ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু আসন্ন আলিম পরীক্ষা নিয়ে মাদরাসা বোর্ডের নির্দেশনা নওগাঁয় চীনা পর্যটককে হেনস্তার অভিযোগে টিকটকার গ্রেপ্তার কুমিল্লা বোর্ডের ৮ কলেজে নেই এইচএসসি পরীক্ষার্থী! Two Friends and a Bear বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ১ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র বিরোধীদলীয় নেতার ১০ কেজি উপহার, পেলেন এমপি থেকে পিয়ন সবাই আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফেনীতে বিশ্ব ক্লাবফুট দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও সচেতনতামূলক সভা দেম্বেলে রহস্য! ঘানাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুঙ্কার রাশফোর্ডের নাটোরে এক গ্রামেই ৪ শতাধিক ঘরজামাই! ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু নয়নের খাল খননে নয়ন কি জুড়াবে এবার? বিশ্বকাপে মিশরকে প্রথম ম্যাচ জয় উপহার দিয়ে উচ্ছ্বসিত সালাহ ঘরছাড়া মানুষের বাস্তবতা ও বৈশ্বিক দায়িত্ব আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে ভাইরাল ভেড়া অপরাধ নির্মূলে কার্যকর ভূমিকার বিকল্প নেই চুয়েট হলে চলন্ত ফ্যান ছিঁড়ে পড়ায় আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা ‘মাথা উঁচু করে বিদায় নিচ্ছি’- ড্রেসিংরুমে ইরানের বার্তা যার শেষ পরিণতি হবে জাহান্নাম চকরিয়ায় সৌদিয়া বাস উল্টে আহত ৭ আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হবে ঈশ্বরগঞ্জে কৃষকদের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে আগুন অসংক্রামক রোগের আগ্রাসন মোকাবিলায় ৩৫ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে অভ্যন্তরীণ রুটে ১৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় গুজব মোকাবিলায় ফ্যাক্ট-চেকিং সেল ২৪ ঘণ্টা সক্রিয়: তথ্যমন্ত্রী শিবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ সাতকানিয়ায় মিলল মহাবিপন্ন হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জনগণের জয় হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জনগণের জয় হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: খবরের কাগজ

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জনগণের জয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রাম এবং বহু জীবনের বিনিময়ে দেশের মানুষের ঘাড়ে চেপে বসা স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করা হয়েছে। আমরা গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা এবং মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছিলাম। বাংলাদেশের জনগণ সেই আন্দোলনে সফল হয়েছে।’

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ঘোষেরহাট এলাকায় বিশ্বখাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এখন জনগণের শাসন, কথা বলার অধিকার এবং রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে গড়ে তোলা এবং রাষ্ট্রকে পুনর্গঠন করা। আমরা দেখেছি, বিগত ১৭ বছরে এ দেশের মানুষের লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে এবং সম্পদ পাচারের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে ফোকলা করে দেওয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিগত সরকারের সময়ে দেখেছি, দেশের প্রশাসনকে রাজনৈতিককরণ করে তাদের দক্ষতা নষ্ট করে ফেলা হয়েছিল। অন্য দেশের চিকিৎসাসেবার সুবিধার জন্য দেশের চিকিৎসাসেবা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। উন্নয়নের নামে দেশের মানুষের অর্থ লুট করা হয়েছে। গ্রামে উন্নয়ন হয়নি, আর শহরে গিয়ে দেখবেন কতগুলো ফ্লাইওভার হয়েছে; কিন্তু রাস্তাঘাট ভাঙা।’

তারেক রহমান বলেন,‘রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে যারা কাজ করবে, তাদের জন্য ৮০ হাজার টাকা দিয়ে বালিশ কেনা হয়েছিল। একটি বালিশের দাম কখনো ৮০ হাজার টাকা হতে পারে? জনগণের এই টাকাই বিদেশে পাচার করা হয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য তার বক্তব্যে এখানে একটি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। “যদি উন্নয়নই হয়ে থাকে, তাহলে গত এক যুগেও কেন টেকনিক্যাল কলেজ হলো না? এখানে টেকনিক্যাল কলেজ হলে এ এলাকার যুবকরা দক্ষ শ্রমিক হিসেবে প্রশিক্ষণ পাবে। তারা প্রশিক্ষণ নিলে দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজ আমরা যে বিশ্বখাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছি, সেটি বিগত এক যুগেরও বেশি সময় কেন সংস্কার করা হয়নি? এটি খনন হলে এ এলাকার মানুষ ও কৃষকরা উপকৃত হবে। কারণ গ্রামের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজ আমরা আরেকটি অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করব। কেন এটি করা হবে? আমরা যেমন তরুণ-যুবকদের প্রশিক্ষিত এবং মেয়েদের শিক্ষিত করতে উদ্যোগ নিয়েছি, পাশাপাশি মায়েদের স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করেছি। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধীরে ধীরে প্রতিটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সার-বীজ ক্রয়ের জন্য কৃষক ভাইদের হাতে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হক দুলু, সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শরীয়তপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন অপু, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

রিফাত/

শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: সংগৃহীত

শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি। 

তিনি বলেন, ‘শিশু কীভাবে শিখবে এবং শিক্ষক কীভাবে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন, তার ভিত্তি তৈরি করে পাঠ্যক্রম। তাই প্রাথমিক শৈশব বিকাশে পাঠ্যক্রম সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশের স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ে (আইইউবি) আয়োজিত ‘প্রাথমিক শৈশব বিকাশ বিষয়ে জাতীয় সংলাপ: নীতি ও বাস্তবচর্চা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

বিশ্ববিদ্যালয়টির ফার্মেসি ও জনস্বাস্থ্য অনুষদের অধীন জনস্বাস্থ্য বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের শেখার প্রক্রিয়ায় মুখস্থনির্ভরতা ও পরীক্ষার ফলাফলের চেয়ে চিন্তাশক্তি, কৌতূহল, যোগাযোগ দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার এবং শিক্ষা পদ্ধতির আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে। শিশুর প্রাথমিক বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ের অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সংলাপ আয়োজন করায় তিনি আইইউবির প্রশংসা করেন।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, ট্রাস্টি জাভেদ হোসেন এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ।

ফরিদ আহমদ বলেন, ‘প্রাথমিক শৈশব বিকাশ শুধু বিদ্যালয় বা সরকারের দায়িত্ব নয়; এতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। এটি শুধু শ্রেণিকক্ষ বা অবকাঠামোর বিষয় নয়; বরং শিশুদের শেখা, বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির বিষয়।’

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, ‘শিশুর প্রাথমিক বিকাশ ও উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও অংশীজনদের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আইইউবি অত্যন্ত আগ্রহী।’

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শৈশব বিকাশ নেটওয়ার্কের (বিইএন) সহসভাপতি মাহমুদা আখতার। তিনি প্রাথমিক শৈশব বিকাশের গুরুত্ব এবং প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আইইউবির ফার্মেসি ও জনস্বাস্থ্য অনুষদের ডিন ডা. কামরান উল বাসেত শিক্ষক উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে আরেকটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং পরে উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন। এতে সরকারি সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জনস্বাস্থ্য বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ড. তানভীর আহমেদ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বিলকিস বানু।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শৈশব বিকাশ নেটওয়ার্ক (বিইএন) শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম। আইইউবি এ নেটওয়ার্কের নির্বাহী সদস্য।

রিফাত/

আসন্ন আলিম পরীক্ষা নিয়ে মাদরাসা বোর্ডের নির্দেশনা

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম
আসন্ন আলিম পরীক্ষা নিয়ে মাদরাসা বোর্ডের নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের আসন্ন আলিম পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতি একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।

সোমবার (২২ জুন) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, পরীক্ষা শুরু হওয়ার ন্যূনতম ৭ দিন আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বা তার প্রতিনিধি এবং ট্রেজারির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট সর্টিং করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ‘মেঘনা’ ও ‘যমুনা’ সেটের প্রশ্ন একই ট্রাংকে রাখা যাবে না।

এতে বলা হয়, প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঠিক ৩০ মিনিট পূর্বে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছ থেকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে জানতে পারবেন ওই দিন কোন সেটে পরীক্ষা হবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে অন্য কোনো সেটে পরীক্ষা নিলে তার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরাসরি দায়ী থাকবেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষা কেন্দ্রে একমাত্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও শুধু নন-অ্যান্ড্রয়েড বা সাধারণ বাটন ফোন ব্যবহার করার অনুমতি পাবেন। কেন্দ্রের কোনো কক্ষপ্রত্যবেক্ষক (ইনভিজিলেটর) বা পরীক্ষার্থীর নিকট স্মার্টফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং নিয়মানুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় গেইটেই পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করে কক্ষে প্রবেশ করাতে হবে। ছাত্রীদের তল্লাশির জন্য অবশ্যই মহিলা শিক্ষক নিয়োজিত থাকবেন।

প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড ব্যতীত কোনো বই, খাতা, মোবাইল বা কোনো কাগজপত্র কক্ষে আনা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া, কক্ষে কোনো পরীক্ষার্থী যাতে একে অপরের উত্তরপত্র দেখতে না পারে সেজন্য ‘জেড’ প্যাটার্ন অনুযায়ী আসন বিন্যাস করা হবে। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা যাতে একই সেটের প্রশ্ন না পায়, সেজন্য বহুনির্বাচনী অভীক্ষার ৪টি সেট (ক, খ, গ, ঘ) সমানুপাতিক হারে বণ্টন করতে হবে।

বোর্ডের নির্দেশনায় জানানো হয়, সৃজনশীল (সিকিউ) ও বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে চলবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পূর্বে কোনো অবস্থাতেই ওএমআর-এর উপরের অংশ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র এবং লিখিত উত্তরপত্রের টপ পোর্শন ওএমআর সম্পূর্ণ আলাদাভাবে সাজিয়ে পৃথক হলুদ কাপড়ের প্যাকেটে সীলযুক্ত করে বোর্ডের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট বরাবর পাঠাতে হবে।

