ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্বকাপে অভিষেকেই বিরল ভৌগোলিক কৃতিত্ব উজবেকিস্তানের ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান শেষ মুহূর্তের ইরেনকির গোলে পানামাকে হারিয়ে ঘানার জয়; খেলোয়াড়দের রেটিং দূরত্ব হাজার মাইল, উৎসব ক্যাম্পাসে তিস্তায় আরেকটি ব্যারেজ নির্মাণ হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে পঞ্চম ব্যালন ডি’অর বিজয়ী হলেন ফাবিও ক্যানাভারো বিশেষ ‘লেগাসি’ ব্যাজ পরে মাঠে নামলেন রোনালদো, মেসি ও মদ্রিচ গ্রুপসেরার দৌড়ে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই শিশুদের স্বপ্নের কথা শুনলেন জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সিন্ডিকেট বিলুপ্তিসহ ৭ দাবি চট্টগ্রামে এইডসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা তরকারি পুড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মীকে পুলিশ দম্পতির নির্যাতন আমানত ফিরে পাওয়ার দাবিতে চট্টগ্রামে ‘রোডমার্চ’ ময়মনসিংহ বিভাগ: নীরবে বাড়ছে এইচআইভির বিস্তার বরিশালে ভুয়া ভাড়ার তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক নীলিমাইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ নদী খননের মাটির নিচে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পশুর শিংয়ে নান্দনিক শিল্পকর্ম কসাইয়ের ‘এইভাবে পইড়া থাকলে বাচ্চা দুইডা মইরা যাইব’ ছড়িয়ে পড়ছে এইডস: আক্রান্ত তরুণ ও শিক্ষার্থীরা কালীগঙ্গা নদীর ওপর সেতু আছে, তবু খেয়া পারাপার ১৮ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৮ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল প্রথম জয়ের খোঁজে… বসনিয়া চ্যালেঞ্জ সুইসদের ১৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি কানাডার সামনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা ৬ গোলের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ইংল্যান্ড দুবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরল ক্রোয়েশিয়া ফুটবল তার শক্তি দেখাল, মাঠে আসছেন ভোজিনহার মা
Nagad desktop

ফিলিস্তিনিরা ভূখণ্ড ছাড়বে না: মাহমুদ আব্বাস

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:২৪ পিএম
আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
ফিলিস্তিনিরা ভূখণ্ড ছাড়বে না: মাহমুদ আব্বাস
অধিকৃত পশ্চিম তীর ও প্রতিবেশী জর্ডানের মধ্যে একমাত্র ক্রসিং ইসরায়েল বন্ধ করে দিয়েছে । সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ‘আমরা আমাদের ভূ-খণ্ড ছাড়ব না। ফিলিস্তিনিরা তাদের মাটি ছেড়ে কোথাও যাবে না। তাদের জনগণ নিজেদের শেকড় আঁকড়ে ধরে রাখবে।’

বৃহস্পতিবার (২৫ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভার্চুয়ালি দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি গাজা ও পশ্চিম তীরে দখলদারত্বের অবসান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন। ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসন, অব্যাহত গণহত্যা, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও দখলদারত্বের তীব্র নিন্দা জানান।
 
এদিকে বিশ্ব নেতাদের চাপে অবশেষে পশ্চিম তীর দখলের পরিকল্পনা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদন সার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রিত কোনো অঞ্চল সংযুক্ত করার বা দখল করার পরিকল্পনা নেই ইসরায়েলের। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ফ্রান্স, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপেই এই অবস্থান বদলেছে নেতানিয়াহুর প্রশাসন।

জাতিসংঘে ভাষণে আব্বাস বলেন, ‘চরমপন্থি ইসরায়েলি সরকার পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ও দখলদারত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ ‘ই-ওয়ান’ বসতি পরিকল্পনা পশ্চিম তীরকে দ্বিখণ্ডিত করবে, জেরুজালেমকে বিচ্ছিন্ন করবে এবং দুই রাষ্ট্র সমাধানের পথ বন্ধ করে দেবে। তিনি এটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও উল্লেখ করেন।

 ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ পরিকল্পনা ও কাতারের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে আব্বাস বলেন, ‘আমরা এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করি। এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর ভয়াবহ আঘাত এবং আন্তর্জাতিক আইনের ঘোরতর লঙ্ঘন।’
বক্তব্যের শেষে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেন, ‘আমরা আমাদের ভূমি ছাড়ব না, ফিলিস্তিনিরা এই মাটি ছেড়ে কোথাও যাবে না।

প্রায় দুই বছর ধরে গাজা উপত্যকায় গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ, অনাহার ও বাস্তুচ্যুতির ভয়াবহ পরিস্থিতি চললেও ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা দমিয়ে রাখা যাবে না। আমাদের ক্ষত যতই গভীর হোক, যতই এই দুঃসহ সময় দীর্ঘ হোক, তা আমাদের বাঁচার ও টিকে থাকার ইচ্ছা ভাঙতে পারবে না। স্বাধীনতার ভোর আসবেই। ফিলিস্তিনের পতাকা আমাদের আকাশে উড়বে। জেরুজালেম আমাদের হৃদয়ের রত্ন এবং আমাদের চিরন্তন রাজধানী। আমরা আমাদের পবিত্র ভূমি ত্যাগ করব না, আমাদের মানুষ অলিভ গাছের মতো শেকড় গেঁথে থাকবে।’

এদিকে সম্প্রতি ইতালির দৈনিক ‘কোরিয়েরে দেলা সেরা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গিদন সার বলেন, ‘ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রিত কোনো এলাকা দখলের আলোচনা আমাদের মধ্যে নেই। আমরা ফিলিস্তিনিদের নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না।’ তবে তিনি জানান, যেসব ইসরায়েলি বসতি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অধীনে নেই, সেখানে ইসরায়েলি আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফেরার পর এই বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেওয়া হবে না: ট্রাম্প 
এদিকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেওয়া হবে না। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সৌদি আরব, মিসর, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ, গাজা দখল ও জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা হয়। ট্রাম্প সব বিষয়ে ‘ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া’ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপস্থিত এক কর্মকর্তা।

ইসরায়েলের পশ্চিম তীর অধিগ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে: মাখোঁ
ইসরায়েল পশ্চিম তীরের কোনো অংশকে নিজেদের সঙ্গে জুড়ে নিতে চাইলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই কাল হয়ে দাঁড়াবে। এটি আরব-ইসরায়েল কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের অবসান ঘটাবে। গত বুধবার এ মন্তব্যগুলো করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। তিনি আরও জানিয়েছেন, এ রকম হবে না বলে তাকে আশ্বস্ত করেছেন ট্রাম্প।

মাখোঁ জানান, তিনি ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত তিন পাতার পরিকল্পনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতাকে। ওই পরিকল্পনা নিউইয়র্ক ঘোষণার ভিত্তিতে করা, যাতে বিশ্বের ১৪৩টি দেশের সমর্থন রয়েছে। প্রস্তাবে গাজা ও পশ্চিম তীরের শাসনব্যবস্থা থেকে হামাসকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ফ্রান্স ২৪-এ মাখোঁ বলেন, আমেরিকা, ইউরোপ ও আরব রাষ্ট্রগুলোকে এক সমঝোতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে তার গত মঙ্গলবার বৈঠক হয়েছে। ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট শর্তেই ইউরোপীয় ও আমেরিকানরা একমত।

প্রসঙ্গত, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে আরও বসতি বাড়াতে চাইছে। এর মধ্যে ই১ নামে একটি করিডর তৈরি করতে চাইছে তারা। সেটির অধীনে ৩ হাজার ৪০০টি নতুন বাড়ি থাকবে। মূলত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দ্বিরাষ্ট্র সমাধানে বাগড়া দিতেই ওই পরিকল্পনা করেছে তারা। ইসরায়েল আদৌ এটি করতে সক্ষম হলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

মাখোঁ আরও বলেন, পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের নিজেদের সঙ্গে জুড়ে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা আব্রাহাম চুক্তিরও অবসান ঘটাবে। ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ওই চুক্তিটি করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে ইসরায়েল পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বাড়ালে যে ওই চুক্তি আর থাকবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি মনে করি এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শেষ সীমা।’
গাজার যুদ্ধ অবসানের পর ফিলিস্তিনিদের ভাগ্যে কী অপেক্ষা করছে বা দরজার ওপাশে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাই বা কী চলছে, সেগুলোর একটি স্পষ্ট ধারণা মিলেছে মাখোঁর এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে।

২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল ও বেশ কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছিল। ওই আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন সে সময় বেশ ফলাও করে নিজেদের সফলতার গল্প প্রচার করেছিল। এটি ব্যর্থ হয়ে গেলে তা আখেরে যুক্তরাষ্ট্রের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। 

পশ্চিম তীর নিয়ে ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি ফ্রান্স ও সৌদি আরবের
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈশ্বিক সম্মেলনে ফ্রান্স, সৌদি আরবসহ ১৫৬টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। গত সোমবার আয়োজিত সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় ফ্রান্স ও সৌদি আরব হুঁশিয়ারি দেয় পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের যেকোনো সম্প্রসারণ হবে ‘রেড লাইন’। তারা বলেছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের যেকোনো সম্প্রসারণ কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তিচুক্তি ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। একই সঙ্গে তারা গাজায় যুদ্ধবিরতি, মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিতকরণ এবং ইসরায়েলি কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা চাই গাজা ও পশ্চিম তীরে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে উঠুক, যেখানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে।’

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরোধ নিরসনের সূচনা হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসন ওই সময় চুক্তিটিকে নিজেদের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়ন হয়, তবে সেই চুক্তির ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ফিলিস্তিনের পক্ষে বিশ্বব্যাপী এই সমর্থন এবং ইসরায়েলের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্তর্জাতিক অবস্থান একটি নতুন কূটনৈতিক চিত্রের জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে গাজায় চলমান সহিংসতা, পশ্চিম তীরে বসতি নির্মাণ এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতির প্রশ্নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আরও সক্রিয় হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চাপ অব্যাহত থাকলে ইসরায়েল হয়তো পশ্চিম তীর দখলের পরিকল্পনা পুরোপুরি বাতিল করতে বাধ্য হবে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্ক কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের লক্ষ্য নিয়ে ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) প্রস্তুত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন এই খসড়া চুক্তির একটি অনুলিপি হাতে পেয়েছে।

ফ্রান্সে চলমান জি-৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়া একজন কূটনীতিক এবং আলোচনা প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আরও দুটি কূটনৈতিক সূত্র এই খসড়া দলিলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই খসড়াটি চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারকের প্রকৃত রূপ নয়। অন্যদিকে ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম এই ফাঁসের ঘটনাকে ‘ভুল তথ্য’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

এই খসড়া চুক্তি অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে চূড়ান্ত নথিতে স্বাক্ষর করবেন। তার আগে গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ডিজিটালভাবে এই খসড়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা এই স্মারককে একটি ‘রাজনৈতিক দলিল’ হিসেবে অভিহিত করে এর গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তাদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্দার আড়ালে যে মূল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা এই নথিতে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।

খসড়া চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে দুই দেশ এবং তাদের মিত্রদের মধ্যকার যুদ্ধ অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে শেষ হবে। দুই দেশ একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকবে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবে।

চুক্তির আওতায় স্বাক্ষর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেবে এবং পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরান মাইন অপসারণসহ সব প্রযুক্তিগত বাধা দূর করবে। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চল থেকে তার সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। এ ছাড়া ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক সহযোগীরা অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল নিশ্চিত করবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরানের ওপর থাকা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা এবং সব ধরনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হবে। নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সময়ে ইরান যাতে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানি করতে পারে, সে জন্য মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র বা ওয়েভার ইস্যু করবে। একই সঙ্গে ইরানের ফ্রিজ বা আটকে থাকা সব তহবিল ও সম্পদ অবমুক্ত করা হবে এবং ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাংক তা ব্যবহার করতে পারবে।

পারমাণবিক ইস্যুতে ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তবে ইরানের উচ্চ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এই খসড়ায় সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশই বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখবে। অর্থাৎ ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি বাড়াবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবে না বা ওই অঞ্চলে সেনা বাড়াবে না। এই ঐতিহাসিক চুক্তি বাস্তবায়নের পর পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করার জন্য একটি যৌথ বাস্তবায়ন কমিটিও গঠন করা হবে। আগামীকাল এই স্মারক স্বাক্ষরের পর চূড়ান্ত চুক্তি নির্ধারণের জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে।

