ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মানিকগঞ্জে ঝোপে মিলল স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে সোনারগাঁওয়ের এমপি পুত্র সজীব আটক প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন তারেক রহমান মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’ আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ শুরু জেনেভায় সিলেটে টানা বৃষ্টি, বন্যার শঙ্কা পাউবোর বাংলাদেশের বাজেট ২০২৬-২০২৭: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা গাজীপুরে নিষিদ্ধ আ. লীগের বিক্ষোভ মিছিল প্রযুক্তির অপচ্ছায়া সড়কে ‘এআই ক্যামেরা’ ও অভিনব ডিজিটাল ডাকাতি বাবা দিবসে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: আমরা কি বাবা-মাকে হারাচ্ছি, নাকি তাদের সঙ্গে সময়ের সংযোগ হারাচ্ছি! ১০ দফা দাবিতে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের মানববন্ধন সোমবার মোহভঙ্গের বাংলাদেশ: যখন বুঝলাম সর্বনাশ হয়ে গেছে অরণ্যের অন্ত্যজ কথা বরিশালে গ্রেপ্তার এড়াতে ছাদ থেকে পড়ে আ. লীগ নেতার মৃত্যু ইরান ম্যাচে বেলজিয়ামের মূল ফোকাস নিজেদের খেলায়: গার্সিয়া কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু গোপনে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বিপ্লব দেব প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র জাহাজডুবির দুঃসহ অধ্যায় শেষে দেশে ফেরা সুনামগঞ্জে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুই উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হাইড্রোলিক হর্নের অত্যাচার ও বিপন্ন জনস্বাস্থ্য

শত বছরের ইতিহাসের সাক্ষী বাগমারার হাজারদুয়ারি প্রাসাদ

প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬, ১০:০৯ এএম
শত বছরের ইতিহাসের সাক্ষী বাগমারার হাজারদুয়ারি প্রাসাদ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বীরকুতসা গ্রামে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক ‘হাজারদুয়ারি প্রাসাদ’। ছবি: খবরের কাগজ

দেশের গ্রামবাংলায় এখনো ছড়িয়ে আছে জমিদারি আমলের নানা নিদর্শন। কালের প্রবাহে অনেক স্থাপনা হারিয়ে গেলেও কিছু স্থাপত্য আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে রয়েছে এমনই এক বিস্মিত স্থাপনা ‘হাজারদুয়ারি প্রাসাদ’। এক সময়ের দাপুটে জমিদারি ও আভিজাত্যের প্রতীক এই স্থাপনাটি এখন অনেকটাই পরিত্যক্ত। তবে ভগ্নপ্রায় অবস্থায় দাঁড়িয়ে থেকে এটি এখনো বহন করছে শত বছরের ইতিহাস ও গল্প।

যুগিপাড়া ইউনিয়নের বীরকুতসা গ্রামে অবস্থিত এই প্রাসাদটি ছিল আত্রাই অঞ্চলের প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের আবাস ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই প্রাসাদের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে জমিদার রাজা গোপাল ধাম ও তার জামাতা বিরেশ্বর ব্যানার্জির নাম। তার একমাত্র কন্যা প্রভাতী বালার বিয়ের মাধ্যমেই এই প্রাসাদের ইতিহাসের সূচনা হয়।

স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাবিয়া হক জানান, একবার জমিদারি কাজে রাজা গোপাল ধাম তীর্থভ্রমণে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন বিরেশ্বর ব্যানার্জি নামে এক স্থানীয় যুবক তার সেবা-যত্ন করেন। ওই যুবকে মুগ্ধ হন রাজা। পরে তার সঙ্গে নিজের কন্যা প্রভাতী বালাকে বিয়ে দেন। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে দেওয়া বিপুল অর্থেই বীরকুতসা গ্রামে নির্মিত হয় এই বিশাল রাজপ্রাসাদ।

ভারতের মুর্শিদাবাদের ঐতিহাসিক হাজারদুয়ারি প্রাসাদ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই এই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে প্রভাতী বালার শর্ত ছিল–দুটি প্রাসাদ যেন একই রকম না হয়। সেই শর্ত মেনেই নির্মিত হয় বীরকুতসার এই প্রাসাদ, যা ‘হাজার দরজার প্রাসাদ’ নামে পরিচিত হলেও এতে ছিল না কোনো জানালা।

