ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করলেন সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী তুমি এলে বসন্তে একটা শুক্রবারের দিবাভাগ তোমাকে দেখার স্বাদ মিটবে না লাবণ্য ধরে রাখো কীভাবে? খুব বেশি কিছু না দায়বদ্ধ রেফারিদের মাথায় কী? হৃদয়ের ভাঙা নীলিমা সময় একটি সাধনাযোগ্য শিল্প জুলাইয়ের পর ভারত-ইসরায়েল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভটভটি উল্টে প্রাণ গেল চালকের মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা কুষ্টিয়ার সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা সাতচল্লিশের অস্বাভাবিকতার মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করেছি শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ কিশোর গ্রেপ্তার প্রাচ্য-প্রতিচ্যের দ্বন্দ্ব ও সমকালীন চিন্তার বহুমাত্রিক পাঠ ১৭ বছর পর বিএনপি সরকারের বাজেট, সোনারগাঁয় আনন্দ মিছিল কারাগারে স্ত্রীকে গাঁজা পৌঁছে দিতে গিয়ে স্বামী আটক চুয়াডাঙ্গায় অপারেশনের মাঝপথে চলে যান চিকিৎসক সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানার মালিকের কারাদণ্ড মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে কোরিয়ার চেকমেট টেকনাফ সীমান্তে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক টিভিতে আজকের খেলা সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০ দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় উদ্যোক্তাদের ছাড় আধুনিক বাজেট বনাম ইসলামের বায়তুল মাল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ থেকে জিদানের ঢুস
Nagad desktop

চীনের সামরিক সক্ষমতা কতটুকু? জানুন বিস্তারিত

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৫, ১১:২২ এএম
আপডেট: ০৪ মে ২০২৫, ১১:৫২ এএম
চীনের সামরিক সক্ষমতা কতটুকু? জানুন বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত

সমসাময়িক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশগুলোর তালিকায় নজর দিলে একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায় তা হলো, প্রায় প্রত্যেকটি দেশেরই সামরিক শক্তি অভাবনীয়। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে অথবা কথিত সেই দুঃস্বপ্নের মাঝে দাঁড়িয়ে দেখতে পাওয়া যায়, বিশ্ব মোড়লরা কীভাবে তাদের সামরিক শক্তির ঝুলি দিন দিন আরও ভারী করছে। তৃতীয় বিশ্বের প্রায় অদৃশ্য এক কোণে বসে বৃহত্তর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের দিকে কিছুটা অর্থপূর্ণ দৃষ্টি রাখার প্রচেষ্টাই ‘সামরিক শক্তির আদ্যোপান্ত’ সিরিজ। এই লেখা সামরিক খাতে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি চীনকে নিয়ে।

ব্যাপক বিবর্তনের পর চীনের সামরিক শক্তির বর্তমান অবস্থান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সমীহ অর্জন করে নিয়েছে। আধুনিকায়নের প্রতি দায়বদ্ধতা ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার কারণে দেশটির সামরিক বাহিনী এখন বেশ শক্তিশালী।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
চীনের সেনাবাহিনীর গোড়াপত্তন হয় ১৯২৭ সালে সংঘটিত চীনা গৃহযুদ্ধের সময় পিপলস্ লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) গঠনের মাধ্যমে। এই দল শুরুতে গেরিলা যুদ্ধ করলেও পরে ১৯৪৯ সালে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির অধীনে গতানুগতিক সামরিক বাহিনী হিসেবে পুনর্গঠিত হয়। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত সংঘটিত কোরীয় যুদ্ধে এই সামরিক বাহিনী আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে সমর্থ হয়। এর পর কয়েক দশক দেশটির পারমাণবিক বোমা তৈরিতে মনোনিবেশ করে। ১৯৬৪ সালে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক বোমা ও ১৯৬৭ সালে হাইড্রোজেন বোমার সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। ১৯৭৮ সালের পর থেকে প্রযুক্তির অভাবনীয় আধুনিকায়নের কারণে দেশটির সামরিক খাতে ব্যাপক রদবদল ঘটে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে চীনের বর্তমান সামরিক বাহিনী বিশ্বের যেকোনো দেশকে টেক্কা দিতে সক্ষম।

