ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কুড়িগ্রামে ট্রাক উল্টে রেলপথে, ভোগান্তিতে ট্রেনের যাত্রীরা বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে দর্শকদের দুয়োধ্বনি হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৮ হাজার ৬৩৯ জন বাংলাদেশি লৌহজংয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা আদিতমারীতে শিশু নন্দিনী হত্যার দায় স্বীকার পাওনা টাকার বিরোধেই খুন হন আরিফ আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম ইরানের সঙ্গে চুক্তির ১৪ দফা প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র আলফাডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১ জনের মৃত্যু, আহত ৩ নতুন দায়িত্বে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. জাহিদ চট্টগ্রামের অপহরণকারীদের হুমকিমূলক চিরকুট,নিখোঁজ শিশু উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কলম্বিয়ার শুভ সূচনা ধোবাউড়ায় শিশু নিছামনি ধর্ষণ-হত্যার বর্ণনা দিলেন ৪ ধর্ষক গ্রাহক আস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবায় সাফল্যের চূড়ায় পূবালী ব্যাংক ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত রাসুল (সা.)-এর রাতের অভ্যাস কি ছিল? মেসি-দ্যুতিতে রঙিন বিশ্ব ভুল পরিকল্পনায় ঝুলে গেল মন্ত্রীদের জন্য মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প মেসিতে মাতাল বিশ্ব বাঁশখালীতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু কুমিল্লায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ বিশ্বকাপে অভিষেকেই বিরল ভৌগোলিক কৃতিত্ব উজবেকিস্তানের ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান শেষ মুহূর্তের ইরেনকির গোলে পানামাকে হারিয়ে ঘানার জয়; খেলোয়াড়দের রেটিং দূরত্ব হাজার মাইল, উৎসব ক্যাম্পাসে তিস্তায় আরেকটি ব্যারেজ নির্মাণ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে পঞ্চম ব্যালন ডি’অর বিজয়ী হলেন ফাবিও ক্যানাভারো বিশেষ ‘লেগাসি’ ব্যাজ পরে মাঠে নামলেন রোনালদো, মেসি ও মদ্রিচ গ্রুপসেরার দৌড়ে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই শিশুদের স্বপ্নের কথা শুনলেন জাইমা রহমান
Nagad desktop

যশোরে চালককে হত্যা করে রিকশা ছিনতাই

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১২:০২ পিএম
আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
যশোরে চালককে হত্যা করে রিকশা ছিনতাই

যশোরে আলমগীর হোসেন (৫৫) নামে রিকশাচালককে হত্যা করে তার ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

রবিবার (১৫ মার্চ) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কানাইতলা ভাটপাড়া প্রাইম ইটভাটার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন সদর উপজেলার চাঁচড়া মধ্যপাড়া বড় মাদরাসা এলাকার মৃত রজব আলী দরবেশের ছেলে। তিনি ঝুমঝুমপুর শ্মশানসংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় কয়েকজন দুর্বৃত্ত যাত্রী সেজে উঠে তাকে নিয়ে যান প্রাইম ইটভাটার একটি নির্জন সড়কে। সেখানে তাকে ভারি বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করলে আলমগীর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তখন ছিনতাইকারীরা তার রিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গোলাম রাব্বি নামে এক পথচারী তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

গোলাম রাব্বি জানান, মুমূর্ষু অবস্থায় আলমগীর হোসেন তাকে জানিয়েছিলেন যে, দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর করে তার রিকশাটি নিয়ে গেছে।

যশোর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হাসিব আল হাসান খবরের কাগজকে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। 

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রিকশাটি ছিনতাই করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও ছিনতাই হওয়া রিকশাটি উদ্ধারে অভিযান চলছে।

তুহিন/অন্তরা

পাওনা টাকার বিরোধেই খুন হন আরিফ

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৪০ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১১:২১ এএম
পাওনা টাকার বিরোধেই খুন হন আরিফ
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলমন্দি এলাকার আলোচিত আরিফ হোসেন (৩৭) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরেই আরিফকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি নুর মোহাম্মদ (৩০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরও কয়েকজনের নাম বলেছেন।

মুন্সীগঞ্জ পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলমন্দি এলাকার বাসিন্দা আরিফ হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার চরকিশোরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের ৪৯ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধ ছিল। বিরোধের জেরে গত ১৩ জুন রাতে নুর মোহাম্মদ তার সহযোগীদের নিয়ে আরিফকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

তদন্তে জানা যায়, ঘটনার রাতে নুর মোহাম্মদ কৌশলে আরিফকে ডেকে নেন। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সহযোগীদের সহায়তায় তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ ঘটনাস্থলের পাশে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যায়।

