ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মরক্কো-ব্রাজিল দ্বৈরথে কাঁপল মেটলাইফ, গ্যালারিতে ৮০ হাজারের মহাসমুদ্র! চুয়াডাঙ্গায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু সুবর্ণচরে নারীকে পিটিয়ে পদ হারালেন যুবদল নেতা সেনবাগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের ‘রোদে লিচু পোড়ায় ক্ষতির মুখে চাষি-ব্যবসায়ী’ প্রস্তাবিত বাজেটে বিএনপির নেতা-কর্মীরা খুশি ‘ফেবারিট’ তুরস্কের সামনে আত্মবিশ্বাসী অস্ট্রেলিয়া পরিদর্শন নেই, অরক্ষিত রেলপথ বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘লিচুর ন্যায্য দাম পেতে সংরক্ষণ সুবিধা জরুরি’ বিনিয়োগ বাড়াতে নেওয়া হয়েছে সাহসী উদ্যোগ, বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস রাজবাড়ীতে ‘ভুয়া মামলার’ গ্যাঁড়াকলে শিক্ষক দম্পতি: সাক্ষীদের অস্তিত্ব ও তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন লুপাস চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য, জিন থেরাপিতে সুস্থ ৫ রোগী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই ‘লাভ তো দূরের কথা বাড়ি থেকে টাকা দিতে হচ্ছে’ বাজেটের রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই বরিশালে হাম-ডেঙ্গুর মাঝে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে ডায়রিয়াও ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ নতুন ভোরের অপেক্ষায় জার্মানি ১৪ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৪ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত করতে গণভোট যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সবশেষ পরিস্থিতি রাজশাহীতে বৈরী আবহাওয়ায় লিচুর সর্বনাশ সেলিনা হোসেনের জন্মদিন আজ ময়মনসিংহে হামে উৎকণ্ঠা আর জীবন বাঁচানোর লড়াই ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রথম গোল জন ম্যাকগিনের অজিদের আজ ধবলধোলাই করার লগন হাতি বনাম লা ত্রির লড়াই
Nagad desktop

বদলে যাওয়া কলকাতা নিয়ে লিখছি

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৪, ১২:৩১ পিএম
আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৪, ০১:৫৭ পিএম
বদলে যাওয়া কলকাতা নিয়ে লিখছি
ড. সুচরিতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আমি ছোটগল্পও লিখি। করোনার সময় যখন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ছিল, তখন আমি পুরো সময়টা লেখালেখিতে ব্যয় করেছি। আমি স্কুল-কলেজে সব সময় লেখালেখি করতাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েও অনেক লিখেছি। এবারের বইমেলায় আমার তৃতীয় গল্পগ্রন্থের বই ‘অবগাহন’ প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে দুটি বই বের হয়েছে। এর মধ্যে ‘লকডাউন মেমরি লেন’ অন্যতম। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলা সাহিত্যের গতি-প্রকৃতি গ্রন্থটিতে ১৫ জন অধ্যাপকের লেখার সঙ্গে আমার লেখাও প্রকাশিত হয়েছে।…

