ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সময়মতো পূর্বাভাসেই বেঁচে যাচ্ছে চীনের জুঁই বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বাজেট বলছে: প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে নারী-তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মুখর জনসভা মাঠে মদ্রিচ আমার ডান হাত: জ্লাতকো ডালিচ প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি: সিপিডি ওয়াহিদুল হত্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর ভারতে ৩ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের ‘আমরাই মেসির কাজটা সহজ করে দিয়েছি’, বললেন আলজেরিয়ার কোচ জয়পুরহাটে পুত্রবধুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনার জার্সির পেছনে ‘১৮৯৩’ লেখা থাকার কারণ কী? বিশ্বকাপ জয়ের এটাই সেরা সুযোগ: হ্যারি কেইন মেসি বন্দনায় ভাষা হারিয়েছেন স্কালোনি ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তুরস্ক, লক্ষ্য প্যারাগুয়ে বধ নাটকীয় ম্যাচে জর্ডানকে হারাল অস্ট্রিয়া কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরির্দশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ঝিনাইদহে প্রায় ১১ কোটি ব্যয়ে অত্যাধুনিক কসাইখানা উদ্বোধন: আসাদুজ্জামান মৌলভীবাজারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না বেরোবিতে রিডিং রুমের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে হলে টিভি স্থাপন, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সংবাদ উপস্থাপক থেকে জনপ্রতিনিধি: শামীমা তন্বীর অসাধারণ অভিযাত্রা ন্যাশনাল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ স্বীকৃত কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজতে হবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন নারী থাকুক নিরাপদে... মৌলভীবাজারে তারেক রহমানের জনসভায় চিরচেনা বিলবোর্ড-ব্যানারের অনুপস্থিতি স্বপ্নে জীবিত দেখার দাবি! ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খনন নওগাঁয় রেল লাইনের পাশ থেকে কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার
Nagad desktop

একজন ঋত্বিক ঘটক ও তার নির্মাণ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০০ এএম
একজন ঋত্বিক ঘটক ও তার নির্মাণ
ছবি: সংগৃহীত

কিংবদন্তি বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক ঋত্বিক কুমার ঘটক। যিনি ঋত্বিক ঘটক নামেই সর্বজন পরিচিত। চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে এই নামটি আবেগের ও শ্রদ্ধার। তার নির্মিত সিনেমাগুলো একেকটি ইতিহাস হয়ে আছে। ভারতবর্ষের মননশীল ও জীবনভিত্তিক সিনেমার ভুবনে যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়, তাদের মধ্যে ঋত্বিক ঘটক অন্যতম। সত্যজিৎ রায় এবং মৃণাল সেনের সঙ্গে তাকে নিয়েও রীতিমতো চর্চা হয় আজও।

মেধা ও মননে ঋত্বিক ঘটক ছিলেন অনন্য ও অসাধারণ। এখনো তার নির্মিত সিনেমাগুলো দেখে আবেগে ভাসেন সিনেমাপ্রেমী দর্শক, গবেষক ও সিনেমাবোদ্ধারা। তার পরিচালিত প্রথম সিনেমার নাম ‘নাগরিক’ হলেও প্রথম মুক্তি পায় পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘অযান্ত্রিক’। প্রথম জীবনে কবি ও গল্পকার তারপর নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, অবশেষে চলচ্চিত্রকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন তিনি। তার কর্ম ও সৃজনক্ষেত্রের পরিধি শুধু চলচ্চিত্র পরিচালনা ও কথাসাহিত্যে সীমাবদ্ধ নয়। এসবের পাশাপাশি ঋত্বিক ঘটক ভারতের বিখ্যাত পুনা ফিল্ম ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ সময়।

তার জন্ম বাংলাদেশে। ১৯২৫ সালের ৪ নভেম্বর অবিভক্ত ভারতের পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশের) রাজশাহী শহরের মিঞাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন খ্যাতিমান এই পরিচালক। ছোটবেলায় কিছুদিন দাদা মণীশ ঘটকের সঙ্গে কলকাতায় ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাজশাহী শহরে ফিরে আসেন তিনি। সেখানে তার পৈতৃক বাড়িতে শৈশব, কৈশোর ও তারুণ্যের একটি অংশ কাটে।