আধুনিক সামরিক সক্ষমতা
চীনের সামরিক খাতে আধুনিকায়নের ছোঁয়া বিভিন্ন ক্ষেত্রেই লেগেছে। সেনার সংখ্যা বাড়ানো থেকে শুরু করে, নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো, বিমান খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক খাতে চীনের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়।

দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ সামরিক সদস্য সরাসরি কর্মরত। সংকটাপন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাখা হয়েছে আরও ৫ লাখ সদস্য। এ ছাড়া আধাসামরিক বাহিনীগুলোতে প্রায় ১৫ লাখ সদস্য রয়েছেন।

সেনাবাহিনী
চীনের সেনাবাহিনী অতীতে জনবলনির্ভর হলেও, বর্তমানে তারা সামরিক খাতে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনের বিষয়ে বেশি নজর দিয়েছে। সেনাবাহিনীর রয়েছে প্রায় সাত হাজার ট্যাঙ্ক। এর মধ্যে আধুনিক টাইপ ৯৯-এ ও টাইপ ৯৬ ট্যাঙ্ক বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে। এ ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকারিতা নিশ্চিতে জেবিডি-০৪এ’র মতো শক্তশালী সাজোয়াঁ যান রয়েছে তাদের। এমনকি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে হতাহতের সংখ্যা কমাতে চালকবিহীন ড্রোন প্রযুক্তির সফল ব্যবহার করছে চীনের সেনাবাহিনী। এ ছাড়া আক্রমণ মোকাবিলায় অস্ত্রের আধুনিকায়ন ও যুদ্ধে দ্রুত অবতরণের উদ্দশে আরও আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টায় রয়েছে চীনা সেনাবাহিনী।

নৌবাহিনী
জাহাজের সংখ্যা বিবেচনায় চীনের নৌবাহিনী বিশ্বে সর্ববৃহৎ। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকেও হার মানিয়েছে চীন। লিয়াওনিং, শানডং ও ফুজিয়ানের মতো এয়ারক্রাফটের পাশাপাশি তাদের রয়েছে বেশকিছু শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ।

চীনের টাইপ-০৫৫ জাহাজকে যুক্তরাষ্ট্রের এইজিস যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে তুলনা করেন অনেকে। এ ছাড়া টাইপ-০৫৪এ জাহাজের মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের নাভিশ্বাস উঠাতে প্রস্তুত চীনের নৌবাহিনী।

এদিকে চীনের নৌবহরে ৭০টি শক্তিশালী সাবমেরিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি আবার পারমাণবিক ক্ষমতাসম্পন্ন। এই জাহাজগুলো ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিপক্ষ জাহাজকে নিমিষেই গুঁড়িয়ে দিতে পারে।

এ ছাড়া টাইপ-০৯৪ সংস্করণের জাহাজটিও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে বেশ কার্যকর।

বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের প্রভাব বাড়াতে নির্দিষ্ট সমুদ্রাঞ্চলের বাইরেও ক্ষমতার প্রতিফলন দেখাতে চায় প্রায় সব দেশ। এই বাস্তবতা হজম করে নিলে চীনের নৌ-খাতকে বেশ সফলই বলতে হয়।

বিমানবাহিনী
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বিমানবহরের অধিকারী চীনের বিমানবাহিনী। বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখে দেশটি তাদের বিমানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও দূরপাল্লার আক্রমণের সক্ষমতা সংস্থাপনের বেশি নজর দিচ্ছে। বর্তমানে চীনের বিমানবহরে রয়েছে জে-২০ মাইটি ড্রাগনের মতো শক্তিশালী যুদ্ধবিমান। যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় এফ-২২ ও এফ-৩৫ বিমানের সঙ্গে টেক্কা দিতে সক্ষম চীনা প্রযুক্তির এই আকাশযান। এ ছাড়া জে-১৬ ও যে-৩৫ সংস্করণের বিমানগুলোও যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। 