১৯৬৩ সালের ১ এপ্রিল কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গভাষা ও সাহিত্য-সাধনার লেখক ড. সুচরিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতা উমাপদ ব্যানার্জি ও মাতা মীনাক্ষী ব্যানার্জি। তার শৈশব, লেখাপড়া লেখক হিসেবে বেড়ে ওঠা সাহিত্য-সাধনার উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা সবই পেয়েছেন কলকাতার আলো-বাতাস-মাটি থেকে। ছাত্রছাত্রী ও সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে দুই বাংলায় তিনি সমান জনপ্রিয়। তিনি ১৯৮৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় বিএ (অনার্স) সম্পন্ন করেন। ১৯৮৫ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯১ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল সম্পন্ন করেন। ২০০০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাতত্ত্বের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য বিভাগে অধ্যাপনায় নিয়োজিত আছেন কুড়ি বছরের অধিক কাল। বাংলা ভাষার সাহিত্যসম্ভারে তিনি এক ফুটন্ত গোলাপ। শিক্ষক হিসেবে তিনি ছাত্রছাত্রীদের কাছে রোল মডেল। কারণ তিনি ভীষণ সময়ানুবর্তী ও নিয়মানুবর্তী একজন শিক্ষক। গবেষকদের সঙ্গে তার রয়েছে প্রগাঢ় বন্ধুত্ব। তিনি একটা কথা তার ছাত্রছাত্রীদের বলেন, ‘তোমাকে শ্রদ্ধেয় হয়ে উঠতে হবে, যা ভালোবাসার মাধ্যমে 
অর্জন করতে হয়। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অদ্ভুত দেওয়া-নেওয়ার বিষয় আছে, যেটা খুব কম শিক্ষকের মধ্যে আছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা ও মমত্ববোধের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বোঝাপড়া সহজ করতে হয়। তাহলেই আদর্শবান শিক্ষক হয়ে ওঠা যায়।’

আপনি এখন কী লিখছেন?
আমি এখন কলকাতার উনিশ থেকে একবিংশ শতক পর্যন্ত কলকাতা যে বদলে যাচ্ছে, এটা নিয়ে লিখছি। আধুনিক কবিতার ওপরও কাজ করছি। ইউজিসির প্রকল্প নিয়েও কাজ চলছে। এগুলোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- নামটা উচ্চারণ করলেই আমার মনে পড়ে যায় তারই ‌‘অচলায়তন’ নাটকের একটি কথা- শোনপাংশুদের দল যে কথা বলেছিল দাদাঠাকুর সম্পর্কে‌ ‌‘একলা মোদের হাজার মানুষ’ চরিত্র সম্পর্কে বলা কথাগুলো কী আশ্চর্যভাবে মিলে যায় স্বয়ং স্রষ্টা সম্পর্কেও। তার নামেই যে আছে সূর্য-সংকেত, তাই তার প্রতিভার সৌরকরে আমরা রূপময় পৃথিবীকে যেমন প্রত্যক্ষ করি, তেমনি তার কবিতার ভাবময়তায় আমাদের অনুভূতিজগৎ জেগে ওঠে। মেঘের মতোই তাঁর মনন ও শিল্পের সত্যস্বরূপ দেশের সীমানা পেরোনো আন্তর্দেশিক এক বিষয়। আর সত্যিই তো ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলা সাহিত্যে যুগান্তকারী সেই গ্রন্থ, যার সূত্র ধরেই রবীন্দ্রনাথের নোবেলপ্রাপ্তি ও বিশ্বজয়। আমি তাই লেখার মধ্যে রবীন্দ্রনাথকে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার করে চলেছি। রবীন্দ্র উপন্যাস নিয়ে ইতোমধ্যে আমার সম্পাদিত একটি বই প্রকাশিত হয়েছে ‘সৃষ্টির অন্দরে স্রষ্টার অন্তরে’।

আমি ছোটগল্পও লিখি। করোনার সময় যখন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ছিল, তখন আমি পুরো সময়টা লেখালেখিতে ব্যয় করেছি। আমি স্কুল-কলেজে সব সময় লেখালেখি করতাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েও অনেক লিখেছি। এবারের বইমেলায় আমার তৃতীয় গল্পগ্রন্থের বই ‘অবগাহন’ প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে দুটি বই বের হয়েছে। এর মধ্যে ‘লকডাউন মেমরি লেন’ অন্যতম। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলা সাহিত্যের গতি-প্রকৃতি গ্রন্থটিতে ১৫ জন অধ্যাপকের লেখার সঙ্গে আমার লেখাও প্রকাশিত হয়েছে।

আরেকটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, তা হলো আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের ওপর। সেটিও সম্পাদিত গ্রন্থ। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষকদের নিয়ে প্রায় ১০০টির ওপর গল্প নেওয়া হয়েছে। লেখার কাজ শেষ হয়েছে, আগামী বৈশাখে প্রকাশ পাবে।