পরদিন ১৪ জুন ভোর আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের শিলমন্দি এলাকার একটি ঘাসের জমিতে আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের মা ফরিদা বেগম বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলাটি অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। তদন্তকারী দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে।

তদন্তের একপর্যায়ে গত ১৬ জুন রাত ৮টা ৪০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর এলাকা থেকে প্রধান আসামি নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে তার ভাই আকাশকেও আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে নুর মোহাম্মদ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে তিনি পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তুলে ধরে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনায় অংশ নেওয়া অন্যান্য সহযোগীদের নামও প্রকাশ করেন।

নুর মোহাম্মদ ও আকাশ গ্রেপ্তার হলেও বাকি আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পিবিআই।

মঈনুদ্দীন সুমন/খাদিজা রুমি/

চট্টগ্রামের অপহরণকারীদের হুমকিমূলক চিরকুট,নিখোঁজ শিশু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:২৩ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৪০ এএম
চট্টগ্রামের অপহরণকারীদের হুমকিমূলক চিরকুট,নিখোঁজ শিশু
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দার খীল এলাকার পূর্বপাড়া গ্রামে ঘর থেকে বের হয়ে খেলতে গিয়েছিল পাঁচ বছরের শিশু জায়হান। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরিবারের উদ্বেগ ধীরে ধীরে রূপ নেয় আতঙ্কে। আর সেই আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে দেয় একটি হাতে লেখা চিঠি, যেখানে শিশুটিকে অপহরণের দাবি করে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়েছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন)  দুপুরে ঘটে এ ঘটনা। অপহরণ করা শিশু মো. জায়হান স্থানীয় গ্যারেজ ব্যবসায়ী শাহজাহানের একমাত্র সন্তান।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার দুপুরেও বাড়ির সামনের রাস্তায় খেলাধুলা করছিল জায়হান। দুপুর ১২টার পর তাকে আর দেখা না গেলে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আশেপাশের বাড়ি, আত্মীয়-স্বজনের বাসাসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও কোনো সন্ধান মেলেনি। এমনকি শিশুটি পুকুরে পড়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাড়ির সামনের পুকুরেও ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু কোথাও তার হদিস পাওয়া যায়নি।

সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন মা-বাবা। একপর্যায়ে বিষয়টি পটিয়া থানাকে জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিশুটির বাড়িতে ভিড় করেন স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিকেল তিনটার দিকে ঘটে নতুন ঘটনা। পরিবারের সদস্যরা ঘরের সামনের একটি কক্ষের বিছানায় একটি হাতে লেখা চিঠি দেখতে পান। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িতে মানুষের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে অজ্ঞাত কেউ চিঠিটি সেখানে রেখে যায়।

চিঠিতে দাবি করা হয়, শিশুটি অপহরণকারীদের হেফাজতে রয়েছে। তাকে জীবিত ফিরে পেতে হলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। পাশাপাশি পুলিশ বা অন্য কাউকে জানালে শিশুটির ক্ষতি করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি পরিবারের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

চিঠি পাওয়ার পর পরিবার ও এলাকাবাসী নিশ্চিত হন যে এটি পরিকল্পিত অপহরণের ঘটনা। খবর পেয়ে পটিয়া থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে চিঠিসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে এবং তদন্ত শুরু করে।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর একাধিক টিম একযোগে কাজ করছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া চিঠিটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপহরণকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

একমাত্র সন্তানকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় দিন কাটছে শাহজাহান ও তার পরিবারের। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং শিশুটির দ্রুত ও নিরাপদ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রাফিউল আকরাম আলভী/খাদিজা রুমি/

ধোবাউড়ায় শিশু নিছামনি ধর্ষণ-হত্যার বর্ণনা দিলেন ৪ ধর্ষক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:০৫ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
ধোবাউড়ায় শিশু নিছামনি ধর্ষণ-হত্যার বর্ণনা দিলেন ৪ ধর্ষক
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছর বয়সী শিশু নিছামনিকে গণধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ময়মনসিংহ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তনয় সাহার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন দুই আসামি। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

আগের দিন মঙ্গলবার আদালতে আরও দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

চার আসামি হলেন- ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের টাঙ্গাহাটি গ্রামের আরিফ মিয়া (১৯),  রাকিব মিয়া (১৯),  মারুফ মিয়া (১৯) ও একই গ্রামের সায়েম (১৭)।

