ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ ‘তুই আসামি, চোখ নামিয়ে কথা বল’—ওসির বিরুদ্ধে নাঈম হাসানের অভিযোগ প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সোনারগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিক হবে: শিক্ষামন্ত্রী জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ বিআইপির আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে জয়া টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড পরকালের আয়নায় আপনার কর্মফল দেখেছেন কি? সাংবাদিকতায় দলীয় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন: মোস্তফা কামাল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী ফ্যাশনে বিশ্বকাপ মাদক কারবারে হাজার কোটিপতির উত্থান, দাবি ভূমিমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’ ‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল ঘরেই মিলবে কৃত্রিম দিনের আলো চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী বিদেশি ঋণনির্ভর ও লুটপাটের বাজেট জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে না: গোলাম পরওয়ার শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক
Nagad desktop

রায়পুরে ধুঁকছে ঐতিহ্যবাহী মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৬ এএম
রায়পুরে ধুঁকছে ঐতিহ্যবাহী মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র
রায়পুর মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মূল গেট। ছবি: খবরের কাগজ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৫৪ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি একসময় এশিয়ার বৃহত্তম হিসেবে পরিচিত ছিল। আশির দশকে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটি দেশের মাছের পোনা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। তবে দুই দশক না পেরোতেই অবহেলা, জনবলসংকট, সংস্কারকাজে অনিয়মের অভিযোগসহ নানা সমস্যায় কেন্দ্রটি এখন ধ্বংসের মুখে।

তবে বর্তমানে কেন্দ্রটির ৮৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর ৬৩টি পদই শূন্য। মাত্র ২১ জন জনবল দিয়ে চলছে এ কেন্দ্রটি। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ সমস্যাসহ নানা সংকটে উৎপাদন মৌসুমেও রেণু ও পোনা উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত রেণু ও পোনা উৎপাদনের মৌসুম। কিন্তু জনবল ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে মাছ চাষিদের চাহিদার অন্তত ৩০ শতাংশ রেণু ও পোনা প্রজনন কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে এই কেন্দ্রটি মাছ উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখতে পারত।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ৮৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে আছেন মাত্র ২১ জন। মোট জনবলের মধ্যে দুজন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ছয়জন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা থাকার কথা। কিন্তু কমর্রত আছে মাত্র দুজন। এছাড়া মৎস্য সম্প্রসারণ সুপারভাইজার, গবেষণাগার সহকারী, ফিসারম্যান ও হ্যাচারি গার্ডের বেশিরভাগ পদও খালি পড়ে আছে। যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই চলতি বছরে অবসর চলে যাবেন।

কর্মকর্তাদের জন্য সাতটি আবাসিক ভবন রয়েছে। লোকবল না থাকায় চার তলার একটি ও এক তলার তিনটি ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। জনবল না থাকায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে গেছে।

সংস্কার না হওয়ায় কেন্দ্রের মোট ৬৯টি পুকুরের মধ্যে ৩০টি পুকুর কয়েক বছর ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী। পুকুরের পাড়গুলো ভেঙে গেছে। কিছু পুকুর ভরাট হয়ে মাঠে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ সমস্যাও একটা বড় বাধা। লো-ভোল্টেজের কারণে দুটি গভীর নলকূপ দিয়ে প্রয়োজনীয় পানি ওঠানো যাচ্ছে না। পানির অভাবে এ বছর প্রতিটি সাত থেকে আট কেজি ওজনের দুই শতাধিক ডিমওয়ালা মাছ (ব্রুড ফিশ) মারা গেছে।

এ ছাড়া পাশের ডাকাতিয়া নদীর সংযোগ খালের দূষিত পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে উৎপাদিত রেণুর মান ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রজনন কেন্দ্রটি কাতল, রুই, মৃগেল, কালবাউশ, গ্রাসকার্প, সিলভার কার্প, বিগহেড কার্প, থাই সরপুঁটি, কমন কার্প, মিরর কার্প ও গিফট তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির পোনা উৎপাদন করে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়ায় চাষিরা প্রয়োজনীয় পোনা পাচ্ছেন না।

