যন্ত। অনেকে এটিকে আকাশছোঁয়া বৃক্ষ বলে। গাছের প্রধান কাণ্ড সরল ও সোজা। অনেকটা নলাকার আকৃতির। নিচের দিকটা ডাল-কাণ্ডবিহীন। এটি স্থানীয় পর্যায়ে বইলাম নামেও পরিচিত। ভৌগোলিকভাবে এটি বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ায় পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকায় বৈলাম বিশ্বব্যাপী একটি মহাবিপদাপন্ন প্রজাতির গাছ। বন উজাড়, মাতৃবৃক্ষের অপ্রতুলতা ও অতিরিক্ত কাঠ আহরণের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশে বৈলামগাছ দুষ্প্রাপ্য ও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী এটি সংরক্ষিত গাছ। বৈলামগাছ খুব শক্ত হয় এবং এর কাঠ মূল্যবান আসবাবপত্র, ঘর ও বিম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

গাছের গোড়া কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রকল্প পরিচালক বিভাগীয় কর্মকর্তা (মণ্ড ও কাগজ) এবং ‘সম্পূর্ণ বৃক্ষে উন্নত মানের আগর রেজিন সঞ্চয়ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন’ প্রকল্পের পরিচালক জাকির হোসাইন বলেন, ‘গাছের গোড়া কাটলে কী সমস্যা? আর গাছ নাই?’ পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি। বলেন, ‘কী জানতে চান লিখিতভাবে দেন।’ লিখিতভাবে না দিলে কথা বলবেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএফআরআইতে এ ধরনের আরও গাছ আছে।’ তাহলে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাসহ অন্য কর্মকর্তারা গিয়ে কাজ বন্ধ করেছেন কেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তারা কি চাইলে কাজ বন্ধ করতে পারেন?’ তিনি প্রতিবেদককে পরামর্শ দেন তাদের পুরো ইনস্টিটিউটে এ ধরনের আর গাছ আছে কি না খুঁজে দেখতে। 

প্রতিবেদক প্রায় ২৮ একর আয়তনের বিএফআরইয়ের বেশ কিছু এলাকা ঘুরে দেখেন। কোথাও বৈলামগাছ চোখে পড়েনি। ইনস্টিটিউটে আর কোনো মাতৃ বৈলামগাছ আছে কি না–জানতে চাইলে বিএফআরআইয়ের বিভাগীয় কর্মকর্তা অসীম কুমার পাল জানান, বৈলাম দেশের অতিবিপন্ন প্রজাতির একটি গাছ। এই গবেষণাকেন্দ্রে একটিমাত্র মাতৃগাছ আছে। তারা এখান থেকে বীজ নিয়ে চারা তৈরি করে এই গাছকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। বছর দুয়েক আগে কিছু চারা তৈরি করে লাগিয়েছেন। তা টিকবে কি না, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই প্রজাতির গাছকে টিকিয়ে রাখতে হলে মাতৃ গাছ অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।  

জানতে চাইলে বিএফআরআইয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হাসিনা মরিয়ম বলেন, ‘সারা দেশে এ ধরনের মাতৃগাছ হাতে গোনা কয়েকটি আছে। সকালে পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি।’ প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, কাজ বন্ধ করার এখতিয়ার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাসহ অন্য কর্মকর্তাদের নেই–এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএফআরআইয়ের পরিচালক কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় খোঁজখবর নিচ্ছে।’ 

এর আগে আগর গবেষণাগারের ভবন নির্মাণের জন্য কাটা হয়েছে ছোট-বড় অন্তত ৯৭টি গাছ। এ নিয়ে পরিবেশ কর্মীরা আপত্তি তুললেও বিএফআরআই তাদের কাজ অব্যাহত রাখে। বিএফআরআই আগর গবেষণাগার করার জন্য ছয়তলার ভবন নির্মাণ করছে চট্টগ্রাম নগরীর মুরাদপুরের বিএফআরআইয়ের অভ্যন্তরে ৫৮ শতক জমিতে। গবেষণাগার নির্মাণের জন্য ‘সম্পূর্ণ বৃক্ষে উন্নত মানের আগর রেজিন সঞ্চয়ন প্রযুক্তি উদ্ভাবন প্রকল্প’ নেওয়া হয়। ২০২১ সালের জুনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) পৌনে ৭৮ কোটি টাকার প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়। 

