ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চট্টগ্রামে এইডসের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা তরকারি পুড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মীকে পুলিশ দম্পতির নির্যাতন ময়মনসিংহ বিভাগ: নীরবে বাড়ছে এইচআইভির বিস্তার বরিশালে ভুয়া ভাড়ার তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক নীলিমাইব্রাহিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ নদী খননের মাটির নিচে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পশুর শিংয়ে নান্দনিক শিল্পকর্ম কসাইয়ের ‘এইভাবে পইড়া থাকলে বাচ্চা দুইডা মইরা যাইব’ ছড়িয়ে পড়ছে এইডস: আক্রান্ত তরুণ ও শিক্ষার্থীরা কালীগঙ্গা নদীর ওপর সেতু আছে, তবু খেয়া পারাপার ১৮ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৮ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল প্রথম জয়ের খোঁজে… বসনিয়া চ্যালেঞ্জ সুইসদের ১৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি কানাডার সামনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা ৬ গোলের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ইংল্যান্ড দুবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরল ক্রোয়েশিয়া ফুটবল তার শক্তি দেখাল, মাঠে আসছেন ভোজিনহার মা বিশ্বমঞ্চে নিস্তেজ রোনালদো রোনালদোর পর্তুগালকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস বিশ্বকাপে প্রথম গোলে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতায় কঙ্গো ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল মেসির পর রোনালদোর কীর্তি পর্তুগালের একাদশে রোনালদো ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের
Nagad desktop

গরমে খাদ্যাভ্যাস

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
গরমে খাদ্যাভ্যাস

গত কয়েক সপ্তাহ থেকে গরমের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। গ্রীষ্ম মৌসুমে তাপমাত্রা অনেক সময় ৩৫-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। উচ্চ আর্দ্রতার কারণে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চাপে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে শরীর ঘামের মাধ্যমে তাপ কমানোর চেষ্টা করে। ফলে পানি ও প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট দ্রুত কমে যায়। তাই খাদ্যাভ্যাসে সঠিক নির্বাচন স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গরমে শরীরের পানির চাহিদা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। এ কারণে শুধু পানি নয়, পানিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ জরুরি। লাউ, করলা, পেঁপে, লেবু, তরমুজ, শসা, বাঙ্গি, আনারসের মতো ফলে ৮৫-৯০ ভাগ পর্যন্ত পানি থাকে। যা শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে এগুলোতে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ থাকে, যা ত্বক ভালো রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটের উৎকৃষ্ট উৎস। এতে পটাশিয়াম বেশি থাকে, যা শরীরের তরল ভারসাম্য রক্ষা করে। হজম প্রক্রিয়ার সঙ্গে শরীরের তাপ উৎপাদনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যেসব খাবার হজমে বেশি সময় নেয় সেগুলো থার্মিক ইফেক্ট অব ফুড বাড়িয়ে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। তাই গরমে সহজপাচ্য খাবার যেমন ভাত, ডাল, সবজি, মাছ বেছে নেওয়া উচিত। মাঠা, দই বা প্রোবায়োটিক খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং গরমে হওয়া হজমজনিত সমস্যার ঝুঁকি কমায়। সঠিক খাদ্যাভ্যাসই এই তীব্র গরমে শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর ইসলাম
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

 

আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা?

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা?

কত আর বৈষম্য? সন্তানের চাকরি না পাওয়ার হাহাকার ও আমাদের প্রাপ্তি কী? চারদিকে এত মানুষের চাকরি হচ্ছে, সরকারি-বেসরকারি নানা নিয়োগের খবর আসছে; অথচ বিবিএ এবং এমবিএ পাস করার পরও আমার সন্তানের কপালে একটি চাকরি জুটছে না। একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণের এই বেকারত্ব মেনে নেওয়া কতটা কঠিন, তা কেবল একজন ভুক্তভোগী মা-বাবাই জানেন। প্রশ্ন জাগে–এ বৈষম্যের শেষ কোথায়? আর কতকাল আমাদের এ যন্ত্রণা দেখতে হবে?