জানা গেছে, চাঁদপুর সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৪২৮ হেক্টর বদ্ধ জলাশয়, ২ হাজার হেক্টর নদী এবং বিভিন্ন খালে রুই জাতীয় মাছের রেণু ও পোনা সরবরাহের লক্ষ্যেই এই কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। ১৯৭৯ সালে এর কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮১ সালে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু হয়। উৎপাদিত রেণু ও পোনার মান ভালো হওয়ায় অল্প সময়েই এটি সারা দেশে পরিচিতি পায়। ফলে এখানে উৎপাদিত পোনার চাহিদা দ্রুত বেড়ে যায়। তবে এক দশক পার না হতেই নানা সংকট দেখা দেয়।

এদিকে কেন্দ্রটির উন্নয়নে প্রায় তিন মাস ধরে পুকুর সংস্কারকাজ চলছে। মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ২১টি পুকুর সংস্কার করা হচ্ছে। তবে এই কাজেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের কংকর ব্যবহার করে রাস্তা সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। যদিও ঠিকাদার জিয়ারুল হক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, ‘বেসরকারি হ্যাচারিগুলোর পোনার মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। এ জন্য সবাই সরকারি হ্যাচারির দিকে ঝুঁকছেন। আশির দশকে সরব ছিল এই হ্যাচারি। পর্যটকরাও এখানে আসতেন। যথাযথ নজর দিলে এবং জনবল সংকট দূর করলে কেন্দ্রটির সম্ভাবনা এখনো অনেক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে এটি সমাধানের চেষ্টা করব।’

রায়পুর মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রের উপপরিচালক অজিত কুমার পাল বলেন, শুরুতে এটি এশিয়ার বৃহত্তম হ্যাচারি ছিল। কিন্তু এখন এটি না সংকটে জর্জরিত। সংকটগুলো না থাকলে এ বছর চাহিদা অনুযায়ী পোনা উৎপাদন সম্ভব হতো। 

তিনি বলেন, এরই মধ্যে সমস্যাগুলো লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিন মাস ধরে কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নয়নকাজ চলছে। তবে কাজ করতে গেলে কিছু অনিয়ম হতে পারে। তবুও ঠিকাদারকে সঠিকভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে কিশোরীসহ একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। 

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত দক্ষিন কদমতলী এলাকায় ডিএনএ লেক থেকে একে একে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার মনোহরদী এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রাশেদুজ্জামান, নড়াইলের কালিয়া থানার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা আকরাম মিয়ার ছেলে মো. গালিব এবং মেয়ে সুরাইয়া আক্তার। তারা সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ কদমতলী এলাকার অ্যাডভোকেট জালাল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন।

প্রতক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যরা জানায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শ্যালক ও শালিকাকে নিয়ে গোসল করতে ডিএনপি খালে নামে দুলাভাই রাশেদুজ্জামান। প্রায় আধঘন্টা পর তাদের কোন খোঁজ খবর না পাওয়ায় তাদের খোঁজাখুজি শুরু করেন পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে খালে তল্লাশি শুরু করে।

উপ-সহকারি পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, খালে তিনঘন্টা ব্যাপী তল্লাশি চালিয়ে প্রথমে দুলাভাই রাশেদুজ্জামান ও শ্যালক গালিবের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে আরও এক ঘন্টা পর শ্যালিকা সুরাইয়া আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরসহ পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

বিল্লাল হোসাইন/রিফাত/

‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন
অতিথিদের কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করছেন সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেট নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতে সম্ভাবনাময় পরিবর্তনের জন্য সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগকে পরিবেশবাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে 'সবুজ সাথী’ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সিলেট নগরীর মিরবক্সটুলায় রয়েল মার্ক হোটেলের সম্মেলনকক্ষে এক অনুষ্ঠানে সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) প্রবর্তিত এই সম্মাননা সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীনের নেতৃত্বাধীন দপ্তরকে।

