ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ব্রাজিল ম্যাচে থাকছে বিরল ৫০০ বছরের পুরোনো ফুটবল লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব স্মরণে মিশরে আন্তর্জাতিক সেমিনার হিলি স্থবন্দরের পাইকারি বাজারে বেড়েছে চালের দাম অস্ট্রেলিয়ার গতিময় কাউন্টার-অ্যাটাকে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র নোয়াখালীতে মোটরের তারে জড়িয়ে প্রাণ গেলো মা-ছেলের প্রতিবেশী দেশ মাদক ঢুকিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চায়: প্রতিমন্ত্রী টুকু রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান রাজবাড়ীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার: পরীমনি ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা মৌসুমি ফল আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগকবলিত উপকূলের সুরক্ষায় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি শেষের বিবর্ণতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের নাগরপুরে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ সহায়তা ও চাল বিতরণ আত্মপরিচয়ের খোঁজে বিপন্ন ব্রহ্মপুত্র পুলিশের ওপর হামলার মামলায় ১০ জন আটক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ আয়োজনের ঘোষণা ইয়াংজির বুনো পরিবেশেই হচ্ছে স্টার্জন মাছের প্রজনন শেরপুরে শ্বশুর-জামাই দ্বন্দ্ব, গাছে বেঁধে জামাইকে মারধরের অভিযোগ রাজশাহীতে বিদ্যুতের খুঁটিতে যুবকের মৃত্যু ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা তদন্তের সময় বাড়ল চারদিন সুপার ফাইবার উৎপাদনে চীনের সাফল্য এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে কর্মী ফুটবল যখন ক্যারিয়ার ও স্বপ্ন পালকযুক্ত নতুন ডাইনোসরের ফসিল আবিষ্কার সিলেটে শাহজালাল (রহ.) মাজার নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ

বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন বশিরউদ্দীন

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম
বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন বশিরউদ্দীন
এবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে। ছবি: সংগৃহীত

এবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) মন্ত্রপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

শেখ বশিরউদ্দীন এতদিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

গত বছরের ২০ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ ইন্তেকাল করেন।

এরপর থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ছিল। এখন বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শেখ বশিরউদ্দীনকে দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার হাতে পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব থাকলো।

এখন প্রধান উপদেষ্টার অধীনে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। সূত্র: ইউএনবি 

ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব স্মরণে মিশরে আন্তর্জাতিক সেমিনার

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:২৩ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম
ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব স্মরণে মিশরে আন্তর্জাতিক সেমিনার
ছবি: সংগৃহীত

ছারছীনা দারুসসুন্নাত সোসাইটি (কায়রো, মিশর) শাখার উদ্যোগে মিশরের রাজধানী কায়রোর গ্র্যান্ড কনফারেন্স হল বুর্জ আল-তাতবিকিয়্যিনে ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব বাহরে শরীয়ত শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ)-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মাগরিবের পর অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল্যবান দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন পাক-ভারত উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠতম আধ্যাত্মিক মারকাঝ ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.)।


 
ছারছীনা দারুসসুন্নাত সোসাইটি মিশরের আহ্বায়ক সাইমুম আল-মাহদী আল-আযহারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন মিশরের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম ও খতিব ফাদিলাতুশ শাইখ ক্বারী মোহাম্মাদ সাইদ, শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সাইফুর রহমান আল-আযহারী। এ সময় আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেশের ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিনিধিবৃন্দ হযরত পীর সাহেব কেবলাকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেন। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলা, আরবী ও ইংরেজী ভাষায় ছারছীনা শরীফের খেদমত, শাহ মোহাম্মাদ মোহেব্বুল্লাহ (রহ.)-এর জীবনাদর্শ, তাজদিদি মিশনের কার্যক্রম, আধ্যাত্মিক অবদান এবং বাংলাদেশের ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থায় তার বিপ্লবী ভূমিকা তুলে ধরেন।

এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০ দেশের ছাত্র প্রতিনিধি, রুয়াসাউল ইত্তেহাদ, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, ফিলিস্তিনি দাতা সংস্থা One Ummah Foundation, আল-আযহার স্টুডেন্ট ফোরাম, ছারছীনা দারুসসুন্নাত সোসাইটি, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় শাখাসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইত্তেহাদ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ছাত্রসংসদের প্রতিনিধি ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।

হযরত পীর ছাহেবকে উল্লেখিত সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। বিশেষ করে মিশরের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি ছাত্রদের সংগঠন, ইত্তেহাদের পক্ষ থেকে উপদেষ্টা প্রধান শিহাবউদ্দিন আল-আযহারী সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। ভারতের ফুরফুরা দরবার শরীফের শাহ সাহেবগণও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে হুজুরকে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। 

সকল সংগঠনের প্রধানগণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করে, শতাব্দী জুড়ে ছারছীনা শরীফের অবদানসমূহ তুলে ধরেন। ইত্তেহাদুল আরবের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মাদ মাখঝুমি, তাসাউফ চর্চা ও দ্বীন ইসলামের খেদমতে ছারছীনা দরবার শরীফের অবদানকে মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুসরণীয় আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ছারছীনা দরবার শরীফের বিশ্বব্যাপী ত্রাণ সংস্থা হেমায়েতে ইসলাম বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে মিশরে অবস্থানরত উদ্বাস্তু ও নিপীড়িত ফিলিস্তিনি মজলুম জনগোষ্ঠীর ২০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সমাপনী বক্তব্যে পীর ছাহেব হুজুর কেবলা আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রসমাজের উদ্দেশ্যে দ্বীনি শিক্ষা, আমল-আখলাক, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং সুন্নতে নববীর আদর্শে নিজেকে উম্মাহর জন্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সর্বোপরি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সম্প্রীতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পরিশেষে ফিলিস্তিনসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করে পরিশেষে দেশ-জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর  শান্তি, কল্যাণ এবং সমৃদ্ধি কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা মুনাজাত পরিচালনা করেন। 

এসএন/

শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ। একটি আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য বিষয় শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব অনস্বীকার্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২০ জুন) অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে শুক্রবার (১৯ জুন) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ।

তিনি বলেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষাখাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে কাজ করছে। সেজন্য পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাও অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতার এসব খেলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু তাত্ত্বিক নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। আমার বিশ্বাস, এর ফলে মাদকাসক্তি, মোবাইল ফোন আসক্তির মতো সামাজিক সমস্যা রুখে দিতে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, এ টুর্নামেন্টে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থাৎ ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৯৯ লাখ ৪৮ হাজার ৯৫৬ জন বালক ও বালিকা (বালক-৪৬ লাখ ৯১ হাজার ৯৯৬ জন, বালিকা-৫২ লাখ ৫৬ হাজার ৯৬০ জন) উভয় খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এ টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা দল সমান সুযোগ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। এ বছর সারা দেশে বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কলেবর বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে বিবেচিত।

বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে মনন বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে গুরুত্বারোপ করছে। এর ফলে দেশে ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে আমাদের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলে, সাফল্য অর্জন করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীরা হবে আমাদের আগামীর উজ্জ্বল মুখ, যারা দেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুনভাবে আলোকিত করবে। আমি ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

এসএন/

দুর্যোগকবলিত উপকূলের সুরক্ষায় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
দুর্যোগকবলিত উপকূলের সুরক্ষায় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি
ছবি: খবরের কাগজ

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দুর্যোগ কবলিত উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ ও নাগরিক আন্দোলনের নেতারা।

শুক্রবার (১৯ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান। গবেষণা সংস্থা ‘ড্রিম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডিআরডিএফ)’ এবং নাগরিক সংগঠন ‘সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন’ যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ও মানবসৃষ্ট পরিবেশগত অভিঘাতে উপকূলীয় অঞ্চল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা ও নদীভাঙনের মাত্রা ক্রমাগত বাড়ায় স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র বলেন, উপকূলে দুর্যোগের পাশাপাশি লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে সুপেয় পানি ও খাদ্য সংকট তীব্রতর হচ্ছে। এতে মানুষ কর্মহীন ও বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। জনগণের দাবি থাকা সত্ত্বেও নতুন সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটে উপকূলের এই সংকট মোকাবিলায় পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি উপকূলের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

