ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাসুল (সা.)-এর চুল সাদা হলেও যেমন দেখাত ১৯৭৮ সালে এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাবা, ৪৮ বছর পর একই মাঠে প্রধানমন্ত্রী ছেলে সিলেটে বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন চা শ্রমিকরা ‘সমর্থকরা আর্জেন্টিনার এই দলকে নিয়ে পাগল’, ইতিহাস গড়ার পর মেসি সিলেট পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে ইতিহাস বদলানোর হুঙ্কার টমাস টুখেলের ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত মৌলভীবাজারবাসী রংপুরে আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান ভুট্টু গ্রেপ্তার আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস কচুয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতির হুমকি, ‘সাংবাদিকতা ছুটিয়ে দেব’ ৬০ বছরের অপেক্ষা বনাম ক্রোয়াট ধারাবাহিকতা নওগাঁ সীমান্তে স্থানীয়দের হাতে আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তি সিলেট নগরীর ৪টি পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে বিএনপি জাহাঙ্গীরনগরে অভিযুক্ত শিক্ষকদের দায়মুক্তির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, পুনঃতদন্তের দাবি লালপুরে নৌকায় পড়ে ছিল জেলের গুলিবিদ্ধ মরদেহ লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয় প্রকল্পের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা শাহরাস্তিতে নারীর পেট থেকে ৩ কেজি ওজনের টিউমার অপসারণ সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত কালুখালীতে অগ্নিদগ্ধ মরদেহ: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৩ ওমরাহ যাত্রীদের অর্থ আত্মসাৎ: দুই পীরজাদার বিরুদ্ধে মামলা নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ ধামরাইয়ের কালামপুর সাব-পোস্ট অফিস: নাক-মুখ চেপে নিতে হয় সেবা বিশ্বমঞ্চে মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক, ক্লোসাকে ছুঁয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা! স্বপ্ন ছোঁয়ার শেষ মিশনে রোনালদো নারায়ণগঞ্জে পদ্মার উড়াল সেতুর পিলারের মাটি গেছে শ্রমিক লীগ নেতার ভাটায় বাকৃবিতে নজর কাড়ছে পেলে-ম্যারাডোনার গ্রাফিতি জাল ভিসায় ইউরোপে মানব পাচারের অভিযোগ টি-টোয়েন্টি সিরিজে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ
Nagad desktop

শীতের মিষ্টি রসে লুকানো নীরব হুমকি

প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৫৯ পিএম
শীতের মিষ্টি রসে লুকানো নীরব হুমকি

বাংলাদেশের শীত যেন অন্য ঋতুগুলোর থেকে আলাদা। কুয়াশা, ধোঁয়াটে রোদ, পিঠাপুলি ও খেজুরের রস- সব মিলিয়ে শীতের দিনগুলো গ্রামবাংলার এক বিশেষ উৎসবের মতো। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গ্রামে খেজুরগাছের ব্যস্ততা দেখা যায়। গভীর রাতে গাছি গাছে চড়ে কলসি ঝুলানো হয়, ভোরবেলায় সেই কলসির রস জমে ওঠে শীতের প্রথম উপহার- তাজা কাঁচা খেজুরের রস। বহু মানুষ সরাসরি কলসি থেকে খেতে ভালোবাসেন, আবার কেউ জ্বাল দিয়ে গুড় বা পাটালি বানান। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেই লুকিয়ে থাকে এক অদৃশ্য হুমকি- নিপাহ ভাইরাস। প্রতি বছর শীত এলেই এটি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, এবং প্রধান বাহক হয়ে দাঁড়ায় খেজুরের রস।

পরিশেষে বলতে চাই, খেজুরের রস শীতের আনন্দ বাড়ায়, ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে, কিন্তু জীবন তার চেয়েও মূল্যবান। উৎসব থাকুক, তবে নিরাপদ উপায়ে ও সচেতনতার সঙ্গে। এই শীতে আসুন সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিই- কাঁচা রস নয়, সচেতনতা হোক নতুন অভ্যাস।

ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
চিকিৎসক, কলাম লেখক
[email protected]

ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার সময়

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম
ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার সময়