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, মেধা আন্দোলন ও কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমেছিল দেশের তরুণ সমাজ। তখন বুকভরা আশা নিয়ে তাকিয়েছিলাম, হয়তো এবার সব ধরনের বৈষম্যের অবসান ঘটবে। কিন্তু আজ যখন আমার মেধাবী সন্তান দ্বারে দ্বারে ঘুরেও চাকরি পায় না, তখন নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়। আজ হতাশ হয়ে নিজেকেই প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হয়–তাহলে কি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের সেই আন্দোলনগুলো মিথ্যা ছিল? মেধার মূল্যায়নের কথা বলে কি তবে একটি সরকারকে হটিয়ে আরেকটা সরকার বসানোর খেলা চলছিল? যদি আমার সন্তানের মতো যোগ্য ও শিক্ষিত তরুণরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিতই থাকে, তবে সেই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন বা জুলাই বিপ্লবকে আমরা কী বলব? এটা কি শুধুই কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল? আমরা আর কোনো আশ্বাস শুনতে চাই না। আমরা চাই প্রত্যেক তরুণের মেধার সঠিক মূল্যায়ন হোক। বৈষম্যের এই বেড়াজাল ভেঙে প্রত্যেক শিক্ষিত তরুণ যেন নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ পায়–এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর কতকাল রক্ত ঝরিয়ে ও আন্দোলন করে অধিকার আদায় করতে হবে? এ দেশের মেধাবীরা আর কোনো বৈষম্য দেখতে চায় না।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই

বর্তমান বিশ্ব এক নবউন্নতির যুগে প্রতিযোগিতা করছে। উন্নত বিশ্বের উন্নত চিন্তাধারা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে শিক্ষাপদ্ধতির ভিন্ন ধারা। উন্নত বিশ্বের অধিকাংশ শিক্ষা হলো প্র্যাকটিক্যাল। নতুন নতুন উদ্ভাবনীতে রাখছে অকল্পনীয় অবদান। কিন্তু আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়েও আবিষ্কার কিংবা কোনো উদ্ভাবনীতে রাখতে পারছে না নিজস্ব অবদান। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা মনীষীদের জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে ব্যস্ত। প্র্যাকটিক্যাল বলতে কিছুই নেই। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কম্পিউটার সাবজেক্ট আছে; কিন্তু প্র্যাকটিক্যালের জন্য নেই কোনো উন্নত ডিভাইস ও প্রজেক্টর। বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি থাকলেও ডিগ্রিধারীরা রাখতে পারছে না কোনো উদ্ভাবনে অবদান। পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলেমেন্টস ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের নেই কোনো ব্যবস্থা। অপরদিকে এসএসসি পর্যন্ত অতিরিক্ত সাবজেক্ট উঠিয়ে মৌলিক সাবজেক্টগুলোর প্রতি বেশি ফোকাস করা অত্যন্ত জরুরি। সর্বোপরি শিক্ষাব্যবস্থায় অপূর্ণতাকে পূর্ণতা দিতে যথেষ্ট কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আরজি প্রকাশ করছি।

আবদুর রশীদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার সময়

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম
ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার সময়

একটি দেশের ব্যাংকিং খাত জনগণের আস্থার ওপর নির্ভরশীল। তবে ব্যাংকিং খাতের কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। তাছাড়া এ আস্থা অনাস্থায় পরিণত হচ্ছে কিছু গুজবের মাধ্যমে। ফলে গ্রাহকদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে ভীতি। গ্রাহকরা হুড়োহুড়ি করছে নিজের জমাকৃত টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করার জন্য। কিন্তু একটি বিষয় জনগণকে মাথায় রাখতে হবে, ব্যাংক কোনো টাকার গুদাম নয়। ব্যাংক বিভিন্ন খাতে (কৃষি, পরিবহন, শিক্ষা ইত্যাদি) ঋণ দিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখে। তাই ব্যাংকগুলো সব গ্রাহকের সব টাকা নগদ রাখে না। যখন আতঙ্কিত হয়ে সব গ্রাহক টাকা উত্তোলনের প্রতিযোগিতায় নামে তখন ব্যাংক চাপের মুখে পড়ে এবং দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একটি ব্যাংক শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়। এটি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের জায়গা। তাই একটি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়া শুধু প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতি নয়; ব্যাংকের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তির ক্ষতি। ব্যাংক দেউলিয়া হলে এসব মানুষ হারাবে তাদের কর্মসংস্থান, বৃদ্ধি পাবে বেকারত্ব।

তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচল এবং ঠিকিয়ে রাখতে হলে জনগণকে উপরোক্ত বিষয় মাথায় রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তা, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় কর্মরত সব ব্যক্তি এবং সরকারেরও উচিত জনগণকে আস্থায় নেওয়া। একটি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়া মানে দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় আঘাত। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে গুজব রোধ করতে হবে এবং জনগণকে সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সজাগ করতে হবে।

তামিম নূরানী প্রেমা 
শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

রক্তদান হোক জীবন বাঁচানোর অঙ্গীকার

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
রক্তদান হোক জীবন বাঁচানোর অঙ্গীকার

নিরাপদ রক্তের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা, স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং রক্তদানে মানুষকে উৎসাহিত করাই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) উদ্যোগে ২০০৪ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। দিনটি নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনারের জন্মদিন উপলক্ষে নির্ধারণ করা হয়েছে, যিনি রক্তের গ্রুপ (ABO Blood Group) আবিষ্কারের মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদান রাখেন। রক্ত মানবদেহের একটি অপরিহার্য উপাদান। এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন, পুষ্টি ও প্রয়োজনীয় উপাদান পৌঁছে দেয়। বর্তমানে এমন কোনো প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়নি, যা মানুষের রক্তের পূর্ণ বিকল্প তৈরি করতে পারে। তাই একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে আরেকজন মানুষের রক্তই একমাত্র ভরসা। কারণ এক ব্যাগ রক্ত শুধু একটি জীবন নয়, একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন এবং একটি ভবিষ্যৎকে বাঁচিয়ে রাখার অনন্য উপায়।

ডা. মু. মাহতাব হোসাইন মাজেদ
লেখক ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক
[email protected]

মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্পর্ক অনেক নিবিড় এবং পরস্পর নির্ভরশীল। বিজ্ঞান স্বাস্থ্যসেবার জ্ঞান ও ভিত্তি তৈরি করে থাকে। অপরদিকে প্রযুক্তি সেই জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও সুস্থতা প্রদান করতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তি একটি বিস্তীর্ণ ক্ষেত্র। যেখানে বায়োটেকনোলজি, ফার্মাসিউটিক্যালস, তথ্যপ্রযুক্তি, উন্নয়ন চিকিৎসার সাজসরঞ্জামগুলো সারা বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান যে চিকিৎসা প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে তা অস্বীকার করা যায় না। প্রযুক্তির দ্বারা চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। নতুন নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রযুক্তির আবিষ্কারের ফলে রোগীরা আরও দ্রুত সুস্থ হচ্ছে এবং দীর্ঘ জীবন যাপন করতে পারছে। স্বাস্থ্যসেবায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রসারের ফলে এখন রোগীরা সহজেই বিশ্বের সর্বশেষ চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারছে। বর্তমান বিশ্বে গণমানুষের স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তি বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি কতটা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল কোভিডকালীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান। বর্তমান স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক ধরনের রোগ ও উপসর্গের ব্যাপারে পাওয়া যাচ্ছে আগাম আভাস। যার জেরে রোগ জটিল রূপ ধারণ করার আগেই তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারছেন রোগীরা। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে রোগ সৃষ্টি হওয়ার আগেই ধারণা করা যাচ্ছে রোগের কারণ ও উৎস সম্পর্কে। ফলে সহজেই জটিল অবস্থায় পৌঁছানোর আগেই চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য লাভ করতে পারছেন রোগীরা। দ্রুত আরোগ্য লাভের মাধ্যমে রোগী ফিরতে পারছেন তার স্বাভাবিক জীবনে।

মো. জাহিদুল ইসলাম 
নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান (আইসিটি সেল), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
[email protected]