ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত হান্নানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তথ্য ফাঁস, ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি! দোয়া গুরুত্বপূর্ণ এক ইবাদত সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা কটাক্ষের শিকার আনুশকা কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হরোস্কোপের গোলকধাঁধায় ভবিষ্যৎ ভাবনা বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল লক্ষ্মীপুরে হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে বলাৎকার, ওয়ার্ডবয় আটক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঠেকালো বিজিবি, বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও সীমান্তে পুশইনের আশঙ্কা: বিজিবির নজরদারি জোরদার দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব ও বুবলী হাম উপসর্গে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগের গোপন সভা, গ্রেপ্তার ২ রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক ভেঙে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ,ভরসা বাঁশের সাঁকো বরগুনায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত
Nagad desktop

বিএনপির ৪৭ নেতা-কর্মীর কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৯:০৪ পিএম
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৪০ এএম
বিএনপির ৪৭ নেতা-কর্মীর কারাদণ্ড
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে নাশকতার অভিযোগে করা পৃথক তিন মামলায় বিএনপির ৪৭ নেতা-কর্মীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু।

এর মধ্যে নাশকতার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ ১৪ বিএনপি নেতা-কর্মীকে আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা সিটির সাবেক কাউন্সিলর মো. আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ, তেজগাঁও থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, রাজ, সেলিম, কবির, শফিজুর রহমান শাফিজ, যুবদল নেতা জালাল, শ্রমিক দল নেতা শাহ আলম, আব্দুল জলিল, ইউসুফ হোসেন মিন্টু, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু ও ছাত্রদল নেতা ঝন্টু।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের নভেম্বরে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে নাশকতার অভিযোগ এনে পুলিশ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এই মামলাটি করে।

অন্যদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় করা এক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনুসহ দলটির ১৩ নেতা-কর্মীকে আড়াই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আহসান হাবিব হীরা, আবদুল্লাহ জামান আদিত্য চৌধুরী, আলমগীর হোসেন আজাদ, গিয়াস উদ্দিন মানিক, বদরুল আলম সবুজ, সোহাগ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ ভাসানী চাকলাদার, মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

২০১৮ সালে রাজধানীর বনানী থানায় নাশকতার অভিযোগে করা আরেক মামলায় বিএনপির ২০ নেতা-কর্মীকে ১ বছর ৯ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ওই বছর সেপ্টেম্বরে করা এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রায়ে অন্য এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এই রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. মিজানুর রহমান, শাহজাহান সরকার, মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আল মামুন, হাজি সৈয়দ আহমেদ মনজুর হোসেন, মো. ইমাম হোসেন, মো. সেলিম আহমেদ রাজু, শাহজাহান বাবুর্চি, মিজানুর রহমান আক্তার, মোহাম্মদ রেজাউর রহমান ফাহিম। 

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায় আগামী ৭ জুন ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য গ্রহণ শেষে আদালত রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়।

শুনানির শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু আসামি সোহেল রানার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি আদালতে পড়ে শোনান। এটিই ছিল গোপনীয় এই জবানবন্দির প্রথম প্রকাশ্য পাঠ।

গ্রেপ্তারের পর দোষ স্বীকার করে সোহেল রানা জবানবন্দিতে বলেন, “আমার নাম সোহেল রানা। আমি ওই বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকি। এ বাসার তিন তলায় তিনটি ফ্ল্যাটে তিনজন ভাড়াটিয়া থাকেন। সকালে তারা কাজে বের হয়ে যান। আমি নিয়মিত নেশা করি।”

তিনি আরও বলেন, “পাশের বাসার আট বছরের শিশু রামিসা বাসার বাইরে এলে আমি তাকে ডাকি। সে আসার পর তাকে জোরপূর্বক বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করি। সে চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরি এবং ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করি। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে মৃত ভেবে ঘর থেকে ছুরি এনে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করি। পরে হাত কাটার চেষ্টা করছিলাম। এ সময় শিশুটির মা খোঁজাখুঁজি করে দরজার বাইরে জুতা দেখে ডাকাডাকি শুরু করেন। আমি ভয় পেয়ে সেলাই রেঞ্জ দিয়ে গ্রিল কেটে বাইরে পালিয়ে যাই।”

যুক্তিতর্ক শুনানিতে বর্তমানে আসামিপক্ষের বক্তব্য চলছে। শুনানির শুরুর আগে আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার অসুস্থতা বোধ করলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী, প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে বিচারকের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছেন।

অমিয়/

আদালতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যার বর্ণনা দিলেন ঘাতক সোহেল

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:০০ পিএম
আদালতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যার বর্ণনা দিলেন ঘাতক সোহেল
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে  আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়।

শুনানির শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু আসামি সোহেল রানার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি আদালতে পড়ে শোনান। এটিই ছিল গোপনীয় এই জবানবন্দির প্রথম প্রকাশ্য পাঠ।

গ্রেপ্তারের পর দোষ স্বীকার করে সোহেল রানা জবানবন্দিতে বলেন, “আমার নাম সোহেল রানা। আমি ওই বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকি। এ বাসার তিন তলায় তিনটি ফ্ল্যাটে তিনজন ভাড়াটিয়া থাকেন। সকালে তারা কাজে বের হয়ে যান। আমি নিয়মিত নেশা করি।”

তিনি আরও বলেন, “পাশের বাসার আট বছরের শিশু রামিসা বাসার বাইরে এলে আমি তাকে ডাকি। সে আসার পর তাকে জোরপূর্বক বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করি। সে চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরি এবং ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করি। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে মৃত ভেবে ঘর থেকে ছুরি এনে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করি। পরে হাত কাটার চেষ্টা করছিলাম। এ সময় শিশুটির মা খোঁজাখুঁজি করে দরজার বাইরে জুতা দেখে ডাকাডাকি শুরু করেন। আমি ভয় পেয়ে সেলাই রেঞ্জ দিয়ে গ্রিল কেটে বাইরে পালিয়ে যাই।”

যুক্তিতর্ক শুনানিতে বর্তমানে আসামিপক্ষের বক্তব্য চলছে। শুনানির শুরুর আগে আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার অসুস্থতা বোধ করলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী, প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে বিচারকের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছেন।

অমিয়/

মা ও বাবার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতে দেশে রয়েছে কঠোর আইন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
মা ও বাবার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতে দেশে রয়েছে কঠোর আইন
ছবি: এআই
যে মা-বাবা সন্তানদের জীবন গড়তে নিজেদের জীবনের সবটুকু উজাড় করে দেন, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া সেই মা-বাবার অনেকেই আজ সন্তানের নূন্যতম ভরণ-পোষণ ও ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত। এমন সামাজিক বাস্তবতায় পিতা-মাতার অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশে রয়েছে ‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩’।
 
এই আইনে ‘ভরণ-পোষণ’ বলতে মা-বাবার খাওয়া-দাওয়া, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং তাদের সময় বা সঙ্গ দেওয়াকে বোঝানো হয়েছে।
 
আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে হবে। একাধিক সন্তান থাকলে তারা নিজেরা আলোচনা করে এই দায়িত্ব ভাগ করে নেবেন। এছাড়া প্রত্যেক সন্তানকে সাধ্যমতো পিতা-মাতার সঙ্গে একই স্থানে বসবাস নিশ্চিত করতে হবে।
 
মা, বাবা অথবা উভয়কে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো বৃদ্ধাশ্রম কিংবা অন্য কোথাও একত্রে বা আলাদাভাবে বসবাস করতে বাধ্য করতে পারবে না। নিয়মিত রাখতে হবে তাদের  স্বাস্থ্যের খোঁজখবর। প্রত্যেক সন্তান তার দৈনিক, মাসিক বা বার্ষিক আয় থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ নিয়মিত পিতা-মাতাকে প্রদান করবে।
 
আইনের ৪ ধারায় দাদা-দাদী ও নানা-নানীর ভরণ-পোষণের বিষয়ে বলা হয়েছে, পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ভরণ-পোষণ দিতে সন্তান বাধ্য থাকবে। এটি পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসেবেই গণ্য হবে।
 
৫ ধারায় বলা হয়েছে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার শাস্তি সম্পর্কে, কোনো সন্তান এই আইনের ৩ ও ৪ নং বিধান লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা তা অনাদায়ে অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ড হতে পারে।
 
এছাড়া কোনো সন্তানের স্ত্রী বা স্বামী, পুত্র-কন্যা বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয় যদি পিতা-মাতা, দাদা-দাদী বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ দেওয়ায় বাধা সৃষ্টি বা অসহযোগিতা করেন, তবে তিনিও অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের জন্যও সমপরিমাণ অর্থাৎ অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা অনাদায়ে অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
 
আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, ভুক্তভোগী পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ছাড়া আদালত এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ আমলে নেবে না। তবে মামলা-মোকদ্দমার বাইরে আপস-নিষ্পত্তির সুযোগ রাখা হয়েছে এই আইনের ৮ ধারায়।
 
এর অধীনে আদালত প্রাপ্ত অভিযোগটি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা মেম্বার, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর কিংবা অন্য যেকোনো উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে পাঠাতে পারবেন। 
 
তারা উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে বিরোধটি মীমাংসা করবেন এবং এটি আপস-নিষ্পত্তি আদালত কর্তৃক অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।
 
আরো পড়ুন>>
 
আমান/

সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান কারাগারে

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান কারাগারে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

আওয়ামী লীগের প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে গুলিতে আসাদুল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মুজিবুর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। 

মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহীন মাহমুদ।

প্রসিকিউশন শাখার কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম এ তথ্য জানান।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে গুলিবিদ্ধ হন আসাদুল্লাহ। পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুজির পরেও পাননি। এ ঘটনায় তার স্ত্রী তুরাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ১১ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে তার মরদেহ শনাক্ত করে পরিবারের সদস্যরা। পরে এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) গভীর রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১নং সেক্টরের একটি বাসা থেকে মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

জলিল উজ্জ্বল/সালমান/

এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি
সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা সাত মামলার মধ্যে এক মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি।

তবে আরও ছয় মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো.খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।  

এর আগে মঙ্গলবার বিচারপতি মো.খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা সাত মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন দীপু মনি। এরপর হাইকোর্ট আদেশের জন্য এদিন ঠিক রাখেন।

ডা. দীপু মনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতার নির্দেশনাসহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

রিফাত/