সর্বোপরি দেশের এ বেকার জনস্রোতের সমস্যা লাঘবের জন্য এবং আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট পরিমাণে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, আর এ জন্য প্রয়োজন নতুন বিনিয়োগ। বিনিয়োগের মাধ্যমে যেমন ব্যবসা ও শিল্প গড়ে উঠে তেমনি কাজেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাতে মানুষের ভোগ বাড়ে গতি আসে অর্থনীতিতে। তাই আগামীর জন্য কর্মসংস্থান তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।...
দেশের শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা বর্তমানে এক মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উৎপাদন ও বিনিয়োগকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। জিডিপিতে ৩৫ শতাংশের বেশি অবদান রাখা শিল্প খাত এখন গভীর অস্তিত্ব সংকটের মুখে। মাত্র এক বছরে গ্যাসের দাম ১৭৮ শতাংশ এবং সম্প্রতি আরও ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে টেক্সটাইল, স্টিল ও সারের মতো প্রধান শিল্পগুলোর উৎপাদন ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ কমে গেছে। বিশেষ করে এসএমই খাত কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে। মূল্যস্ফীতির কশাঘাতে জর্জরিত স্বল্প পুঁজির উদ্যোক্তাদের টিকে থাকাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এসএমই (ক্ষুদ্র ও মাঝারি) খাতের উদ্যোক্তারা কঠিন সংকটের মধ্যদিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার পরিবর্তন হলেও ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমেনি। এসএমই খাত একটি দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে এ খাতের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ব্যাপক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন পুঁজির সংকট প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার অভাব ও বিনিয়োগে ঘাটতি। রপ্তানি বাজারে অনুপ্রবেশের অক্ষমতা, চাহিদামতো নীতিসহায়তা না থাকায় এসএমই খাতের সংকট কাটছে না। যা কর্মসংস্থানের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ব্যবসায়ীদের মতে, শিল্পায়নের অভাবে ইতোমধ্যে প্রায় ১৪ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, যা দেশে ক্রমবর্ধমান সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত পিপিআরসি অর্থ মন্ত্রণালয়ের যৌথ সমীক্ষায় বলা হয়েছে, গত তিন বছরে দেশের দারিদ্র্য হার বেড়েছে। ২০২২ সালের বিবিএর হিসাবে দেশে অতি দারিদ্র্য ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। সেটি ২০২৫ সালে বেড়ে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ হয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ দারিদ্র্য হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ। নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের মাসিক আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় ধারদেনা করে চলছে সংসার। একটি পরিবারের খাবার কিনতে ব্যয় করতে হবে সেই আয়ের ৫৫ শতাংশ। পরিবারের আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে সবচেয়ে বেশি চিকিৎসা ব্যয় ৬৭ দশমিক ৪ শতাংশ, ঋণ পরিশোধে ব্যয় ২৭ শতাংশ। বেড়েছে আয় বৈষম্য। শিল্প বিনিয়োগ না হওয়ায় এবং এসএমই খাত সংকটের কারণে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দেখা দিয়েছে সবচেয়ে বড় সংকট।
বিশ্ব ব্যাংকের ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য মূল্যায়ন-২০২৫’ প্রতিবেদনে যে তথ্য উঠে এসেছে তা উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের ভাষায় দেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ বা ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পরিসংখ্যান শুধু একটি সংখ্যা নয়। এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নিয়েও প্রশ্নের জন্ম দেয়। এ ঝুঁকিকে আরও প্রকট করেছে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি। কর্মসংস্থানের অভাব এবং আর বৈষম্যের মতো বহুমাত্রিক সমস্যাগুলো।