মূল বক্তব্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘উপকূলের সংকট এখন শুধু দুর্যোগের বিষয় নয়; এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় অর্থনীতির প্রশ্ন। জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বোট রেজিস্ট্রেশন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও উদ্ধার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জরুরি।’

সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে কিছু প্রকল্প নেওয়া হলেও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে অনেক এলাকা উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত।’ টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাজেট পাস হওয়ার আগেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সমাবেশ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলকে ‘জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা’ হিসেবে ঘোষণার পাশাপাশি ২১ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন; ব্লু-কার্বন সংরক্ষণ ও কার্বন-ক্রেডিট বিপণনের উদ্যোগ; টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কার; প্রত্যন্ত উপকূলে সুপেয় পানির নিশ্চয়তা; ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো সংস্কার করে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীবান্ধব করা।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ আকমল হোসেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, সচেতন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাকিলা পারভীন, ন্যাশনাল ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের প্রতিনিধি শাকিল আহমেদ এবং ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের আহ্বায়ক সাদিয়া সুলতানা শাপলাসহ অনেকে।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

তিস্তা রক্ষায় পরিকল্পিত ড্রেজিং, নির্মিত হবে টেকসই বাঁধ: পানিসম্পদমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম
তিস্তা রক্ষায় পরিকল্পিত ড্রেজিং, নির্মিত হবে টেকসই বাঁধ: পানিসম্পদমন্ত্রী
তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: খবরের কাগজ

তিস্তা নদীর ভাঙন ও বন্যা কবলিত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার দ্রুত পরিকল্পিত ড্রেজিং ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করবে। আমরা যদি পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করি এবং পরিকল্পিত ড্রেজিং করি, তবে এই অঞ্চলের মানুষকে ইনশা'আল্লাহ রক্ষা করতে সক্ষম হবো। সেই কাজটুকু করার জন্যই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা বিশেষজ্ঞ দলসহ এখানে একত্রিত হয়েছি বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে অবসর রেস্ট হাউসে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, "উজানে গজলডোবায় যেভাবে পানির স্রোত আসছে—তারা তো তাদের গেটগুলো ওপেন করে দিয়েছে। এই খাড়া স্রোতের কারণে তিস্তার পাড় ভেঙে যাচ্ছে এবং নদী ভাঙন বিশাল আকার ধারণ করেছে। পানি এত ওভারফ্লো হচ্ছে যে, এলাকার মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।" এই তিস্তা পাড়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার দ্রুত পরিকল্পিত ড্রেজিং ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করবে বলে তিনি জানান।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, "তিস্তাপাড়ের সকল দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অতিব প্রয়োজন। এটি শুধু এই অঞ্চলের জন্য নয়, গোটা দেশের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই আজ আমরা টেকনিক্যাল টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, তিস্তা শুধু আপনাদের (লালমনিরহাট-রংপুর) দুঃখ না, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এই কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব—হয়তো ৬-৭ বছর সময় লাগবে—কিন্তু এর যে বেনিফিট আসবে তা এ অঞ্চলের মানুষ পাবে। এতে সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে এবং অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে। উত্তরবঙ্গের ৫টি জেলার যে দুঃখ, তা একদিন আনন্দে পরিণত হবে এবং কৃষিভিত্তিক এই অঞ্চলে উৎপাদন বহুগুণ বাড়বে। আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি।"

কাজের ধারাবাহিকতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানান, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি কাজ এবং এর পেছনে অনেক বৈঠকের প্রয়োজন রয়েছে। কুয়েটে সেমিনার শেষ করে 'পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প'-এর মতো এই বৃহৎ তিস্তা প্রকল্পটিকেও অনুমোদনের জন্য একনেকে তোলা হবে।

পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান এবং লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল। এছাড়াও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসএন/

হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৭৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৯৮২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯৬ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৮৬৯ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৫ হাজার ১৫৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৫৭৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এসএন/