দেশসেরা মডেল, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। এ প্রজন্মের মডেলদের কাছে আইকন তিনি। এবার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কোনো পডকাস্টে অংশ নিয়েছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। মাছরাঙা টেলিভিশনের জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-এর ৭ম পর্বে অতিথি হয়ে আসছেন জনপ্রিয় এই তারকা। এই পর্বটি প্রচার হবে ১৩ সেপ্টেম্বর শনিবার রাত ৯টায়, মাছরাঙা টেলিভিশন এবং রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম৩২এ।
বিশেষ এই পডকাস্টে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেছেন, তার ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে নানা কথা। যে কথা আগে কখনো বলেননি কোথাও। ৩৬ বছরের ক্যারিয়ারে দেশের শীর্ষ নারী মডেলের খেতাবটি মৌ ধরে রেখেছেন। যদিও এ কথা মানতে নারাজ মৌ। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার পরেও অনেকে ভীষণ ভালো করেছে। তবে আমার পরের প্রজন্মের অনেকে যে আমার নামটি স্মরণ করেন, সে জন্য ওদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’
মডেল এবং নৃত্যশিল্পী হিসেবে এখনো সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। তবে সম্প্রতি অভিনেত্রী হিসেবে তার ৩০ বছর পূর্ণ হলেও অভিনয়ে তার সুখ্যাতি কখনো ছিল না। এ বিষয়ে মৌ বলেন, শুরুতে আমি অভিনয়ই করতে চাইনি। আগ্রহ পাইনি। এমনকি প্রথম নাটক প্রচারের পর আমার বন্ধুরাই বলেছে, এই কণ্ঠস্বর নিয়ে তুই আর অভিনয় করিস না। এটা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, মডেলিং আর নাচে আমি যতটা সময় দিয়েছি, অভিনয়ে ততটা দেইনি।
মৌ আরও বলেন, ‘নব্বইয়ের দশকে তাদের মডেলিং সার্কেলে সবার মধ্যে হৃদ্যতা ছিল, যা এখনো অটুট। বিশেষ করে নোবেলের সঙ্গে শুরু থেকে একই রকম বন্ধুত্ব রয়েছে তার। ‘নোবেল আমার বন্ধু। আমার এই বন্ধু আমাকে সব সময় সব কিছুতে প্রোটেক্ট করেছে। আমাদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটি সম্পর্ক শুরু থেকেই ছিল। যে কারণে হয়তো আমাদের জুটির রসায়ন পর্দায় এভাবে ফুটে ওঠে।’’
মৌ পডকাস্টে স্মরণ করেন, বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজে মুম্বাইয়ে গিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে ঘুরে বেড়িয়েছেন শমী কায়সার, বিপাশা হায়াত, আফসানা মিমিদের সঙ্গে। মৌ বলেন, তারা ছিলেন সে সময়ের সুপারস্টার। ওদের কাছে আমি কিছুই না। রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।
/এমএস