সরেজমিনে গতকাল বিকেলে দেখা গেছে, বিএফআরআই ফটকের পাশে টিনের ঘেরাও দিয়ে একটি ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। এর বাইরে প্রায় ৫০ বছর বয়সী শত ফুট উঁচু গাছটির মূল কাণ্ড ঘেঁষে কয়েক ফুট গভীর মাটি খোঁড়া হয়েছে। ওই মাটি খুঁড়তে গিয়ে একমাত্র মাতৃ বৈলামগাছটির সব শিকড় কেটে ফেলা হয়েছে। সকালে খবর পেয়ে বিএফআরআইয়ের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

চট্টগ্রাম ডেভেলপমেন্ট ফোরামের মুখপাত্র মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘এর আগেও তারা ৯৭টি গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছে। এখন মহাবিদাপন্ন মাতৃগাছ কাটার দুঃসাহস দেখিয়েছে। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’ এ বিষয়ে তিনি বন মন্ত্রাণলয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘বন রক্ষক যদি বিপন্ন গাছ ধ্বংস করে, আমরা যাব কোথায়?’

নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম
নাটোরে ওড়না পেঁচিয়ে যুগলের আত্মহত্যা
ছবি: প্রতীকী

নাটোর সদর উপজেলার কাফুরিয়া ইউনিয়নের ঢালান এলাকায় দীর্ঘদিন প্রেমের পরও বিরহ নেমে আসে এক প্রেমিক-প্রেমিকার জীবনে। দুজনার রাস্তা হয় দুদিকে। কিন্তু প্রেমের পূর্ণতা পেতে মরিয়া ছিলেন তারা। অবশেষে বিয়ে করলেও জীবনাবসান হলো মাত্র দুই মাসেই। নিজ ঘরে এক ওড়নায় আত্মহত্যা করলেন ওই দম্পতি।
 
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে সদর থানা পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

মৃতরা হলেন রাহাত (২৩) ও তানিয়া (২০)। 

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান এবং কাফুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃতদের প্রতিবেশী আনোয়ার আলী জানান, শিক্ষাজীবনে তানিয়া-রাহাতের পরিচয় থেকে প্রেম। সাত-আট বছর প্রেম চললেও উভয়ের পরিবার মেনে না নেওয়ায় দুইজনেরই পৃথক সংসার হয়। এক পর্যায়ে রাহাত ঢাকায় চাকরি শুরু করেন। কিন্তু কিছুদিন পর উভয়ের আবারও যোগাযোগ হয়। এরপর প্রেমের পূর্ণতা দিতে প্রথম সংসার ত্যাগ করে উভয়ে গত প্রায় দুই মাস আগে বিয়ে করেন।

রাহাতের স্বজনদের দাবি, শুক্রবার জুম্মা নামাজ পড়ে নিজ ঘরে যান রাহাত। বিকেল হলেও দরজা না খোলায় ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে দরজা ভাঙার পর তাদের গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উভয়ে এক ওড়নায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, নিজেরা দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যা করেন ওই যুগল। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে নিজেদের ইমোশনেই এমন সিদ্ধান্ত নেন তারা। পরিবারের আবেদন পেয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের হস্তান্তর করা হয়েছে।

কামাল মৃধা/খাদিজা রুমি/

ঈশ্বরদীতে রুশ নাগরিকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
ঈশ্বরদীতে রুশ নাগরিকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পে কর্মরত এক রাশিয়ান নাগরিক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। 

শুক্রবার (১৯ জুন) জুম্মা নামাজের পর শহরের পিয়ারপুর কোর্টপাড়া জামে মসজিদের ইমামের পড়ানো কালেমা পড়ে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ সময় মসজিদে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। 

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার আগে রাশিয়ান এই নাগরিকের নাম ছিল সেরগি। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার নাম রাখা হয়েছে মো. আব্দুল্লাহ। 

মো. আব্দুল্লাহ রূপপুর প্রকল্পের মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমে কর্মরত। 

পিয়ারপুর কোর্টপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মো. এনামুল হক খবরের কাগজকে বলেন, রাশিয়ান নাগরিক স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে ও স্বপ্রণোদিত হয়ে কালেমা পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তিনি নিজের সুস্থ ও দীর্ঘজীবন কামনা করেন। 

জাহাঙ্গীর হোসেন/থিওটোনিয়াস

গফরগাঁওয়ে মাদরাসা থেকে ফেরার পথে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:০১ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
গফরগাঁওয়ে মাদরাসা থেকে ফেরার পথে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মাদরাসা থেকে ফেরার পথে ১১ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তের নাম আল আমিন (৩৭)।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি মাদরাসার ৫ম শ্রেণিতে পড়ে। 

