ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও থানায় বিক্ষোভ অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও স্নায়ুচাপ কাটিয়ে জয়ে চোখ মেক্সিকো কোচের গাজীপুরে পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ ২ শতাধিক শ্রমিক ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা বিধিনিষেধ আরোপ সময়ের দাবি রাঙামাটির বরকল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে রসুন ও সার জব্দ নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গণপিটুনি মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন হ্যারি কেইন রিজার্ভ চুরিতে জড়িত ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের ১০ জন কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য এনডিএর আর ৬ ভোট লাগবে টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিশু নিহত চট্টগ্রামের নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার টিভিতে আজকের খেলা দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ‘মুখ বন্ধ রাখতে’ বললেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ যেভাবে নির্ধারিত হবে সেরা ৮ ‘তৃতীয় দল’ কুড়িগ্রামে ট্রাক উল্টে রেলপথে, ভোগান্তিতে ট্রেনের যাত্রীরা বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে দর্শকদের দুয়োধ্বনি হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৮ হাজার ৬৩৯ জন বাংলাদেশি জি৭ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমিই বস’ লৌহজংয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা আদিতমারীতে শিশু নন্দিনী হত্যার দায় স্বীকার পাওনা টাকার বিরোধেই খুন হন আরিফ আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম ইরানের সঙ্গে চুক্তির ১৪ দফা প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র আলফাডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১ জনের মৃত্যু, আহত ৩ নতুন দায়িত্বে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. জাহিদ চট্টগ্রামের অপহরণকারীদের হুমকিমূলক চিরকুট,নিখোঁজ শিশু
Nagad desktop

Earthquake বিষয়ক Writing Paragraph, ১৫তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
আপডেট: ০৯ মে ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
Earthquake বিষয়ক Writing Paragraph, ১৫তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
ভূমিকম্পের কারণে রাস্তা ফাটল দেখা দিয়েছে। ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

Earthquake

Earthquake is shaking of the Earth’s surface caused by rapid movement of the Earth’s rocky outer layer. Earthquakes occur when energy stored within the Earth, usually in the form of strain in rocks, suddenly releases. This energy is transmitted to the surface of the Earth by earthquake waves. Scientists who study earthquakes are called seismologists. Most earthquakes are caused by the sudden slip along geologic faults. The faults slip because of movement of the Earth’s tectonic plates. This concept is called the elastic rebound theory. The rocky tectonic plates move very slowly, floating on top of a weaker rocky layer. As the plates collide with each other or slide past each other, pressure builds up within the rocky crust. Earthquakes occur when pressure within the crust increases

আরো পড়ুন : How to learn English বিষয়ক Writing Paragraph, ১৪তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

slowly over hundreds of years and finally exceeds the strength of the rocks. Earthquakes also occur when human activities, such as the filling of reservoirs, increase stress in the Earth’s crust. In the last 500 years, several million people have been killed by earthquakes around the world, including over 240,000 in the 1976 Tang-Shan, China, earthquake. Worldwide, earthquakes have also caused severe property and structural damage. Adequate precautions, such as education, emergency planning and constructing stronger, more flexible, safely designed structures, can limit the loss of life and decrease the damage caused by earthquakes. Bangladesh is also is in the risk of a major earthquake because it lies in the active earthquake zone. The recurrent occurrence of the earthquake in Bangladesh has made us concerned. All the buildings should follow earthquake building code as mandatory to reduce the loss.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
টুকটুক পশুপাখির প্রতি বেশ যত্নবান ছিল। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৯ : টুকটুক ও চিকু

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: অন্য পশুপাখির যত্নে টুকটুক কী কী করত?

উত্তর: বিড়ালছানা চিকুর প্রতি যত্ন নেওয়ার পর টুকটুক আশপাশের অন্য পশুপাখির প্রতিও বেশ যত্নবান হয়ে উঠল। পাখিদের যত্ন নিতে সে প্রতিদিন জানালার ধারে এক মুঠো ভাত রেখে দিত। গ্রীষ্মের তীব্র গরমে পাখিরা যেন পানি খেতে পারে, তাই বাটি ভরে পানি রেখে দিত। এছাড়া রাস্তায় কোনো ছেলে অন্য বিড়ালছানাকে তাড়া করলে সে দৌড়ে গিয়ে তাদের থামাত এবং ছানাটিকে কোলে তুলে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দিত। সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে সে ‘প্রাণীদের বন্ধু’ নামে একটি ক্লাবও গঠন করেছিল।

প্রশ্ন: ‘প্রাণীদের বন্ধু’ ক্লাবটি কীভাবে গঠিত হয়েছিল?

