ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয় স্মৃতির মলাটে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত পাশে ছিলেন সহপাঠীরা বেরোবির বিশেষ বাসসেবায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের প্রথম দিনে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জাতীয় বাজেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু, ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে রাতে বিজিবির সঙ্গে আনসার-ভিডিপির টহল ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ১ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু জিপিএসের নির্দেশ মেনে সোজা রেললাইনে গাড়ি, ভাইরাল বৃদ্ধার গাড়িচালনা এসএসসি পাসে চাকরির সুযোগ, নেবে ২৮০ জন কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব: যা জানা জরুরি কোটচাঁদপুরে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ কষ্টকর হবে জীবন, সব জিনিসের দাম বাড়বে বিশ্বের অন্যতম প্রশস্ত সড়ক ‘মনুমেন্টাল অ্যাক্সিস’ বিশ্বকাপ স্কোয়াডের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র, ইরানের ক্ষোভ সন্ধ্যার মধ্যে ৭ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত হরিপুর সীমান্তে ৩২ ঘণ্টা পরও শূন্যরেখায় ১১ জন রোনালদো গোল না পেলেও জিতল পর্তুগাল মিরসরাইয়ে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ১৭টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড অনূর্ধ্ব-১৫ ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল নিয়ে এক দিনে ২ নির্দেশনা, প্রশাসনে বিভ্রান্তি
Nagad desktop

সিয়েরা লিওনে জাদুটোনার জন্য গড়ে উঠেছে ভয়ানক মানব অঙ্গপাচার চক্র

প্রকাশ: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:০৫ পিএম
আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ০২:০৫ পিএম
সিয়েরা লিওনে জাদুটোনার জন্য গড়ে উঠেছে ভয়ানক মানব অঙ্গপাচার চক্র
ছবি: সংগৃহীত

সিয়েরা লিওনে জাদুটোনার জন্য গড়ে উঠেছে ভয়ানক মানব অঙ্গপাচার চক্র। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, পরিবারের সদস্য ছাড়াও শিশুদের নিয়ে সবসময় চিন্তায় থাকেন সিয়েরা লিওনের মানুষ। এখানকার মানুষ এখন বাধ্য হয়ে নির্জন জায়গা এড়িয়ে চলা বা অপরিচিতদের কাছ থেকে কিছু না নেওয়ার মতো বিষয় মেনে চলছেন।

আর এর মূলে রয়েছে পাপায়োর হত্যাকাণ্ডসহ কয়েকটি ভয়াবহ খুনের ঘটনা। দেশটিতে এমন ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। 

চার বছর আগে বাজারে মাছ বিক্রি করতে আর ফিরে আসেনি ১১ বছরের শিশু পাপায়ো। প্রায় দু সপ্তাহ হন্যে হয়ে খোঁজার পর এক কূপের মধ্যে তার নিথর দেহ খুঁজে পায় পরিবার। শিশুটির মরদেহ থেকে এক চোখ, এক হাত এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কে বা কারা নিয়ে গেছে।

ওই হত্যাকাণ্ডের চার বছর হয়ে গেলেও এখনও কাউকে বিচারের মুখোমুখি করা যায়নি। পাপায়োর ক্ষুব্ধ ও বিধ্বস্ত মা সালায় কালোকো বিবিসি আফ্রিকা আইকে জানান, আজও আমি যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছি। আমার ছেলেকে কে বা কারা হত্যা করেছে, অথচ সবাই এখনও চুপচাপ।

পাপায়োর হত্যা বিবিসির এই প্রতিবেদকের নিজ শহর মাকেনির ঘটনা। হত্যাকাণ্ডটি সিয়েরা লিওনের ‘জাদুটোনা’ সংক্রান্ত হত্যাকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করে, যে ধরনের হত্যায় অপরাধীরা মানবদেহের অংশ ব্যবহার করে কথিত জাদুবিদ্যার জন্য চার্ম বা কবজ তৈরি করে।

তিনি জানান, এসব অভিযোগ এই অঞ্চলে প্রায়শই শোনা গেলেও কিন্তু সেগুলো্র তদন্ত পর্যন্ত হয় না। পাপায়োর ক্ষেত্রেও পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে একে “আচারঘটিত হত্যাকাণ্ড” বলে ঘোষণা করেনি।

কথিত জুজু চর্চাকারীদের কাছে প্রভাব, ক্ষমতা বা অর্থপ্রাপ্তির জন্য এক ধরনের মানুষের আনাগোনা থাকে। তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে চাওয়া পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়। যদিও এসব বিশ্বাস বৈজ্ঞানিক ভিত্তি তো নেইই, তার ওপর অমানবিকতার জন্য ভিত্তি থাকলেও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

এদিকে, দেশটির সরকারি সক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। যেমন, ৮৯ লাখ জনসংখ্যার দেশে প্যাথলজিস্ট আছে মাত্র একজন। ফলে অপরাধীদের শনাক্ত করার মতো প্রমাণ সংগ্রহ করাই দুষ্কর।

অন্যদিকে, সিয়েরা লিওনের সমাজ এবং এমনকি প্রশাসনের মধ্যেও গভীরভাবে জাদুটোনা নিয়ে ভয় কাজ করে। ফলে অনেকে আইনি লড়াইয়ের সাহস পান না বলে ঘটনা অমীমাংসিত থেকে যায়।

বিবিসি আফ্রিকা আই তাদের তদন্তে স্বঘোষিত এমন দু’জন জুজু চর্চাকারীর সন্ধান পায়, যারা মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করতে পারার কথা বেশ গর্বের সঙ্গেই উচ্চারণ করে। দুইজনই দাবি করে, তাদের বিশাল চক্র রয়েছে। আর একজন তো বলে, পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে তার খরিদ্দার ছড়িয়ে আছে।  

বিবিসির একজন সদস্য ‘ওসমান’ ছদ্মনামে তদন্ত শুরু করেন। তিনি রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষী এক ব্যক্তির ছন্মবেশ ধারণ করেন, যিনি ক্ষমতার জন্য মানব বলিতেও পিছপা হবেন না।

‘ওসমান’ গিনি সীমান্তের কাছে কম্বিয়া জেলার এক প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে ওই জুজু চর্চাকারীর সঙ্গে দেখা করেন। সেই ব্যক্তি নিজেকে কানু বলে পরিচয় দেয়। ঘন জঙ্গলের ভেতর একটি লুকানো স্থানে তাদের আলাপ হয়। কানু তার মক্কেলদের ওই স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা জানায়। 

কানু একটি লাল রঙের মুখোশ পরে নিজের পরিচয় আড়াল করে। সে বেশ বড়াই করে বলে, তার মক্কেলদের মধ্যে গিনি, সেনেগাল ও নাইজেরিয়ার “বড় বড় রাজনীতিবিদ” রয়েছে। নির্বাচনের সময় তার কাছে মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায়।

তার সঙ্গে ওসমান আরেকবার দেখা করতে গেলে আরও আত্মবিশ্বাসী আচরণ করে কানু। তার হাত কত লম্বা, তা বোঝাতে সে মানুষের দেহের সংগৃহীত অংশ দেখায়।

ওসমান নিজের অভিনয় পাকাপোক্ত করতে বলেন, তিনি জাদুর জন্য নারী দেহের নির্দিষ্ট অংশ চান, তখন কানু দামও বলে দেয়- একজন নারীর দাম ৭০ মিলিয়ন লিওন (তিন হাজার ডলার)।

অবশ্য কথাবার্তা এ দিকে মোড় নেওয়ায় কারও প্রাণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে ভেবে এরপর আর দেখা করেনি বিবিসি এবং সমস্ত প্রমাণ স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তদন্তের পুরোটা সময় বিবিসি সাংবাদিক লুকানো ক্যামেরায় সব ধারণ করেছেন।

এ ধরনের জুজু চর্চাকারীরা নিজেদের ‘হারবালিস্ট’ বলেও পরিচয় দেয়, যার কারণে বদনাম হয় সাধারণ হারবালিস্ট বা কবিরাজদের। তারা সাধারণত স্থানীয় ভেষজ-ভিত্তিক চিকিৎসা দিয়ে মানুষকে সেবা প্রদান করেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৯০ দশকে যুদ্ধে বিধ্বস্ত ও ইবোলা মহামারির কেন্দ্রস্থল সিয়েরা লিওনে ২০২২ সালে মাত্র এক হাজার নিবন্ধিত পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত চিকিৎসক ছিলেন, কিন্তু স্থানীয়দের অনুমান অনুযায়ী ভেষজ চিকিৎসক ছিলেন  প্রায় ৪৫ হাজার।

দেশটির বেশিরভাগ মানুষ এসব কবিরাজের ওপরই নির্ভর করেন। তাদের চিকিৎসাকেন্দ্রে আচার-অনুষ্ঠান ও আধ্যাত্মিকতার উপাদান থাকে।

খ্রিস্টান ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সিয়েরা লিওনে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের সঠিক পরিসংখ্যান নেই। আফ্রিকার অনেক দেশে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা শ্রেণিতে নথিভুক্ত করা হয় না, ফলে অনেক ঘটনা ‘দুর্ঘটনা’, ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’ বা অন্যান্য কারণে লিপিবদ্ধ হয়। আর অপরাধীদের বেশিরভাগই ধরা পড়ে না।