আপনি এখন কী পড়ছেন?
আমি সব ধরনের বই পড়তে ভালোবাসি। বাংলা ভাষাকে ভালোবাসার কারণে বাংলা বেশি পড়তে ভালো লাগে। এ জন্য এ বিষয়ে পড়াশোনাটা এখন বেশি। কলেজে অধ্যাপনা করেছি প্রায় সাড়ে ৯ বছর। আজ প্রায় কুড়ি বছরেরও বেশি হয়ে গেল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী পড়াচ্ছি। অনার্স থেকে পিএইচডি সব জায়গায় আমার যোগসূত্র রয়েছে, সে জন্য আমাকে প্রচুর পড়তে হয়। সেটি একাডেমিক পড়াশোনা। তবে এর বাইরে আজকাল একটু হালকা বই পড়তে ভালো লাগে। কারণ পড়াশোনার জন্য অনেক রেফারেন্স ও ভারী বই পড়তে হয়। তা ছাড়া আমার থ্রিলার বই পড়তে ভালো লাগে। সাম্প্রতিক সময় নিয়ে যারা লিখছেন, তাদের লেখা পড়তে আমার আগ্রহ। বদলে যাওয়া কলকাতা, করপোরেট কলকাতা নিয়ে পড়ছি। বিশেষত ট্রান্সজেন্ডারদের নিয়ে লেখা সামনে পেলেই পড়ে ফেলি। যে জায়গাগুলোতে আমার অপূর্ণতা রয়েছে, অজানা রয়েছে, সেই বিষয়গুলো জানার আগ্রহ দিনে দিনে বাড়ছে। ইদানীং কল্পবিজ্ঞানের বইও পড়ার তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

খবরের কাগজ সাহিত্যপাতা ‘সুবর্ণরেখা’ এগিয়ে যাক আপন ভুবনে- লেখক হয়ে এই প্রত্যাশা রাখছি।

সাক্ষাৎকার: ড. সারিয়া সুলতানা, সহকারী সম্পাদক, খবরের কাগজ

কবিতা হেলিওস

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
হেলিওস

একটা অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

          অর্ধবৃত্তের মতো অবকাশ রচনা করেছি

 

আছে মা-পাখির ডিম ভেঙে যাবার প্রতিকল্পে

            সর্বজনীন বেদনা

বৃদ্ধ বাবার ঝাপসা দৃষ্টির ভেতর এক বুকচাপা

            দীর্ঘশ্বাসের সীমিত চতুর্ভুজ

রানা প্লাজাসদৃশ ব্যথিত পাণ্ডুলিপি

তরতাজা যুবকের গুম হওয়ার ন্যায়

                   একটা দীর্ঘ সকাল

আছে মায়ের জেগে থাকা চোখ

আছে একজোড়া

            সুসিদ্ধ ইকোলজি

আছে বোনের ব্যবহৃত কাঁকড়া ক্লিপের উদার সৌন্দর্য

আছে একটা গামছায় হাত মোছার দুটো অবিকল সবাক ছবি

 

এই তো আমার রূপকল্পের ইতিবৃত্ত

 

 এখন কোনো অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

            আমি পূর্ণবয়স্ক অবকাশ রচনা করব

জীবনের সব হুলস্থূল এনে ভরে রেখে দেব

 

 দ্যাখো, হেলিওসের মতোনই তোমাদের কাছে যাব আমি

 

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

গহিন অতলের অবাধ চত্বরে বৈভবে থাকে

তাকে কি টুকরো টুকরো করা যায়

অবয়বে বেড়ে ওঠে না কস্মিনকালে

এক টুকরোই থেকে যায় আদিঅন্ত কাল

ভূমিদস্যুরা তবু ওই জলা দখলে মত্ত হয়

বেপরোয়া ছুরি-কাঁচির নির্মমতায়

ঝরনার উৎস স্তব্ধ করে

ফালি ফালি করা অবয়ব থেকে বেরোয়

অজস্র শোণিত ধারা

নদী পর্যন্ত যেতে পারে না শুকিয়ে জ্বলে

ভেসে ভেসে বেড়ায় নিশ্চিহ্ন কাঠামো

নিক্ষিপ্ত হয় মর্তের ঝড়ে

মর্গের ব্যবচ্ছেদে খুঁজে পায় না শিশু আত্মা

পায় শুধু

ছোট্ট এক টুকরো জীবনের অবিকাশ! অবিকাশ!