বোমা নিক্ষেপের জন্য চীনের রয়েছে বিশেষায়িত বিমান। এর মধ্যে বহুল প্রচলিত এইচ-৬কে সংস্করণের বিমানটি রুশ টু-১৬ বিমানের মডেল থেকে অনুপ্রাণিত।

এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে থেকে সামরিক সদস্যদের উদ্ধারের জন্য বেশকিছু বিমানের পাশাপাশি আধিনিক এআই যুদ্ধেও এগিয়ে আছে চীন। এর মধ্যে উইং লুং ও সিএইচ সিরিজের বিমানগুলো উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, নজরদারির মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে থাকতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সোয়ার্ম ড্রোন ব্যবহার করছে চীনা বিমানবাহিনী। এমনকি বিমান মাটিতে অবতরণ না করিয়েই জ্বালানি ভরার প্রযুক্তি উদ্ভাবনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে দেশটি।

চীনের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা
চীনের ক্ষেপণাস্ত্রের বহর বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী। ডিএফ-৪১’র মতো আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল থাকায় ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রেও আঘাত হানতে সক্ষম চীন। এ ছাড়া ডিএফ-৩১এ’র মতো মধ্যমপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আক্রমণ করতে পারে চীন।

এ ছাড়া ডিএফ-১৭ সংস্করণের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে অতর্কিত আক্রমণের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সক্ষম চীন।
দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রের বহরে সংঘটিত সাম্প্রতিক আধুনিকায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নজরে অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে নিজেদের স্থাপন করেছে চীন।  

পারমাণবিক সক্ষমতা
চীনের পারমাণবিক খাত খুব দ্রুত এগোচ্ছে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ৬০০ পারমাণবিক বোমা রয়েছে বলে জানা গেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা হাজারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে বোমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘কঠোর ধৈর্যের’ বিষয়টি মেনে চলে চীন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ ব্যতীত স্বপ্রণোদিত হয়ে বোমা নিক্ষেপের বিপক্ষে বেইজিংয়ের পারমাণবিক নীতি। তবে পারমাণবিক খাতে চীনের অত্যধিক নির্ভরতা বিশ্বের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে পরিবর্তিত ভূরাজনোইতিক প্রেক্ষাপটে নিজেদের বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে প্রতিপন্ন করতে মরিয়া চীন। যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে বিশ্বজুড়ে বেইজিংয়ের আধিপত্য আদৌ কখনো বাস্তবায়ন হবে কি না, হলেও তা নব্য সাম্রাজ্যবাদের পথ এড়িয়ে শান্তির দিকে আগাতে পারবে কি না, এ নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মনে।

সূত্র: গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইন্ডেক্স, চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সিএনএন, হাডসন অর্গানাইজেশন, রয়টার্স, আর্মি ইউ প্রেস

অমিয়/

বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ
প্রতীকী ছবি

ডেটে গিয়ে এক তরুণীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাওয়ানোর পর সেই খরচ ‘উসুল’ করার জন্য যৌন সুবিধা চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ভারতের গুরুগ্রামের বাসিন্দা হিমাংশু জাংরা। 

একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শোতে দেওয়া তার সেই মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর চাকরি হারাতে হয়েছে তাকে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিমাংশু কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরের একটি অনুষ্ঠানে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শো চলাকালে প্রণীতের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি নিজের একটি ডেটের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

হিমাংশুর দাবি, তিনি এক তরুণীকে নিয়ে ডেটে গিয়েছিলেন এবং দুজনে প্রায় ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খেয়েছিলেন। রাতের খাবারের পর ওই তরুণী যখন তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন, তখন তিনি নাকি বলেন যে খাবারের জন্য খরচ হওয়া ৩৭০ টাকা ‘উসুল’ করতে চান।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি বললাম, যে ৩৭০ টাকা খরচ হয়েছে, সেটা তো উসুল করবই।’

এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন হিমাংশু। অনেকেই তার মন্তব্যকে নারীর প্রতি অসম্মানজনক ও আপত্তিকর বলে আখ্যা দেন।

জানা গেছে, হিমাংশু ‘স্টারভিক ডিজাইন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

হিমাংশুর বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দেখে অনেকেই বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একাংশ তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান।

এ ঘটনার পর স্টারভিক ডিজাইনের প্রতিষ্ঠাতা বিবেক বিশ্বকর্মা একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা হিমাংশুকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছি। ভুলের পরিণতি ভোগ করতেই হয়। তবে আমরা আশা করি, এই ধরনের ঘটনা আত্মসমালোচনা, শিক্ষা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করবে। পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

অন্যদিকে, হিমাংশু তার মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছেন।

ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরও। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অমিয়/

ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’
ইংজি। ছবি: সংগৃহীত

চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তার ভিন্ন ফ্যাশন সচেতনতা, তারুণ্যদীপ্ত মনোভাব এবং দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

সাদা চুল এবং চমৎকার শারীরিক গঠনের অধিকারী এই প্রবীণ নারীর নাম ইংজি (Yingzi)। নেটিজেনরা তাকে ভালোবেসে 'তরুণী দাদী' (গার্লিস গ্রেন্ডমা) বলে ডাকছেন।

হাই হিল পরে শহরের রাস্তায় তার নাচ ও ক্যাটওয়াকের ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় ২০ লাখ ফলোয়ার অর্জন করেছে এবং এগুলোর ভিউ ১০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

ইংজি জানান, তার চিরসবুজ অবয়বের মূল রহস্য হলো নিজের স্টাইল ধরে রাখা। তিনি তরুণদের পছন্দের রঙচঙে পোশাক থেকে শুরু করে পপ, পাংক এবং গার্ল-গ্রুপ ফ্যাশনের পোশাকও দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরেন।

শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে তিনি প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টা যোগব্যায়াম করেন এবং বিকেল ৫টার পর আর কোনো খাবার খান না।

আশির দশকে স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে জাপানে থাকার সময় তিনি একটি রেস্তোরাঁ চালাতেন, যেখানে তার সৌন্দর্যের কারণে একটি সুপরিচিত জাপানি ম্যাগাজিনেও তার ছবি ছাপা হয়েছিল।

পরবর্তীতে চীনে ফিরে 'রিয়েল এস্টেট' ব্যবসায় সফল হয়ে তিনি নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেন এবং দাতব্য সংস্থায় লাখ লাখ ইউয়ান দান করেন।

৭০ বছর বয়সে তিনি প্রবীণ নারীদের একটি ফ্যাশন গ্রুপে যোগ দেন। এই গ্রুপটি নারীদের মনে সাহস জোগাতে, বয়সকে জয় করার পরামর্শ দিতে এবং পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করে।

সম্প্রতি তিনি সাংহাই ডিজনিল্যান্ডের একটি ফ্যাশন শোতে হেঁটে তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন।

ইংজির মতে, বয়স কোনো বাধা নয়, বরং একটি সম্পদ। তিনি ১২০ বছর বয়স পর্যন্ত এভাবেই সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তার এই ভিন্ন ধারার জীবনযাত্রা প্রবীণদের নিয়ে প্রচলিত সমাজিক ধারণা ভেঙে নতুন প্রজন্মকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

আজহার/অমিয়/

পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
ছবি: এআই

চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরীক্ষা ‘গাওকাও’ সামনে রেখে বহু শিক্ষার্থী হাসপাতালমুখী হচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, অক্সিজেন থেরাপি মস্তিষ্ককে ‘পুনরুজ্জীবিত’ করে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং পরীক্ষাজনিত উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে।

গাওকাও হলো চীনের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা, যা প্রতি বছর ৬ থেকে ৮ জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। 

দেশটিতে এই পরীক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়, কারণ এর ফলাফলই মূলত নির্ধারণ করে দেয় একজন শিক্ষার্থী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কোন বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গাওকাও পরীক্ষার্থীদের জন্য অক্সিজেন থেরাপির উপকারিতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। এসব পোস্টে দাবি করা হয়, এই থেরাপি ঘুমের মান উন্নত করে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সাধারণত হাসপাতালের হাইপারবারিক অক্সিজেন চেম্বারে পরিচালিত এই চিকিৎসা পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

পূর্ব চীনের জিয়াংসি প্রদেশের ইয়ংফেং কাউন্টি পিপলস হাসপাতাল গত ২৩ মে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে এই সেবা চালু করে। হাসপাতালটির তথ্য অনুযায়ী, চালুর এক সপ্তাহের মধ্যেই ৩০ জনের বেশি শিক্ষার্থী এই সেবা নিয়েছেন।

৯০ মিনিটের একটি সেশনের জন্য খরচ পড়ে ৯৬ ইউয়ান (প্রায় ১৫ মার্কিন ডলার)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, সেবাটির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ তাদেরও বিস্মিত করেছে।

হাসপাতালের হাইপারবারিক চেম্বার মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক দাই ফানবিং বলেন, উচ্চ ঘনত্বের অক্সিজেন গ্রহণের ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে, যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার বা মেরামতে সহায়তা করতে পারে। সাধারণত রক্ত সঞ্চালন বা অক্সিজেনের ঘাটতিজনিত রোগের চিকিৎসায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু শহরের হুয়াক্সি নং-৪ হাসপাতালও কয়েক বছর ধরে গাওকাও পরীক্ষার্থীদের জন্য এই সেবা দিয়ে আসছে।

এক শিক্ষার্থী জানায়, অক্সিজেন থেরাপি নেওয়ার পর তার ঘুম ভালো হচ্ছে এবং দিনের বেলায় মনোযোগও বেড়েছে।

এক অভিভাবক বলেন, তার সন্তান চার বার এই থেরাপি নিয়েছে এবং এর ফলাফলে সন্তুষ্ট।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যবহারকারী হাইপারবারিক চেম্বারে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে লিখেছেন, ‘চেম্বারের ভেতর ছিল একদম শান্ত। শুধু নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পর ঘুমিয়ে পড়ি। বের হওয়ার পর মনে হয়েছে, যেন আমার মস্তিষ্ক নতুন করে চালু হয়েছে এবং চিন্তাভাবনা আরও পরিষ্কার হয়েছে।’

তবে চিকিৎসক দাই ফানবিং সতর্ক করে বলেছেন, হাইপারবারিক অক্সিজেন থেরাপি সবার জন্য উপযোগী নয় এবং এটি গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তিনি জানান, এমফাইসিমা, টিম্পানাইটিস এবং গুরুতর উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই থেরাপি উপযুক্ত নয়।

দাই আরও বলেন, ‘এই প্রবণতার বিষয়ে আমি সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করি। অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক গাওকাও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অক্সিজেন থেরাপিকে এক ধরনের জাদুকরী সমাধান হিসেবে দেখছেন, যা বাস্তবসম্মত নয়।’

জিয়াংসি প্রদেশের মনোবিজ্ঞানী উ পেইশুয়ে বলেন, পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য আরও সহজ ও বৈজ্ঞানিক উপায় রয়েছে। এর মধ্যে পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, রোদে সময় কাটানো এবং ব্যক্তিগত শখ চর্চা উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, ‘গাওকাও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে তথাকথিত অলৌকিক সমাধানের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস না রাখাই ভালো। এসব বিষয় অনেক সময় কেবল প্ল্যাসিবো প্রভাব সৃষ্টি করে। বাহ্যিক উপায়ের ওপর নির্ভর না করে নিজের দৈনন্দিন জীবনযাপন ও অভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা অধিক কার্যকর।’ সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

অমিয়/

এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য
ছবি: প্রতীকী

বিখ্যাত ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গিলিয়াড সায়েন্সেস এবং মের্ক-এর তৈরি এইচআইভির নতুন ওষুধ তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে।

এই চিকিৎসাপদ্ধতির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো- এটি প্রতিদিন সেবন করতে হবে না; সপ্তাহে মাত্র এক বার খেলেই চলবে।

ওষুধটি কীভাবে কাজ করে?

নতুন ট্যাবলেটটিতে মের্কের তৈরি আইসল্যাট্রাভির এবং গিলিয়াডের তৈরি লেনাক্যাপাভিরের উপাদানকে সমন্বয় রয়েছে। এটি এইচআইভি ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির বিভিন্ন ধাপকে একযোগে লক্ষ্যবস্তু করে। ফলে শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘ভাইরোলজিক্যালি সাপ্রেসড’ হিসেবে পরিচিত।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, টানা ৪৮ সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে এক বার সেবনযোগ্য এই ট্যাবলেট রোগীদের শরীরে এইচআইভি ভাইরাসকে সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। বর্তমানে বাজারে থাকা প্রতিদিন সেবনযোগ্য জনপ্রিয় ওষুধগুলো শরীরকে যতটুকু সুরক্ষা দেয়, সপ্তাহে মাত্র একটি ট্যাবলেটও ঠিক ততটুকুই কার্যকর ও শক্তিশালী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতিদিন নিয়ম করে ওষুধ সেবন করতে হয়। অনেক সময় ওষুধ খাওয়ার কথা ভুলে যাওয়া বা প্রতিদিন ওষুধ সেবনের কারণে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

গিলিয়াড সায়েন্সেসের কর্মকর্তা ড. জ্যারেড বেটেন বলেন, সপ্তাহে মাত্র এক বার ওষুধ সেবনের এই সুবিধা এইচআইভি আক্রান্ত মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এটি তাদের জীবনযাত্রায় আরও বেশি স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

ওষুধটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ট্রায়ালের সব তথ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। অনুমোদন পেলে এটিই হবে এইচআইভি চিকিৎসায় বিশ্বের প্রথম সপ্তাহে এক বার সেবনযোগ্য ওষুধ। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:০১ পিএম
ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ
প্রতীকী ছবি

নতুন পরীক্ষামূলক ওজন কমানোর ওষুধ ‘রেটাট্রুটাইড’ এখনও যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়নি। নিয়ম অনুযায়ী, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে এটি বিক্রি করা অবৈধ। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের অনেক লাইসেন্সপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও ক্লিনিক আইন অমান্য করেই রোগীদের এই ওষুধ দিতে শুরু করেন।

রেটাট্রুটাইড এলি লিলি কোম্পানির তৈরি একটি ওষুধ। ট্রায়ালে দেখা গেছে, এটি ওজেম্পিক বা মাউঞ্জারোর চেয়েও দ্রুত এবং বেশি (প্রায় ২৮ শতাংশ) ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সমস্যা হলো, এফডিএ এখনও যাচাই করে দেখেনি যে, ওষুধটি মানবদেহের জন্য কতটা নিরাপদ ও কার্যকর। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক প্ল্যাটফর্মে এই ওষুধের ফলাফল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষকে এটি ব্যবহারে উৎসাহিত করছে।

চিকিৎসকদের মতে, ওষুধটি অনুমোদন পাবেই। তাই রোগীদের দ্রুত উপকার করার উদ্দেশ্যে তারা এখনই এটির পরামর্শ দিচ্ছেন।

অনেক ওষুধের দোকান ও ক্লিনিক এটিকে ‘গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য’ বলে লেবেল লাগিয়ে বিক্রি করছে, যাতে আইন এড়িয়ে যাওয়া যায়। সঠিক নিয়ম ও তদারকি ছাড়া ইন্টারনেট বা অননুমোদিত ক্লিনিক থেকে এই ওষুধ কিনে ব্যবহার করায় মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বিষক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে এই ওষুধ-সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। 

ভুক্তভোগীদের মধ্যে অনেকেই মারাত্মক বমি, তীব্র ডায়রিয়া, পেটে শক্ত চাকা তৈরি হওয়া এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা নিয়ে জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন।

এফডিএ এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মেডিকেল বোর্ড ইতোমধ্যে এই অবৈধ বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এলি লিলি জানায়, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে এই ওষুধ বিক্রি করা বেআইনি। সূত্র: সিবিএস নিউজ

তামান্না রুপা/অমিয়/