ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেল ৬ জেলার সেনা কর্মকর্তারা ২-১ গোলে জর্ডানকে হারিয়ে নকআউপটের আশা জিইয়ে রাখলো আলজেরিয়া কাতারে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৬৬ ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা আংশিক তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র শিরোপার স্বপ্নে ভাসছেন না হালান্ড আশুরা উপলক্ষে ডিএমপির নির্দেশনা তৃণমূলের শীর্ষ পদ থেকে মমতাকে বাদ ১১৫ দিন পর হরমুজ অতিক্রম করল বাংলার জয়যাত্রা পর্তুগাল এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: রবার্তো মার্তিনেস বিশ্ববিদ্যালয়ে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা বাড়াতে হবে: ইবি উপাচার্য ইউএনওর আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার কারসাজি টেকনাফে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে সরে যেতে মাইকিং বাউফল উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি কারাগারে জাবিতে রোকনুজ্জামান খান ও বেগম রোকেয়ার জীবনকর্ম নিয়ে আলোচনা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ কুড়িগ্রামে ধানের গোলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য পাবনায় আমবাগানে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মাগুরায় ‘বাঘ’ আতঙ্ক, বন বিভাগ বলছে মেছো বিড়াল সেন্টমার্টিনে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬ বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুরমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ দিনাজপুরে দিলশাদ, ভিন্ন স্বাদ ও কাচ্চি ভাইকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা যেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ঢাকায় গ্রেপ্তার নেইমার কি আর খেলবে বিশ্বকাপ? পা ভাঙা রাজহাঁস নিয়ে থানায় নারী এমবাপ্পে, ইয়ামালদের যুগেও মেসিই ফুটবলের ‘ফাইনাল বস’ রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৯০ লাখ টাকার অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ হারিয়ে যেতে বসা হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ উদ্ধার সাহাবিদের জন্য রাসুল (সা.) কী ধরনের পোশাক পছন্দ করতেন

‘প্রতি সপ্তাহে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা দরকার’

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৫, ১১:০০ এএম
‘প্রতি সপ্তাহে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা দরকার’
দীপক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা দীপক চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘শিরিনের একাত্তর যাত্রা’-সহ কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বানিয়েছেন। নিজের সঙ্গে নিজের লড়াইয়ে ক্ষতবিক্ষত হতে থাকা নারীর গল্প নিয়ে ‘আহার’ নামে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ মিলে ৩০টি গ্রন্থ রয়েছে তার। স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে ‘খবরের কাগজ’-এর সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র থেকে কী পাই?

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র থেকে শুধু বিনোদনই পাই না, তা থেকে গভীর ও বিভিন্ন ধরনের গল্প এবং বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই। সাংস্কৃতিক বাস্তবতা, শিক্ষামূলক ও তথ্যবহুল ঘটনা দর্শকদের জানাতে সাহায্য করে। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে জীবন, সামাজিক চিত্র, নারীর অসহায়ত্বসহ বিভিন্ন বিষয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে দেখানো যায়। ছোটগল্পের মতো, ছোট প্রাণ, ছোট সুখ, ছোট ছোট দুঃখগাথা নিয়েও স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্মাণ করা যায়। অল্প আয়োজনে বড় ম্যাসেজ দেওয়া সম্ভব হয়। তবে এটাও সত্য, টিভি-রেডিওর নাটকের ভাষা আর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ভাষা এক নয়।

কী কী উপায়ে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা সম্ভব?

বিশেষ ব্যবস্থায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে, শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমিতে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এটা শুধু বিশেষ দিবসে নয়, প্রতি শুক্র-শনিবারে হতে পারে। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বহির্বিশ্বে তুলে ধরার অন্যতম মাধ্যম হতে পারে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। কম খরচে নির্মাণের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নিতে পারে আমাদের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে কোনো প্রস্তাব রাখতে চান?

আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে, অনেক রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা ব্যর্থ হতে দিতে পারি না। এ মহৎ অর্জনের পেছনে রয়েছে বহু রক্ত ও ত্যাগ। ত্রিশ লক্ষ শহিদ আর কয়েক লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সঙ্গে মিশে আছে হাজার হাজার ছোট বড় ঘটনা। শুধু স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রই নির্মাণ করা যেতে পারে কয়েক হাজার। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছরে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একশ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও হয়নি। এটা বড় ব্যর্থতা আমাদের। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় বিশেষ মর্যাদায় যেতে পারত। স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রদর্শনের সুযোগ খুব কম। টেলিভিশনগুলো বিশেষ বিশেষ দিবসে শুধু পছন্দ হলেই প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে থাকে। যেহেতু সিনেমা হলে প্রদর্শনের সুযোগ নেই সুতরাং প্রতিটি বেসরকারি টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসে অন্তত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে পারেন।

আপনার অভিজ্ঞতায় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জরুরি ক্ষেত্র কী কী?

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে আমার ধারণা নির্মাতা ও অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে পারস্পরিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং জরুরি। রিহার্সেল, শারীরিক প্রতিক্রিয়াশীলতা, ভোকাল রেসপন্সিভনেস, উচ্চারণের ধরন জরুরি। আমরা দেখি, আজকাল অধিকাংশ চলচ্চিত্রে সহিংসতা, আগ্রাসী স্বভাব, ধর্ষণ, খুন বেশি করে দেখানো হয়। শারীরিক আক্রমণের মতো ঘটনার ক্ষেত্রে কুশীলবের ভোকাল রেসপন্সিভনেস জরুরি। আমি বলতে চাই রিহার্সেল, প্রশিক্ষণ, কৌশল জানা দরকার। শুধু চেহারা সৌন্দর্য্যরে বড়াই নিয়ে অনেকে ফিল্মে কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকেন। কিন্তু অভিনয়টা কি এত সস্তা? চরিত্র ধারণের আগে মনস্ততাত্ত্বিক প্রস্তুতি দরকার। এক শ্রেণির নায়ক-নায়িকা দুয়েকটি নাটক-সিনেমায় ভালো করার পরই পা মাটিতে ফেলতে ভুলে যান। ফলে, অসাবধানতার জন্য বর্ণময় জীবনকে হঠাৎ বর্ণহীন হয়ে পড়তে হয়। 

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে ভালো গল্প তো খুবই দরকার!

স্বল্পদৈর্ঘ্য বলুন বা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বলুন, গল্প ভালো থাকতেই হবে! তবে ভালো গল্প দিয়েই ভালো চলচ্চিত্র হয় না। এর অনেক আনুষঙ্গিকতা রয়েছে। সকল ভালো গল্প ভালো চলচ্চিত্রের উপযোগী নয়। আমরা মুখস্থ বলে থাকি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমুক গল্প অবলম্বনে এই চলচ্চিত্র বা নাটক ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু কাউকে অসম্মান না করেও বলতে পারি, সবক্ষেত্রেই ‘অবলম্বন’ শব্দজুড়ে দেওয়া ঠিক নয়। দিনমজুর, নিরন্ন, অশিক্ষিত, অচ্ছুত হরিজনদের নিয়ে চলচ্চিত্র বানাতে হবে এখন। এ ছাড়াও আপনি যেকোনো ছবিই নির্মাণ করুন এতে সরলতা চাই। সরল-সহজ ভাষা চাই।

সরলতা মানে? গল্পের সরলতা, সরল-সহজ গল্প এসব?

না, সেটা বলছি না। আমরা সবাই তো জানি পথের পাঁচালির কথা। 

সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালি’ চলচ্চিত্র?

হ্যাঁ, সেটাই বলছি। পথের পাঁচালির প্রধান গুণ ছিল তার সরলতা। সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্রসংক্রান্ত গ্রন্থে ‘শতাব্দীর সিকি ভাগ’ প্রবন্ধে বলেছেন, পথের পাঁচালির সরলতার পাশাপাশি তার আবেগ, কাব্যময়তা, বাস্তবানুগত্য, মানবিকতা ইত্যাদি গুণের সমাবেশ, যার সবই বিভূতিভূষণের উপন্যাসে বর্তমান। সে ছবি দর্শকের মনে এমনই একটি স্থান করে দিয়েছে, যেখান থেকে তাকে আর সরানো চলে না। 

বাংলা চলচ্চিত্রের কথা বলতে গেলে সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন, অঞ্জন দত্ত, আজিজুর রহমান, এহতেশাম, আলমগীর কবীর, হুমায়ূন আহমেদ, তানভীর মোকাম্মেল, আমজাদ হোসেনের ছবি জনপ্রিয়তা হওয়ার কারণ কি সরলতা?

