ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ মা-বাবাকে অবহেলা করো না, জাহান্নাম নেমে আসবে পৃথিবীতে! রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার তামু ও তার সুপারহিরো বাবার গল্প বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচ ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকায় ১২তম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত আমরা শুধু কেপ ভার্দে নই, পুরো আফ্রিকার জন্য খেলছি: বুবিস্তা বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ খবরের কাগজের বাগেরহাট প্রতিনিধিকে প্রাণনাশের হুমকি আজ বিশ্ব সংগীত দিবস সৃজনশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ইতিহাসের পাতায় তিউনিসিয়া-জাপান ম্যাচ: ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০০তম লড়াই ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান স্পেনের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন এলোয় রুম: কুরাসাও গোলরক্ষকের বিশ্বরেকর্ড ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের সাম্বা সাম্বা সাম্বা, ফিরে এল সাম্বা নৃত্য ২১ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ড্রাগন-মাল্টার বাগান গড়ে সফল প্রবাসফেরত সাদেক ২১ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় কারাবন্দি এক ম্যাজিস্ট্রেট যশোরে জাপার ২৫ নেতার পদত্যাগ বগুড়ার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট নারায়ণগঞ্জের হাসপাতালে নেই জলাতঙ্কের টিকা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শতাধিক লেবার এমপি-মন্ত্রীর

মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ব চায় ডিটিসিএ

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৫, ১০:৩৪ এএম
আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৩ এএম
মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ব চায় ডিটিসিএ
ছবি: সংগৃহীত

মেট্রোরেল পরিচালনা কর্তৃপক্ষ ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ব দাবি করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে আবেদন জানিয়েছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) অধীনে ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) নামে কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সে প্রস্তাবনার পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোরেল বাস্তবায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি হিসেবে ডিএমটিসিএল গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। ডিএমটিসিএল গঠন করার পর ডিটিসিএর অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বে ম্যাস ট্রানজিট উইং প্রতিষ্ঠা করা হয়।

সে কথা উল্লেখ করে নীলিমা আখতারের চিঠিতে বলা হয়, 'সরকারে নির্দেশনা মোতাবেক ডিটিসিএ হলো ডিএমটিসিএলের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ। ডিএমটিসিএল কোম্পানি গঠনের পর তাদের সব রিপোর্টিং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে ডিটিসিএর কাছে পাঠাতো। কিন্তু এখন সেটি করা হয় না। ডিএমটিসিএলের ঊর্ধ্বতন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিটিসিএ কিন্তু ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা এ নির্দেশনা না মেনে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।'

চিঠিতে বলা হয়, 'ডিএমটিসিএলের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ডিটিসিএর মাধ্যম ব্যতীত ডিএমটিসিএল থেকে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ বা অন্যান্য কোনো সরকারি দপ্তরে পত্র/চিঠিপত্র পাঠানো মন্ত্রিসভার বৈঠকের নির্দেশনা পরিপন্থি বলে প্রতীয়মান হয়।'

ডিএমটিসিএলকে সতর্ক করে ডিটিসিএর চিঠিতে বলা হয়, ডিএমটিসিএল ডিটিসির কাছে দায়বদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান। তাই অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান হিসেবে মন্ত্রণালয় বা অন্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ডিটিসিএর মাধ্যমে যেকোনো প্রস্তাব বা চিঠি পাঠানো আবশ্যক।

নীলিমা আখতারের ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, দেশে ও বিদেশে ডিএমটিসিএলের মতো কোম্পানি একটি স্বতন্ত্র বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অধীনে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। কিন্তু ডিএমটিসিএল তার ঊর্ধ্বতন প্রতিষ্ঠান ডিটিসিএকে উপেক্ষা করায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ডিটিসিএ সবকিছু অবহিত হচ্ছে না।

ডিটিসিএর অভিযোগ, মেট্রোরেল ব্যবস্থাপনার জন্য নানা সিদ্ধান্ত নিলেও তা বাস্তবায়ন করছে না ডিএমটিসিএল।

এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, মেট্রোরেলের যাত্রী ও তৃতীয় পক্ষের বীমা করা, এমআরটি লাইনের নির্মাণ পরিকল্পনার অনুমোদন, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, দেশি-বিদেশি নানা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর।

ডিটিসিএ অভিযোগ এনেছে, ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত নানা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে ডিএমটিসিএল।

ঢাকার উত্তরা-উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল লাইন-৬ বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত এবং অনুমোদন, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান (JICA) নিয়োগ, নতুন কোম্পানি হিসেবে এর মূল সনদ প্রস্তুত এবং অনুমোদন, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কাছে আবেদন-এসব কার্যক্রম ডিটিসিএ সম্পন্ন করেছিল।

এসব বিষয়ে জানতে ডিএমটিসিএল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান  এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হককে ফোন করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও আশানুরূপ সাড়া মেলেনি।

