ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পেলের কীর্তিতে ভাগ বসালেন ইয়ামাল জন্মবার্ষিকীতে স্মরণানুষ্ঠান: সুফিয়া কামালের ব্যক্তিত্ব সবাইকে আলোকিত করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা সৌদিকে উড়িয়ে দিল স্পেন যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় প্রথম দফার বৈঠক শেষ, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান ডোকুর ‘বিশ্বকাপ ছাড়ার’ সিদ্ধান্তে সমালোচনার ঝড় মালয়েশিয়ায় কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তিতে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রথমার্ধে সৌদি আরবের জালে ৩ গোল স্পেনের তীব্র গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি প্রথম গোলেই ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের দাফন সম্পন্ন সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা কুড়িগ্রামে এক বাঘা আইড় ৮৫০০০ অজু করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ মাদরাসাছাত্রের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলায় দণ্ডিত ৫৯ জন: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘অসত্য’ বক্তব্য, উত্তপ্ত সংসদ স্পেনের শুরুর একাদশে ইয়ামাল সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু মানিকগঞ্জে ঝোপে মিলল স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়: ইসি সচিব বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে সোনারগাঁওয়ের এমপি পুত্র সজীব আটক প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন তারেক রহমান মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু ‘কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন’

Handicrafts of Bangladesh বিষয়ক Writing Paragraph, ১১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ০১:২৭ পিএম
Handicrafts of Bangladesh বিষয়ক Writing Paragraph, ১১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
বাংলাদেশের হস্তশিল্পের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

Handicrafts of Bangladesh

‘Handicrafts’ means the art of producing goods without using any machine. The craftsmen produce handicrafts using their skill, intelligence and hands. Handicrafts show the skill of the artists who belong to the ordinary class of people. The purpose of making handicrafts is to earn money. But it is an exhibition of art. Handloom weaving, hand-spinning by charka, ivory carving, cane and bamboo work, furniture made of wood are the most important handicrafts of Bangladesh. Potteries, painted pottery, embroidery work, jewellary are some other common handicrafts. Bangladesh has

আরো পড়ুন : A Good Teacher বিষয়ক Writing Paragraph, ১০ম পর্ব, এইচএসসি পরীক্ষার ইংরেজি ২য় পত্র

a rich heritage of traditional handicrafts. These crafts reflect the art, skill and imagination of the common artists. These artists do not have any institutional education in this regard but they are so much skilled in their respective field. For some it is a hereditary profession. So, they feel one kind of affection and love for their profession. At present we export our handicrafts to foreign countries and earn foreign exchange. If the Govt. give financial support to this sector, there may be a flourishment in this field and it can contribute to solving unemployment problem of our country.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
আগাছা পরিষ্কারের কাজেও যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা

কৃষিকাজে বিজ্ঞান

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের সফল প্রয়োগের উপায়:  কৃষিভিত্তিক দেশ হিসেবে কৃষির উন্নতির ওপরই আমাদের দেশের সামগ্রিক উন্নতি নির্ভরশীল। কিন্তু কৃষকদের অজ্ঞতার জন্য বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি আমরা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতে পারছি না। তাই প্রথমেই দেশে শিক্ষার হার বাড়াতে হবে। কৃষকদের আধুনিক কৃষি পদ্ধতির সঙ্গে পরিচয় করাতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি কৃষি সংস্থা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং প্রযুক্তিতে কৃষির ওপর গবেষণা চালাচ্ছে। দেশের কৃষকদের এ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে এবং যাতে তারা বিজ্ঞানসম্মতভাবে কৃষিকাজ করতে পারে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। কৃষিবিদ্যায় শিক্ষাপ্রাপ্ত কৃষিকর্মীদের গ্রামে গ্রামে কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। হাতে-কলমে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রত্যেক কৃষককে সচেতন ও দক্ষভাবে গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশের কৃষি কাজে বিজ্ঞানের সর্বাঙ্গীন প্রয়োগ ত্বরান্বিত হবে এবং এ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অধিকতর নিশ্চিত হবে।
উদাহরণ: বিস্ফোরণোন্মুখ জনসংখ্যার ভারে বাংলাদেশ আজ ন্যুব্জ। জনসংখ্যার গুরুভার খাদ্যসংকট সৃষ্টি করেছে। আমাদের দেশের প্রচলিত প্রাচীন কৃষি পদ্ধতি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সমতা বজায় রেখে কৃষিক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না। আমাদের মাটির তুলনায় জাপানের মাটির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা এক-চতুর্থাংশ। অথচ তারা কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের চেয়ে কম জমিতে সর্বাধিক ফসল ফলিয়ে খাদ্য সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপিন্স, চীন, কোরিয়া প্রভৃতি দেশের লোকেরা যে কৃষিবিজ্ঞানকে ব্যবহার করে কৃষির উন্নয়ন করেছে, আমরা এরূপ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারি।