সরলতা তো বটেই, অন্যান্য দিকও আছে। তারা অত্যন্ত অভিজ্ঞ, গুণী ও পরিশ্রমী। একটি ছবি বিবিধ কারণে জনপ্রিয়তা পেতে পারে। বাস্তবতা, ভাষা, সংলাপ, চিত্রনাট্য, সিনেমাটোগ্রাফি, নির্মাণে মুন্সিয়ানা। মানুষ জটিল বিষয় পছন্দ করে না। চলচ্চিত্র একটি বিশাল শিল্প। বহু আয়োজন ও পরিশ্রমের। প্রয়োজনীয় জনসংবর্ধনা না পেলে এর স্বাস্থ্য দুর্বল হয়ে যায়। জনগণ ও দর্শককে টানতে পারে না। চলচ্চিত্রের একটি ব্যতিক্রম ভাষা রয়েছে, নির্মাণকালে মাথায় রাখেন গুণী নির্মাতারা। 

ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য কোন বিষয়টিকে সবার আগে মাথায় রাখা দরকার বলে মনে করেন আপনি?

অভিজ্ঞ ও গুণী নির্মাতারা এমন প্রশ্নের ভালো জবাব দিতে পারবেন, যা আমরা নিজেরাও উপকৃত হব। ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতায় আমি বলব-আগ্রহ ও কল্পনাশক্তি থাকা চাই চলচ্চিত্র নির্মাতার। যেমন কোনো মানুষই তার গন্তব্যস্থলে উপস্থিত হতে পারবেন না যদি তার কোনো আগ্রহই না থাকে। তিনি উপস্থিত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেই সেখানে যেতে পারবেন। এই ‘আগ্রহ’ ব্যাপারটাই মূলত তীব্র শক্তি। যদি নির্মাতার মাথায় ঘুরপাক খায় একটা চমৎকার ধারণা আর বুকের মধ্যে চাপা থাকে তীব্র কোনো অনুভূতি তবেই কেবল সম্ভব। এগুলোই মূলত নির্মাতাকে শক্তি জোগায়। যেকোনো আগ্রহ জীবনকে ধারালো করে তোলে। 

অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ভূমিকা তো এসব ক্ষেত্রে মুখ্য?

হ্যাঁ, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। প্রত্যেকটি চলচ্চিত্রের পেছনে একটি জার্নি থাকে। তবে চলচ্চিত্র নির্মাতাকে যে কাজটি করতে হবে তা হলো গুহামানবকে গুহার মধ্য থেকে টেনে বের করে আনতে হবে। আলো, বাতাস, রোদ্দুর, কাদাপানিতে মেলে ধরতে হবে। ইদানীং আমাদের দেশে কুশীলবদের অনেকেই ‘স্ক্রিপ্ট’ না পড়েই শুটিং স্পটে চলে আসেন। নির্মাতাকে বিব্রত হতে হয়। নাটকের ক্ষেত্রে যাচ্ছেতাই নাকি অবস্থা। এক-দুজন কুশীলবের জন্য অন্যান্য কলাকুশলীকে সমস্যায় পড়তে হয়। এসব বিষয় এই শিল্পের জন্য খারাপ ফলাফল বয়ে আনে। এত গেল একটি দিক। চরিত্রের দোষ-গুণগুলো যদি গভীরভাবে অনুভব করতে না পারি তাহলে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কীভাবে কাজে লাগাব? চরিত্রের মধ্যে মেশাবো কীভাবে? সবচেয়ে জরুরি যেটি তা হচ্ছে- ঝগড়া করতে ভুলে যাওয়া। ভোলা দরকার সুষ্ঠু নির্মাণের স্বার্থে। শুটিং চলাকালে অপর ব্যক্তিকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করাও চলচ্চিত্রের স্বার্থেই ভুলে যেতে হবে। 

ভালো চলচ্চিত্রের জন্য ভালো চিত্রনাট্য দরকার। আমরা শুনে থাকি চিত্রনাট্য রচনার কাজই অনেকের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র পথ। সুন্দর চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য এর ভূমিকা কী?

