ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের জোক্সস, ‘ভাবছি মেসিকে ব্রাজিল দলে নিব’ প্রাথমিকে 'ম্যাথ ল্যাব' প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ উন্নয়নের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়ব: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার অনুশীলনে ড্রোন আতঙ্ক, বিরক্ত কোরিয়ান কোচ হামে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭১ রাবির জিএস আম্মারের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে আরিফ হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও থানায় বিক্ষোভ অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও স্নায়ুচাপ কাটিয়ে জয়ে চোখ মেক্সিকো কোচের গাজীপুরে পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ ২ শতাধিক শ্রমিক ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা বিধিনিষেধ আরোপ সময়ের দাবি রাঙামাটির বরকল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে রসুন ও সার জব্দ নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গণপিটুনি মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন হ্যারি কেইন রিজার্ভ চুরিতে জড়িত ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের ১০ জন কানাডায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু সীমানা পুনর্নির্ধারণের জন্য এনডিএর আর ৬ ভোট লাগবে টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিশু নিহত চট্টগ্রামের নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার টিভিতে আজকের খেলা দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ‘মুখ বন্ধ রাখতে’ বললেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ যেভাবে নির্ধারিত হবে সেরা ৮ ‘তৃতীয় দল’ কুড়িগ্রামে ট্রাক উল্টে রেলপথে, ভোগান্তিতে ট্রেনের যাত্রীরা বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে দর্শকদের দুয়োধ্বনি হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৮ হাজার ৬৩৯ জন বাংলাদেশি জি৭ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমিই বস’ লৌহজংয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
Nagad desktop

শিল্পীর পথচলায় শেষ বলে কিছু নেই: ফাহমিদা নবী

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:৩০ পিএম
শিল্পীর পথচলায় শেষ বলে কিছু নেই: ফাহমিদা নবী
ফাহমিদা নবী। ছবি: সংগৃহীত

নন্দিত কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবী। দীর্ঘ গানের ক্যারিয়ার তার। আসছে একুশে বইমেলায় প্রকাশ পেতে যাচ্ছে এই কণ্ঠশিল্পীর লেখা প্রথম বই ‘ফাহমিদা নবীর ডায়েরি’। বই, গান এবং অন্যান্য কাজ নিয়ে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ মিজান।

প্রথমবার আপনার লেখা বই প্রকাশিত হচ্ছে। কেমন লাগছে?

আমার কাছে অ্যালবামের অনুভূতি হচ্ছে। কারণ বই তো মূলত হার্ডকপি। একসময় অ্যালবামও হার্ডকপি ছিল। এখন সেটা তো শুধুই স্মৃতি। এখন অ্যালবাম ডিজিটাল হয়ে গেছে। তাই আমার অনুভূতি একটু অন্য রকম। আসলে বই বের করতে গিয়ে দেখলাম এটা একটা সাহসের বিষয়। আমি একটু সাহসী হলাম।

বইটির নাম ‘ফাহমিদা নবীর ডায়েরি’। এর বিষয়বস্তু কী?

আমার আত্মোপলদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়েই বইটি সাজানো হয়েছে। যে উপলদ্ধিতে আছে নিজেকে শুধরে নেওয়ার বিষয়। কষ্টের সঙ্গেই আছে স্বস্তি। কষ্টের মধ্য দিয়ে মানুষ সুখে থাকে। অল্প, অল্পে চলার গল্প, সমস্যার ইতিবাচক সমাধান এবং শুধরে নেওয়ার যে স্বস্তি সেটাই উঠে এসেছে এখানে। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন চারু পিন্টু। বইটি প্রকাশ করছেন শব্দ শিল্প প্রকাশনী। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলায় বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

বই প্রকাশের ভাবনা কখন মাথায় এল?