সম্মাননা প্রবর্তনকারী সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এই সম্মাননা প্রবর্তন করা হয়েছে। দেশে প্রতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তি উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে ‘সবুজ সাথী’ দেওয়া হয়। সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার দৃষ্টান্ত সারা দেশের মধ্যে অনন্য বিবেচনায় এবং এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানের একাগ্রতায় সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন। তার কার্যক্রম নিয়ে গত ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে খবরের কাগজে ‘একাগ্র একলিম, পরিচ্ছন্ন সিলেট’ শিরোনামে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল।

ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেট শাখার আহ্বায়ক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব শরীফ জামিল, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই সিলেট সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। নাহিদা খান সুর্মির সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার ও  ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেট শাখারবসদস্য সচিব আব্দুল করিম চৌধুরী কিম। আলোচনায় অংশ নেন প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল অ্যাসিয়েশনের সভাপতি ডা. নাসিম আহমেদ,  প্রবাসী বিনিয়োগকারী উইন্ডসর হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী  ব্যারিস্টার মইনুল ইসলাম,  শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী, ড্যাব সভাপতি  ডা. শামিমুর রহমান,  বারাকা পাওয়ার লিমিটেড ও কুইন্স হসপিটালের  ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম আহমেদ চৌধুরী, লেখক ও গবেষক মিহির কান্তি চৌধুরী,  শ্রীহট্ট আর্কিটেকের স্বত্ত্বাধীকারী  মিনহাজুল আবেদিন চৌধুরী ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফাদার জোসেফ গোমেজ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘১০ লাখ লোকের বসবাস এই শহরে। ইতিহাস ঐতিহ্য ও পযর্টনের শহর হিসেবে সিলেটের পরিচিতি দেশ বিদেশে সর্বত্র আছে। তাই এই সুনাম ধরে রাখতে হলে সিলেট শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আর এই পরিচ্ছন্নতার কাজটা করে যাচ্ছে সিলেট সিটি করপোরেশন। সত্যি কথা বলতে সিসিকের বর্জ্য বিভাগে যারা কাজ করেন তাদের বেতনই আমরা ঠিকভাবে দিতে পারি না। কারণ সিসিকের সেই পরিমান আয় নেই। নগরীর যে অংশ বর্ধিত হয়েছে সেই অংশে এখনো হোল্ডিং ট্যাক্সের আওতায় আনা যায়নি নানা কারণে। কিন্তু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুফল তারাও পাচ্ছেন।  এত কিছুর মাঝেও আমাদের বর্জ্য বিভাগের দায়িত্বশীল অফিসার ও  কর্মীরা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।  আমাদের প্রধানমন্ত্রী আমাকে সিসিকের দায়িত্ব দেওয়ার পর বলেছেন জনগণের জন্য কাজ করতে তিনি সার্বিক সহযোগিতা করবেন। তার দিকনির্দেশনা মতই আমি কাজ করে যাচ্ছি।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব শরীফ জামিল এবারের বাজেটে পরিবেশ ও নদীর কথা চিন্তা করে বরাদ্দ রাখার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো বাজেটে দেশের পরিবেশের কথা চিন্তা করে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কতটুকু রাখা হয়েছে সেই তর্কে না গিয়ে সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ অন্তত তিনি তো দেশের পরিবেশ প্রতিবেশের কথা চিন্তায় রেখেছেন।’