কবিতা অধরা ও কবি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
অধরা ও কবি

অধরা

সময়ের বেড়াজালে বন্দি খাঁচায়

দূর পানে চেয়ে থাকি তোমার আশায়

উজান সময় স্রোতে এই অবেলায়

তুমি আসবে তো? ভালোবাসবে তো?

 

কবি

কী আছে তোমার? অর্থ, বিত্ত, বৈভব?

প্রভাব, প্রতিপত্তি? বলো, চুপ থেকো না

, এসব তোমার নেই! এবার, তুমিই বলো

আমি কেমন করে তোমার কবিতা হই?

কেমন করে তোমার কাছে আসি

কেমন করে তোমায় ভালোবাসি?

কবিতা প‌রিণ‌তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
প‌রিণ‌তি

কালো চিমনিরধোঁয়ায় আকাশের বুকজুড়ে মে কালোমেঘ

মৃত পাখির বাসা সে ড়ে রক্তাক্ত নে

্যামল বাগানগুলো ড়ে আছে যুদ্ধাহত ক্ষতবিক্ষত সৈনিকের তো

জ্বলন্ত কয়লার পাহাড়,

জাগিয়ে তোলে মাটির গহ্বরে ঘুমিয়ে থাকা আগুনকে

প্লাস্টিকের সমুদ্দুর,

ক্ষুধার্ত দৈত্যের তো গিলে খাচ্ছে পৃথিবীকে

যুদ্ধের দামামা পোড়ামাটির ্যস বাড়াতে থাকে শুধু

বোমার ব্দে রে পড়ে পাখির পালক,

আকাশের নীল রং

ভাঙা কাচ য়ে আছড়ে ড়ে মিনে

পৃথিবীর কপালে আগুনের থার্মোমিটার

কামারের হাতুড়ির তো আছড়ে ড়ে উন্মত্ত রোদ

জ্বরে পোড়া পৃথিবীর গা থেকে ঝরতে থাকে বরফ অবিরাম

বৃদ্ধের শুভ্র দাড়ির তন

 

ক্ষুধার্ত সমুদ্র গিলে খায়,

মানুষের স্বপ্নে বোনাউঠোন

তৃষ্ণার কঙ্কা মিনে আঁকে ছড়ানো মানচিত্র

নদীর তীর ক্ষুধার্ত ষাঁড়ের তো গ্রামে ঢুকে ড়ে পাখির কিচিরমিচির বাজেয়াপ্ত হয় কোনো এক ভোরে,

বাড়তে থাকে ছিন্নমূল মানুষের ভেলা,

পৃথিবীর জ্বর নামানোর দাওয়াই খুঁজতে,

লি থেকে মাথাগুলো জড়ো হয় জাতিসংঘের টেবিলে

কথার খই ফোটে, বে চোখ বাঁধা থাকে কালো ফিতায়

 

কবিতা বলির আগে

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
বলির আগে

আমার কথার পরে যদি কোনোদিন

ব্যথা পেয়ে থাকো

যদি এই দুর্দিনে সমূহ বিপদে মনে করো

ডাক দিও কোনো এক নির্মম সকালে

 

আমার বুকেরপরে দূর্বা যেমন থাকে

বেদনায় নীলপদপিষ্ট হলুদ সোহাগে

একবার চোখের জলে ধুয়ে নিও

সকল কলুষতাযেভাবে ধর্ম ছাগ

বলির আগে মুছে ফেলে যত ক্লেদ