১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পরে তার পরিবার কলকাতায় চলে যায়। ময়মনসিংহের মিশন স্কুলে তার লেখাপড়া শুরু। পরবর্তী সময়ে কলকাতার বালিগঞ্জ স্কুলে ভর্তি হন তিনি। ১৯৫৮ সালে তিনি বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন কোর্স সম্পন্ন করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ ক্লাসে ভর্তি হন। কিন্তু এমএ সম্পূর্ণ না করেই তিনি পত্রিকায় লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত হন। সে সময় তিনি দেশ, শনিবারের চিঠি, অগ্রণী বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করেন। পত্রিকার পাশাপাশি মঞ্চ নাটকেও কাজ করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি প্রথম নাটক লিখেন ‘কালো সায়র’। ১৯৫১ সালে ঋত্বিক ঘটক ভারতীয় গণনাট্য সংঘে যোগ দেন। তিনি অসংখ্য নাটক রচনা করেছেন, নির্দেশনা দিয়েছেন এবং অভিনয়ও করেছেন। 

১৯৫২ সালে তিনি ‘দলিল’ শিরোনামে একটি নাটক নির্মাণ করেন; নাটকটি ১৯৫৩ সালে ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন এক্সিবিশনে প্রথম পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। চলচ্চিত্রে তার আবির্ভাব হয় পরিচালক নিমাই ঘোষের হাত ধরে।
১৯৫০ সালে বাংলা সিনেমা ‘ছিন্নমূল’-এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটে তার। চলচ্চিত্রটিতে তিনি একই সঙ্গে সহকারী পরিচালক এবং অভিনেতা হিসেবে কাজ করেন। 

ঋত্বিকের চলচ্চিত্র ‘অযান্ত্রিক’ ১৯৫৮ সালে মুক্তি পায়। সুবোধ ঘোষের একটি ছোটগল্প থেকে তিনি এটা নির্মাণ করেন। সে সময় ভারতজুড়েই অন্যরকম আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল সিনেমাটি। 

ষাটের দশকে ঋত্বিক ঘটক স্বল্প সময়ের জন্যে পুনেতে বসবাস করেন। ১৯৬৫ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি সেখানকার ভাইস প্রিন্সিপাল হন। সেখানে থাকা অবস্থায় তিনি শিক্ষার্থীদের নির্মিত দুটি চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এরও প্রায় এক যুগ পর ১৯৭২ সালে আবার চলচ্চিত্রে ফেরেন তিনি। এ সময় তিনি অদ্বৈত মল্লবর্মণের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের চলচ্চিত্রায়ণ করেন। 

ঋত্বিক ঘটকের সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে-
নাগরিক (১৯৫২, মুক্তি ১৯৭৭), অযান্ত্রিক (১৯৫৮), বাড়ী থেকে পালিয়ে (১৯৫৮), মেঘে ঢাকা তারা (১৯৬০), কোমল গান্ধার (১৯৬১), সুবর্ণরেখা (১৯৬২), মুক্তি (১৯৬৫), তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩), যুক্তি তক্কো আর গপ্পো (১৯৭৭)।

ঋত্বিক ঘটকের কাহিনি ও চিত্রনাট্য-
মুসাফির (১৯৫৭), মধুমতী (১৯৫৮), স্বরলিপি (১৯৬০), কুমারী মন (১৯৬২), দ্বীপের নাম টিয়ারং (১৯৬৩), রাজকন্যা (১৯৬৫), হীরের প্রজাপতি (১৯৬৮),

অভিনয়-
তথাপি (১৯৫০), ছিন্নমূল (১৯৫১), কুমারী মন (১৯৫২), সুবর্ণরেখা (১৯৬২), মুক্তি (১৯৬৫), তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩), যুক্তি তক্কো আর গপ্পো (১৯৭৭)।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র-
দ্য লাইফ অব দ্য আদিবাসিজ (১৯৫৫), প্লেসেস অব হিস্টোরিক ইন্টারেস্ট ইন বিহার (১৯৫৫), সিজার্স (১৯৬২), ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান (১৯৬৩), ফিয়ার (১৯৬৫), রঁদেভু (১৯৬৫), সিভিল ডিফেন্স (১৯৬৫), সায়েন্টিস্টস অফ টুমরো (১৯৬৭), ইয়ে কওন (হোয়াই/ দ্য কোয়েশ্চন) (১৯৭০), আমার লেলিন (১৯৭০), পুরুলিয়ার ছৌ (দ্য ছৌ ড্যান্স অফ পুরুলিয়া) (১৯৭০), দুর্বার গতি পদ্মা (দ্য টার্বুলেন্ট পদ্মা) (১৯৭১)।