‘সবুজ সাথী’ সম্মাননা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত চার বছর ধরে আমরা এই সসম্মাননা দিয়ে আসছি। আমার সবসময়ই সিটি করপোরেশন,  পৌরসভাসহ  বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সমালোচনাই করে থাকি।  তবে এবার যখন সম্মাননার জন্য সিলেট সিটি করপোরেশনের নাম এলো তখন মনে হয়েছে খারপ বা ভুল কাজের সমালোচনা করা যেমন জররি, তেমনি ভালো কাজের জন্য সম্মাননা জানানোও জরুরি। এতে যারা কাজ করেন তাদের কর্মস্পৃহা বাড়ে। তবে আমি সিসিক কতৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাবো, আপনার যদি সিলেট নগরীর পরিবেশ-প্রতিবেশ ভালো রাখতে চান, তাহলে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করে এসব পরিকল্পনার কাজে আমাদের সম্পৃক্ত করুন। তাহলে সিলেট নগরীর বাসিন্দাদের জন্য সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা যাবে।’

‘সবুজ সাথী’ সম্মাননা গ্রহণের পর সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন বলেন, ‘এই অর্জন শুধু আমাদের নয়, সমগ্র সিলেট নগরবাসীর। সবুজ সাথী সম্মাননা সিলেট মহানগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরও ইতিবাচক ও সম্ভাবনাময় পরিবর্তন আনবে। এই সম্মাননা গ্রহণ করতে পেরে আমরা গর্বিত ও অনুপ্রাণিত। এই স্বীকৃতি কেবল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নয়; এটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সিলেট নগর গড়ে তোলার অভিযাত্রায় সম্পৃক্ত সকল নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টারই স্বীকৃতি।’

এসএন/

 

রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক
ছবি: খবরের কাগজ

রংপুরের এক ফুটবল সমর্থক অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করেছেন। এক মণ দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দল ত্যাগ করে আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রংপুর টাউন হলে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

ফুটবলপ্রেমী ওই যুবকের নাম আবু হুজাইফা। তিনি রংপুরের পূর্ব গেট মেডিকেল পাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি রংপুরের একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজে বিএসসি ইন নার্সিংয়ের শিক্ষার্থী।

আবু হুজাইফা বলেন, ‘আমার সময়ে ব্রাজিলকে কোনো শিরোপা জিততে দেখিনি। তবে যখনই ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার খেলা দেখেছি, আর্জেন্টিনাকেই সফল হতে দেখেছি। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের স্পিরিট আমাকে মুগ্ধ করেছে। আগে জানতাম না যে আর্জেন্টিনা এত শক্তিশালী দল। তাই ব্রাজিল ত্যাগ করে আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আমার স্বপ্ন, ‘আর্জেন্টিনা প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ব্যর্থতা দেখেছি। ২০১৮ সালেও দেখেছি তারা সফল হতে পারেনি। ২০২২ সালেও শিরোপা জিততে পারেনি। শুনেছি ব্রাজিল পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে, কিন্তু আমার জীবদ্দশায় তাদের শিরোপা জিততে দেখিনি। তবে ব্রাজিলকে সাত গোল খেতে দেখেছি।’

দুধ দিয়ে গোসল করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলে ব্রাজিলের গায়ে গন্ধ। তাই দুধ দিয়ে গোসল করে সেই গন্ধ দূর করে আর্জেন্টিনায় চলে এলাম।’

আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাব রংপুরের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন, ‘আর্জেন্টিনা একটি শক্তিশালী ও জনপ্রিয় দল। রংপুরের এক ব্রাজিল সমর্থকের দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাবে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হলো। আমরা আশা করি, সময়ের সঙ্গে আরও অনেক ব্রাজিল সমর্থক আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাবে যোগ দেবেন।’

সেলিম সরকার/রিফাত/

কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রিকশাচালককে গণপিটুনি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রিকশাচালককে গণপিটুনি
ধর্ষক মীর ফারুক। ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বলিদাপাড়া গ্রামে প্রতিবেশী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মীর ফারুক (৪০) নামের এক রিকশাচালককে গণপিটুনি নিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে। 