দেশে বর্তমান বিনিয়োগের খরা চলছে। শিল্প খাতে গতি নেই। নতুন শিল্প গড়ে উঠছে না। পুরোনো শিল্পগুলোর বেশির ভাগ বেকায়দায় আছে। টিকে থাকার কৌশল হিসেবে অনেকে খরচ কমাতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের মতো সহজ পথ বেছে নিয়েছে। সরকারি খাতেও নতুন কর্মসংস্থানের খোঁজ নেই। ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্যমূলক অবস্থায় কয়েক হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে দেশে কর্মসংস্থানের গতি নেই। ফলে বাড়ছে বেকারত্ব। যা সমগ্র অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতির বিশ্লেষক ও শিল্প খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
গত এক বছরে বিগত সরকারের সময়ের প্রভাবশালীদের বড় মাপের শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কাজ হারিয়েছেন কয়েক লাখেরও বেশি কর্মচারী-কর্মকর্তা, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এসব কারখানার মালিকদের অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। অনেকে পরিবার নিয়ে আত্মগোপনে আছেন। সরকারি উদ্যোগে এসব কারখানায় প্রশাসক নিয়োগ করে চালানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু ফলপ্রসূ কোনো উন্নতি চোখে পড়ছে না। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, অনভিজ্ঞ ও অদক্ষ প্রশাসক নিয়োগের ফলে এ সমস্যা আরও প্রকটতর হয়েছে। ফলে বেশির ভাগ কারখানা গতিশীল হয়নি। বাকিগুলো কবে চালু হবে তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।
প্রভাবশালীদের কারখানায় কাজ হারানো, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবার কবে কাজে ফিরবেন তার সময়সীমা জানাতে পারেনি কেউ। নতুন কোনো কারখানা তৈরি না হওয়ায় চাকরির সুযোগও পাওয়া যাচ্ছে না। অর্থনীতির বিশ্লেষক ও শিল্প খাতের সংশ্লিষ্টরা বলেন, বেকার জনগোষ্ঠী দেশের অর্থনীতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারকে এখনই বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান দুই জায়গাতেই গুরুত্ব দিতে হবে জরুরিভাবে।
বিনিয়োগ পরিবেশকে সংকটের মুখে ফেলেছে অনভিজ্ঞ ও অদক্ষ আমলা শ্রেণি, তাদের অদক্ষতা ও অনভিজ্ঞতার কারণে বিনিয়োগের পরিবেশ বারবার মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে। ফলে নতুন বিনিয়োগে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাবে নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে খরা দেখা দিয়েছে। নতুন বিনিয়োগ করা কারখানায় গ্যাস সংযোগ পাবে এ ধরনের নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না। বছরের পর বছর গ্যাসের অভাবে উৎপাদনে যেতে পারেনি অনেক কারখানা। ফলে নতুনরা বিনিয়োগে অনাগ্রহী হয়ে উঠেছে, যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। দেশীয় গ্যাসের মজুত হ্রাস হওয়া সত্ত্বেও অনুসন্ধান কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। শুধু সেমিনার ও আলোচনার মাঝে সময় পার করে চলছে। ২০৩০ সালের পর দেশীয় গ্যাসের মজুত ফুরিয়ে আসার পূর্বাভাস সত্ত্বেও অফশোর-অনশোরে গ্যাস অনুসন্ধানে তেমন অগ্রগতি হয়নি। ফলে দেশকে আমদানি করা গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে, যার কারণে জ্বালানি উচ্চ মূল্য শিল্পে উৎপাদন ব্যয় অনেক বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে শিল্প ও অর্থনীতিকে বাঁচাতে সৌর, বায়ু ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার ও সম্প্রসারণ করা জরুরি। জ্বালানি আমদানির ওপর বেশিমাত্রায় নির্ভরশীল হলে ব্যবসায়িক খরচ ক্রমাগতভাবে বাড়তে থাকবে। স্বাভাবিকভাবে এখনই জাতীয় নিরাপত্তা এবং খাদ্য নিরাপত্তার পরই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশীয় উৎসের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। জ্বালানি সংকটের কারণে রপ্তানি খাতের অবস্থান ও টালমাটাল। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক ও ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার পোশাক রপ্তানিতে বড় ধরনের সমস্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পোশাকশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্বে বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। দেশের মোট রপ্তানি প্রায় ৮৪ ভাগ জুড়েই রয়েছে আমাদের পোশাকশিল্প বা রেডিমেট গার্মেন্ট। এ পোশাকশিল্পে কাজ করে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। ১৯৮০ সালে মাত্র ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি থেকে বেড়ে