উত্তর: টুকটুক সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে ‘প্রাণীদের বন্ধু’ নামে একটি ছোটখাটো ক্লাব গঠন করেছিল। ক্লাব গঠনের কাজে তাদের শ্রেণিশিক্ষক সহযোগিতা করেছিলেন।

আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরসহ বাক্যটি লেখ।

ক. টুকটুকের মামাতো ভাইবোনেরা আসবে—।
ঈদের ছুটিতে
শীতের ছুটিতে
গ্রীষ্মের ছুটিতে
পূজার ছুটিতে

উত্তর: টুকটুকের মামাতো ভাইবোনেরা আসবে গ্রীষ্মের ছুটিতে।

খ. ছানাটি জড়োসড়ো হয়ে—।
খিদেয় কাঁপছে
ভয়ে কাঁপছে
ঠাণ্ডায় কাঁপছে
জ্বরে কাঁপছে

উত্তর: ছানাটি জড়োসড়ো হয়ে ভয়ে কাঁপছে।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
গ্রামে টর্নেডো আঘাত হানছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

(২য় পর্ব প্রকাশের পর)

বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা : বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও নোয়াখালী ঘূর্ণিঝড়প্রবণ। বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি করে, যা উচ্চগতির বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস নিয়ে উপকূলে আঘাত হানে। এই অঞ্চলগুলোর সমতল ভূমি ও ঘন জনসংখ্যা ক্ষতির পরিমাণ বাড়ায়। সিডর, আইলার মতো ঘূর্ণিঝড় এই অঞ্চলগুলোয় ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালায়। তবে আশ্রয়কেন্দ্র, পূর্বাভাস ব্যবস্থা ও বাঁধ নির্মাণ ক্ষতি কমিয়েছে। স্থানীয় সম্প্রদায়ের সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বাড়াচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় বৃক্ষরোপণ ও শক্তিশালী অবকাঠামো জরুরি। এই অঞ্চলগুলোর জনজীবন ও অর্থনীতি রক্ষায় সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা জানমাল, অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলে হাজার হাজার জীবন ও সম্পদ ধ্বংস করে। বন্যা ও নদীভাঙন গ্রামীণ এলাকায় ফসল, ঘরবাড়ি ও জীবিকা নষ্ট করে। ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে ভবন ধস ও অবকাঠামোর ক্ষতি করে। লবণাক্ততা ওই অঞ্চলের কৃষি ও পানীয় জলের সংকট সৃষ্টি করে। খরা ও তাপপ্রবাহ খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। জলবায়ু পরিবর্তন এই দুর্যোগের তীব্রতা বাড়িয়েছে। তবে, পূর্বাভাস, আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণ কার্যক্রম ক্ষতি কমিয়েছে। দুর্যোগের ভয়াবহতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা জরুরি। এটি বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধের উপায় বা দুর্যোগ মোকাবিলা করার উপায়: বিশ্বের সব বিজ্ঞানীই একমত যে, জলবায়ু দূষণের ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পৃথিবীর শিল্পোন্নত দেশগুলোই বেশি দায়ী। বাংলাদেশসহ দরিদ্র দেশগুলোর দায় অনেক কম, কিন্তু এরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশি। কাজেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে বা একে মোকাবিলা করতে হলে সারা বিশ্বকেই একযোগে উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশগুলো রক্ষার জন্য শিল্পোন্নত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সাহায্য দিতে হবে। তা দিয়ে সমুদ্র উপকূলীয় দেশগুলো উপকূলে উঁচু বাঁধ নির্মাণ করে এবং বাঁধের ওপর ও আশপাশে ব্যাপক বনায়ন করে সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অনেকটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার জন্য নিম্নোক্ত উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে–