অত্যাধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি: আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি হলো কৃষি কাজে বিজ্ঞানের এক অসাধারণ অবদান যা কৃষি কাজে মানুষের শ্রমের পরিমাণ ব্যাপকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি কৃষকরা ব্যবহার করছেন, যার মাধ্যমে তারা কাজের গতি এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করেছেন। এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
মোয়ার: এটি একটি শস্য ছেদনকারী যন্ত্র যা শস্য কাটার কাজে ব্যবহৃত হয়।
রুপার: এই যন্ত্রটি মূলত ফসল কাটার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা কৃষকের জন্য অনেকটাই সময়সাশ্রয়ী।
বাইন্ডার: এটি ফসল বাধার জন্য ব্যবহৃত একটি যন্ত্র, যা ফসল কাটার পর তা একত্রিত করে রাখে।
থ্রেশিং মেশিন: এটি ফসলের মাড়াইয়ের কাজ সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত হয়, এর ফলে শস্যের ভেতরের দানা বের করা যায়।
ম্যানিউর স্পেডার: এটি সার বিস্তরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যাতে জমিতে সার সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

আরো পড়ুন : কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

ট্রাক্টর: এটি একটি অত্যাধুনিক চাষাবাদ যন্ত্র, যা জমি চাষ, পোঁতা এবং অন্যান্য কৃষি কাজে ব্যবহৃত হয়।
সিল ড্রিম: এটি গর্ত খননের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র, যা বিভিন্ন কৃষি কাজে ভূমিকা রাখে।
বিরিড্রাম সিডার: এটি বীজ বপনের যন্ত্র, যা সঠিক পরিমাণে বীজ জমিতে ছড়িয়ে দেয়।
স্পেয়ার: এই যন্ত্রটি কৃষি কাজের জন্য যেকোনো অস্থির বা জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হতে পারে।
ডায়া ফার্ম পাম্প: এটি সেচ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ পাম্প।
ট্রেডল পাম্প: সেচ কাজে ব্যবহৃত আরেকটি কার্যকর পাম্প।
রোয়ার পাম্প: এই পাম্পটি জমিতে পানি সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়।
এ ছাড়া, বহু আধুনিক যন্ত্রপাতি কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি, কাজের গতি ত্বরান্বিত এবং কৃষকদের শ্রম কমিয়ে দিয়েছে। এসব যন্ত্রপাতি কৃষকদের জন্য এক নতুন যুগের সূচনা করেছে, যেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাহায্যে কৃষিকাজ আরও সহজ ও সঠিকভাবে করা সম্ভব হচ্ছে।