ভুলত্রুটি এড়াতে আরবি বিষয়ের পরীক্ষার দিন সাধারণ বিষয়ের শিক্ষক এবং সাধারণ বিষয়ের দিন আরবি বিষয়ের শিক্ষকদের কক্ষপ্রত্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম বা সেরিব্রালপলসি আক্রান্ত) এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে শ্রুতিলেখক হিসেবে নিতে পারবে এবং বোর্ডের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবে। এছাড়া অটিস্টিক পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবে এবং তাদের উত্তরপত্রগুলো বেগুনি রঙের কাপড়ে আলাদা প্যাকেট করে বোর্ডে পাঠাতে হবে।

প্রতিদিনের পরীক্ষা শেষে বেলা সাড়ে ১২টার মধ্যে মোট পরীক্ষার্থী, উপস্থিত, অনুপস্থিত ও বহিষ্কৃতদের সংখ্যা অনলাইনে বোর্ডে প্রেরণের জন্য কেন্দ্র প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নাঈম/

বিরোধীদলীয় নেতার ১০ কেজি উপহার, পেলেন এমপি থেকে পিয়ন সবাই

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
বিরোধীদলীয় নেতার ১০ কেজি উপহার, পেলেন এমপি থেকে পিয়ন সবাই
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ ভবনে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। রাজনৈতিক বিতর্ক বা আইন প্রণয়নের ব্যস্ততার বাইরে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানের পাঠানো একটি বিশেষ উপহারকে ঘিরে ছিল ভিন্নমাত্রার আলোচনা।

সোমবার (২২ জুন) সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের (এমপি) পাশাপাশি সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরাও পেয়েছেন ১০ কেজি ওজনের একটি করে উপহারের প্যাকেট।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সকাল থেকেই সংসদ ভবনে উপহারের প্যাকেটগুলো নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়। পরে জানা যায়, প্যাকেটগুলোতে ছিল মৌসুমি ফল— প্রিমিয়াম মানের আম। বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা সংসদের বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে এসব উপহার বিতরণ করেন।

বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, উপহার বিতরণের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল এর সমবণ্টন। সাধারণত এ ধরনের সৌজন্য উপহার উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তবে এবার সংসদের ঝাড়ুদার, পিয়ন, লিফটম্যান ও গাড়িচালকরাও উপহারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

উপহার পেয়ে সংসদ সচিবালয়ের এক অফিস সহায়ক বলেন, “আমরা সাধারণ কর্মচারী। বড় নেতাদের উপহার সাধারণত দূর থেকেই দেখি। আজ বিরোধীদলীয় নেতা আমাদের কথাও মনে করেছেন। এটি আমাদের জন্য সম্মানের বিষয়।”

এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সরকারি দলের অনেক সংসদ সদস্যও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষমতাসীন দলের এক এমপি বলেন, “রাজনীতি তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তবে সংসদের ভেতরে এ ধরনের সৌজন্য ও পারস্পরিক সম্মানবোধ অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। সব স্তরের কর্মচারীদের মূল্যায়ন করার বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ড. শফিকুর রহমান প্রথাগত ধারার বাইরে বিভিন্ন মানবিক ও সৌজন্যমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। তাদের মতে, এবারের উপহার বিতরণ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সৌজন্য নয়; বরং এর মাধ্যমে তিনি সব স্তরের মানুষের প্রতি সম্মান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির বার্তা দিয়েছেন।

এলিস/নাঈম

আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য অপতৎপরতা রুখতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ মাফিয়া দল আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রুখতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার অ্যাক্টের আওতায় ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।’

সোমবার (২২ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আগের তুলনায় বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো রয়েছে। সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনী কাজ করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু অপতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় আমরা দেখেছি তারা মিছিল মিটিং করার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। তাতে আমাদের কাছে মনে হয়েছে তারা আইনশৃঙ্খলা অবনতির পাঁয়তারা করতে পারে। এসব কর্মকাণ্ড থেকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সব সময়ই সতর্ক থাকতে হয়। আজ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাসদস্যদের আইন মোতাবেক বেসামরিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যাতে যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা মোকাবিলা করা যায়, সে লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সরকার কখনো বিজিবি, কখনো সেনাবাহিনীর সহায়তা নিয়ে থাকে।

প্রায় দেড় বছর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের পর গত ১৫ জুন সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব সেনাবাহিনীকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। যেসব জেলায় নাশকতা বা অপতৎপরতার চেষ্টা হয়েছে, সেসব এলাকাতেই সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: বাসস

অমিয়/

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু
হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে এক শিশু। ছবি: সংগৃহীত

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১২৫ জন শিশুর শরীরে। এদের মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৬০ জন।

সোমবার (২২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৫৯০ শিশুর মৃত্যুর খবর জানা গেছে। এদের মধ্যে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯৩ শিশু। মোট শিশু মারা গেছে ৬৮৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৯৩ হাজার ৭৫৫ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এদের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ১৭১ শিশুর শরীরে। হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৯২৬ শিশু।

হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৭ হাজার ৭৪৩ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে ৭৩ হাজার ৯৮৫ শিশু।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত বগচড ৮৮৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং হাসপাতাল ছেড়েছে ১ হাজার ১৩৬ শিশু।

নাঈম/