রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পাতালপথে মেট্রোরেল প্রকল্প (এমআরটি-১) বাস্তবায়নে আরও জটিল ঘূর্ণাবর্তে পড়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে ১২টি প্যাকেজে। ঠিকাদারি প্যাকেজ-০১ (সিপি-১) ছাড়া কয়েকটি প্যাকেজের বাস্তবায়নে ২৫ থেকে ১৮২ শতাংশ খরচ বাড়ছে।
এমআরটি-১-এর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবের (ডিপিপি) ১২টি প্যাকেজ বাস্তবায়নে ৩৮ হাজার ৬০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল। ডিএমটিসিএলের হিসাব বলছে, এই ব্যয় এখন উন্নীত হতে পারে ৭৭ হাজার ৯৬১ কোটি টাকায়। শতকরা হিসাবে ১০৪ গুণ বেশি অর্থায়ন করতে হবে এ প্রকল্পে।
এসব প্যাকেজ বাস্তবায়নের জন্য দরপত্র উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়াতেও হোঁচট খাচ্ছে ডিএমটিসিএল। সিপি-০২, সিপি-০৪, সিপি-০৫, সিপি-০৬ প্রকল্পে দরপত্র উন্মুক্ত হওয়ার পরে দেখা যাচ্ছে, ঠিকাদার প্যাকেজগুলোর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) নির্ধারিত দর থেকে দ্বিগুণ-তিন গুণ দাম হাঁকছে। ইতোমধ্যে সিপি-০২ ও সিপি-০৫-এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তি বাতিল করতে মেট্রোরেল পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জাইকাকে চিঠি দিয়েছে ডিএমটিসিএল।
সিপি-০৪, সিপি-০৬ ঠিকাদারি প্যাকেজের চুক্তি বাতিল ঠেকাতে এখন প্রকল্প কর্মকর্তারা মরিয়া। কারণ চুক্তি বাতিল হলে মেট্রোরেলের মূল পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জাইকার অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তখন দেশের অন্যান্য মেগাপ্রকল্পেও জাইকা অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গণপরিবহন খাতের বিশেষজ্ঞরা।
দুটি প্যাকেজে চুক্তি বাতিল
সিপি-০২ প্যাকেজের আওতায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ডিপো এলাকার পূর্তকাজ ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছিল চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো। তারা সর্বনিম্ন দর হেঁকেছিল ৩ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা, যা প্রাক্কলিত ব্যয় থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা বেশি। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ২৩০ কোটি ৯১ লাখ টাকা।
পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কের ট্রানজিশন পয়েন্ট থেকে শুরু করে নতুন বাজার পর্যন্ত মেইন লাইন স্থাপন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে প্যাকেজ-০৫-এর আওতায়। এই প্যাকেজের ডিপিপিতে প্রাক্কলিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ১২ কোটি টাকা। জাপানের কাজিমা করপোরেশন দরপত্রে সর্বনিম্ন দর হাঁকে ৫ হাজার ৫৫ কোটি টাকা।
ডিপিপির নির্ধারিত প্যাকেজ মূল্যের চেয়ে এই দুটি প্যাকেজের দর ‘উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি’ হওয়ায় ডিএমটিসিএল এই দুই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে জাইকাকে চিঠি দিয়েছে।
ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘সরকারি ক্রয় বিধিমালা অনুসারে এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। কারণ দাপ্তরিক ব্যয় বাস্তবসম্মত হওয়া সত্ত্বেও সর্বনিম্ন মূল্যায়িত দরপত্র বা কোটেশন প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে বেশি হলে মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশে দরপত্র বা কোটেশন বাতিল করা যায়। এমআরটি-লাইন ১-এর প্যাকেজ বাস্তবায়নে ঠিকাদার অস্বাভাবিক দর প্রস্তাব করেছে। তাই এ দুটি প্যাকেজের চুক্তি বাতিল করতে জাইকার সম্মতি নিতে চিঠি দিয়েছি।’
আরও দুই প্যাকেজের চুক্তি বাতিলের পথে
রামপুরা পাতাল মেট্রোস্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত মেট্রোস্টেশন নির্মাণের কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে প্যাকেজ-৪-এর আওতায়। এই প্যাকেজে ডিপিপি দর ছিল ৫ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সে দর ১৩ হাজার ২৬৬ কোটি টাকায় উন্নীত করে। জাপানের টোকিও মিল জয়েন্ট ভেঞ্চার দরপত্রে সর্বনিম্ন দর হাঁকায় ১৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা, যা ডিপিপি থেকে ৯ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা বেশি।