আরো পড়ুন : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

১। পৃথিবীর সব দেশ বিশেষ করে শিল্পোন্নত দেশগুলো যদি সমঝোতার মাধ্যমে অন্তত ১০-১৫ বছর গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে রাখার ব্যবস্থা করে তাহলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ সহজ হতে পারে ।
২। গ্রিন হাউস গ্যাস কমাতে হলে জ্বালানি পোড়ানো কমাতে হবে।
৩। উন্নয়নবান্ধব কার্বন কনটেন্ট বানাতে হবে।
৪। জলবায়ু দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে শিল্প-কারখানার মালিক ও জনগণকে সচেতন হতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারকে বলিষ্ঠ উদ্যোগ নিতে হবে।
৫। কলকারখানার বর্জ্য ও শহরের মল-মূত্র এবং ময়লা, আবর্জনা সরাসরি নদীতে না ফেলে পরিশোধন করে ফেলতে হবে।
৬। বায়ুদূষণ রোধকল্পে প্রতিটি দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা একান্ত আবশ্যক। কিন্তু আমাদের দেশে সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১৬ শতাংশ বলা হলেও প্রকৃত প্রস্তাবে আছে ৯-১০ শতাংশ। সুতরাং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য অর্থাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচার জন্য ব্যাপকভাবে বনায়ন করতে হবে। বনভূমি উজাড়করণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে।
৭। পাহাড় কাটা বন্ধ করতে হবে এবং পাহাড়ি অঞ্চলে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গাছ লাগিয়ে বনাঞ্চল গড়ে তুলতে হবে।
৮। কৃষি জমি, জলাভূমি, পাহাড় ইত্যাদি ধ্বংস করে বসতবাড়ি বা কলকারখানা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারকে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।
৯। দেশের ছোট-বড় সব নদীকে পর্যায়ক্রমে ড্রেজিং করে নাব্যতা বাড়াতে হবে।
১০। যে নদী মরে গেছে বা যাচ্ছে সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ড্রেজিং করে নাব্যতা বাড়াতে হবে।
১১। দুর্যোগ ঘটার আগে জনগণকে সতর্ক করতে হবে।
১২। সম্ভাব্য দুর্যোগ থেকে মানুষকে রক্ষার জন্য নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় নিরাপদ জায়গা বা বহুতল ভবন নির্মাণ করতে হবে।
১৩। দুর্যোগ মোকাবিলায় নিয়োজিত কর্মীবাহিনীকে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এসব কাজে এবং স্থাপনা নির্মাণে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সাহায্য নিতে হবে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থা: বাংলাদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাস দেয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ত্রাণ বিতরণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা করে। বেসরকারি সংস্থা যেমন- ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক ও অক্সফাম পুনর্বাসন, প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতায় কাজ করে। আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন- জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়। স্থানীয় সম্প্রদায় ও স্বেচ্ছাসেবক দল দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। তবে, সমন্বয়ের অভাব ও তহবিলের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে এই সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা দুর্যোগ মোকাবিলায় অপরিহার্য।

দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাবলি: বাংলাদেশ সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আধুনিক পূর্বাভাস ব্যবস্থার  মাধ্যমে সরকার ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার পূর্বাভাস আগেই দেওয়ার চেষ্টা করছে। উপকূলীয় অঞ্চলে হাজার হাজার আশ্রয়কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। বাঁধ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বন্যা ও নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ভূমিকম্প-প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ নীতি কঠোর করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জলবায়ু তহবিল গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। তবে, দুর্নীতি, তহবিলের অভাব ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সরকারের এই ব্যবস্থাগুলো দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে সহায়ক। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

উপসংহার: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ জনজীবন, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য বড় হুমকি। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, ভূমিকম্প ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। তবে সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আধুনিক পূর্বাভাস, আশ্রয়কেন্দ্র, বাঁধ নির্মাণ ও জনসচেতনতা ক্ষতি কমিয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও টেকসই পরিকল্পনা জরুরি। বাংলাদেশের জনগণের স্থিতিস্থাপকতা ও প্রস্তুতি দুর্যোগ মোকাবিলায় শক্তি জোগায়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কমিয়ে আশাকরি উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য ভাষা রয়েছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৯৪ অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্টের পার্থক্য-
i. লেখার নিয়মে     
ii. চিত্ররূপে 
iii. কাজে 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৯৫. প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার কোন ভাষায়?
ক. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায়     খ. মেশিন ভাষায় 
গ. অ্যাসেম্বলি ভাষায়            ঘ. উচ্চস্তরের ভাষায় 

৯৬. অ্যালগরিদমের চিত্রকে কী বলে?
ক. সিনট্যাক্স ভুল     খ. অ্যালগরিদম 
গ. অনুক্রমিক        ঘ. ফ্লোচার্ট

৯৭. অ্যাসেম্বলার কী?
ক. একটি মেশিন     খ. ব্রাউজার 
গ. প্রিন্টার               ঘ. সফটওয়্যার

৯৮. অ্যারে উপাদানের ঘরগুলোকে কী বলে?
ক. অ্যারে ইলিমেন্টস     খ. অ্যারে পয়েন্টার 
গ. অ্যারে বক্স                ঘ. অ্যারে ইনডেক্স