ভুক্তভোগীর পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মেয়েটি বাড়ি থেকে প্রতিদিন সকালে মাদরাসায় যায় এবং পড়া শেষে বাড়িতে চলে আসে।

গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটায় মেয়েটি পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় আল আমিনের মনোহারী দোকানে ১০০ টাকা ভাংতি নেওয়ার জন্য যায়। পরবর্তীতে আল আমিন মেয়েকে মজা বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে পরিত্যক্ত এবতেদায়ি টিনসেড মাদরাসার ভিতর নিয়ে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করেন।

আরও জানা গেছে, এই ঘটনা কাওকে না বলার জন্য শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছাড়ার হুমকি দিয়ে শিশুটিকে আল আমিন নিজের কাছে আসতে বলে এবং বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে ডাকে।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর দেড়টায় মেয়েটি মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে আল আমিন পুনরায় মেয়েটিকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে টানাহেঁচড়া করলে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে দৌড়ে বাড়িতে এসে তার মাকে বিস্তারিত জানায়।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা বলেন, 'আমার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। শিশু মেয়েটির সঙ্গে এমন করবে ভাবতেও পারিনি। মানুষরূপী এই জানোয়ারের ফাঁসি দাবি করছি।'

মেয়েটির ভাই বলেন, 'একজন মানুষ কোনো শিশুর সঙ্গে এমন জঘন্য আচরণ করতে পারে না। আমার বোনটি সবসময় কান্নাকাটি করছে। এই নরপশুর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।'

অভিযোগের পর পরই বাড়ি থেকে পালিয়েছে অভিযুক্ত আল আমিন। তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, 'এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করা হবে এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হবে।'

কামরুজ্জামান মিন্টু/তামান্না রুপা/

জাতীয় চা দিবস আজ ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত চা-শ্রমিকরা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত চা-শ্রমিকরা
চা শ্রমিক। ছবি: সংগৃহীত

আজ শনিবার, দেশে ‘চা-শিল্পের উন্নতি, সবুজ হোক অর্থনীতি’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় চা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। তবে দেশের চা-শিল্প অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান এখনো উদ্বেগজনক। দৈনিক মজুরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও শ্রম অধিকারের ক্ষেত্রে নানা বঞ্চনার শিকার চা-শ্রমিকরা। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়েও শ্রমিকদের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। 

জানা গেছে, চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি অতীতে ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন চুক্তি ও বার্ষিক বৃদ্ধির ফলে কিছু বাগানে মজুরি কিছুটা বেড়েছে। তবে শ্রমিকদের দাবি, বর্তমান বাজারদরে এই আয় দিয়ে পরিবারের খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অত্যন্ত কঠিন।

শিক্ষার ক্ষেত্রেও চা-শ্রমিক পরিবারের সন্তানরা পিছিয়ে রয়েছে। অনেক বাগানে মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পর্যাপ্ত শিক্ষা সুবিধার অভাব রয়েছে। ফলে দারিদ্র্য ও শিক্ষাবঞ্চনার চক্র থেকে বেরিয়ে আসা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতাও প্রকট। অনেক বাগানে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, ওষুধ ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হয় না। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন সুবিধা এখনো অপর্যাপ্ত।

চট্টগ্রাম চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও কর্ণফুলী চা-বাগানের শ্রমিক বাবু চিত্ত রঞ্জন মন্টু বলেন, ‘শ্রম আইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা সব ক্ষেত্রে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হয় না। আমাদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ, ভাতা বৃদ্ধি, পেনশন সুবিধা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। অনেক বাগানে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ঠিকমতো দেওয়া হয় না। চা-শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি।’

চট্টগ্রামের নেপচুন চা-বাগারের দেশসেরা শ্রমিক জেসমিন আক্তার খবরের কাগজকে বলেন, ‘কম মজুরি দিয়ে সংসার চলে না। স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা সুবিধার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মানসম্মত শিক্ষা ও আবাসনের অভাব এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের ঘাটতি রয়েছে। শ্রমিকদের সংগঠিত হয়ে দাবি আদায়ে নানা বাধা, নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে বৈষম্য ও অতিরিক্ত ঝুঁকিতে কাজ করতে হচ্ছে। বিভিন্ন বাগানে শ্রমিকরা চা তুলতে না পারলে হাজিরাও দেওয়া হয় না। রোদ-বৃষ্টি মাড়িয়ে কাজ করতে হয় বাগানে।’ 

কর্ণফুলী চা-বাগানের শ্রমিক রিকু ত্রিপুরা জানান, শুধু মজুরি বৃদ্ধি নয়; শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আবাসন, বিশুদ্ধ পানি ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করলেই তাদের জীবনমানের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। 