আমি মনকে ভালো রাখার জন্য ডায়েরি লিখি। মূলত পারিবারিকভাবেই ডায়েরি লেখার অভ্যাস পেয়েছি। আমার আব্বা-আম্মা ডায়েরি লিখতেন। ছোটবেলায় আম্মুর ডায়েরি একবার পড়েও ফেলেছিলাম। সবকিছু সামাল দিয়ে রাতে ডায়েরি লিখতেন তিনি। সেটাই আমাকে ডায়েরি লিখতে উদ্বুদ্ধ করেছে। এবার অনেকগুলো লেখা জমেছিল, তাই ভাবলাম বই আকারে প্রকাশ করলে মন্দ হয় না।

যেহেতু এটি আপনার প্রথম বই। তাই কোনো ভয় কাজ করছে কি?

অনেক ভয় লাগছে। আমি সত্যিই অনেক নার্ভাস। আমি তো একটা শিশুর মতো। কী হবে এটা নিয়েই চিন্তিত। কাল (আজ) বইটা হাতে পাব, তখন আম্মাকে দেব বইটা। এ জন্য একটু ভয় লাগছে। আমি সবাইকে ফেস করতে পারি, কিন্তু আম্মাকে ফেস করতে ভয় লাগে।

এরপর কি নিয়মিত বই প্রকাশের ইচ্ছা আছে?

এটা আসলে এখনই বলতে পারছি না। আমি তো সময় পেলেই লেখালেখি করি। তবে প্রকাশক আমাকে বলেছেন প্রতিবছরই আমার লেখা প্রকাশ পাক। ওরা আমার কাছে গল্পও চেয়েছে। আগে আমার লেখা কিছু গল্পও প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ম্যাগাজিনে। গল্পে তো আসলে শেষ করার বিষয় থাকে। কিন্তু শিল্পীর পথচলায় শেষ বলে কিছু নেই। আমি আসলে ইন্টারেস্টিং একটা গল্প লিখতে চাই। আমার আম্মা এখনো পড়েন। আমি ওনার কাছ থেকে অনুপ্রাণীত। আম্মা এখনো আমাকে শাসনে রাখেন।

বইয়ের মোড়ক উন্মোচন কে করবেন?

আমার আম্মা রাশিদা চৌধুরী আমার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করবেন।

এবার গান নিয়ে ব্যস্ততার কথা বলুন-

আমি তো নিয়মিত গান করেই যাচ্ছি। আমি কিন্তু কোনো যুদ্ধ করি না। কে আমার গান শুনল, আমি আসলে কিছু কাজ রেখে যেতে চাই। কাল (আজ) একটি নতুন গানের রেকর্ডিং আছে।

আপনি একেধারে লেখেন, সুর করেন আবার গান গাওয়াতেও অনেক ব্যস্ততা। এত কাজের সমন্বয় কীভাবে করেন?

আমি অবসরে বিশ্বাসী না। আমার একদম অবসর ভালো লাগে না। আল্লাহ যেন আমাকে সুস্থ রাখেন। আমি যেন টানা কাজ করতে পারি।

আপনার সুরে নতুন কোনো গান আসবে কী?

আসছে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আমার সুর করা দুটি গান প্রকাশিত হবে। সুর করার পাশাপাশি দুটি গানেই আমি কণ্ঠ দিয়েছি। ‘সেদিনও মুখর ছিল’ আর ‘তুমিহীন’ গান দুটি আসবে আমার ইউটিউব চ্যানেল ফাহমিদা নবী থেকে। দুটি গানের কথাই লিখেছেন ফারজানা রহমান। সংগীতায়োজন করেছেন সজীব দাশ। আমার চ্যানেলটা আমার মেয়ে আনমোল প্রেজেন্টস।

স্টেজ শোর ব্যস্ততা কেমন?

আমাদের ঢাকায় তো স্টেজ খুব কম। আর এখন তো নাচতে না পারলে গান গাওয়া সম্ভব না। আর আমরা তো এখন সেই জায়গায় নেই। গান শোনার পরিবেশও নেই। এখন আগের গানই সবাই কাভার করছেন নানাভাবে। নাচ আর গানে ভরপুর। আসলে নাচে ও মিউজিকে ভরপুর গান। কেউ কিন্তু জানে না গানটা কী। এটা আগেও ছিল, এখন একটু বেশি হয়ে গেছে। যখন কোনো খারাপ জিনিস বেশি হয়, তখন বুঝতে হয় সেটা শেষ হবে। গানের জুলুমটা শেষ হবে। এটা এখন এক্সট্রিম পর্যায়ে চলে গেছে।

সিনেমার গান করলেন সেটা সম্পর্কে জানতে চাই?