এর মধ্যে বুধবার মারুফ ও সায়েম এবং আরিফ ও রাকিব মঙ্গলবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গ্রেপ্তার চার আসামিদের স্বীকারোক্তিতে ওঠে আসে নৃশংসতার লোমহর্ষক চিত্র। আসামিরা বলেন, নিছামনিকে কদম ফুল দেওয়ার কথা বলে ডেকে নির্জনস্থানে নিয়ে চারজন মিলে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে কংশ নদীতে ফেলে দেন।

ময়মনসিংহের আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, কঠোর নিরাপত্তায় তাদের আদালতে আনা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ জুন) বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশ থেকে শিশু নিশামনি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৬০০ গজ দূরে কংস নদীর একটি বাঁকে স্থানীয় লোকজন একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। রাতেই দাফনের প্রস্তুতি হিসেবে মরদেহ গোসল করানোর সময় শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও স্পর্শকাতর স্থানে ক্ষত দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এতে তাদের সন্দেহ হলে দাফনের প্রস্তুতি বন্ধ রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। 

পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা পর রাতে শিশুটির দাফন করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

শিশুটির বাবা রাজু মিয়া বলেন, আমার নিষ্পাপ শিশুকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর নদীতে ভাসিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুধু আমার ছোট্ট শিশু হত্যার বিচার চাই। অভিযুক্তদের ফাঁসি চাই।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহের সহকারী পুলিশ সুপার (হালুয়াঘাট সার্কেল) মিজানুর রহমান বলেন, তদন্তে শিশুটির ওপর সংঘবদ্ধ নির্যাতন ও হত্যার গুরুত্বপূর্ণ আলামত পাওয়া গেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দ্রুত আদালতে চার্জশিট জমা দেবেন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/খাদিজা রুমি/

কুমিল্লায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
কুমিল্লায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবব্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গত সোমবার সিএনজিচালিত অটোরিকশায় খালার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তরা তাকে ধর্ষণ করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরীর মা থানায় মামলা করেছেন।

বুধবার (১৭ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাঙ্গালকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।

গ্রেপ্তাররা হলেন, নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের অষ্টগ্রাম মোল্লাবাড়ির অটোরিকশাচালক রিয়াজ মোল্লা (২৬) ও একই গ্রামের ফয়েজ আহমেদ (২৬)।

ভিকটিম কিশোরী ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করলেও পরে লেখাপড়া বিরতি দিয়ে সে মায়ের সঙ্গে ফেনীতে বসবাস করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে ওসি জানান, গত সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে ওই কিশোরী তার নাঙ্গলকোটে খালার বাড়ি থেকে ফেনীর বাসার উদ্দেশ্যে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রওনা দেয়। একপর্যায়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি একই ইউনিয়নের বোড়রা গ্রামে পৌঁছলে এর চালক তার অটোরিকশাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা বলে তাকে অন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে দেন। এই অটোরিকশার চালক রিয়াজ মোল্লা একটু সামনে জাকিরের মোড়ে গিয়ে তার বন্ধু পরিচয়ে মামলার অপর আসামি ফয়েজ আহমেদকে অটোরিকশায় উঠায়। এক পর্যায়ে তারা তাকে ফেনীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চৌদ্দগ্রামের পদুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়। পরে রাত ৮টায় আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদ কিশোরীকে একটি টিনশেড বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে ফয়েজ আহমদ, রিয়াজ মোল্লা এবং তাদের অপর সহযোগী আকরাম তাকে রাতভর ধর্ষণ করেন।

কিশোরীর মা বলেন, মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে তার মেয়েকে ফেনীর বাসার উদ্দেশ্য পাঠিয়ে দেয়। বাসায় ফিরে তার মেয়ে ঘটনাটি তাকে জানালে মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় তিনি পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ কল করলে নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদকে গ্রেপ্তার করে।

ওসি আরিফুর রহমান বলেন, ভিকটিমের মা বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বৃহস্পতিবার ভিকটিম ওই কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

জহির শান্ত/খাদিজা রুমি/

গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর বুধবার (১৭ জুন) গৃহবধূর মা পাগলা থানায় অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর পারিবার সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূ তার মায়ের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। একই বাড়ির পৃথক কক্ষে তিনি স্বামী ও তিন বছর বয়সি সন্তান নিয়ে থাকতেন। রাত ১টার দিকে মুখোশধারী সাত-আটজন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে মারধর করেন। পরে তারা গৃহবধূকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে প্রায় দেড় শ মিটার দূরে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীকে চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করা হবে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/আজহার/