আমার অভিজ্ঞতায় বলতে পারি চিত্রনাট্য রচনায় যে দক্ষতা থাকতে হবে, তা অনস্বীকার্য। কিন্তু কেবল কল্পনা করে চিত্রনাট্য রচনা সম্ভব হলেও সুষ্ঠু নির্মাণ অসম্ভব। বাস্তবতা ও স্বচক্ষে দেখা স্পট ছাড়া ভালো চিত্রনাট্য লেখা সম্ভব হয় না, নির্মাতার দক্ষতা যতই থাকুক। আমরা প্রায়ই দেখি অনেকেই চিত্রনাট্য রচনা করেন, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো ছোঁয়া থাকে না। এ ক্ষেত্রে সিনেমাটোগ্রাফারের ভোগান্তি বাড়ে, বিভ্রান্ত হন তিনি। আমি মনে করি, সবচেয়ে জরুরি এ কাজটিতে অর্থ বাঁচানো মানে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজকে ক্ষতি করা। একটা কথা আছে, কোনো কোনো মৃত্যু বেঁচে থাকার চেয়েও ভালো। 

/এমএস 

আলিয়ার শুটিংয়ে একজনের মৃত্যু

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আলিয়ার শুটিংয়ে একজনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের তারকা অভিনেত্রী আলিয়া ভাট বর্তমানে কাজ করছেন সঞ্জয় লীলা বানসালীর নতুন সিনেমায়। এর নাম ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’। এই সিনেমা নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। কারণ সিনেমাটির শুটিংয়ে অঘটন ঘটেছে। গত ১৭ জুন শুটিং সেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৪২ বছর বয়সী এক মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। এ কারণেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। শুটিং সেটে কলাকুশলীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। 
জানা গেছে, মুম্বাই ফিল্ম সিটির রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে এ ঘটনা ঘটে। সে সময়ে শুটিং করছিলেন আলিয়া ভাট। তখনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় চন্দ্রধারী সিংহ যাদব নামে ওই ব্যক্তির। শুটিং সেটে শর্টসার্কিট হওয়ার কারণেই নাকি এ অঘটন ঘটে। চন্দ্রধারীর পরিবারে রয়েছেন তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে। 
জানা গেছে, বানসালীর প্রযোজনা সংস্থা নাকি চন্দ্রধারীর পরিবারকে ৪০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এখানেই বাঁধ সেধেছে ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ (এফডব্লিউআইসিই)।
এফডব্লিউআইসিইর পক্ষ থেকে বানসালীকে এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছে। প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে ৪০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করা হলেও এফডব্লিউআইসিইর দাবি, প্রয়াত কর্মীর পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে। খবর, চন্দ্রধারীর দুই  মেয়ের ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বৃদ্ধির আবেদন করছে তারা।এফডব্লিউআইসিইর সভাপতি বিএন তিওয়ারির বক্তব্য, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি অবিলম্বে শুটিং সেটে নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘প্রথমত, প্রয়াত কর্মীর সন্তানরা খুব ছোট। তাদের ভবিষ্যতের জন্য ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, শুটিং সেটে যাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কর্মীদের কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমাও নির্ধারণ করে দিতে হবে। তার বাইরে কাজ করানো যাবে না। চন্দ্রধারী খুবই গুণী কর্মী ছিলেন। তাকে এভাবে প্রাণ হারাতে হলো, যা খুবই দুঃখজনক।’
এদিকে বানসালীর প্রযোজনা সংস্থা ৪০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি চন্দ্রধারীর স্ত্রীকে কর্মসংস্থানের প্রস্তাবও দিয়েছে।
উল্লেখ্য, এ সিনেমায় আলিয়া ভাট ছাড়া আরও অভিনয় করছেন ভিকি কৌশল, রণবীর কাপুর। ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। সিনেমাটি একই সঙ্গে হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় মুক্তি পাবে।

আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে অংশ নেওয়ার কথা ছিল চিত্রনায়ক বাপ্পারাজের। তার প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। তবে শেষ মুহূর্তে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততা দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান এই অভিনেতা।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও হঠাৎ করেই গতকাল সোমবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার দিন এফডিসিতে এসে বাপ্পারাজ জমা দিলেন আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়নপত্র।
এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি প্রার্থী না হলেও আমার গড়া প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসেছি। মুক্তিকে আগেই জানিয়ে রেখেছিলাম যে তোমাদের সঙ্গে সব সময় আছি। তাই আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিতে এফডিসিতে এসেছি। ওদের জন্য সব সময় শুভকামনা।’
মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বাপ্পারাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুমানা ইসলাম মুক্তি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘শিল্পী সমিতি ২০২৬-২৮ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিলাম আরমান-মুক্তি প্যানেল, আলহামদুলিল্লাহ। বাপ্পারাজ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের জন্য আজকে শিল্পী সমিতিতে আসার জন্য এবং আমাদের সঙ্গে আরমান-মুক্তি প্যানেলের মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য।’
শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন সামনে রেখে সভাপতি পদে বাপ্পারাজের নাম ঘোষণার পর শিল্পীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে একই প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মুক্তি ছিলেন সবচেয়ে আশাবাদী ও উচ্ছ্বসিত। 
এরপর বাপ্পারাজের পরিবর্তে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন চলচ্চিত্রের পরিচিত সিনিয়র ফাইট ডিরেক্টর, অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক আরমান। এই পদ থেকে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আরমান যুক্ত হন। তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।
উল্লেখ্য, আগামী ৩ জুলাই এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের এই দ্বিবার্ষিক নির্বাচন।

মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার

বাংলাদেশের নৃত্য, অভিনয় ও মডেলিং অঙ্গনের নন্দিত শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। আজ তার জন্মদিন। একইদিনে এবার উদযাপিত হচ্ছে বাবা দিবস। দুই বিশেষ উপলক্ষে প্রয়াত বাবার গাওয়া গানকে নতুন আঙ্গিকে উপহার দিলেন খ্যাতিমান ফ্যাশন ডিজাইনার ও বিশ্বরঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা।

বিশ্বরঙের এই বিশেষ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও, যেখানে নতুন সংগীতায়োজনে পুনরায় প্রাণ পেয়েছে মৌয়ের প্রয়াত বাবা, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে গাওয়া একটি জনপ্রিয় গান। গানটির মূল গীতিকার নঈম দোহার এবং সুরকার নওয়ার পারভেজ। নতুন সংগীতায়োজন করেছেন রাজন সাহা, যিনি আধুনিক নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে গানটিকে দিয়েছেন ভিন্নমাত্রা।

এই প্রজেক্টের সবচেয়ে আবেগঘন দিক হলো—সাদিয়া ইসলাম মৌ প্রথমবারের মতো কোনো মিউজিক ভিডিওতে নিজের কণ্ঠে কবিতা পাঠ করেছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নৃত্য, অভিনয় ও মডেলিংয়ে সাফল্যের পর এই নতুন সংযোজন তাঁর শিল্পীসত্তায় যুক্ত করেছে এক ভিন্ন আবেগ ও গভীরতা।

প্রজেক্টটি নিয়ে বিপ্লব সাহা বলেন, “মৌ আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জ্বল নাম। তাঁর জন্মদিন ও বাবা দিবস একই দিনে হওয়ায় আমরা চেয়েছি এমন কিছু করতে, যা স্মৃতি ও ভালোবাসাকে একসঙ্গে ধারণ করে। প্রয়াত সাইফুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গানটিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, মৌয়ের কবিতা পাঠ এই কাজটিকে শুধু একটি মিউজিক ভিডিও নয়, বরং এক আবেগঘন শিল্পভাষ্যে রূপ দিয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত অনুভূতি ও শিল্প এক হয়ে গেছে।

মিউজিক ভিডিওটির চিত্রগ্রহণ করেছেন অনিক ছন্দ এবং সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন তুষার। পুরো নির্মাণে চেষ্টা করা হয়েছে স্মৃতি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে দৃশ্য ও সুরের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।

আজ সন্ধ্যায় মিউজিক ভিডিওটি একযোগে বিশ্বরঙের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল এবং বিপ্লব সাহার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি এটি বিশ্বরঙের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও উন্মুক্ত থাকবে।