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের ক্ষতিকর দিক: বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষিকাজ যেমন উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে তুলেছে তেমনি এর কিছু নেতিবাচক প্রভাবও ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ হওয়ায় আমাদের জন্য এ ক্ষতিকর দিকগুলো এড়িয়ে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমত, জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার এবং কীটনাশকের ব্যবহার জমির উর্বরতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দিচ্ছে। এই রাসায়নিকগুলো বৃষ্টির পানির সঙ্গে কাছাকাছি জলাশয়ে মিশে যাচ্ছে, যা পরিবেশ এবং জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। দূষিত পানি মানব স্বাস্থ্যেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে, যেখানে মানুষ পুকুর বা নদীর পানি ব্যবহার করে।
দ্বিতীয়ত, কৃষি কাজে সেচের জন্য অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। এর ফলে অনেক এলাকায় পানিতে আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান মিশে যাচ্ছে যা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
তৃতীয়ত, যান্ত্রিক কৃষি কাজের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার বেড়েছে। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে জমির ওপরের স্তর শক্ত হয়ে যায়, যা বায়ু চলাচল এবং পানি ধারণক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে জমিতে প্রাকৃতিকভাবে জীবাণু ও পোকামাকড়ের উপস্থিতি কমে যায় যা দীর্ঘমেয়াদে মাটির প্রাকৃতিক গুণাগুণ নষ্ট করে।
চতুর্থত, রাসায়নিক কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার শুধু ক্ষতিকারক পোকামাকড় ধ্বংস করে না বরং জমির উপকারী জীবাণুগুলোকেও মেরে ফেলে। এতে মাটির স্বাভাবিক জৈব প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

উপসংহার: বিজ্ঞান জীবনের সবদিকেই উন্নতির স্বাক্ষর রেখেছে। কৃষি কাজে বিজ্ঞানের অবদান অনন্য। আমাদের জাতীয় উন্নয়ন সম্পূর্ণরূপে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই একমাত্র আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমেই কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে আমরা আমাদের খাদ্য সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি পরনির্ভরশীলতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে পারি।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

প্রথম অধ্যায় : প্রাকৃতিক ভূগোল

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৪৯। নিচের কোনটি প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্গত?
ক) চিনিশিল্প     খ) বায়ুপ্রবাহ
গ) জনসংখ্যা    ঘ) পরিবার

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৫০ ও ৫১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে রাজন ও তার বন্ধুরা ঢাকা থেকে কুয়াকাটা বেড়াতে যায়। কিন্তু এখানে রাতের বেলা তারা ঢাকা শহরের তুলনায় হালকা শীত অনুভব করে।

৫০। ওপরের উদ্দীপকের ঘটনাটির মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখাটি ফুটে উঠেছে?
ক) সমুদ্র বিদ্যা    
খ) উপকূলীয় বিদ্যা
গ) জলবায়ু বিদ্যা    
ঘ) পরিবেশ বিদ্যা

আরো পড়ুন : প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

৫১। ওপরের উদ্দীপকের স্থান দুটিতে জলবায়ু ভিন্ন হওয়ার কারণ-
i. ভূমিরূপ    
ii. বায়ুপ্রবাহ 
iii. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii      খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ৪৯. খ, ৫০. গ, ৫১. গ।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
আম ও বিভিন্ন ধরনের ফুল ও ফল। ছবি- সংগৃহীত

চতুর্থ অধ্যায় : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর 

১১। নিচের কোনটি স্ব-পরাগায়ন ফুল?
ক) সরিষা     খ) ধুতুরা 
গ) কুমড়া     ঘ) সবকটি

১২। রূপান্তরিত কাণ্ড নিচের কোনটি?
ক) পেঁয়াজ     
খ) গোলাপ গাছ 
গ) আলু     
ঘ) পাথরকুচি

১৩। অতি ক্ষুদ্র কাণ্ড নিচের কোনটি?
i. আদা     
ii. পেঁয়াজ 
iii. রসুন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     
খ) ii ও iii 
গ) i ও ii     
ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১৪। একটি গর্ভপত্রের কয়টি অংশ থাকে?
ক) ১টি     খ) ২টি 
গ) ৩টি     ঘ) ৪টি

১৫। কোন ফুলের পাপড়িগুলো সংযুক্ত?
ক) শিমুল ফুলের     
খ) সরিষা ফুলের
গ) ধুতুরা ফুলের     
ঘ) জবা ফুলের

১৬। উদ্ভিদের ফুলসহ শাখার নাম কী?
ক) পত্রমালা     
খ) পুষ্পমঞ্জুরী 
গ) পুষ্পধানী     
ঘ) পত্রকক্ষ