প্রাসাদটি প্রায় ১৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত, যার মূল ভবন দুই একর জমির ওপর দোতলা হিসেবে নির্মিত। প্রাসাদে অসংখ্য দরজা, করিডর ও বিশাল কক্ষ রয়েছে। প্রাসাদের ভেতরে তিনটি উঠান, প্রশাসনিক দপ্তর, বিচার কক্ষ, খাজনা ঘর ও মোহাফেজখানা ছিল। অতিথিদের থাকার জন্য আলাদা কক্ষ ও বিনোদনের জন্য ছিল বিশাল নাচঘর।

প্রাসাদটিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা রোমাঞ্চকর গল্প প্রচলিত আছে। স্থানীয় বাসিন্দা উত্তম কুমার প্রামাণিক জানান, জমিদার আমলে সাধারণ মানুষ প্রাসাদের সামনে জুতা পরে বা ছাতা নিয়ে যেতে পারত না। জমিদারদের সম্মান দেখাতে দূর থেকে জুতা খুলে হেঁটে যেতে হতো। এমনকি একবার একটি পালিত হাতি রাজপুত্রকে গিলে ফেলার মতো মর্মান্তিক লোককথাও এখনো গ্রামবাসীর মুখে মুখে ফেরে।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর জমিদার পরিবার কলকাতায় চলে গেলে প্রাসাদটি পরিত্যক্ত হয়। পরে সরকারি নিয়ন্ত্রণে এলেও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে এটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ছাদ ধসে পড়ছে, দেয়ালে জন্মেছে পরগাছা।

দর্শনার্থী আতিক মাহমুদ বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। দ্রুত সংস্কার করা হলে প্রাসাদটি পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।’ প্রাসাদটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে যুগিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম মাজিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, ‘এটি ঐতিহাসিক সম্পদ। সরকার এটিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড় তুললে এলাকার অর্থনীতি ও পর্যটনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রাজশাহী আঞ্চলিক পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান জানান, প্রাসাদটি প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সংরক্ষণ ও সংস্কারের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। ভবিষ্যতে এটিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা
ছবি: সংগৃহীত

দুই দিনের সরকারি সফরে আজ মালয়েশিয়া গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠক, প্রতিনিধিদল পর্যায়ের আলোচনা এবং উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

সফরকে ঘিরে সরকার ও ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের শ্রমবাজারকেন্দ্রিক বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক এবার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা, হালাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো নতুন ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সম্পর্কে গতকাল শনিবার পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর)-সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়েও আরেকটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানের আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি, হালাল শিল্প, সেমিকন্ডাক্টরসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় গুরুত্ব পাবে। এছাড়া মালয়েশিয়ার বিভিন্ন খাতে নতুন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ, আসিয়ানে বাংলাদেশের সদস্যপদ এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সমর্থন কামনার বিষয়টিও আলোচনায় থাকবে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার মালয়েশিয়া। দেশটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার এবং একই সঙ্গে জ্বালানি, পাম অয়েল, শিল্পের কাঁচামাল ও বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, ওষুধ ও কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়লেও দুই দেশের বাণিজ্যে এখনো বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগোলে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) সভাপতি মো. আনোয়ার শহীদ বাসসকে বলেন, নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কেবল কূটনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তার মতে, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি আলোচনা পারস্পরিক আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা দেবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে জনশক্তি খাত ছাড়া বর্তমানে বড় কোনো অমীমাংসিত বিষয় নেই। তবে দীর্ঘদিন ধরে শ্রমবাজারই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা ও হালাল অর্থনীতির মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলো পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি। এবারের সফরের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আনোয়ার শহীদের ভাষ্য, দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য হলেও বাংলাদেশের রপ্তানির অংশ তুলনামূলক কম। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি কৃষিপণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল পণ্য এবং অন্যান্য মূল্য সংযোজনকারী পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো গেলে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যসেবা ও শিল্প খাতে প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানো গেলে রেমিট্যান্স আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

মালয়েশিয়াপ্রবাসী ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) সাবেক পরিচালক মাহবুব আলম শাহ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দিতে পারে। তার মতে, মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের উৎপাদনশিল্প, বিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং হালাল শিল্পে আগ্রহ রয়েছে। সফরের পর সরকারি পর্যায়ে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে সেই আগ্রহ বাস্তব বিনিয়োগে রূপ নিতে পারে।

তিনি বাসসকে বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তির চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। তাই শুধু শ্রমিক পাঠানোর পরিবর্তে প্রশিক্ষিত কর্মী, প্রকৌশলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্মী পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন রেমিট্যান্স আয় বাড়বে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদের গ্রহণযোগ্যতাও বৃদ্ধি পাবে।

মাহবুব আলম শাহ বলেন, বৈশ্বিক হালাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর এটি উপযুক্ত সময়। 

মালয়েশিয়া বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলেছে। এ খাতে প্রযুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ ও সনদায়নে সহযোগিতা জোরদার করা গেলে বাংলাদেশের খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। 

মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। যৌথ গবেষণা, কারিগরি শিক্ষা এবং শিল্পের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা গেলে তা উভয় দেশের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।

ব্যবসায়ীদের মতে, সফরের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সফর-পরবর্তী বাস্তবায়নের ওপর। এফটিএ-সংক্রান্ত আলোচনা এগিয়ে নেওয়া, বিনিয়োগ সহজীকরণ, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি সহযোগিতা এবং হালাল অর্থনীতিতে অংশীদারত্ব বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পাঁচ দশকের বেশি সময় পর এবারের সফরকে শুধু একটি আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম
দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণের ভাড়া প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন কৃষক-কৃষাণীরা। 

রবিবার (২১ জুন) দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার শতাধিক কৃষক অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতি এবং কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অবিলম্বে আলু সংরক্ষণের ভাড়া কমিয়ে প্রতি কেজি ৫ টাকা নির্ধারণ না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বক্তারা বলেন, ‘চলতি মৌসুমে প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে কৃষকদের খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৪ টাকা। এর মধ্যে আগাম বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষকের খেতেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আলু নষ্ট হয়ে গেছে। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পরও বাজারে আলুর ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা লোকসানের মুখে পড়েছেন। তার ওপর কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণের ভাড়া আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বাড়ানো হয়েছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষক মো. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘আমরা অনেক কষ্ট করে আলু চাষ করি। সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের খরচ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এখন যদি কোল্ডস্টোরেজে প্রতি কেজিতে ৮ টাকা করে ভাড়া দিতে হয়, তাহলে কৃষকের লাভ তো দূরের কথা, মূলধনই উঠে আসবে না। সরকার যেন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে ভাড়া ৫ টাকায় নামিয়ে আনে।’

কৃষক আবু সাঈদ বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে আমার কয়েক বিঘা জমির আলু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপরও কিছু আলু সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোল্ডস্টোরেজের ভাড়া এবং বস্তার অতিরিক্ত দাম আমাদের জন্য নতুন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে যে বস্তা ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় পাওয়া যেত, এখন সেটির জন্য ১২০ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে অনেক কৃষক আগামীতে আলু চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।’

কৃষক নেতা ইস্কান্দার বলেন, ‘দুই বছর আগেও কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণের ভাড়া ছিল প্রতি কেজি ৫ টাকার কম। বর্তমানে সেই ভাড়া বাড়িয়ে ৮ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য অসহনীয়। একই সঙ্গে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত বস্তার দামও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’

কৃষক নেতা ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের টিকিয়ে রাখা জরুরি। অথচ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ ব্যয়ের চাপে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি প্রতি কেজি ৫ টাকা নির্ধারণ করতে হবে এবং বস্তার মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

সুলতান/রিফাত/

চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫১ পিএম
চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

চট্টগ্রাম নগরের বিআরবি কলোনি এলাকায় চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার হয়ে মোহাম্মদ জয়নাল (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জয়নাল ডবলমুরিং থানার ধনিয়া পাড়া এলাকার মৃত দুলালের ছেলে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ সকাল প্রায় ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এ ঘটনায় এখনও থানায় মামলা দায়ের হয়নি। চোর সন্দেহে গণপিটুনি বা নির্যাতনের ঘটনা আইনবহির্ভূত। এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মরদেহের শরীরে বিভিন্ন ধরণের আধাতের চিহ্ন রয়েছে। ”

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। মরদেহের ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

এসএন/

 

শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক
ছবি: খবরের কাগজ

শরীয়তপুরে পাঁচ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ইমরান ছৈয়ালের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা ওই ব্যক্তিকে আটক শেষে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