৯৯. বর্গমূল বের করার জন্য হেডার ফাইলে কোনটি দিতে হয়?
ক. conio.h     খ. stdion.h 
গ. math.h      ঘ. sqrt.h

১০০. সি কম্পাইলারে বিল্ট-ইন ফাংশনগুলো কোথায় থাকে?
ক. লাইব্রেরি ফাংশনে                 খ. বিল্ট-ইন ফাংশনে 
গ. ইউজার ডিফাইড ফাংশনে     ঘ. মেইন ফাংশনে

১০১. প্রোগ্রামের ভিত্তি কোনটি? 
ক. কোডিং        খ. ডিবাগিং 
গ. প্রবাহচিত্র     ঘ. সুডোকোড

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১০২. গঠন বিচার ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামের ভাষাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. ২ ভাগে     খ. ৩ ভাগে 
গ. ৪ ভাগে     ঘ. ৫ ভাগে

১০৩. সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানোর নির্দেশমালাকে কী বলে?
ক. হার্ডওয়্যার     খ. ফার্মওয়্যার 
গ. প্রোগ্রাম         ঘ. সফটওয়্যার

১০৪. সফটওয়্যার তৈরির জন্য কী প্রয়োজন? 
ক. হার্ডওয়্যার              খ. প্রোগ্রাম 
গ. কম্পিউটার ভাষা     ঘ. ফার্মওয়্যার 

১০৫. কম্পিউটার কোন ধরনের ভাষা বোঝে?
ক. English Language      খ. Spoken Language
গ. Machine Language     ঘ. Customized Language

১০৬. কম্পিউটার বুঝতে পারে এমন কিছু সংকেত ও কতিপয় নিয়মকানুনকে একত্রে কী বলে? 
ক. প্রোগ্রাম           খ. প্রোগ্রামের ভাষা 
গ. সফটওয়্যার     ঘ. ফার্মওয়্যার

১০৭. কম্পিউটারের অভ্যন্তরে দুটি সংকেত কী কী?
ক. ০ ও ১     খ. ১ ও ২ 
গ. ০ ও ২     ঘ. ০ ও ৩

১০৮. যান্ত্রিক ভাষার প্রধান উপকরণ নিচের কোনটি? 
ক. নিজস্ব ভাষা       খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. মানুষের ভাষা     ঘ. যন্ত্রের নিজস্ব ভাষা

১০৯. কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা                 খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা    ঘ. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা

উত্তর: ৯৪. ক, ৯৫. ক, ৯৬. খ, ৯৭. ঘ, ৯৮. ঘ, ৯৯. গ, ১০০.ক, ১০১. ক, ১০২. ঘ, ১০৩. গ, ১০৪. গ, ১০৫. গ, ১০৬. খ, ১০৭. ক, ১০৮. ঘ, ১০৯. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘আমার শেষ যুদ্ধ পলাশীতেই।’- ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে মোহনলাল পলাশীর যুদ্ধে আসন্ন পরাজয় ও নিজের মৃত্যু অনিবার্য জেনেও সিরাজউদ্দৌলাকে এ কথা বলেছিলেন একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক ও অনুগত সেনাপতি হিসেবে। 
পলাশীর যুদ্ধে মীর জাফর, রায়দুর্লভ, ইয়ার লুৎফ খাঁ তাদের সেনাবাহিনী নিয়ে পুতুলের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। যে কারণে বিশাল সেনাবাহিনী থাকা সত্ত্বেও নবাবকে পরাজয় বরণ করতে হয়। কিন্তু নবাবের পক্ষে দেশপ্রেমিক মোহনলাল, বদ্রে আলী প্রমুখ জীবন বাজি রেখে লড়াই করেন। যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মোহনলাল সিরাজউদ্দৌলাকে মুর্শিদাবাদে ফিরে গিয়ে সেনা সংগ্রহের পরামর্শ দেন। নবাব একাই ফিরে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে মোহনলাল ওপরের উক্তিটি করেছিলেন। কারণ তখনো চূড়ান্ত পরাজয় বাকি ছিল, শেষ শক্তি দিয়ে মোহনলাল লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন। প্রকৃত যোদ্ধা যে রণক্ষেত্র থেকে পিছু হটে না, প্রয়োজনে প্রাণ দেয়, সে বিষয়েই মোহনলাল নবাবকে জানান এবং শহিদ হতেই যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে যান। 