ঋত্বিক ঘটকের অসমাপ্ত সিনেমা ও তথ্যচিত্র-
বেদেনি (১৯৫১), কত অজানারে (১৯৫৯), বগলার বঙ্গদর্শন (১৯৬৪-৬৫), রঙের গোলাপ (১৯৬৮), রামকিঙ্কর (১৯৭৫), Adivasiyon ka jiban shrot(১৯৫৫)। 

/এমএস 

দীর্ঘ বিরতির পর অংশুর নতুন সিনেমা

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
দীর্ঘ বিরতির পর অংশুর নতুন সিনেমা
ছবি: সংগৃহীত

‘ন ডরাই’খ্যাত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা তানিম রহমান অংশু দীর্ঘ বিরতির পর নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটির ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই এটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এবার ছবিটির প্রেক্ষাপট, জনরা এবং নির্মাণ পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক নিজেই।
অংশু জানান, তার নতুন এই সিনেমার নাম ‘লিম্বো’, যা হতে যাচ্ছে একটি স্পেস ড্রামা এবং কসমিক রোমান্সের গল্প। এ ধরনের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এর আগে কখনো দেখা যায়নি। বিশেষ করে এর ভিজুয়াল এফেক্টস এবং গল্পের গভীরতা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে সম্পূর্ণ প্রথম বা অনন্য এক অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
বিশাল ক্যানভাসের এই সিনেমাটি আন্তর্জাতিক মানের করে তোলার জন্য তিনটি ভিন্ন দেশে এর শুটিং করার পরিকল্পনা করছেন এই নির্মাতা। আগামী আগস্ট মাস থেকেই সিনেমার সম্ভাব্য কলাকুশলীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু করার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সিনেমাটি মুক্তির আগেই বিশ্বমঞ্চের বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে এটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
দীর্ঘদিন পর চলচ্চিত্র নির্মাণে ফেরা প্রসঙ্গে তানিম রহমান অংশু বলেন, ‘গত ছয় থেকে সাত বছরে বেশ কয়েকটি ছবি আমার পরিকল্পনার অধীনে ছিল। কিন্তু আমি এমন কিছু খুঁজছিলাম যা হবে বেশ চ্যালেঞ্জিং এবং যার গল্প এর আগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিত্রায়িত হবে। কারণ, আমি সব সময় নতুন ধারা বা নতুন জনরা তৈরি করতে পছন্দ করি।’
সিনেমাটির নির্মাণ প্রক্রিয়া যে সহজ নয়, তা স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, “আমার মনে হয় ‘লিম্বো’ খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি প্রজেক্ট। বাংলাদেশে এটি নির্মাণ করা অসম্ভব মনে হলেও একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আমি এই চ্যালেঞ্জটিকেই বেছে নিয়েছি।”
প্রসঙ্গত, এর আগে ‘লিম্বো’র পোস্টার শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অংশু লিখেছিলেন, ‘দূরত্ব যত আলোকবর্ষেরই হোক না কেন, চেনা অনুভূতির টান কখনো ফুরায় না। শূন্য আর পূর্ণতার মাঝখানের যে সীমানা, সেখানে হারিয়ে যাওয়া আর ফিরে পাওয়ার গল্পরা এক হয়ে যায়।’ ভিন্নধর্মী এই স্পেস ড্রামাটি ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

পাঁচ তারকার স্মৃতিময় একদিন

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
পাঁচ তারকার স্মৃতিময় একদিন
ছবি: সংগৃহীত

