চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা। চলচ্চিত্রে তার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছে ভারতীয় তেলেগু সিনেমার মাধ্যমে। এরপর কাজ করেছেন বাংলাদেশের সিনেমাতেও। কাজ নিয়ে তার বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন খালিদ হাসান
কেমন আছেন?
জি, ভালো আছি। আম্মুকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম। বেশির ভাগ সময়ই আমার পরিবারের সঙ্গে ঘোরা হয়। গতকাল দেশে ফিরেছি।
নতুন কাজ শুরু করবেন কবে?
অনেক আগের কাজগুলো নিয়েই কথা বলা আছে। বর্তমান দেশের যে পরিস্থিতি, এ জন্য প্রতিটা কাজ ধীরগতিতে চলছে। বড় বড় কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। ছোট কাজগুলোও মানুষ বুঝেশুনে সময় নিয়ে করছে। কিছু কাজ জুলাই-আগস্টে শুরুর কথা ছিল, সেগুলো এখনো শুরু হয়নি। পরবর্তী সময়ে কবে শুরু হবে, তা নিয়েও দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি। আশা করি, আগামী বছর থেকে ভালো কিছু হবে।
আপনি বাংলাদেশের মেয়ে, কিন্তু আপনার অভিষেক হয়েছে ভারতের তেলেগু সিনেমায়। তেলেগু সিনেমায় নতুন কোনো কাজের খবর আছে?
আমার হাতে তেলেগু সিনেমার অনেক কাজ রয়েছে। আমাকে যে প্রোডাকশন হাউস ইনভাইটেশন লেটার পাঠায়। সেই লেটারসহ আমি ভারতীয় দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করি। দুর্ভাগ্যবশত ভিসা পাইনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে আমাদের প্রায়ই সবারই ভিসা পেতে সমস্যা হচ্ছে। ভিসা না পাওয়ায় জুলাই মাসে বড় একটি প্রজেক্টে কাজ করতে পারিনি।
ফেসবুক পোস্টে আপনার জীবনে নতুন মানুষের আগমন সম্পর্কে জানতে পেরেছি। আপনি ওনার নাম প্রকাশ করেননি-
আমি একটু চমক রাখতে চেয়েছি। সব যদি এত তাড়াতাড়ি বলে দিই তাহলে মজা থাকবে না। এখন যদি নাম বলে দিই, তাহলে বিয়ের সময় কী লিখেবেন আপনারা (হা-হা-হা)। ইচ্ছা করেই আমি ফেসবুকে ছবি পোস্ট করি। আমি একটা মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে আছি এবং আমাদের দুই পরিবারও বিষয়টিতে জড়িত। তাই এটা গোপন করার কিছু নেই। আমি যখন নিশ্চিত হয়েছি, হি ইজ দ্য ওয়ান, হি হিজ দ্য ম্যান ফর মাই লাইফ, তখন আসলে সম্পর্কের বিষয়টি কেন লুকাব।
বিয়ে করবেন কবে?
আগামী বছর ইনশাআল্লাহ। আমার বাবা-মা দুজনই অসুস্থ। আর তিনি (প্রেমিক) পুরো পরিবারসহ দেশের বাইরে থাকেন। তাদের সবার দেশে ফেরার একটা বিষয় আছে। দুই পরিবার মিলে সবকিছু গুছিয়ে বিয়ে করব।
সিনেমায় সিন্ডিকেট ভাঙার কথা বলেছিলেন ফেসবুকে। সেটা কী ভাঙা সম্ভব?
সিন্ডিকেটের বাইরে বড় কাজ করা প্রায় অসম্ভব। এই সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। ইনশাআল্লাহ, এটা আমি ভাঙব। এই সিন্ডিকেট ভাঙতে বেশি কিছু লাগবে না- টিম গঠন করতে হবে, টাকা লাগবে, ইনভেস্টর লাগবে। আপনি যদি নিজে প্রোডাকশনে চলে যান, আপনি যদি নিজে গল্প, ডিরেক্টর নিয়ে এসে প্রোডাকশন করেন, তাহলে এই সিন্ডিকেট ভাঙা অসম্ভব কিছু না। এটা ওয়েব এবং ওটিটির যুগ। এখন শুধু সিনেমা হলকেন্দ্রিক কাজই সবকিছু নয়।
হাসান