আমি আমেরিকা যাওয়ার আগেই একটি সিনেমার গান করেছি। রাহুল কুমার দত্তের সুরে এর সংগীত পরিচালনা করেছেন পিন্টু ঘোষ। গানটি লিখেছেন সিনেমার নির্মাতা এস এম কাইয়ুম। প্রায় দুই বছর এই গানটির মাধ্যমে সিনেমায় গেয়েছি।

আপনার ক্যারিয়ারে সিনেমার গানের সংখ্যা খুব কম। এটার কারণ কী?

আমি হচ্ছি সব সময় সিন্ডিকেটের আন্ডার সিন্ডিকেট। সবাই আমাকে বলেন আমার নাকি ফিল্মি কণ্ঠ। ফিল্মি গলা, তার পরও আমার সিনেমায় গান নেই।

এ জন্য কি দুঃখবোধ আছে?

দুঃখ তো একটু আছেই। আমি আসলে এক্সপ্রেশনে বিশ্বাসী। একটা সিনেমার গানে কিন্তু এক্সপ্রেশন লাগে। সিনেমার গানে অভিনয় থাকে। সেই গান তো নেই, হচ্ছেও না। গানের ভেতরে গভীরতা নেই। আমার মনে হয়, যারা ছবি নির্মাণ করেন তাদের হয়তো তেমন ডেফট নেই। আমাকে অবশ্য তারা পাগল বলতে পারেন। ভারত, পাকিস্তানের সিনেমার গানগুলোর গভীরতা দারুণ।

ক্যারিয়ারে কোনো অতৃপ্তি আছে?

এক জীবনে মানুষ অতৃপ্তি নিয়েই চলে যাবে। আমি কিন্তু আমার জায়গাতেই আছি। মানুষের ভালোবাসা পাই এটাই আমার তৃপ্তি। আমি অল্পের গল্পে বিশ্বাসী, তাই সব সময় অল্পতে ভালো থাকি।

হাসান

আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:১২ পিএম
আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

দেশের বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিত মুস্তাফা মনোয়ার। তিনি গত চারদিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী মেরী মনোয়ার। 

মেরী জানান, রবিবার শিল্পীকে ভর্তি করানো হয়। নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন মুস্তাফা। 

তিনি আরও বলেন, ‘১৪ জুন ওনাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ওনার প্রেশার ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। অবস্থা বুঝে চিকিৎসকরা আইসিইউতে রাখার পরামর্শ দেন। গত চারদিন ধরে তিনি আইসিইউতে রয়েছেন।’

জানা যায়, বছর দুয়েক ধরেই নানা অসুস্থতার সঙ্গে লড়ছেন নন্দিত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। কয়েকবার হাসপাতালেও যেতে হয়েছে। ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে একবার তাকে লাইফ সাপোর্টে নিতে হয়েছিল। পরে সেসব সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে। এখন নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়া তাকে বেশি ভোগাচ্ছে। 

উল্লেখ্য, মুস্তাফা মনোয়ার দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অনন্য নাম। তার কর্মজীবন শুরু হয়েছিল আর্ট কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে। পরে তিনি পাপেট শোয়ের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিতি পান। টেলিভিশনে শিশুদের জন্য তার তৈরি বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছে।

সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ২০০৪ সালে একুশে পদক এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে ‘সুলতান স্বর্ণপদক’ লাভ করেন।

