বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান তার ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন। ছুরির ছয়টি আঘাত নিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় অটোরিকশায় চড়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে থাকতে হয়েছিল পাঁচ দিন। তার পর বাড়ি ফেরেন তিনি। তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলের নানা রকম প্রশ্ন।
অভিনেতা জানান, হ্যাঁ, সেদিন রাতে অটোরিকশায় চড়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের প্রশ্ন- কোথায় ছিলেন তার গাড়িচালক? মেরুদণ্ডে গাঁথা ছুরি নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছতে তার কেন এত সময় লাগল?
অভিনেতা বলেন, ‘মানুষ প্রশ্ন করছেন, দেড় ঘণ্টা পিঠে ছুরি নিয়ে কী করছিলাম আমি। বিষয়টি একেবারেই এমন নয়। আমি প্রথমেই নিচে গিয়ে অটোরিকশায় হাসপাতালে যাই। পরের অটোরিকশায় পরিবারের লোকজন করিশমার বাড়িতে গিয়েছিল। কেউ কোথাও থেমে থাকেননি।’
সাইফ আলী খান অটোরিকশায় কেন হাসপাতালে গেলেন, এই বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তরা প্রশ্ন করছেন, এত ধনী মানুষ, রাতে বাড়িতে কোনো চালক ছিল না? আমি এটাই বলতে চাই, সারা রাত কেউ কাজে থাকেন না। রাতে সবাই যে যার বাড়িতে ফিরে যান। কিছু মানুষ রাতে আমাদের বাড়িতে থাকেন। কিন্তু গাড়িচালকরা বাড়িতে থাকেন না। রাতে বাড়ির বাইরে কোথাও যাওয়ার থাকলে আগের থেকেই বলা থাকে তাদের।’
সেই রাতে গাড়ির চাবিও খুঁজে পাননি বলে জানান বলিউডের এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘আমি চাবি খুঁজে পেলে নিজেই গাড়ি চালিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু খুঁজে পাইনি। অবশ্য নিজে গাড়ি চালিয়ে যাওয়াটা ঠিকও হতো না। আমার পিঠের যা অবস্থা ছিল! তাছাড়া আমি সম্পূর্ণ ঝিমিয়ে পড়েছিলাম। রাত ৩টায় গাড়ির চালককে ডেকে পাঠানোও যায় না। তারও তো আসতে সময় লাগতো। কিন্তু আমার হাসপাতালে পৌঁছনোর তাড়া ছিল।’
অমিয়/