পরে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম খবরের কাগজকে বলেন, 'এ ধরনের চিঠির কথা জেনেছি আমরা। নিয়ম অনুযায়ী, যেসব বিষয় সরাসরি ডিটিসিএর মাধ্যমে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে জানাতে হয়, আমরা তা ডিটিসিএর মাধ্যমে জানাই। তবে দৈনন্দিন নানা বিষয়, যেমন মেট্রোরেল পরিচালনা, প্রশাসনিক নানা সিদ্ধান্ত আমরা সরাসরি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করি। সেভাবেই ডিএমটিসিএলকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।' 

জয়ন্ত/মেহেদী/অমিয়/

ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকাসহ দেশের ১৫ জেলায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় এসব এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রবিবার (২১ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, ঢাকা, টাঙ্গাইল, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি চলতি সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকতে পারে।

উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি
ফাইল ফটো

দেশের উত্তরাঞ্চলের চার জেলায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তিস্তাসহ তিন নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গতকাল শনিবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়েছে এবং আগামী তিন দিন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

এ সময় তিস্তা নদীর পানি চার জেলায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। পাশাপাশি ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি রংপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে সতর্কসীমা ছুঁতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিচু এলাকা কিছু সময়ের জন্য প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও পানি বাড়ছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিন দিন আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার নদীসংলগ্ন নিচু এলাকাও কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দেশের আট বিভাগেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে। পাশাপাশি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে, যা বৃষ্টিপাত বাড়াতে সহায়তা করছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, সিলেট ও খুলনা বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী পাঁচ দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের ১২৪টি দূষিত শহরের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান ১৫তম। আইকিউ এয়ারের মানসূচকে ঢাকার স্কোর ৮৩। বায়ুর এই মানকে ‘সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

রবিবার (২১ জুন) সকাল ৮টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারের তথ্য থেকে বায়ুমানের এ অবস্থা জানা যায়।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৬৫ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। তালিকায় ১৫৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে বাহরাইনের মানামা এবং ১৫১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা। এ ছাড়া ১৪৫ স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের লাহোর চতুর্থ এবং ১৪২ স্কোর নিয়ে কঙ্গোর কিনশাসা পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।

তথ্যমতে, একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসকে ‘সহনীয়’ বা ‘মধ্যম’ মানের হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের জন্য বাতাস তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হলেও, অতিসংবেদনশীল ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভোগা মানুষের জন্য সামান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।

সাধারণত কোনো শহরের একিউআই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ এবং ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৩০১ বা তার বেশি হলে বাতাসকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

অন্তরা/

রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে বসবাসকারীদের প্রতিদিনই নানা প্রয়োজনে কোনো না কোনো মার্কেট কিংবা শপিংমলে যেতে হয়। কিন্তু কোথাও গিয়ে দেখলেন, সেখানকার সব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ। তখন কাজ তো হলোই না বরং সময় নষ্ট, সেই সঙ্গে মনও খারাপ হবে।

রবিবার (২১ জুন) চলুন অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনা এড়াতে দেখে নেই আজ কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও শপিং মল থাকবে বন্ধ।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার মার্কেট 

বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ।ে

আমান/

এক যুগ পেরোলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি আয়াজ হত্যা মামলা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:১৭ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৬ এএম
এক যুগ পেরোলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি আয়াজ হত্যা মামলা
আয়াজ হক। ছবি: খবরের কাগজ

২০১৪ সালের ৯ জুন ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের ছাত্র আয়াজ হককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় করা মামলা বিচারিক আদালত ও উচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির পর বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারাধীন। ওই ঘটনায় করা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় এর মধ্যে কেটে গেছে একযুগ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৯ জুন ঢাকা সিটি কলেজের প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও খরচ বাবদ টাকা তোলা নিয়ে আয়াজের বড় ভাই আশদিন হকের সঙ্গে আসামিদের কথা কাটাকাটি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই দিন বিকালে আসামিরা জিগাতলা যাত্রী ছাউনির কাছে আয়াজকে একা পেয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শহীদুল হক মামলা করেন। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর অধস্তন আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে নিম্ন আদালত ইনজামামুন ইসলাম ওরফে জিসানকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেন। তাছাড়া তৌহিদুল ইসলাম, মশিউর রহমান আরাফ, তৌহিদুল ইসলাম শুভ, আবু সালেহ মো. নাসিম ও আরিফ হোসেন রিগ্যানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয় আসামিদের সবাইকে। দণ্ডিতদের মধ্যে জিসান কারাগারে, শুভ জামিনে ও বাকি আসামিরা বর্তমানে পলাতক।

বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে জিসান ও শুভ হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আসামিদের করা আপিলের ওপর শুনানি সম্পন্ন হয়। ওই বছর ১৬ মার্চ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। রায়ে ইনজামামুন ইসলাম ওরফে জিসানকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড থেকে ১২ বছর ও তৌহিদুল ইসলামকে যাবজ্জীবন থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। আদালতে জিসানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে নিহতের বাবা শহীদুল হক সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের ওই রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। আপিল বিভাগে এই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। তাই বর্তমানে অধস্তন আদালতের দেওয়া রায়ই বহাল আছে। ঘটনার পর একযুগ পেরিয়ে গেছে। আমরা এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছি।