ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গ্রাহক আস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবায় সাফল্যের চূড়ায় পূবালী ব্যাংক ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত রাসুল (সা.)-এর রাতের অভ্যাস কি ছিল? মেসি-দ্যুতিতে রঙিন বিশ্ব ভুল পরিকল্পনায় ঝুলে গেল মন্ত্রীদের জন্য মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প মেসিতে মাতাল বিশ্ব বাঁশখালীতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু কুমিল্লায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ বিশ্বকাপে অভিষেকেই বিরল ভৌগোলিক কৃতিত্ব উজবেকিস্তানের ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান শেষ মুহূর্তের ইরেনকির গোলে পানামাকে হারিয়ে ঘানার জয়; খেলোয়াড়দের রেটিং দূরত্ব হাজার মাইল, উৎসব ক্যাম্পাসে তিস্তায় আরেকটি ব্যারেজ নির্মাণ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে পঞ্চম ব্যালন ডি’অর বিজয়ী হলেন ফাবিও ক্যানাভারো বিশেষ ‘লেগাসি’ ব্যাজ পরে মাঠে নামলেন রোনালদো, মেসি ও মদ্রিচ গ্রুপসেরার দৌড়ে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই শিশুদের স্বপ্নের কথা শুনলেন জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সিন্ডিকেট বিলুপ্তিসহ ৭ দাবি চট্টগ্রামে এইডসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা তরকারি পুড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মীকে পুলিশ দম্পতির নির্যাতন আমানত ফিরে পাওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামে ‘রোডমার্চ’ ময়মনসিংহ বিভাগ: নীরবে বাড়ছে এইচআইভির বিস্তার বরিশালে ভুয়া ভাড়ার তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক নীলিমাইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ নদী খননের মাটির নিচে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পশুর শিংয়ে নান্দনিক শিল্পকর্ম কসাইয়ের ‘এইভাবে পইড়া থাকলে বাচ্চা দুইডা মইরা যাইব’ ছড়িয়ে পড়ছে এইডস: আক্রান্ত তরুণ ও শিক্ষার্থীরা কালীগঙ্গা নদীর ওপর সেতু আছে, তবু খেয়া পারাপার ১৮ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল
Nagad desktop

টেকনাফে পাহাড় থেকে ৩ রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
টেকনাফে পাহাড় থেকে ৩ রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী পাহাড়ি এলাকায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে একজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে পাহাড়ি এলাকায় ডাকাতদের আস্তানা থেকে তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা অপর দুইজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদেরও মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডাকাত মুর্শেদ তাদের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান।

নিহতরা হলেন-রুহুল আমিনের ছেলে রবি আলম (৩০), বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী এলাকার বাসিন্দা; নুরুল কবিরের ছেলে মুজিব উল্লাহ এবং নুরুল ইসলামের ছেলে নুরুল বশর ওরফে কালানি।

বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন জানান, স্থানীয়দের খবর পেয়ে তিনি উত্তর শীলখালী পাহাড়ি এলাকায় যান। সেখানে একজনের মরদেহ দেখতে পান। পাশেই একটি কোদাল পাওয়া যায় এবং নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

তিনি আরও বলেন, পরে পরিবারের সদস্যরা দুইজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের ধারণা নিহতদের মধ্যে দুইজন অপহরণ ও ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া একজনের বিরুদ্ধে ৬-৭টি মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উত্তর শীলখালী পাহাড়ি এলাকায় ডাকাত দলের আস্তানা থেকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অপর দুইজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।

তিনি আরও বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

এদিকে স্থানীয়দের ধারণা, মানবপাচার ও অপহরণের টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

শাহীন/রিফাত/

কুমিল্লায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
কুমিল্লায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবব্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গত সোমবার সিএনজিচালিত অটোরিকশায় খালার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তরা তাকে ধর্ষণ করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরীর মা থানায় মামলা করেছেন।

বুধবার (১৭ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাঙ্গালকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।

গ্রেপ্তাররা হলেন, নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের অষ্টগ্রাম মোল্লাবাড়ির অটোরিকশাচালক রিয়াজ মোল্লা (২৬) ও একই গ্রামের ফয়েজ আহমেদ (২৬)।

ভিকটিম কিশোরী ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করলেও পরে লেখাপড়া বিরতি দিয়ে সে মায়ের সঙ্গে ফেনীতে বসবাস করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে ওসি জানান, গত সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে ওই কিশোরী তার নাঙ্গলকোটে খালার বাড়ি থেকে ফেনীর বাসার উদ্দেশ্যে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রওনা দেয়। একপর্যায়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি একই ইউনিয়নের বোড়রা গ্রামে পৌঁছলে এর চালক তার অটোরিকশাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা বলে তাকে অন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে দেন। এই অটোরিকশার চালক রিয়াজ মোল্লা একটু সামনে জাকিরের মোড়ে গিয়ে তার বন্ধু পরিচয়ে মামলার অপর আসামি ফয়েজ আহমেদকে অটোরিকশায় উঠায়। এক পর্যায়ে তারা তাকে ফেনীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চৌদ্দগ্রামের পদুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়। পরে রাত ৮টায় আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদ কিশোরীকে একটি টিনশেড বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে ফয়েজ আহমদ, রিয়াজ মোল্লা এবং তাদের অপর সহযোগী আকরাম তাকে রাতভর ধর্ষণ করেন।

কিশোরীর মা বলেন, মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে তার মেয়েকে ফেনীর বাসার উদ্দেশ্য পাঠিয়ে দেয়। বাসায় ফিরে তার মেয়ে ঘটনাটি তাকে জানালে মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় তিনি পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ কল করলে নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি রিয়াজ মোল্লা ও ফয়েজ আহম্মদকে গ্রেপ্তার করে।

ওসি আরিফুর রহমান বলেন, ভিকটিমের মা বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বৃহস্পতিবার ভিকটিম ওই কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

জহির শান্ত/খাদিজা রুমি/

গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্বামীকে ঘরে বেঁধে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর বুধবার (১৭ জুন) গৃহবধূর মা পাগলা থানায় অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর পারিবার সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূ তার মায়ের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। একই বাড়ির পৃথক কক্ষে তিনি স্বামী ও তিন বছর বয়সি সন্তান নিয়ে থাকতেন। রাত ১টার দিকে মুখোশধারী সাত-আটজন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে মারধর করেন। পরে তারা গৃহবধূকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে প্রায় দেড় শ মিটার দূরে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীকে চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করা হবে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/আজহার/

জয়পুরহাটে পুত্রবধুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:১১ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
জয়পুরহাটে পুত্রবধুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

জয়পুরহাট সদর উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সাকোয়াত হোসেন আদা নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার ভিকটিম বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করলে রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার সাকোয়াত হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় বটতলী বাজারের একজন জিলাপি ব্যবসায়ী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ৮ জুন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সাকোয়াত হোসেন তার পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

এদিকে আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুরের খাতুনে জান্নাত মহিলা কওমি মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে মাদরাসাটির পরিচালকের স্বামী জায়ের আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৬ জুন) শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে আক্কেলপুর থানায় মামলা করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, মাদরাসাটির পরিচালক আফরোজার স্বামী জায়ের আলী দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। গত ১৩ জুন আফরোজা বেগম মাথায় তেল দেওয়ার জন্য ওই শিক্ষার্থীকে তার কক্ষে ডাকেন। একপর্যায়ে তিনি প্রকৃতির ডাকে  সাড়া দিতে বাইরে গেলে কক্ষে থাকা জায়ের আলী শিক্ষার্থীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করেন। শিক্ষার্থীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে বিষয়টি পরিবারকে জানানো হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে আফরোজা বেগম বলেন, ঘটনাটি সত্য নয়। প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

‎আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সাগর কুমার/খাদিজা রুমি/

কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩
ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় যুবক আশাদুল ইসলামকে হত্যা করে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঋণের টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জের ধরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে জানায় পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ১৫ জুন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া গ্রামের একটি মাদরাসার পেছনের পাটখেত থেকে আশাদুল ইসলামের (২২) অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার বিল মানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মণ্ডলের ছেলে।

ঘটনায় নিহতের বাবা শাহজাহান মণ্ডল বাদী হয়ে কালুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে।

পুলিশ জানায়, প্রায় চার মাস আগে আশাদুল ইসলাম মদাপুর গ্রামের কাউসার শেখের ছেলে মিজান শেখের (২৪) কাছ থেকে ৬৮ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ করতে না পারায় দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মিজান শেখ ও তার সহযোগীরা আশাদুলকে হত্যা করেন। পরে হত্যার আলামত নষ্ট এবং পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) দেবব্রত সরকারের নেতৃত্বে কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তাররা হলেন- মদাপুর গ্রামের মিজান শেখ (২৪), পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামের আসমত মণ্ডলের ছেলে আনোয়ার মণ্ডল (৪৪) এবং সূর্যদিয়া গ্রামের শাহাজউদ্দীনের ছেলে আব্দুল করিম মোল্লা (৩৫)।

পুলিশ আরও জানায়, মামলার মূল আসামি মিজান শেখ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, রক্তমাখা একটি হেলমেট, একটি এসএস পাইপ (রড) এবং একটি লোহার ফোল্ডিং স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।

কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মিজান শেখ। তার কাছ থেকেই ভিকটিম টাকা ধার নিয়েছিল। ঋণের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। হত্যার পর মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে কোনো ধরনের আলামত বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট না থাকে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সুমন বিশ্বাস/খাদিজা রুমি/

জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

জাল ‘শেনজেন’ ভিসায় ইউরোপের দেশ ইতালিতে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আখলাছুর রহমান (৪০) বিমানের জুনিয়র অফিসার (গ্রাউন্ড সার্ভিস, আইএনএস গেট) হিসেবে কর্মরত। গতকাল মঙ্গলবার (১৬জুন) ভোরে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।
 
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির সিরিয়াস ক্রাইম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা জানান, ইতালিতে চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারী একটি চক্র কয়েকজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকায় চুক্তি করে। চুক্তির ২০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে তাদের নেপাল ও ইতালিগামী টিকিট, বোর্ডিং পাস এবং ইতালির ভুয়া শেনজেন ভিসা সরবরাহ করে চক্রটি।

সিআইডি জানায়, গত ২৬ মে বিমানের একটি ফ্লাইটে ইতালির উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর রোমের ফিউমিচিনো লিওনার্দো দা ভিঞ্চি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারা পৌঁছালে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভিসাগুলো পরীক্ষা করে জাল বলে শনাক্ত করেন। পরে ভুক্তভোগীদের আটক রেখে দুই দিন পর ২৮ মে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। দেশে ফিরলে ইমিগ্রেশন পুলিশ, সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য দেন। সেই তদন্তে উঠে আসে, মানব পাচারকারী চক্রটি বৈধ কর্মসংস্থানের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে জাল ভিসা সরবরাহের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তে বিমানের ওই জুনিয়র অফিসার আখলাছুর রহমানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম বলেছেন, এ ধরনের অপকর্মে একাধিক সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। মানব পাচারে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মানব পাচার চক্রের মূল হোতা ও অন্যান্য সহযোগীকে শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে শুধু সরকার অনুমোদিত ও বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।