রাঙ্গাপানি চা-বাগানের শ্রমিক মাধবী ত্রিপুরা বলেন, ‘আমাদের বাগানের অফিসের পাশে একটি মাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বাগানের ভেতর থেকে আমাদের শিশুরা এই স্কুলে আসতে পারে না। বাগানের মালিকরা চান, শ্রমিকের ছেলেমেয়েরাও শ্রমিক হোক। আমরা চাই, আমাদের সন্তানরা লেখাপড়া করে মানুষ হোক।’

ইস্পাহানি গ্রুপের নেপচুন চা-বাগানের ব্যবস্থাপক (ভারপ্রাপ্ত) মো. রিয়াজ উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ‘দেশের অন্যতম প্রাচীন এই শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তবে পরিস্থিতি সব জায়গায় এক নয়। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, মানবাধিকার সংস্থা ও সরকারের উদ্যোগে নানা সময়ে মজুরি বৃদ্ধি ও কল্যাণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারপরও বহু চা-শ্রমিক এখনো জীবনযাত্রার ব্যয় ও শ্রমের তুলনায় পর্যাপ্ত সুবিধা পান না।’

বাংলাদেশ টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ খবরের কাগজকে বলেন, ‘চা-বাগানের শ্রমিকরা অধিকার থেকে বঞ্চিত সেটি সঠিক নয়। তারা দৈনিক মজুরি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, রেশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও শ্রম অধিকার অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি পেয়ে থাকেন। বাগানের মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে সম্পাদিত শ্রমচুক্তি অনুযায়ী প্রতিবছর শ্রমিকদের মজুরি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ চা বোর্ডের পক্ষ থেকে বাগান মালিকদের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। পাশাপাশি শ্রমিকদের মজুরিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যেন সময়মতো বৃদ্ধি করা হয়, সে জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করার কাজ চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, চা-শ্রমিকরা দৈনিক মজুরির পাশাপাশি টাস্ক অনুযায়ী অতিরিক্ত কাজ সম্পাদন করলে চুক্তি অনুসারে অতিরিক্ত টাকা পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি সাপ্তাহিক রেশন এবং যারা রেশন গ্রহণ করেন না তারা চাষাবাদের জন্য ধানি জমি পেয়ে থাকেন।

এদিকে প্রতিবছর ২১ মে জাতীয় চা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত থাকলেও চলতি বছর ঈদুল আজহার কারণে মূল আনুষ্ঠানিকতা পিছিয়ে দিবসটির উদযাপন ২০ জুন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ২০ জুন জাতীয় চা দিবস পালন করা হচ্ছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি থাকবেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। এ ছাড়া চা-শিল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন ও চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা আলোচনা সভায় অংশ নেবেন।

বেলা ১১টায় বাণিজ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে। উদ্বোধনী পর্বের পর চা-শিল্পবিষয়ক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা শেষে দেশের চা-শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আটটি ক্যাটাগরিতে ‘জাতীয় চা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি চলতি বছর প্রথমবারের মতো শ্রেষ্ঠ বটলিফ চা কারখানা ক্যাটাগরিতে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হবে।

প্রধান অতিথি বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও সনদ তুলে দেবেন। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ চা বোর্ড ও দেশের শীর্ষস্থানীয় চা-প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে একটি চা-প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে মোট ১৭২টি চা বাগান রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের সমতল ভূমিতেও চা চাষের সম্প্রসারণ ঘটেছে। দেশের চা-শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে চায়ের রাজধানীখ্যাত শ্রীমঙ্গলে এবার ষষ্ঠবারের মতো জাতীয় চা দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।

গফরগাঁওয়ে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে মৃত্যু

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
গফরগাঁওয়ে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে মৃত্যু
মো. মাহিম শেখ । ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মো. মাহিম শেখ (১৪) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে উপজেলার পাগলা থানাধীন পাঁচবাগ ইউনিয়নের দক্ষিণ হারিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাহিম শেখ একই গ্রামের মো. নয়ন শেখের ছেলে। সে স্থানীয় পাঁচবাগ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ফাহিম ব্রাজিল সমর্থক।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বিশ্বকাপ খেলার শুরুতে বাড়ির উঠানের আম গাছে একটি কাঁচা বাঁশে ব্রাজিলের পতাকা টানায় ফাহিম। বাঁশটি হেলে পড়ায় বিকেলে ফাহিম আম গাছে উঠে। এ সময় পাশে থাকা বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/অন্তরা