উত্তর: ১১. ঘ, ১২. ক, ১৩. খ, ১৪. গ, ১৫. গ, ১৬. খ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক 
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
C++ ১৯৮৩ সালে শুরু হয়। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১১০. = কোন ধরনের অপারেটর?
ক. গাণিতিক     খ. রিলেশনাল 
গ. লজিক্যাল     ঘ. অ্যাসাইনমেন্ট

১১১. প্রোগ্রামে কোন ধরনের ভুলের জন্য কম্পিউটার বার্তা দেয়?
ক. সিনট্যাক্স ভুল     
খ. লজিক্যাল ভুল 
গ. ডেটা ভুল     
ঘ. যেকোনো ভুল

১১২. কোন ভাষায় প্রোগ্রাম কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে থাকে?
ক. উচ্চ স্তরের ভাষা     খ. নিম্ন স্তরের ভাষা 
গ. মেশিন ভাষা            ঘ. কৃত্রিম ভাষা

১১২. উচ্চ স্তরের ভাষা কোনটি?
ক. Word Star      খ. Visicale 
গ. C++               ঘ. Lotus 1-2-3

১১৪. C++ কোন সালে শুরু হয়?
ক. ১৯৮০ সালে     খ. ১৯৮২ সালে
গ. ১৯৮৩ সালে     ঘ. ১৯৮৪ সালে

১১৫. চলক ও মেথডকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিনে নেয় কোনটি?
ক. পাইথন       খ. এডা 
গ. ফোরট্রান     ঘ. বেসিক

১১৬. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত কোন প্রজন্মের কম্পিউটার ভাষা?
ক. দ্বিতীয়     খ. তৃতীয় 
গ. চতুর্থ        ঘ. পঞ্চম

১১৭. কোন ধরনের এক্সপ্রেশন ব্যবহার করে শর্ত তৈরি করা হয়?
ক. কন্ডিশনাল এক্সপ্রেশন     
খ. প্রোগ্রামিং এক্সপ্রেশন
গ. কম্পাইলার এক্সপ্রেশন     
ঘ. রিলেশনাল এক্সপ্রেশন

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১১৮. কোনটির মাধ্যমে একই ধরনের একাধিক ডেটা রাখা যায়?
ক. স্ট্রিং      খ. পয়েন্টার 
গ. সর্টিং     ঘ. অ্যারে

১১৯. একটি প্রোগ্রামের কতটি অংশ থাকে?
ক. ২টি     খ. ৩টি 
গ. ৪টি     ঘ. ৫টি

১২০. সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রাম তৈরির ধাপ কয়টি?
ক. ২টি     খ. ৩টি 
গ. ৪টি     ঘ. ৫টি

১২১. প্রোগ্রাম টেস্টিংয়ের পূর্ববর্তী ধাপ কোনটি?
ক. সমস্যা বিশ্লেষণ     খ. কোডিং 
গ. প্রোগ্রাম উন্নয়ন     ঘ. প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ 

১২২. কোন ভাষা 0 ও 1 নির্ভর?
ক. মেশিন ভাষা     
খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. কৃত্রিম ভাষা     
ঘ. কম্পাইলার ভাষা

১২৩. প্রোগ্রামের ভুলকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
ক. দুই ভাগে     খ. তিন ভাগে 
গ. চার ভাগে     ঘ. পাঁচ ভাগে

১২৪. অ্যালগরিদম কী?
ক. পর্যায়ক্রম     খ. সিদ্ধান্তক্রম 
গ. অনুক্রমিক     ঘ. ফ্লোচার্ট

১২৫. অ্যাসেম্বলি ভাষার নির্দেশাবলিকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. ৩ ভাগে    খ. ৪ ভাগে
গ. ৫ ভাগে    ঘ. ৬ ভাগে

উত্তর: ১১০. খ, ১১১. ক, ১১২. ক, ১১৩. গ, ১১৪. গ, ১১৫. ক, ১১৬. ঘ, ১১৭. ক, ১১৮. ঘ, ১১৯. খ, ১২০. ঘ, ১২১. গ, ১২২. ক, ১২৩. খ, ১২৪. খ, ১২৫. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
পোকা দমনের জন্য ওষুধ ছিটানোর কাজেও যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : কৃষিকাজে বিজ্ঞান