/এসএল

মাধবদীর ‘মমতা’ সিনেমা হল বিক্রির বিজ্ঞাপন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
মাধবদীর ‘মমতা’ সিনেমা হল বিক্রির বিজ্ঞাপন
ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদী জেলায় সিনেমাপ্রেমীদের অন্যতম বিনোদনের মাধ্যম ছিল ‘মমতা’ সিনেমা হল। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ২০টিরও বেশি সিনেমা হল চালু থাকলেও একে একে সেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে মাধবদীর চার দশকের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী ‘মমতা’ সিনেমা হল। দীর্ঘদিন লোকসান হওয়ায় এবার হলসহ এর জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিকপক্ষ।
এ জন্য চলতি সপ্তাহে হলটির প্রধান ফটকে বিক্রির বিজ্ঞাপন টাঙানো হয়েছে।
১৯৭৯ সালে সফর আলী ভূঁইয়া প্রতিষ্ঠা করেন ‘মমতা’ সিনেমা হল। প্রায় ৪৬ বছরের পুরোনো এই প্রেক্ষাগৃহের পরিচালনা প্রায় এক দশক আগে বন্ধ করে দেন তিনি। এরপর বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তি ভাড়া নিয়ে এটি পরিচালনার চেষ্টা করলেও কেউ লাভের মুখ দেখতে পারেননি। কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতেও হিমশিম খেতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।
সবশেষ আজমান রুশো পরিচালিত শাকিব খান অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমা প্রদর্শনের পরও লোকসান গুনতে হয়েছে পরিচালনাকারীদের। এরপর নতুন কোনো ভাড়াটিয়া না পাওয়ায় হলটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিনেমা হল এবং জমি বিক্রির বিজ্ঞাপনে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করলে সফর আলী ভূঁইয়ার ব্যবস্থাপক শাহাদাত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চার দিন আগে বিজ্ঞাপনটি টাঙানো হয়েছে। উপযুক্ত ক্রেতা পাওয়া গেলে সিনেমা হলসহ পুরো ৪৮ শতাংশ জমিই বিক্রি করে দেওয়া হবে।’

মাঠে বসে মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার জয় দেখলেন নাদিয়া-নাঈম

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
মাঠে বসে মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার জয় দেখলেন নাদিয়া-নাঈম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। প্রতিপক্ষ আলজেরিয়াকে ৩–০ গোলে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের তিনটি গোলই করেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। ১৭, ৬০ ও ৭৬ মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সে গ্যালারিতে উপস্থিত আর্জেন্টাইন সমর্থকরা আনন্দিত। সেই আনন্দের অংশীদার ছিলেন দেশের অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ এবং তার স্বামী অভিনেতা নাঈম। এই তারকা দম্পতি সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে ম্যাচটি উপভোগ করেন।
ম্যাচ শেষে ফেসবুকে একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন নাদিয়া ও নাঈম। আর্জেন্টিনার জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিয়ে নাদিয়া লেখেন, ‘আমরা জয়ী, আর্জেন্টিনা দল।’
ছবিতে দেখা যায়, নাদিয়ার গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি, আর নাঈম পরেছেন দলের পতাকার রঙের সঙ্গে মিল রেখে আকাশি রঙের টি-শার্ট। দুজনকেই স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে প্রাণভরে উদযাপন করতে দেখা যায়।
উল্লেখ্য, নাদিয়া ও নাঈম ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে তারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

দীর্ঘ বিরতির পর অংশুর নতুন সিনেমা

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
দীর্ঘ বিরতির পর অংশুর নতুন সিনেমা
ছবি: সংগৃহীত

