ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জেন্ডার বাজেট বাড়লেও নারীর নিরাপত্তা-ক্ষমতায়ন নিয়ে প্রশ্ন অধিকারকর্মীদের সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল, সংসদে নোটিশ উত্থাপন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও দুর্নীতির মূলোৎপাটন অপরিহার্য: সংস্কৃতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু আসন্ন আলিম পরীক্ষা নিয়ে মাদরাসা বোর্ডের নির্দেশনা নওগাঁয় চীনা পর্যটককে হেনস্তার অভিযোগে টিকটকার গ্রেপ্তার কুমিল্লা বোর্ডের ৮ কলেজে নেই এইচএসসি পরীক্ষার্থী! Two Friends and a Bear বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ১ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র বিরোধীদলীয় নেতার ১০ কেজি উপহার, পেলেন এমপি থেকে পিয়ন সবাই আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফেনীতে বিশ্ব ক্লাবফুট দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও সচেতনতামূলক সভা দেম্বেলে রহস্য! ঘানাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুঙ্কার রাশফোর্ডের নাটোরে এক গ্রামেই ৪ শতাধিক ঘরজামাই! ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু নয়নের খাল খননে নয়ন কি জুড়াবে এবার? বিশ্বকাপে মিশরকে প্রথম ম্যাচ জয় উপহার দিয়ে উচ্ছ্বসিত সালাহ ঘরছাড়া মানুষের বাস্তবতা ও বৈশ্বিক দায়িত্ব আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে ভাইরাল ভেড়া অপরাধ নির্মূলে কার্যকর ভূমিকার বিকল্প নেই চুয়েট হলে চলন্ত ফ্যান ছিঁড়ে পড়ায় আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা ‘মাথা উঁচু করে বিদায় নিচ্ছি’- ড্রেসিংরুমে ইরানের বার্তা যার শেষ পরিণতি হবে জাহান্নাম চকরিয়ায় সৌদিয়া বাস উল্টে আহত ৭ আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হবে ঈশ্বরগঞ্জে কৃষকদের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে আগুন অসংক্রামক রোগের আগ্রাসন মোকাবিলায় ৩৫ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ

দক্ষিণ এশিয়ায় ঘন ঘন ভূমিকম্প হয় যেসব কারণে

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২৯ পিএম
আপডেট: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৩৩ পিএম
দক্ষিণ এশিয়ায় ঘন ঘন ভূমিকম্প হয় যেসব কারণে
ছবি: সংগৃহীত

এক দশক আগে ২০১৫ সালের নেপালে ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ২০২৫ সালের মার্চে মায়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে তিন হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। এই অঞ্চলে শুধু গত এক দশকে বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী ভূমিকম্প হয়েছে, যাতে প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমানও কম নয়। কিন্তু এমনটা কেন হয়? দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলাে কি ভূমিকম্পপ্রবণ?

এর উত্তর লুকিয়ে আছে এই অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠের অনেক অনেক গভীরে - যেখানে রয়েছে জটিল টেকটোনিক প্লেটের বিন্যাস। এই প্লেটগুলো ক্রমাগত সরতে থাকায় বারবার ভূমিকম্প হয়।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বহু টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। যেমন, ভারতীয় প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট, ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট, সুন্দা প্লেট, বার্মিজ প্লেট এবং প্যাসিফিক প্লেট।

ভারতীয় প্লেট প্রতি বছর প্রায় পাঁচ সেন্টিমিটার করে উত্তর দিকে সরছে এবং ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। এমন সংঘর্ষ থেকেই যেমন একসময় হিমালয় পর্বতমালার সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি এখন প্রচণ্ড ভূ-ভৌগোলিক চাপ সৃষ্টি করছে এবং প্রাচীন ফল্ট লাইনগুলোকে পুনরায় সক্রিয় করে তুলছে।

দক্ষিণ এশিয়ার ভৌগোলিক রূপ বেশ জটিল। এখানে আছে উঁচু উঁচু পাহাড় ও গভীর উপত্যকা, সেইসঙ্গে আছে নরম পলি বা বালুকাময় মাটি, বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশে। এই ভৌগলিক রূপ ভূমিকম্পের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেয়।

এ অঞ্চলে টেকটোনিক প্লেটগুলোর অবস্থানও অগভীর ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে, যা আরেও বেশি ধ্বংসাত্মক। কারণ এতে বিস্তৃত এলাকার পৃষ্ঠ তীব্রভাবে কেঁপে ওঠে। এছাড়া এই অঞ্চলের বেশিরভাগ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা ঘনবসতি হওয়ায় হতাহতের সংখ্যাও বেশি হয়।

কাবুল, ইসলামাবাদ, দিল্লি, কাঠমান্ডু এবং ঢাকার মতো বড় শহরগুলোর অবস্থান মূল ফল্ট সিস্টেমের কাছাকাছি হওয়ায় এখানকার কোটি কোটি মানুষ ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। দ্রুত নগরায়ন এবং নিরাপত্তা মানদণ্ড না মেনে করা নির্মাণকাজও এ অঞ্চলের ভবন ও স্থাপনাগুলোকে বিপজ্জনক করে তুলেছে।

উদাহরণস্বরূপ, আফগানিস্তানের গ্রামীণ অঞ্চলের অধিকাংশ বাড়ি কেবল মাটি ও পাথরের তৈরি, ফলে মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্পেও বহু মানুষ হতাহত হয়।

ভারতে বেশ কয়েকটি সক্রিয় ফল্ট সিস্টেম রয়েছে এবং সেখানে ইন্ট্রাপ্লেট ভূমিকম্প অর্থাৎ একটি টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে যে ভূমিকম্প হয়, তাও অনুভূত হয়েছে, যা অনেক সময় প্রাচীন ফল্ট লাইনের পুনরায় সক্রিয় হওয়ার কারণে ঘটে।

বাংলাদেশও একাধিক ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত, যেমন ডাউকি ফল্ট, সিলেট ফল্ট এবং চেরদাং ফল্ট, যেগুলো সাম্প্রতিক সময়ে সক্রিয় হয়েছে এবং ভূমিকম্প দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় নদী ডেল্টা, সুন্দরবন ডেল্টা বাংলাদেশের বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগের ক্ষেত্রে সংবেদনশীল করে তুলেছে।

পাকিস্তানেও বেশ কিছু প্রধান ফল্ট লাইন রয়েছে, যেমন চামান ফল্ট এবং মেইন ম্যান্টল থ্রাস্ট বিশেষভাবে সক্রিয়। খাইবার পাখতুনখাওয়া, গিলগিত-বালতিস্তান এবং বেলুচিস্তানে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গভীর এবং অগভীর - উভয় ধরনের ভূমিকম্প হয়েছে।

তবে, ২০০৫ সালে কাশ্মীরে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পটি এ অঞ্চলের সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল, যেখানে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায়।

তবে, দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে নেপালে। কারণ দেশটি সরাসরি ভারতীয় প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্ষসীমার উপর অবস্থিত এবং এখানে বড় বড় ফল্ট সিস্টেম রয়েছে। এখানকার পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ভূমিধস এবং হিমবাহ হ্রদ উপচে বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

মানুষ ও পরিবেশগত কারণ, সেইসঙ্গে এ অঞ্চলের অনন্য ভূতাত্ত্বিক গঠন মিলিয়ে ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ায় তীব্র ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে, যেখানে ধ্বংসযজ্ঞ ভয়াবহ হতে পারে। 

শত শত বছর ধরে জমে থাকা টেকটোনিক চাপ বড় এবং আরও শক্তিশালী ভূমিকম্পের সৃষ্টি করতে পারে। যদিও প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার অঞ্চলের দেশগুলোতে ভূমিকম্প বেশি হয় এবং সেগুলো শক্তিশালী মাত্রার হয়। তবুও হিমালয় অঞ্চল শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সঞ্চিত প্রচণ্ড টেকটোনিক চাপের কারণে সবচেয়ে বিপজ্জনক ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের একটি।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে - নেপাল, ভারত, ভুটান এবং পাকিস্তান জুড়ে বিস্তৃত হিমালয় অঞ্চলে ৮ বা তার বেশি মাত্রার বড় ‘হিমালায়ান ভূমিকম্প’ হতে পারে। - বিবিসি বাংলা

অমিয়/

আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে ভাইরাল ভেড়া

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে ভাইরাল ভেড়া
ছবি: ভিডিও থেকে

ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে বিশ্বের নানা প্রান্তে উন্মাদনার শেষ নেই। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সমর্থকদের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমী অন্যান্য দেশেও বিশ্বকাপ ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দেশের বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন মাত্রা পায়।

বিশ্বকাপের আবহে নানা ধরনের সৃজনশীল আয়োজন ও সাজসজ্জা দেখা যায়। তবে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এক ভেড়ার অভিনব সাজ, যা নজর কেড়েছে অসংখ্য ফুটবলপ্রেমীর।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার পতাকা গায়ে জড়িয়ে এক তরুণ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তার পিছু পিছু চলছে একটি ভেড়া। তবে সেটি সাধারণ ভেড়া নয়- ভেড়াটির সাদা পশমে আকাশি রঙের ডোরা কেটে আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার আদলে সাজানো হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ভেড়াটি তরুণের পেছন পেছন স্বচ্ছন্দে হেঁটে যাচ্ছে। তার আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, নতুন সাজে সে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রাণবন্ত।

‘ইয়াসির’ নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। প্রকাশের পরপরই সেটি ব্যাপক সাড়া ফেলে।

ভাইরাল ভিডিওতে জেলেনস্কি-মেলোনি, ব্যাখ্যায় সরব নেটদুনিয়া

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
ভাইরাল ভিডিওতে জেলেনস্কি-মেলোনি, ব্যাখ্যায় সরব নেটদুনিয়া
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি

জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন ঘিরে বিশ্বনেতাদের কূটনৈতিক বৈঠক ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পাশাপাশি তাদের পারস্পরিক আচরণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্তও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি পরস্পরকে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের ব্যাখ্যা ও মন্তব্য দেখা গেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ইউরোপীয় কূটনৈতিক ও সামাজিক রীতির অংশ হিসেবে জেলেনস্কি মেলোনির গালে চুমু খেয়ে তাকে অভিবাদন জানানোর জন্য এগিয়ে আসেন।  কিন্তু ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে কিছুটা অস্বস্তির সঙ্গে তা এড়িয়ে যেতে দেখা যায়।

তবে মুহূর্তটি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। কেউ কেউ এটিকে ‘অস্বস্তিকর মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করলেও সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

এর আগে সম্মেলনের ফাঁকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও জেলেনস্কির একটি সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতার ভিডিওও অনলাইনে আলোচনার জন্ম দেয়। ভিডিওটিতে ম্যাক্রোঁকে কথোপকথন শেষে দ্রুত অন্যত্র চলে যেতে দেখা যায়। যদিও ঘটনাটিকে ঘিরে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হলেও ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট কোনো সূত্র থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধানদের সংক্ষিপ্ত অঙ্গভঙ্গি বা অভিবাদনের দৃশ্য প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং সেগুলো নিয়ে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসে। তবে ভিডিও ক্লিপের সীমিত অংশ দেখে কূটনৈতিক সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সবসময় যথাযথ নাও হতে পারে।

মেলোনিকে নিয়ে এ ধরনের চর্চা এবারই প্রথম নয়। এর আগে প্যারিসের এক সম্মেলনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁও ইউরোপীয় ঐতিহ্য মেনে মেলোনির গালে চুম্বন করে তাকে অভিবাদন জানাতে গিয়েছিলেন। তখনও মেলোনির অস্বস্তি প্রতিক্রিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।

৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন ঘিরে তার রাশিফল গণনা করেছেন জ্যোতিষীরা। তারা জানিয়েছেন, আগামী বছরটি ট্রাম্পের জন্য চরম উত্থান-পতন, বিতর্ক এবং শারীরিক দুর্বলতায় ভরা একটি বছর হতে চলেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে পুরো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর।

জ্যোতিষী লিসা স্টারডাস্টের মতে, ট্রাম্পের এই জন্মদিনে একটি ‘নতুন চাঁদ’ বা অমাবস্যার যোগ তৈরি হচ্ছে, যা তার ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিদ্রোহ ও বিরোধিতার ইঙ্গিত দেয়।

জ্যোতিষশাস্ত্রে জন্মদিনের সময় সূর্যের অবস্থানকে ‘সোলার রিটার্ন’ বলা হয়, যা আগামী এক বছরের রূপরেখা নির্ধারণ করে।

ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এই সময়টি মোটেও সুখকর হবে না। বিশেষ করে ‘ব্ল্যাক মুন লিলিথ’-এর প্রভাবে ট্রাম্পের ক্যারিয়ারে চারপাশ থেকে প্রবল বিরোধিতার সৃষ্টি হবে এবং মানুষ তার সঙ্গে তীব্র তর্কে জড়িয়ে পড়বে।

অন্যদিকে, জ্যোতিষী সেলেস্তে ব্রুকস জানিয়েছেন, ট্রাম্পের শারীরিক শক্তি বা জীবনীশক্তি আগামী দিনে আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। জন্মদিনের আগের সময়ে চাঁদের একটি বিশেষ অবস্থান বা 'বালসামিক ফেজ'-এর কারণে তার ভেতরের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি আরও বেশি স্পষ্ট হবে।

ব্রুকস বলেন, ‘আদালতে বা বিভিন্ন জায়গায় তার ঘন ঘন ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনাতেই এই ক্লান্তির প্রমাণ মেলে।’

তবে শক্তি কমলেও সিংহ রাশির প্রভাবে তার লড়াই করার মানসিকতা বজায় থাকবে।

জবাবে আগামী আগস্ট মাসে ট্রাম্পের রাশিতে বড় ধরনের একটি ধাক্কা আসতে চলেছে। জ্যোতিষীদের গণনা অনুযায়ী, ‘আগামী ২৬ জুলাই এবং ১২ আগস্টের সূর্যগ্রহণ ট্রাম্পের জীবনে এক বিশাল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এই গ্রহণ তার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যাগুলোকে সামনে এনে দাঁড় করাবে।’

লিসা স্টারডাস্টের আশঙ্কা, ‘এই সময়ে ট্রাম্প চরম বিভ্রান্তির মধ্যে পড়তে পারেন এবং এমনকি তিনি বড় কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়তে পারেন।’

জ্যোতিষী মার্টিনের মতে, ট্রাম্পের রাশি মিথুন হওয়ায় তার স্বভাবসুলভ ‘দ্বিমুখী আচরণ’ এবং অতিরিক্ত কথা বলার প্রবণতা আগামী বছর আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

সব মিলিয়ে জ্যোতিষীদের দাবি, ৮০তম বছরটিতে ট্রাম্পের জীবনে এমন কিছু বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে, যা তাকে ও তার চারপাশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে পুরোপুরি নাড়িয়ে দেবে। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

আজহার/অমিয়/

৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক
প্রতীকী ছবি

মা-বাবার চাপে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিও কলে পরিচয় হওয়া এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন চীনের এক যুবক। কিন্তু বিয়ের মাত্র ৯ দিনের মাথায় তিনি আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন। চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ৩২ বছর বয়সী গু নামের ওই যুবক এই অদ্ভুত দাম্পত্য সংকটে পড়েছেন।

ছেলের দ্রুত বিয়ে হোক- এমন ইচ্ছা থেকেই তার বাবা-মা একটি স্থানীয় ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারের মাধ্যমে উত্তর-পশ্চিম চীনের শানজি প্রদেশের ৩০ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেন।

বিয়ের মধ্যস্থতাকারী যে প্রোফাইল দিয়েছিল, তাতে উল্লেখ ছিল যে, ওই তরুণীর কোনো ঋণ নেই, কোনো অপরাধমূলক অতীত নেই এবং কোনো গুরুতর রোগও নেই। এরপর দুজনের মধ্যে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিওকলে কথা হয়। 

সরাসরি এক বারও দেখা না করেই মাত্র তিন দিনের মধ্যে তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়।

কনের পরিবারকে দেওয়া কনেপণ এবং ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারকে দেওয়া কমিশনসহ মোট প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৮ লাখের বেশি) খরচ হয় যুবকের পরিবারের।

কিন্তু বিয়ের পর স্ত্রীর ক্রেডিট রিপোর্ট পরীক্ষা করে যুবক হতবাক হয়ে যান। তিনি জানতে পারেন, ওই তরুণীর বিপুল ঋণ রয়েছে এবং তার লিভার-সংক্রান্ত কিছু স্বাস্থ্য সমস্যাও আছে। এতে নিজেকে প্রতারিত মনে করে বিয়ের নবম দিনেই তিনি বিচ্ছেদের আবেদন করেন।

প্রথমে এতে সম্মতি দিলেও পরে মত পরিবর্তন করেন তরুণী। তিনি দাবি করেন, বিবাহবিচ্ছেদের খবর তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে এবং তিনি বিষণ্নতায় ভুগছেন। এই অভিযোগে তিনি যুবকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন এবং ৫০ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

অন্যদিকে, নিজেদের প্রতারিত করেছে বলে অভিযোগ তুলে ওই ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারের বিরুদ্ধেও আইনি লড়াই শুরু করেছেন যুবক। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:০৭ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন
ছবি: প্রতীকী (এআই)

একজন নারীর বিশেষ সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসকে উদযাপন করতেই আজ ২০ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘টল গার্ল অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা ‘লম্বা মেয়েদের প্রশংসা দিবস’। 

এই দিনটি কেবল বাহ্যিক রূপের উদযাপন নয়; এটি মূলত লম্বা মেয়েদের দৃপ্ত উপস্থিতি, ভেতরের শক্তি এবং সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার সুন্দর অনুভূতিকে সম্মান জানানোর দিন। প্রতিটি লম্বা মেয়েরই অধিকার রয়েছে নিজেকে পরিমাপের ঊর্ধ্বে গিয়ে অনন্য হিসেবে দেখার।

ভিড়ের মধ্যে আলাদাভাবে নজর কাড়া- কখনো আনন্দের, আবার কখনো বা কিছুটা অস্বস্তির। লম্বা মেয়েদের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা প্রতিদিনের। রাস্তায় চলতে গেলে মানুষের তাকিয়ে থাকা, অদ্ভুত সব প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া কিংবা সস্তা রসিকতার শিকার হওয়া তাদের জন্য নতুন কিছু নয়। কিন্তু সমস্ত অস্বস্তিকে পাশে ঠেলে নিজের উচ্চতা আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে যখন একজন নারী কোনো ঘরে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তৈরি হয় এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় আবহ।

অনেক লম্বা মেয়েই কৈশোরে বা বড় হওয়ার দিনগুলোতে নিজেদের উচ্চতা নিয়ে কিছুটা দ্বিধা বা হীনম্মন্যতায় ভোগেন। এই দিনটি সেই অস্বস্তিকে ঝেড়ে ফেলে বুক চিতিয়ে গর্ব করার সাহস জোগায়। যখন সমাজ তাদের এই অনন্যতাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে, তখন তাদের ফ্যাশন, শারীরিক ভাষা এবং আত্মবিশ্বাস এক নতুন মাত্রা পায়।

যেভাবে উদযাপন করতে পারেন এই দিনটি
খুব সাধারণ কিন্তু দারুণ কিছু উপায়ের মাধ্যমে আপনি আপনার পরিচিত লম্বা মেয়েদের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন এবং এই দিবসটিকে অর্থবহ করে তুলতে পারেন:

খোলামনে প্রশংসা করুন: আপনার পরিচিত কোনো লম্বা মেয়ের উচ্চতা বা চমৎকার ফ্যাশন সেন্সের মন খুলে প্রশংসা করুন। আপনার আন্তরিক ও সুনির্দিষ্ট প্রশংসাসূচক শব্দগুলো তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

ইতিবাচক গল্প শেয়ার করুন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লম্বা মেয়েদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প বা ছবি শেয়ার করুন। ইতিবাচক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তাদের অনন্য অভিজ্ঞতাগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরুন।

একসাথে সৃজনশীল কিছু করুন: আপনার লম্বা কোনো বান্ধবীকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যান বা কোনো খেলায় অংশ নিন। চমৎকার কোনো ফটোশুট করতে পারেন, যেখানে তাঁর উচ্চতা একটি বড় শক্তি হিসেবে ফুটে উঠবে।

ফ্যাশন ও স্টাইল নিয়ে আলোচনা: লম্বা গড়নের নারীদের জন্য মানানসই পোশাকের খোঁজখবর নিতে পারেন। কীভাবে পোশাক পরলে তারা আরও আরামদায়ক ও আত্মবিশ্বাসী বোধ করবেন, সেই স্টাইল টিপসগুলো একে অপরের সাথে শেয়ার করুন।

সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন: একদম সাধারণ মুহূর্তগুলোতেও আনন্দ খুঁজুন। যেমন—নিচু কোনো তাক থেকে কোনো জিনিস নামাতে কাউকে সাহায্য করুন, আবার উঁচু কোনো তাকের জিনিস নাগাল পেতে হাসিমুখে তাদের সাহায্য নিন (যদি উভয়ই এতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন)।

এই দিবসের ইতিহাস
কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণা বা বহুজাতিক কোম্পানির প্রচারণায় এই দিনের সৃষ্টি হয়নি। এর শুরুটা হয়েছিল ইন্টারনেটের বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ এবং ছোট ছোট ওয়েবসাইটে লম্বা মেয়েদের অধিকার ও সৌন্দর্য নিয়ে সাধারণ কিছু আলোচনার মাধ্যমে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে এই ধারণাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

লম্বা নারী এবং তাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা যখন নিজেদের জীবনের সত্য গল্প, ছবি এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করা শুরু করেন, তখন ডিজিটাল দুনিয়ায় একটি ইতিবাচক সাড়া পড়ে। ২০২০ সালের দিকে এই আন্দোলনটি আরও জোরালো রূপ নেয়। দেখা যায়, প্রতি বছরের ২০ জুন তারিখটিতে এই সংক্রান্ত পোস্ট, মিম এবং হ্যাশট্যাগের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। কোনো সরকারি স্বীকৃতি না থাকলেও, লম্বা মেয়েদের প্রতি ভালোবাসা আর সম্মান থেকেই দিনটি ‘টল গার্ল অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।

এর পেছনে আরেকটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। ১৯৩৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘টল ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল’ (Tall Clubs International) নামের একটি সংস্থা গঠিত হয়েছিল। কায়ে সামনার আইনফেল্ড নামের এক নারী নিজের উচ্চতা নিয়ে সামাজিক সংগ্রামের কথা লিখে একটি পত্রিকায় কলাম প্রকাশ করেছিলেন। সেই লেখা পড়ে আরও অনেক লম্বা মানুষ তাঁর সাথে যোগ দেন। ইন্টারনেট আসার বহু বছর আগেই এই ক্লাবটি লম্বা মানুষদের একত্রিত করতে এবং তাদের মনে আত্মবিশ্বাস জোগাতে কাজ শুরু করেছিল।

লম্বা নারীদের নিয়ে কিছু আকর্ষণীয় ও বৈজ্ঞানিক তথ্য
উচ্চতার বৈশ্বিক মানচিত্র: জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারীরা বাস করেন উত্তর ও পূর্ব ইউরোপে। নেদারল্যান্ডস, লাটভিয়া, এস্তোনিয়াসহ বাল্টিক ও বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর নারীরা গড়ে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা হয়ে থাকেন। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার নারীদের গড় উচ্চতা তুলনামূলকভাবে বেশ কম।

হৃদরোগের ঝুঁকি কম: চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক বিশাল গবেষণায় দেখা গেছে, জিনগতভাবে লম্বা মানুষের হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি সাধারণদের চেয়ে অনেকটাই কম থাকে।

নার্ভ ও রক্তনালীর সমস্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ লাখের বেশি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, লম্বা মানুষদের পায়ে ভেরিকোজ ভেইন (রক্তনালী ফুলে যাওয়া), রক্ত জমাট বাঁধা এবং পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (স্নায়ুর সমস্যা)-র মতো সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত উচ্চতার কারণে শরীরের নিচের অংশে রক্ত সঞ্চালনে বেশি চাপ পড়ার কারণে এমনটি হতে পারে।

উচ্চ আয় ও জীবন সন্তুষ্টি: অর্থনীতিবিদ ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, লম্বা ব্যক্তিরা ক্যারিয়ারে তুলনামূলকভাবে বেশি আয় করেন এবং নিজেদের জীবন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট থাকেন। গ্যালাপ-হেলথওয়েজ ওয়েল-বিয়িং ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চতার প্রতি ইঞ্চি বৃদ্ধির সঙ্গে পারিবারিক আয় ৪.৫% থেকে ৮.৫% বৃদ্ধির সমপরিমাণ মানসিক সন্তুষ্টির সংযোগ রয়েছে।

বুলিং ও বডি শেমিং: অ্যান্টি-বুলিং সংস্থাগুলোর মতে, রূপ বা শারীরিক গঠন নিয়ে যে ‘অ্যাপিয়ারেন্স-টার্গেটেড বুলিং’ বা হেনস্থা করা হয়, তার অন্যতম বড় শিকার হন লম্বা মেয়েরা। অতিরিক্ত লম্বা বা খাটো হওয়া নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা একজন কিশোরীর আত্মবিশ্বাসে মারাত্মক আঘাত হানে। তাই সমাজকে সচেতন করতে এবং বডি শেমিং রুখতে এই ধরণের দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।

তামান্না রুপা/