তীব্র সমালোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট পদে পিট হেগসেথের ওপর ভরসা রাখছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বার্তাসংস্থা এনবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।
হেগসেথের প্রশংসা করে ট্রাম্প জানান, হেগসেথের ব্যক্তিত্ব এই পদের জন্য যথাযথ।
বেশ কয়েকটি শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে হেগসেথের মনোনয়ন বিতর্কের মুখে পড়ে। এরই প্রেক্ষিতে ট্রাম্প তার মত প্রকাশ করেছেন।
তবে পেন্টাগনপ্রধানের দায়িত্ব কে পাচ্ছেন স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগে প্রায় ১৩ লাখ সদস্য কর্মরত। এই বিশাল খাত সামলানোর ক্ষমতা হেগসেথের নেই বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এ ছাড়া হেগসেথের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে আনা যৌন নিপীড়নের অভিযোগটি উল্লেখ করেন তারা।
এদিকে হেগসেথের আইনজীবীরা বলেছেন, মনোনয়ন বাতিল হলে সমালোচকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনের পর প্রথম সাক্ষাৎকারে মনোনয়ন বিতর্কের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে হেগসেথের ওপর ভরসা আছে তার।
‘হেগসেথ অত্যন্ত মেধাবী যুবক। তিনি প্রিন্সটন ও হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। সামরিক অভিজ্ঞতাও আছে। এই পদে তিনিই যোগ্য প্রার্থী’, বলেন ট্রাম্প।
তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
এদিকে সমর্থন জড়ো করতে অভিজ্ঞ নেতাদের স্মরণাপন্ন হচ্ছেন হেগসেথ। এ বিষয়ে আর্মড সার্ভিস কমিটির প্রভাবশালী সদস্য জনি আর্নস্ট বলেন, ‘নিজেকে প্রমাণের একটা সুযোগ হেগসেথ পেতেই পারেন। আমাদের সৈন্যদের কল্যাণে তিনি কী অবদান রাখতে পারছেন সেটা তো সুযোগ দেওয়া ছাড়া বোঝা সম্ভব নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে খুব অল্প ব্যবধানে জিতেছে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি। এই পরিস্থিতিতে তিনটির বেশি ভোট হারালে সিনেটে রিপালিকান আধিপত্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে হেগসেথের মনোনয়ন বাতিলে ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস ও সেনেটর জনি আর্নস্টের নাম আছে বলে জানা গেছে।
তবে এই অনিশ্চয়তার শেষে কী সিদ্ধান্ত আসবে তা নির্ভর করছে হেগসেথ এই পরস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করছেন তার ওপর। সূত্র: রয়টার্স
নাইমুর/অমিয়/