কাতারের দোহায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম আয়োজনের উদ্বোধন করেন।
এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এরপর মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নতি ও মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। এছাড়াও মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্যের ওপর বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা। আলোচনায় অংশগ্রহণ কালে কমিউনিটির নেতারা মুক্তিযোদ্ধাদের অবিস্মরণীয় অবদান ও আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্যের ওপর আলোচনা করেন।
এ ছাড়াও জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে মাধ্যমে যে সুযোগ তৈরি হয়েছে তা কার্যকরের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার প্রতিজ্ঞা করেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহিদ, নির্যাতিত মা-বোন ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এছাড়াও তিনি এ বছর জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের অবিম্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করেন।
তিনি মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য সংক্ষেপে আলোচনা করেন।জুলাই আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে তা বাস্তবায়নে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান।
মো. নাহিদ ইসলাম/নাবিল/এমএ/