রবিবার (২১ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শরীয়তপুর পৌরসভার ধানুকা এলাকার দারুল আরকান ইবতেদায়ী মাদরাসায় তাকে আটকে রাখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পালং মডেল থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়, ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইমরান ছৈয়াল দারুল আরকান ইবতেদায়ী মাদরাসার অফিস সহকারীর পাশাপাশি শিশুদের কুরআন ও বাংলা পড়াতেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বেশ কয়েজন শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন শেষে ভয়ভীতি দেখাতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি এক শিশুকে যৌন নিপীড়ন করলে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের জানায়। তবে তারা শিশুটির কথায় প্রথমদিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার মাদ্রাসায় শিশুটির সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের পর বিষয়টি প্রথমে গোপন থাকলেও পরে শিশুটি পরিবারকে জানায়। এরপর রবিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একই ধরনের আচরণের শিকার আরও কয়েকজন শিশু থাকতে পারে, তবে সামাজিক কারণে অনেকেই বিষয়টি প্রকাশ করেননি।

এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, অভিযুক্তকে স্থানীয়দের কাছ থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিধান মজুমদার অনি/এসএন

বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম
বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে একটি শতবর্ষী কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। 

রবিবার(২১ জুন) সকালের দিকে কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের কামারহাটি দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে কালী ও শীব প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। 

তবে পুলিশের ভাষ্য ঘটনাটি একটি পাগলী ঘটিয়েছে। খবর পেয়ে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান এবং সদ্য যোগদানকারী বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ,স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে, টিনের ছাউনী ও বেড়া দেওয়া ও পারিবারিক শতবর্ষের পুরনো মন্দিরটির সামনে ফাঁকা। অজ্ঞাত দুর্বিত্তরা মন্দিরে প্রবেশ করে কালি প্রতিমার মাথা ভেঙে বাঁকা করে ফেলে এবং শীবের মাথা ভেঙে নিয়ে যায়। রবিবার সকাল এগারোটা দিকে সঞ্জয় রায়ের ছেলে সূর্য রায় মন্দিরের সামনে জাম গাছ থেকে জাম পেড়ে মন্দিরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিমা ভাঙা দেখে ঘটনাটি বাড়িতে গিয়ে জানায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়।

লিটন রায়ের স্ত্রী রীতা রায় জানান, ছেলের কাছে ঘটনাটি শুনতে পেয়ে মন্দিরে এসে দেখি শীব ও কালী প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে। মায়ের প্রতিমা ভাঙা দেখে মনে খুব কষ্ট লেগেছে। খারাপ লেগেছে।

বাড়ীর প্রবীণ গৃহকর্ত্রী অঞ্জলি রানী রায় বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা মন্দিরে প্রবেশ করে মহাদেবের মাথা ভেঙে নিয়ে গেছে ও কালী প্রতিমার মাথা ভেঙে কালী প্রতিমার মাথা বাঁকা করে রেখে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘রবিবার সকালে আমার নাতি সূর্য রায় মন্দিরে গিয়ে প্রতিমা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পায়। পরে বিষয়টি সবাইকে জানানো হয়। এটি আমাদের পারিবারিক মন্দির। আমার স্বামী মৃত লক্ষ্মণ রায়ের পূর্বপুরুষরা মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এত বছর ধরে মন্দিরে কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি।’

এ ব্যাপারে সঞ্জয় রায় বলেন, ‘পাগলীকে ধরার পর থানা পুলিশ সাতৈর বাজারের ইলেকট্রনিক দোকানদার রাসেলের জিন্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’ 

সাতৈর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাফিউল আলম মিন্টু বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রীয় বিধিবিধান মেনে প্রতিমাসহ মন্দিরের সংস্কার কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি মন্দিরে প্রবেশ করে দুটি ডাব ও কালী-শিব প্রতিমা ভাংচুর করেছে। পরে সেই পাগলীকে স্থানীয়রা আটক করেছে।’ 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলি। পরে আশপাশের সড়কে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে শনাক্ত করা হয়। পরে গ্রাম পুলিশ সাতৈর বাজার থেকে মন্দির থেকে চুরি হওয়া নারকেলসহ তাকে আটক করে।’

প্রসঙ্গত, বুধবার (১৭ জুন) রাতের কোনো এক সময়ে দুস্কৃতিকারীরা উপজেলার মেঘচামী ইউনিয়নের বামুন্দী সার্বজনীন কালি মন্দিরে শিবের মাথা ভেঙ্গে ফেলে। এর আগে গত সোমবার রাতে বামুন্দি বাজারে মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করার ঘটনা ঘটে।

নয়ন/রিফাত/