‘ন ডরাই’খ্যাত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা তানিম রহমান অংশু দীর্ঘ বিরতির পর নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটির ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই এটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এবার ছবিটির প্রেক্ষাপট, জনরা এবং নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক নিজেই।
অংশু জানান, তার নতুন এই সিনেমার নাম ‘লিম্বো’, যা হতে যাচ্ছে একটি স্পেস ড্রামা এবং কসমিক রোমান্সের গল্প। এ ধরনের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এর আগে কখনো দেখা যায়নি। বিশেষ করে এর ভিজুয়াল এফেক্টস এবং গল্পের গভীরতা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে সম্পূর্ণ প্রথম বা অনন্য এক অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
বিশাল ক্যানভাসের এই সিনেমাটি আন্তর্জাতিক মানের করে তোলার জন্য তিনটি ভিন্ন দেশে এর শুটিং করার পরিকল্পনা করছেন এই নির্মাতা। আগামী আগস্ট মাস থেকেই সিনেমার সম্ভাব্য কলাকুশলীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু করার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সিনেমাটি মুক্তির আগেই বিশ্বমঞ্চের বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে এটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
দীর্ঘদিন পর চলচ্চিত্র নির্মাণে ফেরা প্রসঙ্গে তানিম রহমান অংশু বলেন, ‘গত ছয় থেকে সাত বছরে বেশ কয়েকটি ছবি আমার পরিকল্পনার অধীনে ছিল। কিন্তু আমি এমন কিছু খুঁজছিলাম যা হবে বেশ চ্যালেঞ্জিং এবং যার গল্প এর আগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিত্রায়িত হবে। কারণ, আমি সব সময় নতুন ধারা বা নতুন জনরা তৈরি করতে পছন্দ করি।’
সিনেমাটির নির্মাণ প্রক্রিয়া যে সহজ নয়, তা স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, “আমার মনে হয় ‘লিম্বো’ খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি প্রজেক্ট। বাংলাদেশে এটি নির্মাণ করা অসম্ভব মনে হলেও একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আমি এই চ্যালেঞ্জটিকেই বেছে নিয়েছি।”
প্রসঙ্গত, এর আগে ‘লিম্বো’র পোস্টার শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অংশু লিখেছিলেন, ‘দূরত্ব যত আলোকবর্ষেরই হোক না কেন, চেনা অনুভূতির টান কখনো ফুরায় না। শূন্য আর পূর্ণতার মাঝখানের যে সীমানা, সেখানে হারিয়ে যাওয়া আর ফিরে পাওয়ার গল্পরা এক হয়ে যায়।’ ভিন্নধর্মী এই স্পেস ড্রামাটি ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

পাঁচ তারকার স্মৃতিময় একদিন

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
পাঁচ তারকার স্মৃতিময় একদিন
ছবি: সংগৃহীত

আসার কথা ছিল সাতজনের, তারা সবাই বাংলা চলচ্চিত্রের ষাট-সত্তর ও আশির দশকের বড় তারকা। চ্যানেল আইয়ের মূল ফটক থেকে সাজানো হয়েছিল এসব তারকার সোনালি যুগের ছবি দিয়ে। তারা হলেন–শবনম, সুচন্দা, উজ্জ্বল, সোহেল রানা, আনোয়ারা, আলমগীর এবং ববিতা। কিন্তু এলেন পাঁচজন। এর মধ্যে সোহেল রানা এবং আনোয়ারা অসুস্থতাজনিত কারণে আসতে পারেননি। বাকি পাঁচজন রেড কার্পেট বিছানো পথে হেঁটে এলেন। তাদের স্বাগত জানালেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং সিনিয়র চলচ্চিত্র সাংবাদিক আবদুর রহমান। এরপর দিনব্যাপী আড্ডা। অনেকের সঙ্গে অনেকের দেখা হলো অনেক বছর পর। স্মৃতির ডালির ঝাঁপি খুলে প্রাণভরে আড্ডা দিলেন তারা। বললেন তাদের ব্যক্তিগত ও অভিনয় জীবনের নানান অজানা কথা। এ সময়ের মধ্যে চ্যানেল আইয়ের স্টুডিওতে তাদের নিয়ে এক অন্যরকম আড্ডা দিলেন সিনিয়র চলচ্চিত্র সাংবাদিক আবদুর রহমান। স্মৃতিময় এই দিনে চলচ্চিত্র নয়, চলচ্চিত্রের বাইরেও যে কথা কোনোদিন হয়নি বলা তারকারা বললেন এই আড্ডায়। 
আষাঢ়ের প্রথম দিন ১৫ জুন এই আড্ডায় আষাঢ়কে উপভোগ করা, বৃষ্টিতে শুটিং করার স্মৃতি, প্রিয় নায়ক নায়িকা, প্রিয় গান এরকম অনেক অনেক বিষয়ই উঠে এল সেই আড্ডায়। স্মৃতিময় একদিন কাটিয়ে তারা বাড়ি ফেরার আগে পেলেন উপহার। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল ঘোড়া, হাতি, পুতুল, বাচ্চাদের খেলনাসহ অনেক কিছুই। সঙ্গে নাম ও ছবিসহ ক্রেস্ট এবং ফুলের বাকেট। পুরো অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আই ধারণ করেছে। শিগগিরই চ্যানেল আইতে এটি প্রচার হবে। অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করেছেন ইফতেখার মুনিম।