ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দাবি করেছেন, খার্গ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তিনি বলেন, এই হামলায় জ্বালানি বা অবকাঠামো খাতকে লক্ষ্য করা হয়নি।
খার্গ দ্বীপের ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র। ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
ইসরায়েল ইরান উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দ্বীপটি সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন নৌবাহিনীর বিশেষ শাখা মেরিন সেনাদের পাঠিয়ে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার একটি পরিকল্পনা করছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ৩০ মার্চ থেকেই এই দ্বীপটি ‘পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া’ বা দখল করে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছিলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তবে তাদের প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেলের খনি এবং খার্গ দ্বীপ ধ্বংস করে দেওয়া হবে। সোমবারও তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরানকে এর জন্য ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।
এসএন/