আসার কথা ছিল সাতজনের, তারা সবাই বাংলা চলচ্চিত্রের ষাট-সত্তর ও আশির দশকের বড় তারকা। চ্যানেল আইয়ের মূল ফটক থেকে সাজানো হয়েছিল এসব তারকার সোনালি যুগের ছবি দিয়ে। তারা হলেন–শবনম, সুচন্দা, উজ্জ্বল, সোহেল রানা, আনোয়ারা, আলমগীর এবং ববিতা। কিন্তু এলেন পাঁচজন। এর মধ্যে সোহেল রানা এবং আনোয়ারা অসুস্থতাজনিত কারণে আসতে পারেননি। বাকি পাঁচজন রেড কার্পেট বিছানো পথে হেঁটে এলেন। তাদের স্বাগত জানালেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং সিনিয়র চলচ্চিত্র সাংবাদিক আবদুর রহমান। এরপর দিনব্যাপী আড্ডা। অনেকের সঙ্গে অনেকের দেখা হলো অনেক বছর পর। স্মৃতির ডালির ঝাঁপি খুলে প্রাণভরে আড্ডা দিলেন তারা। বললেন তাদের ব্যক্তিগত ও অভিনয় জীবনের নানান অজানা কথা। এ সময়ের মধ্যে চ্যানেল আইয়ের স্টুডিওতে তাদের নিয়ে এক অন্যরকম আড্ডা দিলেন সিনিয়র চলচ্চিত্র সাংবাদিক আবদুর রহমান। স্মৃতিময় এই দিনে চলচ্চিত্র নয়, চলচ্চিত্রের বাইরেও যে কথা কোনোদিন হয়নি বলা তারকারা বললেন এই আড্ডায়। 
আষাঢ়ের প্রথম দিন ১৫ জুন এই আড্ডায় আষাঢ়কে উপভোগ করা, বৃষ্টিতে শুটিং করার স্মৃতি, প্রিয় নায়ক নায়িকা, প্রিয় গান এরকম অনেক অনেক বিষয়ই উঠে এল সেই আড্ডায়। স্মৃতিময় একদিন কাটিয়ে তারা বাড়ি ফেরার আগে পেলেন উপহার। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল ঘোড়া, হাতি, পুতুল, বাচ্চাদের খেলনাসহ অনেক কিছুই। সঙ্গে নাম ও ছবিসহ ক্রেস্ট এবং ফুলের বাকেট। পুরো অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আই ধারণ করেছে। শিগগিরই চ্যানেল আইতে এটি প্রচার হবে। অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করেছেন ইফতেখার মুনিম।

কলকাতায় হেনস্তার অভিযোগে যা বললেন মোশাররফ করিম

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
কলকাতায় হেনস্তার অভিযোগে যা বললেন মোশাররফ করিম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। কলকাতায়ও তিনি দারুণ জনপ্রিয়। কিন্তু এই অভিনেতাকেই নাকি কলকাতায় হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। মঙ্গলবার ১৬জুন সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, মোশাররফ করিম তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী রোবেনা রেজা জুঁইকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতায় অবস্থানকালে কিছু আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ব্যক্তি তার সঙ্গে অপ্রীতিকর আচরণের চেষ্টা করেছেন।
এক ফেসবুক পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পরে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয় খবরটি। তবে বিষয়টির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি গণমাধ্যমকে নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।
অবশেষে গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন মোশাররফ করিম নিজেই। একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেভাবে ঘটনাটি প্রচার করা হয়েছে, বাস্তবে তেমন কিছু ঘটেনি।
মোশাররফ করিম বলেন, ফেসবুকে নানা কথাই রঙ চড়িয়ে ছড়ানো হয়। কিন্তু একটি সংবাদ লেখার মতো যতটুকু উপাদান প্রয়োজন, এই ঘটনায় ততটুকুও নেই। বলতে গেলে তেমন কিছুই ঘটেনি। তিনি সবাইকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বানও জানান।
জানা গেছে, শুটিং বা পেশাগত কাজে নয়, ব্যক্তিগত অবকাশ যাপনের উদ্দেশ্যেই বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন মোশাররফ করিম ও তার স্ত্রী অভিনেত্রী রোবেনা রেজা জুঁই। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে তাদের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কৃতির প্রথম সিনেমা

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কৃতির প্রথম সিনেমা
ছবি: সগৃহীত