একটি দেশের ব্যাংকিং খাত জনগণের আস্থার ওপর নির্ভরশীল। তবে ব্যাংকিং খাতের কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। তাছাড়া এ আস্থা অনাস্থায় পরিণত হচ্ছে কিছু গুজবের মাধ্যমে। ফলে গ্রাহকদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে ভীতি। গ্রাহকরা হুড়োহুড়ি করছে নিজের জমাকৃত টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করার জন্য। কিন্তু একটি বিষয় জনগণকে মাথায় রাখতে হবে, ব্যাংক কোনো টাকার গুদাম নয়। ব্যাংক বিভিন্ন খাতে (কৃষি, পরিবহন, শিক্ষা ইত্যাদি) ঋণ দিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখে। তাই ব্যাংকগুলো সব গ্রাহকের সব টাকা নগদ রাখে না। যখন আতঙ্কিত হয়ে সব গ্রাহক টাকা উত্তোলনের প্রতিযোগিতায় নামে তখন ব্যাংক চাপের মুখে পড়ে এবং দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একটি ব্যাংক শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়। এটি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের জায়গা। তাই একটি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়া শুধু প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতি নয়; ব্যাংকের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তির ক্ষতি। ব্যাংক দেউলিয়া হলে এসব মানুষ হারাবে তাদের কর্মসংস্থান, বৃদ্ধি পাবে বেকারত্ব।

তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচল এবং ঠিকিয়ে রাখতে হলে জনগণকে উপরোক্ত বিষয় মাথায় রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তা, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় কর্মরত সব ব্যক্তি এবং সরকারেরও উচিত জনগণকে আস্থায় নেওয়া। একটি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়া মানে দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় আঘাত। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে গুজব রোধ করতে হবে এবং জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সজাগ করতে হবে।

তামিম নূরানী প্রেমা 
শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

রক্তদান হোক জীবন বাঁচানোর অঙ্গীকার

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
রক্তদান হোক জীবন বাঁচানোর অঙ্গীকার

নিরাপদ রক্তের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা, স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং রক্তদানে মানুষকে উৎসাহিত করাই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) উদ্যোগে ২০০৪ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। দিনটি নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনারের জন্মদিন উপলক্ষে নির্ধারণ করা হয়েছে, যিনি রক্তের গ্রুপ (ABO Blood Group) আবিষ্কারের মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদান রাখেন। রক্ত মানবদেহের একটি অপরিহার্য উপাদান। এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন, পুষ্টি ও প্রয়োজনীয় উপাদান পৌঁছে দেয়। বর্তমানে এমন কোনো প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়নি, যা মানুষের রক্তের পূর্ণ বিকল্প তৈরি করতে পারে। তাই একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে আরেকজন মানুষের রক্তই একমাত্র ভরসা। কারণ এক ব্যাগ রক্ত শুধু একটি জীবন নয়, একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন এবং একটি ভবিষ্যৎকে বাঁচিয়ে রাখার অনন্য উপায়।

ডা. মু. মাহতাব হোসাইন মাজেদ
লেখক ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক
[email protected]

মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্পর্ক অনেক নিবিড় এবং পরস্পর নির্ভরশীল। বিজ্ঞান স্বাস্থ্যসেবার জ্ঞান ও ভিত্তি তৈরি করে থাকে। অপরদিকে প্রযুক্তি সেই জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও সুস্থতা প্রদান করতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তি একটি বিস্তীর্ণ ক্ষেত্র। যেখানে বায়োটেকনোলজি, ফার্মাসিউটিক্যালস, তথ্যপ্রযুক্তি, উন্নয়ন চিকিৎসার সাজসরঞ্জামগুলো সারা বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান যে চিকিৎসা প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে তা অস্বীকার করা যায় না। প্রযুক্তির দ্বারা চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। নতুন নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রযুক্তির আবিষ্কারের ফলে রোগীরা আরও দ্রুত সুস্থ হচ্ছে এবং দীর্ঘ জীবন যাপন করতে পারছে। স্বাস্থ্যসেবায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রসারের ফলে এখন রোগীরা সহজেই বিশ্বের সর্বশেষ চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারছে। বর্তমান বিশ্বে গণমানুষের স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তি বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি কতটা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল কোভিডকালীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান। বর্তমান স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক ধরনের রোগ ও উপসর্গের ব্যাপারে পাওয়া যাচ্ছে আগাম আভাস। যার জেরে রোগ জটিল রূপ ধারণ করার আগেই তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছেন রোগীরা। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে রোগ সৃষ্টি হওয়ার আগেই ধারণা করা যাচ্ছে রোগের কারণ ও উৎস সম্পর্কে। ফলে সহজেই জটিল অবস্থায় পৌঁছানোর আগেই চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য লাভ করতে পারছেন রোগীরা। দ্রুত আরোগ্য লাভের মাধ্যমে রোগী ফিরতে পারছেন তার স্বাভাবিক জীবনে।