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের ব্যবহার: উৎপাদনের সব স্তরে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে চাষাবাদ পদ্ধতিতে বিজ্ঞানের প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ পদ্ধতিতে প্রাচীন আমলের কাঠের লাঙল, বলদ, মই, নিড়ানি, কোদাল, কাস্তে ইত্যাদির পরিবর্তে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, যেমন- জমি চাষের জন্য ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, বীজ বোনার জন্য সিডলিং, মই দেওয়ার জন্য লেভেলার, পানি সেচের জন্য গভীর ও অগভীর নলকূপ, পাওয়ার পাম্প, আগাছা পরিষ্কারের জন্য উইডার, ফসল সংগ্রহের জন্য হারভেস্টার, ফসল মাড়াইয়ের জন্য থ্রেসার ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

কৃষি গবেষণায় বিজ্ঞান: কৃষি গবেষণায় বিজ্ঞানের প্রয়োগ অপরিহার্য। যেমন-
(ক) কৃষিজাত দ্রব্য বা পণ্যের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও নতুন ধরনের বীজ উদ্ভাবন।
(খ) অপ্রচলিত কৃষিজাত দ্রব্য বা পণ্যের ব্যবহার এবং চাষাবাদ-সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ও তথ্য সংগ্রহ।
(গ) পরিবেশ ও আবহাওয়া দূষণের সঙ্গে সম্পর্ক বিধান করে কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহারোপযোগী সার ও কীটনাশক প্রভৃতির প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞানের ব্যবহার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি কাজের গুরুত্ব: বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার সবটাই জোগান দেয় কৃষি। অথচ ক্ষুদ্রায়তন বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনায় কৃষি জমির পরিমাণ খুবই অপ্রতুল। আমাদের দেশের কৃষকরা প্রচলিত প্রাচীন চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সমতা বজায় রেখে কৃষিক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না। আমাদের দেশের   তুলনায় জাপানের মাটির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা এক-চতুর্থাংশ। অথচ তারা কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আমাদের চেয়ে কম জমিতে সর্বাধিক ফসল ফলিয়ে খাদ্য সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে। তাই আমাদের দেশে উন্নত বীজ ও কৃষিক্ষেত্রের মান অনুযায়ী রাসায়নিক সার, কীটনাশক প্রয়োগ ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে।

কৃষক ও কৃষি:  কালের স্রোতধারায় গোটা বিশ্ব আজ  ছুটে চলেছে উন্নয়নের স্বর্ণশিখরের দিকে। অথচ বাংলাদেশের কৃষক আর কৃষি আজও সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। মানুষের জীবনকে নিরাপত্তাদানের ব্যাপারে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তার সঙ্গে বিজ্ঞানের সংযোগ ঘটেছে ঠিকই, কিন্তু ব্যাপক সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। উন্নত দেশগুলোতে কৃষিকাজে বিজ্ঞানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠলেও আমাদের দেশে তেমন অগ্রগতি সাধিত হয়নি। কৃষিব্যবস্থা এখনো প্রাচীন পদ্ধতিতেই চলছে। উন্নত কৃষিপদ্ধতির সঙ্গে এ দেশের নিরক্ষর কৃষক সমাজ এখনো পরিচিত হয়ে উঠতে পারেনি। এদেশে আধুনিক কৃষিব্যবস্থা প্রয়োগের মতো জ্ঞান ও অর্থ তাদের নেই। তাই ফসলের উৎপাদন বাড়ছে না। ফলে অনেকটা ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশের কৃষকসমাজ প্রকৃতির খেয়ালখুশির খেলনা হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরছে।