বলিউডের তারকা অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘ককটেল ২’। ইতোমধ্যেই বলিউডে সিনেমাটি নিয়ে চলছে আলোচনা। কারণ এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন আলোচিত তারকা শহিদ কাপুর ও ভারতের জাতীয় ক্রাশখ্যাত তারকা রাশমিকা মান্দানা। তবে এটি কৃতি শ্যানন অভিনীত প্রথম প্রাপ্তবয়স্ক সিনেমা। কারণ ইতোমধ্যেই প্রাপ্তবয়স্ক সিনেমা হিসেবে সনদও পেয়েছে। এমন ট্যাগ জুড়ে দিয়েছে খোদ ভারতীয় সেন্সর বোর্ড।
ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) সিনেমাটি ‘এ’ (কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য) সার্টিফিকেট দিয়েছে। অর্থাৎ ১৮ বছরের কম বয়সীরা সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখতে পারবে না।
১৯ জুন মুক্তি পাচ্ছে হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত এই সিনেমাটি। সিনেমার রানটাইম ১৫০ মিনিট, অর্থাৎ ঠিক ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট দৈর্ঘ্য। এর আগে ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘ককটেল’-এর দৈর্ঘ্য ছিল ১৪৬ মিনিট। ফলে নতুন সিনেমাটি আগেরটির চেয়েও চার মিনিট বেশি দীর্ঘ।
২০১৪ সালে বলিউডে কৃতির অভিষেকের পর এটিই প্রথম তার কোনো সিনেমা ছবি ‘এ’ ক্যাটাগরি সার্টিফিকেট পেয়েছে।
তবে রাশমিকা মান্দানার ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয় ‘এ’ সার্টিফিকেট পাওয়া হিন্দি ছবি। এর আগে ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া রণবীর কাপুর অভিনীত ‘অ্যানিমেল’ ছবিটিও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত ছিল। শহিদ কাপুরের ক্যারিয়ারে এটি পঞ্চম ‘এ’ সার্টিফিকেট পাওয়া ছবি। 
১৪ জুন মধ্যরাতেই সিনেমার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ট্রেলার, গান এবং তারকাদের প্রচার ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। 

সব রেকর্ড ভেঙে দিল ‘মাইকেল’

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ১১:৫১ এএম
সব রেকর্ড ভেঙে দিল ‘মাইকেল’
ছবি: সংগৃহীত

পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবনী নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘মাইকেল’। মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েছে। হলিউডের ইতিহাসের সর্বকালের সবচেয়ে সফল মিউজিক্যাল বায়োপিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘মাইকেল’।
হলিউডের বক্স অফিস ট্র্যাকিং রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী আয়ের দিক থেকে মাইকেল সিনেমাটি ইতোমধ্যে ৯১৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যবসা করেছে। দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বিলিয়ন ডলার ক্লাবের দিকে। পেছনে ফেলে দিয়েছে ‘বোহেমিয়ান র‌্যাপসোডি’কে। ব্রিটিশ রক ব্যান্ড কুইনের গায়ক ফ্রেডি মার্কারির এই বায়োপিক মুক্তি পেয়েছিল ২০১৮ সালে। আয় করেছিল ৯০৪ মিলিয়ন ডলার। এতদিন বোহেমিয়ান র‌্যাপসোডি ছিল সবচেয়ে সফল মিউজিক্যাল বায়োপিক। কিন্তু পপসম্রাটের ম্যাজিক সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
সিনেমাটি এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে সবার আগে যার নাম আসছে তিনি হচ্ছেন–পপসম্রাটের ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। পর্দায় জাফর দর্শক ও সমালোচকদের মুগ্ধ করেছেন।
অস্কার ও গ্র্যামি বিজয়ী প্রযোজক গ্রাহাম কিং (যিনি বোহেমিয়ান র‌্যাপসোডিও প্রযোজনা করেছিলেন) এবং হলিউডের তুখোড় পরিচালক অ্যান্টোইন ফুকুয়া—এই দুজন মিলে পপসম্রাটের জীবনের জটিল মানসিক টানাপোড়েন ও সংঘাতগুলোকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন। গান ও নাচের রোমাঞ্চ ছাপিয়ে সিনেমার ভেতরের এই মানবিক গল্পই মাইকেলকে দর্শকের হৃদয়ে চিরস্থায়ী জায়গা করে দিয়েছে।
এই সাফল্যের পর এর সিকুয়েলের ঘোষণা দিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান লায়ন্সগেট। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান অ্যাডাম ফোগেলসন জানিয়েছেন, ‘মাইকেল ২’ সিনেমার কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।