মো. জাহিদুল ইসলাম 
নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান (আইসিটি সেল), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
[email protected]

গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকাকরণ জরুরি‎

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকাকরণ জরুরি‎

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চলনবিল অধ্যুষিত গ্রাম খাদুলী। কৃষিপ্রধান এ গ্রামে প্রায় ৬ হাজার লোকের বসবাস। গ্রামের শিশুদের জন্য রয়েছে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাছাড়া একটি ডাকঘর দুটি বাজার রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য নেই কোনো পাকা সড়ক। গ্রামের পাশেই রয়েছে বিশাল রবিশস্যের মাঠ। কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য বেশ ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয় কৃষককে। উল্লাপাড়া-উধুনিয়া সড়ক থেকে গ্রামের মধ্যে প্রবেশের জন্য চার কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। যদিও এলজিইডি গ্রামের প্রবেশ মুখে এক কিলোমিটার রাস্তা ২০২৫ সালে পাকা করে। যা জনবহুল এ গ্রামের মানুষের জন্য অপ্রতুল। রাস্তার শেষপ্রান্তে অন্য গ্রামে রয়েছে একমাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার কাদামাটির সড়ক পাড়ি দিতে হয়। অবশ্য ২০২১ সালে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে গ্রামের তিন কিলোমিটার মাটির কাঁচা সড়ক সংস্কার করা হয়। কিছুদিন পর আবার আগের মতোই হয়ে যায়। এজন্য স্থায়ী সংস্কার প্রয়োজন। সামান্য একটু বৃষ্টিতেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে খানাখন্দে ভরা সড়কটি। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে বিদ্যালয়গামী বাচ্চা, বয়স্ক মানুষ ও গর্ভবতী নারীরা। সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ কৃষিপ্রধান গ্রামীণ মানুষের কথা চিন্তা করে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার চলনবিল অধ্যুষিত খাদুলী গ্রামের তিন কিলোমিটার প্রধান কাঁচা সড়ক পাকাকরণের উদ্যোগ নেবে বলে আশা করি।

‎প্রান্ত কুমার তালুকদার 
‎শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ পদক্ষেপ চাই

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ পদক্ষেপ চাই

গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে একই দিনে ছয়জন নবজাতকের মৃত্যু হয়। এটাকে অঘটন বলার কোনো সুযোগ নেই। অবশ্যই হাসপাতালের ত্রুটির জন্যই হয়েছে। কিন্তু এই ত্রুটি তো একদিনে হয়নি। ধীরে ধীরে ত্রুটি ছোট থেকে বড় হয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এটা অবশ্যই দায়িত্বের প্রতি অবহেলা ছিল। কিন্তু কেন? যেখানে মানুষের জীবন-মৃত্যুর লড়াই, সেখানে অবহেলা কেন? এর দায় যে শুধু হাসপাতালের, তা নয়। এর দায় রাষ্ট্রেরও। বাংলাদেশে ১৫ হাজার বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ৬ হাজারের কাছাকাছি নিবন্ধিত। এ ছাড়া এগুলোর বড় অংশরই লাইসেন্স নবায়ন নেই। তাহলে স্বাস্থ্য খাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাজ কী? নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দায়িত্ব এসব তদারকি করা। কিন্তু লাইসেন্স প্রদান করাই যখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ, তখন এভাবে মানুষের মৃত্যু হওয়াটা স্বাভাবিক। দেশে বর্তমান বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দেশে যত্রতত্র ক্লিনিক। এসব ক্লিনিকে কি আদৌ যথাযথ সেবা নিশ্চিত হয়? হয় না। এসব ক্লিনিকের রিপোর্টও যথাযথ হয় না। ফলে ভুল চিকিৎসা হওয়া স্বাভাবিক। এর শিকার দেশের অশিক্ষিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী। সরকারের স্বাস্থ্যনিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত সরকারিসহ, বেসরকারি হাসপাতালের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। সেই সঙ্গে দেশের ক্লিনিক ব্যবসার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া। যেখানে মানুষের বাঁচা-মরার লড়াই, অন্তত সেই জায়গায় উপযুক্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। 

মোজাহিদ হোসেন  
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]