অভিযুক্ত মীর ফারুক ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শহরের বলিদাপাড়া এলাকায় একটি ভবনের সাবলেট বাসায় বেশ কিছুদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন মীর ফারুক। শুক্রবার রাতে তাদের সঙ্গে সাবলেটে বসবাস করা ওই প্রতিবেশীর ১১ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন ফারুক।

শনিবার সকালে শিশুটি এ ঘটনাটি তার মায়ের কাছে জানায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত মীর ফারুককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কালীগঞ্জ উপজেলা স্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। 

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহফুজুর রহমান/এসএন 

সৌদি কারাগারে মৃত্যু, ২৮ দিন পর দেশে মরদেহ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
সৌদি কারাগারে মৃত্যু, ২৮ দিন পর দেশে মরদেহ
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরব কারাগারে থাকা এসি বিস্ফোরণে এক যুবকের মৃত্যুর ২৮দিন পর কিশোরগঞ্জের নিজ বাড়িতে মরদেহ আনা হয়েছে। কারাগারে নিহত সৌদি প্রবাসী শাকিল (২৮) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাতিয়ারচর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ওমর ফারুকের ছেলে। কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বস্ত্র,পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের সহযোগিতায় সরকারি উদ্যোগে তার মরদেহ দেশে আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১২টার দিকে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে শাকিলের মরদেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। পরে ভোর ৫টার দিকে মরদেহটি কিশোরগঞ্জের নিজ বাড়িতে আনা হয়।

নিহতের চাচা বকুল মেম্বার বলেন, ২০১৯ সালে অভাব-অনটনের সংসারের হাল ধরতে প্রায় ৪ লাখ টাকা ঋণ করে ঢাকার বনানী এলাকার আলতাব রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে যান শাকিল। সেখানে নিয়োগকর্তার সঙ্গে আকামা (কাজের অনুমতিপত্র) সংক্রান্ত জটিলতায় জড়িয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন তিনি। পরে অবৈধভাবে কাজ করতে গিয়ে সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন এবং কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগার থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শাকিল দেশে ফেরার জন্য জামিন করাতে প্রায় ২ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানান। পরে তার বাবা আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে ওই টাকা পাঠান।

পরিবারের সদস্যরা জানান, কারাগারে থাকা অবস্থায় শাকিল শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। ফোনে তিনি পরিবারকে জানিয়েছিলেন জেলখানায় কষ্টে থাকার কথা। এছাড়াও শরীর শুকিয়ে যাওয়া এবং জেলের খাবার খেতে না পারার কথাও বলেছিলেন । জেল হাজত থেকে আইনিভাবে দেশে ফিরিয়ে আনার কথাও বলেছিলেন কিন্তু শেষে ফিরতে হয়েছে লাশ হয়ে।

গত ১৫ মে কারাগারে থাকা অবস্থায় একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্র বিস্ফোরিত হয়ে ধোঁয়া সৃষ্টি হলে তিনি শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

পরিবার জানায়, মরদেহ দেশে আনতে প্রায় ৮ হাজার সৌদি রিয়াল প্রয়োজন হবে বলে তাদের জানানো হয়েছিল। এ অবস্থায় বিষয়টি কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফের নজরে আনা হলে তিনি প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমকে অবহিত করেন। পরে প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতায় মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়।

শাকিলের বাবা ওমর ফারুক বলেন, আমার ছেলে ছিল সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এখন কীভাবে সংসার চলবে জানি না।আমার ছেলে শেষ পর্যন্ত জীবিত দেশে ফিরতে পারলো না। আমার সব শেষ হয়ে গেছে।

শাকিলের ফুফু মোছা. চায়না বেগম বলেন, মৃত্যুর প্রায় ১০ দিন আগে তার সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল। তখন শাকিল জামিন ও আইনি প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরার জন্য অর্থের প্রয়োজনের কথা জানিয়েছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা সৌদিতে আইনজীবীর কাছে পাঠানো হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।

তাসলিমা আক্তার মিতু/এসএন