ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জোট ও ব্যক্তিগতভাবে মোট ৫৩ জন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একই সঙ্গে নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাজনৈতিক নেতারা।
বিএনপির সেলিমা রহমান বলেছেন, নারী প্রার্থীরা গণতন্ত্রের উত্তরণে ভূমিকা রাখবেন। অন্যদিকে, জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ মনে করেন, সংসদে নারীর অংশগ্রহণ ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর এসব কথা বলেন তারা।
নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান জানান, বিএনপি ও তাদের জোট থেকে ৩৬টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্রভাবে কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টায় মনোনয়ন দাখিল শেষ হয়। এরপর দুদিন জমা পড়া এসব মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবেন তারা।
আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন আনুপাতিক হারে দল ও জোটগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। এ হিসাবে বিএনপি জোট পেয়েছে ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা পেয়েছে একটি আসন। প্রার্থীর সংখ্যা সমান হলে অনেক ক্ষেত্রেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
মনোনয়নপত্র জমা শেষে বিএনপি নেত্রী সেলিমা রহমান বলেন, প্রবীণ ও নবীনের সমন্বয়ে দেওয়া মনোনয়ন নারী নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করবে এবং তারা গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় কাজ করবেন।
অন্যদিকে, জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি আইন প্রণয়ন ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রয়োজনে বিরোধী দলের সঙ্গে সমন্বয় করে নারীরা কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। এরপর আপিল গ্রহণ ২৬ এপ্রিল, নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ এপ্রিল ও প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। আর আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এলিস/এসজি/