সেটি এখন দাঁড়িয়েছে ৪৭ বিলিয়ন ডলারে। দুঃখের বিষয় হলো আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তির এ পোশাকশিল্প বিবিধ কারণে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। গত এক বছরে ২৫৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বিপুলসংখ্যক পোশাকশ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। দেশের বেকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। চাঁদাবাজি সহ্যসীমার বাইরে চলে গেছে, এ কথা ভুলে গেলে চলবে না দেশের বিনিয়োগকারী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের হালহাকিকতের দিকে দৃষ্টি রেখে বিদেশি বিনিয়োগ আসে। কিন্তু চাঁদাবাজ ও মববাজদের দৌরাত্ম্যের কারণে দেশীয় ব্যবসায়ীরা দিশেহারা। সেখানে বিদেশি বিনিয়োগ কীভাবে আশা করা যায়? প্রশ্ন বিশেষজ্ঞদের। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনকে টেকসই করতে হলে কেবল সাময়িক সহায়তা নয়। বরং দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন জরুরি।
বিশ্বব্যাংকের সুপারিশ অনুযায়ী। প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে হবে এবং বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে হবে। উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থানের ভিত্তি মজবুত করা এবং লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দারিদ্র্য ও বৈষম্য দমানোর জন্য একটি সমন্বিত ও কর্মসংস্থান কেন্দ্রিক জনবান্ধব কৌশল ও নীতি গ্রহণ করা খুবই জরুরি। সম্প্রতি একটি পত্রিকায় অনুসন্ধানী রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘চট্টগ্রামে বাড়ি বানাতে চাইলে চাঁদা বাধ্যতামূলক। গত এক বছরে নগরে চাঁদাবাজির অভিযোগ হয়েছে ১৩৮টি এবং মামলা হয়েছে ৫৪টি। এর বাইরেও অলিখিতভাবে রয়েছে অসংখ্য চাঁদাবাজির ঘটনা।’ সমাজবিজ্ঞানীরা একে বেকারত্ব ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক অবস্থানকে দায়ী করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ অবস্থা চলমান থাকলে আগামীর বাংলাদেশে বেকারত্ব সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। ইতোমধ্যে বেকারত্বের প্রভাব প্রকট হয়ে উঠতে শুরু করেছে। দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে, প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের অভাবে ছোট-বড় সব শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালা ও মোটরবাইক রাইডারের সংখ্যা মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়েছে। কিছুদিন আগে ভদ্র সচ্ছল পরিবার চাকরিহারা হয়ে পথে নেমেছে। বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে যে যেভাবে পারছে, যেকোনো একটি কর্মকে উপলক্ষ করে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। বেঁচে থাকার তাগিদে বা একটু বেশি আয়ের আশায় মানুষ গ্রাম থেকে ছুটে আসছে নগরে। এসবের সঙ্গে নগরে বন্দরে হরেক রকমের অপরাধ প্রবণতা বেড়েই চলেছে।
সর্বোপরি দেশের এ বেকার জনস্রোতের সমস্যা লাঘবের জন্য এবং আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট পরিমাণে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, আর এ জন্য প্রয়োজন নতুন বিনিয়োগ। বিনিয়োগের মাধ্যমে যেমন ব্যবসা ও শিল্প গড়ে উঠে তেমনি কাজেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাতে মানুষের ভোগ বাড়ে গতি আসে অর্থনীতিতে। তাই আগামীর জন্য কর্মসংস্থান তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। আমলাতান্ত্রিক লালফিতার দৌরাত্ম্যকে নিয়ন্ত্রণে এনে শিল্পে জ্বালানি সরবরাহে সহজীকরণ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিল্প বিনিয়োগের জন্য দেশি-বিদেশি সবাইকে শিল্প বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণ করা এখন জরুরি।
সরকারের উচিত ব্যবসায়ীদের মাঝে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আশা করি সরকার বর্তমান সময়ের প্রকৃত অবস্থা অনুধাবন করে রাগ অনুরাগের বশবর্তী না হয়ে নিরপেক্ষভাবে বিনিয়োগের স্বার্থের দিকে নজর দেবেন। অন্যথায় বেকারত্বের চাপে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতা দুটোই হুমকির মুখে পড়বে। কাজেই সময় থাকতেই সাধু সাবধান।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক
[email protected]