 সূত্র: সিএনএন

ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও লেবাননে আবারও মানবিক সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন।

বুধবার (১৭ জুন) বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “ইরান সংঘাত এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট মানবিক সংকটে তারা ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’। ‘বর্তমান বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় চীন ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে সেখানে পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে সহায়তা করা যায়।”

এটি চলমান সংঘাত শুরুর পর দ্বিতীয়বারের মতো ইরানে চীনের মানবিক সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ। এর আগে মার্চ মাসেও বেইজিং তেহরানে সহায়তা পাঠিয়েছিল।

চীনের সহয়তা দেওয়ার ঘোষণা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে এবং শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।

প্রস্তাবিত চুক্তিতে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৩,৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে চীনের এমন পদক্ষেপ ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অংশ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমান/

ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনাকে উপক্ষা করেই লেবাননে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

বুধবার (১৭ জুন) লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকা এবং পাশের কফর তেবনিতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে।

এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

তবে এর আগে তারা বলেছিল, তাদের লক্ষ্য ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের জন্য হওয়া চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান বলেছে, ওই সমঝোতায় লেবানন-সংক্রান্ত বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেছেন, লেবাননের বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আরও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত।

ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল "অনেক দিন ধরে" হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং এতে "অনেক মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে।"

এসএন/

চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর বাস্তবায়নে তিনি সন্তুষ্ট না হলে আবারও ইরানের ওপর বোমা হামলা চালানো হতে পারে।

সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “এটি একটি সমঝোতা স্মারক। যদি আমার পছন্দ না হয়, তাহলে আমরা আবার গুলি চালাবো এবং তাদের ওপর বোমা ফেলবো।"

"তারা যদি ঠিকভাবে আচরণ না করে, তাহলে আবার বোমা হামলা শুরু হবে।”

ট্রাম্প আরও বলেন, এই সমঝোতা স্মারকে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে তুলে নেওয়ার কোনো বিষয় নেই।

এ বিষয়ে পরে আরও বিস্তারিত জানাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফ্রান্সের এভিয়ঁ লে বেঁ শহরে সোমবার শুরু হওয়া জি–৭ শীর্ষ সম্মেলন বুধবার শেষ হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপানের নেতারা অংশ নেন। বৈঠকে তাঁরা লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ রুটে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনার কথাও বলেন, যাতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।

এসএন/

জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি
ছবি: সংগৃহীত

যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে মূলত বাঙালি মুসলমানদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংস্থাটি জানিয়েছে, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, ঠেলে পাঠানো ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে বাংলাদশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)। এতে করে বহু পরিবার দুই দেশের সীমান্তের শূন্য রেখায় (জিরো লাইন) আটকা পড়েছে।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, গত পহেলা জুন থেকে বিএসএফের ২১টি পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় শিশুসহ ২০০ জনের বেশি মানুষকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ঠেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যকে উল্লেখ করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে যে বিজেপি সরকারের "ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট" নীতির আওতায় শত শত “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে” আটক করা হয়েছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে "ফিরে যেতে" বাধ্য করা হয়েছে।

সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাকশী গাঙ্গুলী বলেন, "মৌলিক মানবাধিকারকে উপেক্ষা করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নির্মমভাবে পরিবারগুলোকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে বা সীমান্তে আটকে রাখছে"।

তিনি আরও বলেন যে ভারত সরকারের উচিত এই জোরপূর্বক বহিষ্কার বন্ধ করা, আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা, নাগরিকত্ব যাচাইয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা ও মুসলমানদের প্রতি বৈরিতাপূর্ণ আচরণ বন্ধ করা।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আরও জানায়, তারা এমন নয়জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে, যারা দেখেছেন যে বিএসএফ রাতের অন্ধকারে লোকজনকে সীমান্তে এনে কাঁটাতারের বেড়ার কাটা অংশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি প্রবেশে বাধা দিলে বিএসএফ শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিদের আবার ফিরিয়ে নেয়।

এসএন/