প্রশ্ন: ‘ফিরে এসেছি রাজধানীতে স্বাধীনতা বজায় রাখবার শেষ চেষ্টা করব বলে।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হয়েও দেশের স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। 
নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশীর যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় পরাজিত হয়ে রাজধানী মুর্শিদাবাদে ফিরে এসে দরবারে সমবেত জনতাকে দেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে আহ্বান করেন। নবাব জানান, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে তার এ চলে আসা পলায়ন নয়; বরং পুনর্গঠিত হয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা রক্ষার শেষ চেষ্টা করতেই তিনি এসেছেন। দেশপ্রেমিক সিরাজউদ্দৌলা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শেষবারের মতো দেশি-বিদেশি শত্রুর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি।

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়’- এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে নবাবের কাছ থেকে সেনা সংগ্রহের জন্য টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া প্রতারকদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলা হয়েছে। 
নবাব সিরাজউদ্দৌলা দেশের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইংরেজ ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উদ্বুদ্ধ করতে গেলে অনেকেই তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে সেনা সংগ্রহের কথা বলে পালিয়ে যান। এদের মধ্যে সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুর ইরিচ খাঁও ছিলেন। প্রসঙ্গত এসব শুনে নবাব জানান, সুযোগ সন্ধানী, স্বার্থপর, কাপুরুষরা চিরকাল এভাবেই পালিয়েছে। কিন্তু তাই বলে দেশপ্রেমিকের রক্তদান বৃথা যায়নি। নবাব এরপরও সবাইকে শত্রুর মোকাবিলায় দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত হতে আহ্বান জানান। 

প্রশ্ন: ‘স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি।’-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে পলাশীর প্রান্তরে শহিদ বীর সেনাপতিদের ভূমিকা প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে। 
পলাশীর প্রান্তরে মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ঘটে। নবাব যুদ্ধক্ষেত্র থেকে রাজধানীতে ফিরে অনেককে অর্থ দেন সেনা সংগ্রহের জন্য। তারাও শেষ পর্যন্ত প্রতারণা করে পালিয়ে যান। কিন্তু সুযোগ থাকলেও দেশপ্রেমিক বীর কখনো পালান না। যেমন পলাশীর প্রান্তর থেকে পালাননি বীর সেনাপতি মোহনলাল, মীর মদন, বদ্রে আলী এবং দেশপ্রেমিক যোদ্ধারা। সিরাজউদ্দৌলা সমবেত জনতার চিত্তে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগরণের উদ্দেশ্যে এসব কথা বললেও সাধারণ মানুষ সেদিন দেশপ্রেমের মর্ম বোঝেনি। অথচ পলাশীর বীররা চাইলেই বেইমানি করে অনেক সম্পদের মালিক হতে পারতেন; পারতেন নিজের জীবন বাঁচাতে। 

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা গ্রুপ ডিসকাশন করছে। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৯ : টুকটুক ও চিকু

সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন 

প্রশ্ন: টুকটুক গান গেয়ে উঠল কেন?

উত্তর: টুকটুক গুনগুনিয়ে গান গেয়ে উঠল কারণ পরের দিন থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হবে এবং দুদিন পর তার মামাতো ভাইবোনরা তাদের বাড়িতে আসবে। এই আনন্দে তার মনে খুশির জোয়ার বইছিল।

প্রশ্ন: টুকটুক কোথায় বিড়ালছানাটিকে দেখতে পেল?

উত্তর: টুকটুক তার বাড়ির বাগানের কোণে ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় বিড়ালছানাটিকে দেখতে পেল।

আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: টুকটুকের মন বিড়ালছানাটির জন্য কেঁদে উঠল কেন?

উত্তর: বিড়ালছানাটি ছিল কঙ্কালসার, কাদামাখা। আর সে কাঁপছিল এবং মনে হচ্ছিল তার একটি পা কেটে গেছে। এই অসহায় অবস্থায় বিড়ালছানাটি দেখে টুকটুকের মন ব্যথায় কেঁদে উঠল। 

প্রশ্ন: টুকটুক কীভাবে বিড়ালছানাটির যত্ন নিল?

উত্তর: টুকটুক অত্যন্ত যত্নসহকারে বিড়ালছানাটির সেবা করেছিল। প্রথমে সে ছানাটিকে বাড়িতে এনে নরম তোয়ালে দিয়ে তার গা মুছিয়ে দিল। এরপর সে বিড়ালটির পায়ের কাটা জায়গাটা পরিষ্কার করে ওষুধ লাগিয়ে দিল। তার মা একটি ছোট পাত্রে দুধ দিলে বিড়ালছানাটি ধীরে ধীরে দুধ খেল। টুকটুকের এই আন্তরিক যত্নে বিড়ালছানাটি ক্রমেই সুস্থ ও হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠল।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর