নতুন বই ছাপানোতে কারা কারা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে তাদের মূল্যায়ন (চিহ্নিত করা) করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
বুধবার বুধবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ও অধিদপ্তরের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর অর্থ, অবসর ও কল্যান সুবিধা অনলাইনে এএফটি পদ্ধতিতে প্রেরণ এবং এনসিটিবির ওয়েবসাইটে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বই ছাপানো দেরি হওয়ার কারণ সম্পরর্কে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘সবার হাতে সব বই পৌঁছে দেওয়া এখন যুদ্ধের মতো অবস্থা। প্রথম সমস্যা হল আমরা বিদেশে বই ছা্পাব না। নতুন শিক্ষাক্রমে কারণে বইয়ের সংখ্যা বেড়েছে। বই ছাপানোর জন্য সময় কম ছিল। অনেক বেশি পরিমার্জন করতে হয়েছে। বইয়ে রাজনৈতিক বিষয়গুলো যেন নিরপেক্ষভাবে থাকে সেজন্য সতর্ক থাকতে হয়েছে। গণিত ও বিজ্ঞানে কিছু ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে। উন্নতমানের ছাপা, কাগজ ও মলাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, এখানে (এনসিটিবি) অনেক দিন যারা ছিলেন, অনিবার্য কারণেই তাদের অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, অভিজ্ঞদের দায়িত্বে বসানো হয়েছে। তবে মুদ্রণ শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কীভাবে বোঝাপড়া করতে হয়, সে বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা নেই। সে কারণেই ব্যক্তিগতভাবে আমাকেও যুক্ত হতে হয়েছে। আমি এখানে কাউকে দোষ দিচ্ছি না। কিন্তু কেউ সন্দেহের উর্ধ্বে না। আমরা এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতেত বই ছাপানোকে একটা সুশৃঙ্খল অবস্থায় আনব। একচেটিয়া ব্যবসা কমিয়ে আনতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব। শিক্ষক, গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা নজরদারি করা হয়েছে। যেখানে কাগজ মজুদ থাকে। এর মধ্যে অনেক ষড়যন্ত্র ছিল। বই বিতরণে ক্ষেত্রেও বিপরীতমুখী শক্তির সম্মুখীন হতে হয়েছে।
কবির/তাওফিক/