নদ্দা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ এবং ৩টি পাতাল মেট্রোস্টেশন স্থাপনের কাজ চলছে প্যাকেজ-৬-এর আওতায়। এই প্যাকেজের প্রাক্কলিত দর ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সেই দর বাড়িয়ে ৭ হাজার ৫১ কোটি টাকায় উন্নীত করে। দরপত্রে অংশ নিয়ে জাপানের টোকিও-মিল জয়েন্ট ভেঞ্চার ১০ হাজার ৮২১ কোটি টাকায় সর্বনিম্ন দর হাঁকে; যা ডিপিপি থেকে ৬ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা বেশি।
ডিএমটিসিএল কর্মকর্তারা বলছেন, টোকিও-মিলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই দুই প্যাকেজের দর কমিয়ে আনতে আলোচনা চলছে। দুটি প্যাকেজে প্রাক্কলিত ব্যয় থেকে ১৮২ শতাংশ এবং ১৩৬ শতাংশ ব্যয় বাড়িয়ে ঠিকাদারি কাজ নিতে চাইছে। এই ব্যয় কমাতে রাজি না হলে দরপত্র বাতিল করা হবে। নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হবে।
হিসাবের জটিল ঘূর্ণাবর্ত
পাতাল মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৩, প্যাকেজ-৭, প্যাকেজ-৮, প্যাকেজ-৯, প্যাকেজ-১১, প্যাকেজ-১২ বাস্তবায়নের জন্য এখনো দরপত্র উন্মুক্ত করেনি ডিএমটিসিএল। তার আগে জাপান, চীন, ভারতসহ নানা দেশের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রকল্পের নানা শর্ত, কৌশল নিয়ে আলোচনা (প্রি-নেগোসিয়েশন কনভারসেশন) করছে। এই আলোচনা পর্বেই শুরু হয়েছে জটিলতা। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ; ডিএমটিসিএলের নানা নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রতিটি প্যাকেজে যোগ্যতর ঠিকাদাররা দ্বিগুণ-তিন গুণ দর হাঁকছেন।
প্যাকেজ-৩-এর আওতায় রামপুরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পাতাল মেট্রোরেল স্টেশন নির্মাণ করতে ডিপিপিতে ৭ হাজার ২১ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। শুরুতে জাপানের ৫টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখালেও তারা শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে যায়। ডিএমটিসিএল এখনো পুনরায় দরপত্র আহ্বান করতে পারেনি। জাইকা এই প্যাকেজের বাস্তবায়নে ১৩ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে জানিয়েছে। তবে ডলারের বিপরীতে টাকার অবনমন, যন্ত্রাংশের দর বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই প্যাকেজ বাস্তবায়নে ১৬ হাজার ১১৯ কোটি টাকা খরচ হতে পারে বলে ধারণা করছেন এমআরটি-১-এর প্রকল্প কর্মকর্তারা।
৩০০ ফিটের ট্রানজিশন পয়েন্ট থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৩টি উড়াল স্টেশন এবং ৫ দশমিক শূন্য ৭ কিলোমিটার মেট্রো রেলপথ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়িত হবে প্যাকেজ-৭-এর আওতায়। ডিপিপিতে এই প্যাকেজের দর ধরা হয়েছিল ১ হাজার ১০৩ কোটি টাকা। জাপান, চীন ও ভারতের ৯টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রাক-যোগ্যতায় এগিয়ে রয়েছে। তবে এত কম অর্থে তারা কেউ রাজি হচ্ছে না। সম্প্রতি এই প্যাকেজের বাস্তবায়নে ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে। এমন জটিলতায় ডিএমটিসিএল এখনো প্যাকেজটির দরপত্র উন্মুক্ত করতে পারেনি।
প্যাকেজ-৮-এর আওতায় বালু নদীর শুরু থেকে এমআরটি-১ ডিপো পর্যন্ত ৪টি উড়াল এবং ৭ দশমিক ৩০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। ডিপিপিতে এই প্যাকেজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা। জাপানের ৭টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা চলছে। তাদের সঙ্গে আলোচনার মাঝেই ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা বলছেন, এই প্যাকেজের প্রাক্কলিত ব্যয় ৬ হাজার ৩১৭ কোটি টাকায় উন্নীত হতে পারে। জাইকা এখন এই প্যাকেজের দরপত্রগুলোর কারিগরি প্রস্তাব মূল্যায়ন করছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে দরপত্র উন্মুক্ত করবে ডিএমটিসিএল।
প্যাকেজ-৯-এর আওতায় এমআরটি-১ প্রকল্পে মেট্রোরেলের ট্র্যাক নির্মাণ, ট্র্যাক স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণের কাজগুলো সম্পন্ন হবে। এই প্যাকেজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা। যোগ্যতার দৌড়ে জাপান ও ভারতের যৌথ কনসোর্টিয়াম এগিয়ে রয়েছে। জাপানের সুমিতুমি-মারুবেনি এবং ভারতের লারসেন-ট্রুবু এই কাজে আগ্রহ দেখাচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ৫ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে প্রকল্প কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।
প্যাকেজ-১০-এর আওতায় সিগনাল-টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম এবং মানবসম্পদ-অর্থ-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণে সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনার কাজ চলছে। ডিপিপিতে এই প্যাকেজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা। জাপানের দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এখন দর-কষাকষি চলছে ডিএমটিসিএলের। বাস্তবতার নিরিখে এই প্যাকেজ বাস্তবায়নে ৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা খরচ হতে পারে।
প্যাকেজ-১১-এর আওতায় ভাড়া আদায় কার্যক্রম (অটোমেটিক ফেয়ার কালেকশন সিস্টেম) বাস্তবায়ন করার কথা রয়েছে। ডিপিপিতে ৪১৭ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করেছিল ডিএমটিসিএল। জাপানের দুটি প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পে আগ্রহ দেখাচ্ছে। গত ২০ অক্টোবর এই প্যাকেজের দরপত্র উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো করা যায়নি। প্রকল্প কর্মকর্তারা বলছেন, প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করতে ৬০১ কোটি টাকা খরচ করতে হবে। গত সেপ্টেম্বরে এই প্যাকেজের দরপত্র উন্মুক্ত করার কথা থাকলেও তা করা যায়নি।
রোলিং স্টক আর ডিপোর নানা যন্ত্রাংশ কেনাকাটার পর্ব সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে প্যাকেজ-১২-এর আওতায়। ডিপিপিতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৫৯০ টাকা। তবে এখন এই প্যাকেজে ৭ হাজার ৮৬ কোটি টাকা লাগতে পারে। গত অক্টোবরে এই প্যাকেজের দরপত্র উন্মুক্ত করার কথা থাকলেও তা করা যায়নি।
জাপানের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ
পাতাল পথে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ থমকে থাকায় উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকার জাপানি দূতাবাস। জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি স্বাক্ষরিত চিঠিতে সরকারের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ‘এভাবে স্থবিরতা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।’
ঠিকাদাররা যখন প্রাক্কলিত মূল্য থেকে বেশি দর হাঁকছেন, ডিএমটিসিএল জাইকার ঋণের শর্ত পুনর্বিবেচনা করছে।
শর্ত অনুযায়ী ডিএমটিসিএলকে যেকোনো প্যাকেজের ঠিকাদার নিয়োগ বা বাতিলের জন্য জাইকার পরামর্শ নিতে হয়। এই শর্তের কারণে জাইকা মনোনীত ঠিকাদারদের ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মেট্রোরেলের কাজ পাওয়া সম্ভব হবে না। এতে প্রতিযোগিতার বাজার সীমিত হয়ে যাওয়ায় ডিএমটিসিএল দর-কষাকষি করতে পারে না। তাই বিকল্প পথ ভাবতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের।
ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানিয়েছেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়ন কিংবা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে চীনের অর্থায়নের বিষয়েও আলোচনা করছেন তারা।
এ প্রক্রিয়ায় জাইকা কর্মকর্তারা নাখোশ। খবরের কাগজের পক্ষ থেকে জাইকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
চুক্তি বাতিল সমাধান নয়: অধ্যাপক হাদিউজ্জামান
প্যাকেজের চুক্তি বাতিল চেয়ে জাইকাকে পাঠানো চিঠি কোনো সমাধান বয়ে আনবে না বলে মনে করেন গণপরিবহন খাত বিশেষজ্ঞ এবং বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘দর-কষাকষি যেকোনো প্রকল্পেই হয়ে থাকে। এখন পরিস্থিতি বিবেচনায় ডিএমটিসিএল যদি দর কমাতে চায় তাহলে ঠিকাদারি প্যাকেজের আইটেম ধরে ধরে দর বিশ্লেষণ করতে পারে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাজারমূল্যের চেয়ে কোনো আইটেমের দাম বাড়িয়ে বললে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো আইটেমের ইউনিট প্রাইস নিয়ে দর-কষাকষি করা যেতে পারে।’
জাইকা নিযুক্ত ঠিকাদারদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল হলে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।