/এমটি 

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি
ছবি: সংগৃহীত

বিটিএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মির্জা আবুল বাশারকে প্রতারণার একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ব্যবসায়ী এবং জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নানা গুঞ্জন। মির্জা আবুল বাশার ও নায়িকা ববিকে স্বামী-স্ত্রী বলেও আখ্যা দিয়েছে অনেকেই। অনেকেই আবার কথিত স্বামী বলে উল্লেখ করেছেন। এ ঘটনার খবর কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমেও দাবি করা হয়।
এ বিষয়টি নিয়ে শনিবার রাতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি দেন ববি। এই নায়িকা লেখেন, ‘শনিবার বিকেল থেকে ব্যবসায়ী মির্জা আবুল বাশারকে কেন্দ্র করে আমাকে নিয়ে বেশ কিছু গণমাধ্যমে চটকদার সংবাদ প্রকাশ করেছে। সেখানে বাশারের সঙ্গে জড়িয়ে “কোথাও কথিত স্ত্রী’’, “কোথাও স্ত্রী’’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘মূলত ভিউ বাণিজ্য ও আমার সম্মানহানি করতেই একটি কুচক্রী মহল এ কাজ করছে। তবে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। আমাকে হেয় করার জন্য যেসব গণমাধ্যম ভুয়া খবর ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন, যদি বিয়ে নামে পবিত্র সম্পর্কে জড়িয়ে থাকি, সেটি অবশ্যই আমি নিজ থেকে সামনে আনব।’
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে এডিসি আল আমিন হোসাইন জানান, গাড়ি কেনাবেচার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর গুলশান থানায় আবুল বাশারের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের হয়। এরপর থেকে তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হলেও তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে গুলশান-১ এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে আবুল বাশার বাসার ভেতরে থাকা একটি সুড়ঙ্গসদৃশ গোপন স্থানে লুকিয়ে ছিলেন। প্রায় ১৮ ঘণ্টার অভিযানের পর শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০২:০২ পিএম
রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা
ছবি: সংগৃহীত

হলিউড তারকা জেনা ওর্তেগা। এবার রুপালি পর্দায় রোবট হয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। এই অভিনেত্রীকে এমন চরিত্রে দেখা যাবে খ্যাতিমান নির্মাতা তাইকা ওয়াইটিটির সিনেমায়। যিনি ‘থর: র‌্যাগনারক’, ‘জোজো র‌্যাবিট’-এর মতো ব্লকবাস্টার ও কমেডি ঘরানার সিনেমার নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। 
কাজুও ইশিগুরোর ২০২১ সালের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’। সম্প্রতি বিনোদন সাময়িকী ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ এই সিনেমার ফার্স্ট লুক প্রকাশ করেছে। সিনেমার মূল চরিত্র ‘ক্লারা’। এটি মূলত একটি সৌরশক্তিচালিত রোবট। এই ক্লারা চরিত্রেই দেখা যাবে জেনা ওর্তেগাকে। 
সিনেমার গল্পে দেখা যাবে, এক মা তার অসুস্থ মেয়ের একাকিত্ব দূর করতে সঙ্গী হিসেবে এই রোবটটিকে কিনে নেন। মানুষের আচরণ, ভালোবাসা, একাকিত্ব ও বিশ্বাসকে একটি কৃত্রিম সত্তা বা রোবট কীভাবে দেখছে, তা নিয়েই এগিয়েছে সিনেমার গল্প।
নির্মাতা তাইকা ওয়াইটিটি জানান, শুরুতে তিনি ভেবেছিলেন এটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সহজ সিনেমা হবে এবং তিনি এটিকে তার চেনা ‘কমেডি’ স্টাইলে বানাতে চেয়েছিলেন।
এ সম্পর্কে তিনি বলেন, “শুরুতে লেখার সময় ভেবেছিলাম এটাকে একটা সাধারণ ‘তাইকা ফিল্ম’ বানাই আর ফালতু রোবট রসিকতায় ভরিয়ে দিই। কিন্তু লিখতে গিয়ে বুঝলাম, এতে চমৎকার বইটির মূল আবেদন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই নিজের চেনা ধারা থেকে বের হয়ে এটিকে একটি সিরিয়াস ড্রামা হিসেবে তৈরি করেছি। এটিই সম্ভবত আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে নাটকীয় ছবি।”
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কীভাবে মানুষের সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে, তা-ই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আগামী ২৩ অক্টোবর সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। 
তবে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এর প্রিমিয়ার হতে পারে।