আরো পড়ুন : কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

বিজ্ঞানের দান: কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের দান বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যাটি সমগ্র বিশ্বে বিদ্যমান থাকায় কৃষির উৎপাদন বাড়িয়ে তা মোকাবিলা করার উদ্যোগ উন্নত বিশ্বে দেখা যায়। ফলে, কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের প্রয়োগ হওয়ায় কৃষির অনেক উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাষাবাদ পদ্ধতি এখন যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। কৃষি উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যবস্থায় বিজ্ঞান অবদান রেখেছে। বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে বিজ্ঞানের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। সার, সেচ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ব্যবহার হচ্ছে। বিভিন্ন কৃষিজ ফসল নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে উন্নতমানের এবং বেশি পরিমাণে ফসল ফলনের উপায় উদ্ভাবন করা হয়েছে। এসব অগ্রগতির ফলে বিশ্বের বহু দেশে কৃষির উৎপাদন  বেড়েছে এবং উৎপাদিত ফসল বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশে কৃষি কাজে বিজ্ঞান: উন্নত দেশের কৃষিকাজ সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল। উন্নত দেশে জমি কর্ষণ, বীজ বপন, সেচকার্য, ফসল কাটা, মাড়াই, বাছাই ইত্যাদি সব কাজ আজ যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। ট্রাক্টরের সাহায্যে জমি চাষ করে মেশিন দিয়ে জমিতে বীজ বপন করা হয়। বপনের জন্য সংরক্ষিত বীজ বাছাই কাজও যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। 
জমিতে প্রয়োজনমতো সার দেওয়া কিংবা ফসলে পোকা লাগলে পোকা দমনের জন্য ওষুধ ছিটানোর কাজও যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। আজকের যুগে ফসলের জমিতে সেচের জন্য মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে না। অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি শস্য জন্মানোর ক্ষেত্রে অন্তরায় হয় না। আজ মানুষ গভীর নলকূপ এবং পাম্পের সাহায্যে জমিতে সেচ দেয়। মানুষ ফসল কাটা যন্ত্রের সাহায্যে একদিকে ফসল কাটছে, অন্যদিকে মাড়াই হয়ে শস্য ও খড় আলাদা হয়ে যাচ্ছে। উন্নত দেশের লোকেরা কৃষিকাজকে যান্ত্রিক করে ফেলেছে। শীতপ্রধান দেশে ‘শীত নিয়ন্ত্রণ’ ঘর বানিয়ে শাকসবজি এবং ফলমূল সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানের সাহায্যে বর্তমানে শুষ্ক মরুভূমির মতো জায়গায় সেচ, সার ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ করে উন্নত দেশের কৃষকরা ফসল ফলাচ্ছে। ফলে, একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় বিজ্ঞান কৃষিকাজে এক যুগান্তকারী বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশে কৃষি কাজে বিজ্ঞান: আমাদের দেশেও এখন কৃষি কাজে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। খণ্ডবিখণ্ডতার কারণে জমি কর্ষণে ব্যাপকভাবে ট্রাক্টর ব্যবহার করা যাচ্ছে না। মানুষ এখন আর চাতক পাখির মতো বৃষ্টিধারার জন্য আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে না। এখন সেচের জন্য ব্যবহার করা হয় গভীর নলকূপ এবং মেশিনচালিত পাম্প। বপনের জন্য ব্যবহার করা হয় উন্নতমানের বীজ। 
বীজ সংরক্ষণে সাহায্য নেওয়া হয় বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির। রাসায়নিক সার ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের মাত্রা বাড়ানো হচ্ছে। আগে যে জমিতে এক ধরনের ফসল হতো, বিজ্ঞানের সাহায্যে এখন সেখানে তিন ধরনের ফসল হয়। তবে আমাদের দেশের কৃষিকাজ এখনো সম্পূর্ণ যান্ত্রিক করা সম্ভব হয়নি। চাষাবাদে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের খাদ্য সমস্যা সমাধান করা যাবে, এটা নিশ্চিত বলা যায়।

কৃষিতে বিজ্ঞানের অবদান: অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো কৃষি কাজেও বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে। বর্তমানে কৃষি কাজে বিজ্ঞানের প্রয়োগ হওয়ায় কৃষির যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাষাবাদ পদ্ধতি এখন যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। আদিম লাঙল-মই প্রযুক্তি পরিহার করে বর্তমানে ট্রাক্টরের সাহায্যে অতি স্বল্প সময়ে, স্বল্প পরিশ্রমে অধিক পরিমাণ জমি চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে। তাই বলা যায়, কৃষি উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যবস্থায় বিজ্ঞান অবদান রাখছে।

(বাকি অংশ ৩য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর