ঢাকা ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

এত গরমে কেন ভোট, নেপথ্যে যে রাজনীতিক

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০১:১৬ পিএম
এত গরমে কেন ভোট, নেপথ্যে যে রাজনীতিক
প্রতীকী ছবি

যেকোনো নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিনটিকে উৎসব হিসেবে মনে করে মানুষ। এ জন্য দলে দলে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তারা। রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ঝঞ্ঝা উপেক্ষা করেই তারা এ উৎসবে অংশ নেয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতও এর ব্যতিক্রম নয়। ২০০৪ সাল থেকে শুরু করে টানা পঞ্চমবার এই অসহ্য গরমের মৌসুমে ভারতীয়রা ভোট দিচ্ছে। বুথের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে ঘর্মাক্ত শরীর নিয়েও তাদের  স্বতঃস্ফূর্ত দেখা যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এত গরমে কেন এ নির্বাচন অনুষ্ঠান? এটি কি শরৎ বা শীতের মনোরম আবহাওয়াতে করা যেত না?

ভারতে আজ ১৯ এপ্রিল থেকে ১ জুন পর্যন্ত মোট সাতটি ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৮তম লোকসভা নির্বাচন। দেশটিতে তীব্র গরমের মাসগুলোতেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ ভোট উৎসব। অথচ এর আগে মাঝে দু-একটা ছাড়া গত শতাব্দী পর্যন্ত ভারতে সাধারণ নির্বাচন কিন্তু শরৎ বা শীতের মনোরম আবহাওয়াতেই হয়েছে।

কিন্তু দুই দশকের বেশি হলো গ্রীষ্মেই ভারতে লোকসভার ভোট হচ্ছে। আর এত গরমে ভোট হওয়ার পেছনে দায়ী করা হয় দেশের একজন সুপরিচিত রাজনীতিবিদকে। পেছনে তাকালে দেখা যায়, ভারতে ১৯৫১-৫২ থেকে শুরু করে ১৯৮৯ পর্যন্ত দেশের প্রথম ৯টি সাধারণ নির্বাচনই সম্পন্ন হয়েছে অক্টোবরের শেষ দিক থেকে মার্চের মাঝামাঝিতে। এই সময়কালের মধ্যে শরৎ বা শীতকাল ছিল। কিন্তু ১৯৯১ সালে তখনকার প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখর আচমকা পদত্যাগ করলে নবম লোকসভা ভেঙে দিতে হয়। সেই প্রথমবারের মতো ভারতে সাধারণ নির্বাচন হলো মে-জুন মাসের ভয়ংকর গরমে।

পাঁচ বছর পর ১৯৯৬ সালের নির্বাচনও হয়েছিল এপ্রিল-মে মাসের তাপপ্রবাহে। কিন্তু পরপর দুটি লোকসভা তাদের মেয়াদ পূর্ণ করতে না পারায় ঘটনাচক্রে আবার পরের দু-দুটি নির্বাচন হয়েছিল শরতে বা শীতকালে। ১৯৯৯ থেকে ভারতে প্রতিটি লোকসভাই তাদের মেয়াদ পূর্ণ করেছে বা করার মতো অবস্থায় ছিল। কাজেই ১৯৯৯ সালে যেভাবে অক্টোবর মাসে শরতের মনোরম আবহাওয়ায় দেশে নির্বাচন হয়েছিল, সুযোগ ছিল যে তারপর থেকে সব নির্বাচনই বছরের ওই সময়টায় হবে।

কিন্তু সাংবাদিক রাজদীপ সারদেশাই জানাচ্ছেন, দেশের একজন সুপরিচিত রাজনীতিবিদের জন্যই সেটা সম্ভব হয়নি। আর তার নাম চন্দ্রবাবু নাইডু। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও তেলেগু দেশম পার্টির নেতা। ২০০৪ সালেও ভারতে নির্বাচন অক্টোবর মাসেই হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু তখন চন্দ্রবাবু নাইডু প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়িকে অনুরোধ করেন, লোকসভা নির্বাচনটা বরং কয়েক মাস এগিয়ে আনুন। তেলেগু দেশম তখন ছিল বিজেপি জোটের খুব গুরুত্বপূর্ণ শরিক– তাদের অনুরোধ ফেলা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষেও বেশ কঠিন ছিল।

রাজদীপ সারদেশাইয়ের কথায়, চন্দ্রবাবু নাইডু চেয়েছিলেন তার রাজ্যের বিধানসভা ভোট ও দেশের লোকসভা ভোট একসঙ্গে করাতে– যাতে বাজপেয়ির উজ্জ্বল ভাবমূর্তিকে কাজে লাগিয়ে তিনি রাজ্যেও জিতে যেতে পারেন।

বাজপেয়ি ও তার প্রবল আস্থাভাজন প্রমোদ মহাজন সেই অনুরোধ রক্ষা করে লোকসভা ভোট ছয় মাস এগিয়ে আনলেন। আর নির্বাচন হলো এপ্রিল-মে মাসে! সেই নির্বাচনেই বিজেপি ‘ইন্ডিয়া শাইনিং’ ক্যাম্পেইনে ভর করে তুমুল প্রচার চালিয়েছিল, আর অটল বিহারি বাজপেয়ির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করতে চেয়েছিল তেলেগু দেশমও।

‘তাতে অবশ্য শেষরক্ষা হলো না– শেষে দেখা গেল বাজপেয়ি ও চন্দ্রবাবু দুজনেই সেই ভোটে হেরে গেলেন!’ জানাচ্ছেন রাজদীপ সারদেশাই। কিন্তু ততক্ষণে যাদের যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে এবং সেই ২০০৪ সাল থেকে এই নিয়ে টানা পঞ্চমবার অসহ্য গরমেই গোটা ভারতকে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে! এতদিন তবু এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই ভোট গ্রহণ সীমাবদ্ধ ছিল, এবার তা গড়িয়েছে জুন মাসেও।

অটল বিহারি বাজপেয়ি ও প্রমোদ মহাজন দুজনেই আজ প্রয়াত। ফলে এত গরমে ভোট হচ্ছে বলে যারা বিরক্ত, তাদের গালিগালাজ শোনার জন্য আছেন শুধু চন্দ্রবাবু নাইডুই! অবশ্য  গত ২০ বছর ধরে অন্যদের মতো চন্দ্রবাবু নাইডুকেও তীব্র গরমে লোকসভা ভোটের প্রচার চালাতে হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি ও এএফপি

ভারতে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ০৯:০৪ পিএম
ভারতে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বুধবার (২৯ মে) ৫২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা দিল্লির তো বটেই, গোটা ভারতের ইতিহাসেই সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর বলছে, দুপুর আড়াইটা নাগাদ দিল্লির মুঙ্গেশপুরে ওই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। দেশটিতে গত কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী।

ক্রমশ বাড়তে থাকা এ তাপমাত্রার কারণ ব্যাখ্যায় ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের আঞ্চলিক প্রধান কুলদিপ শ্রিভাস্তা বলেছেন, শহরের উপকণ্ঠের এলাকাগুলো রাজস্থান থেকে আসা গরম বাতাসে তপ্ত হয়ে উঠেছে। দিল্লির কিছু অংশ বিশেষভাবে ওই উষ্ণ বাতাসের কারণে আরও গরম হয়ে উঠছে এবং আগে থেকেই প্রতিকূল আবহাওয়া আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। এ ধরনের গরম বাতাসের প্রভাব যেসব এলাকায় প্রথম দেখা যাচ্ছে, সেগুলো হলো মুঙ্গেশপুর, নারেলা ও নাজাফগড়।

তাপমাত্রা যা প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেটির চেয়ে ৯ ডিগ্রি বেশি রেকর্ড হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে এনডিটিভি। বুধবার স্বল্প সময়ের জন্য দিল্লিতে বৃষ্টি হয়। এ কারণেও আর্দ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। 

দিল্লির জন্য এরই মধ্যে রেড অ্যালার্ট হেলথ নোটিশ জারি করেছে আইএমডি। ওই অঞ্চলে তিন কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। তারা বর্তমানে গরমসংক্রান্ত রোগ ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।

ভারতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়। তবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ এখন সেখানে আরও ঘন ঘন দেখা দিচ্ছে এবং সেগুলো দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি

পাকিস্তানে বাস খাদে পড়ে নিহত ২৭

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ০৪:০৩ পিএম
পাকিস্তানে বাস খাদে পড়ে নিহত ২৭
দুর্ঘটনা কবলিত বাস। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি চলন্ত বাস গভীর খাদে পড়ে ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অনেকে। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

বুধবার (২৯ মে) ভোরে তুরবাত শহর থেকে কোয়েটার দিকে যাওয়ার সময় বেলুচিস্তান প্রদেশের বাসিমা শহরে বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে।

স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ইসমাইল মেনগাল বলেন, ‘চালক একটি পাহাড়ি এলাকায় মোড় দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। আমরা এখনও ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছি। হতে পারে চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বা গাড়িটি দ্রুত গতিতে ছিল। যার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

সিভিল হাসপাতাল বাসিমার প্রধান চিকিৎসক নূর উল্লাহ বলেন, তিন নারী ও দুই শিশুসহ ২৭ জনের লাশ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এক বিবৃতিতে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার জন্য গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। সূত্র: এএফপি 

ইসরাত চৈতী/অমিয়/ 

রিমালের তাণ্ডবে মিজোরামে খনিধস নিহত ১৫, আটকা ৭

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ০৯:১২ এএম
রিমালের তাণ্ডবে মিজোরামে খনিধস নিহত ১৫, আটকা ৭
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্য মিজোরামে এক পাথরখনি ধসে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেখানে আটকা পড়েছেন ৭ জন। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দেখা দেওয়া তীব্র বৃষ্টি থেকেই ওই ঘটনা ঘটেছে। 

গতকাল মঙ্গলবার কর্মকর্তারা জানান, উত্তর-পূর্ব মিজোরামের রাজধানী আইজলের উপকণ্ঠে খনিধসের ঘটনাটি ঘটে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেখানে আটকে পড়া ৭ জনকে উদ্ধারের কাজ ব্যাহত হয়েছে। 

এ ছাড়া ভূমিধসে রাজ্যটির বাংলাদেশের সঙ্গে থাকা সীমান্ত এলাকায় আরও ৭ জন নিহত হয়েছেন। গাছ পড়ে পার্শ্ববর্তী আসাম রাজ্যে আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে অবিরাম বর্ষণের ফলে খনিটি ধসে পড়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টির তাণ্ডবে পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশের কিছু অংশে প্রায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। সূত্র: রয়টার্স

ইসরায়েলকে ‘সতর্ক’ হতে বলল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ০৯:০৬ এএম
ইসরায়েলকে ‘সতর্ক’ হতে বলল যুক্তরাষ্ট্র

রাফায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে বেসামরিকদের রক্ষায় সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র বলেছেন, ইসরায়েলের হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার অধিকার রয়েছে। আমরা বুঝতে পারছি যে এই হামলায় দুজন জ্যেষ্ঠ হামাস সদস্য নিহত হয়েছেন, যারা ইসরায়েলি বেসামরিকদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে আমরা আগে থেকেই স্পষ্টভাবে বলছি যে ইসরায়েলের অবশ্যই বেসামরিকদের রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হবে। 

ইসরায়েলকে সমর্থন দিয়ে নিজ দলের ভেতরেই চাপের মুখে পড়েছেন বাইডেন। মূলত সমর্থন কমানোর জন্য তাকে চাপ প্রয়োগ করছেন নেতা-কর্মীরা। 

গত সোমবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ডেমোক্রেট আইনপ্রণেতা আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ ইসরায়েলের ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উচিত নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও সামরিক সহায়তা স্থগিত করা। 

ডেমোক্রেট দলের আরেক আইনপ্রণেতা আয়ান্না প্রেসলে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, ‘রাফা থেকে গত রাতে ভয়াবহ ও মর্মান্তিক কিছু ছবি এসেছে? ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এই নিধনের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র আর কতদিন সমর্থন দেবে?’ 

ডেমোক্রেট দলের প্রতিনিধি রাশিদা তালিব ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘গণহত্যামূলক উন্মাদ’ বলে অভিহিত করেন। নেতানিয়াহু গত সোমবার বলেন, তারা বেসামরিকদের ক্ষয়ক্ষতিতে কোনো ভূমিকা রাখতে চাননি। কিন্তু ‘মর্মান্তিক ভুল’ হয়ে গেছে।  

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার ‘সক্রিয়ভাবে’ ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ও স্থলভাগে থাকা অন্যদের সঙ্গে জড়াচ্ছে। 

ডেমোক্রেট ভোটারদের অর্ধেকই বাইডেন যেভাবে ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত, তা নিয়ে অসন্তুষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি জানান এবং ইসরায়েলকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে বলেন।  

এদিকে, ইসরায়েলি হামলার নিন্দার মধ্যেই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, আমরা লক্ষ্য অর্জনের আগে যুদ্ধ শেষ করতে চাই না। ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ওই মন্তব্য করেন তিনি।

গত রবিবারের পরও গাজার দক্ষিণের শহর রাফায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। নতুন করে আরও অন্তত ১৬ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। তবে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।  

ইসরায়েলি হামলার মুখে রাফা ছাড়ছেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। এক সময় ইসরায়েলি বাহিনী স্থানটিকে নিরাপদ বলে ঘোষণা করলেও এখন আর এটি কোনোদিক থেকেই নিরাপদ নয়। গতকাল সূর্য ওঠার পরপরই ফিলিস্তিনিদের রাফার তাল আল-সুলতান এলাকা থেকে গাড়ি, ট্রাকে করে এলাকা ছেড়ে উত্তরের দিকে যেতে দেখা যায়। অনেকে যাতায়াতে গাধা ও ঘোড়া ব্যবহার করেন।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠক ডেকেছে। রবিবারের রাফা অভিযান নিয়ে বৈঠকে বসবেন তারা। সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি  

উ. কোরিয়ার নজরদারি স্যাটেলাইট মাঝ আকাশে বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ০৯:০১ এএম
উ. কোরিয়ার নজরদারি স্যাটেলাইট মাঝ আকাশে বিধ্বস্ত
ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে নজরদারি স্যাটেলাইট পাঠাতে চেয়েছিল উত্তর কোরিয়া। কিন্তু তাদের সে প্রচেষ্টা সফল হয়নি। মাঝ আকাশে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে স্যাটেলাইট বহনকারী রকেট। গত সোমবার শেষ ভাগে এ বিষয়ে জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।

উত্তর কোরিয়ার এরকম স্যাটেলাইট পাঠানোর ঘোষণা দেওয়ার পরপরই সে বিষয়টির সমালোচনা করে সিওল ও টোকিও। পরে মাঝ আকাশে বিধ্বস্ত হয় উত্তর কোরিয়ার উৎক্ষেপণ করা স্যাটেলাইটবাহী রকেট। জাপানের সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে এক ভিডিও ফুটেজ দেখিয়েছে। সে ফুটেজে রাতের আকাশে প্রথমে একটি বস্তুকে জ্বলে উঠতে ও পরে তা বিস্ফোরিত হতে দেখা গেছে।

এনএইচকে জানিয়েছে, ফুটেজটি উত্তরপূর্ব চীন থেকে ধারণ করা। উৎক্ষেপণের প্রথম পর্যায়েই স্যাটেলাইটটি বিস্ফোরিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে উত্তর কোরিয়ার ন্যাশনাল অ্যারোস্পেস টেকনোলজির পক্ষ থেকে। 

উত্তর কোরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই মহাকাশে নজরদারি স্যাটেলাইট পাঠাতে চাইছে। বিষয়টি কিম জং উন প্রশাসনের শীর্ষ অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। গত নভেম্বরে সফল হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছিল উত্তর কোরিয়া। তবে সেটির আগেও দুবার ব্যর্থ হয়েছিল তারা। সূত্র: গার্ডিয়ান