সুলতানা দিনা/ 

গাড়ির দরজা খুলতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
গাড়ির দরজা খুলতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর
ভিডিও থেকে

রাস্তায় চলাচলের সময় অসতর্কভাবে গাড়ির দরজা খোলার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদে এমনই একটি ঘটনা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছে।

রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা একটি গাড়ির দরজা হঠাৎ খুলে দেওয়ায় সেটিতে সজোরে ধাক্কা দেয় একটি মোটরসাইকেল। এতে একজন নিহত এবং অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাড়ি রাস্তার পাশে পার্ক করা। গাড়ির চালক আশপাশের যানবাহনের গতিবিধি না দেখেই হঠাৎ দরজা খুলে দেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল দরজাটিতে সজোরে আঘাত করে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী দুজনই কয়েক মিটার দূরে ছিটকে পড়েন। 

ভিডিওতে দেখা যায়, চালকের মাথায় হেলমেট থাকলেও পেছনে বসা আরোহীর মাথায় হেলমেট ছিল না; তিনি পাগড়ি পরিহিত ছিলেন। দুর্ঘটনায় পেছনের আরোহী গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।

জানা যায়, আহত মোটরসাইকেল চালককে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

সিসিটিভিতে ধারণ হওয়া ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নেটিজেনদের একাংশের মতে, গাড়িচালকের অসতর্কতা এবং রাস্তার পরিস্থিতি যাচাই না করেই দরজা খোলার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। 

অন্যদিকে, কেউ কেউ মোটরসাইকেলের অতিরিক্ত গতিকেও দায়ী করছেন।

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় নির্ধারণ করা হবে। 

সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, গাড়ির দরজা খোলার আগে রিয়ার ভিউ মিরর ও পাশের আয়নায় দেখে পেছনের পরিস্থিতি নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অনেক দেশে এ জন্য ‘ডাচ রিচ’ পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়, যেখানে চালক বা যাত্রী বিপরীত হাত দিয়ে দরজা খোলেন; এতে স্বাভাবিকভাবেই শরীর ঘুরে পেছনের রাস্তা দেখার সুযোগ তৈরি হয়। 

এ ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। 

বিশেষজ্ঞরা রাস্তার পাশে পার্ক করা যানবাহনের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল ও সাইকেল চালকদের গতি নিয়ন্ত্রণে রেখে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।

অমিয়/

আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই দাঁতের চিকিৎসা ফ্রি!

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই দাঁতের চিকিৎসা ফ্রি!
ডা. শরীফ হোসাইন/ ছবি: সংগৃহীত

ফুটবলপ্রেমী আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও দন্ত চিকিৎসায় বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টাল সার্জন ডা. শরীফ হোসাইন।

শুক্রবার (৫ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।

ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আর্জেন্টিনার জার্সি পরে অথবা নিজেকে দলটির সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়ে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে আসা রোগীরা বিনা ভিজিটে দাঁত ও মুখ গহ্বরের বিভিন্ন সমস্যার চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারবেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দন্ত চিকিৎসা সেবায়ও বিশেষ ছাড় পাবেন তারা।

এ বিষয়ে ডা. শরীফ হোসাইন বলেন, ‌‘ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছি। শুধু আর্জেন্টিনার খেলার দিন এই সুবিধাটুকু দেওয়া হবে।’

একজন চিকিৎসকের এমন অভিনব উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।

আমান/

ক্যান্সার গবেষণায় নতুন অগ্রগতি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:০৪ এএম
ক্যান্সার গবেষণায় নতুন অগ্রগতি
ছবি: সংগৃহীত

সবচেয়ে প্রাণঘাতী ক্যানসারগুলোর একটি অগ্ন্যাশয় ক্যানসার। তবে অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের চিকিৎসায় নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে ডারাক্সোনরাসিব নামের একটি ওষুধ।

গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নত পর্যায়ের অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার সময় প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম এই ওষুধ।

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে অনুষ্ঠিত ক্যান্সারবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনের পর একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় অগ্রগতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

অগ্ন্যাশয় ক্যান্সার দীর্ঘদিন ধরেই চিকিৎসকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগটি দেরিতে শনাক্ত হওয়ায় ক্যান্সার শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং কার্যকর চিকিৎসার সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে নতুন আশা জাগিয়েছে ডারাক্সোনরাসিব।

৫০০ রোগীর ওপর এ ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রোগীরা সবাই অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন, যা শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছিল। পরীক্ষায় দেখা গেছে, ডারাক্সোনরাসিব নামের ওষুধটি রোগীদের বেঁচে থাকার সময় প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া প্রচলিত কেমোথেরাপির তুলনায় এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম ছিল।

ডারাক্সোনরাসিব ওষুধটি বিশেষভাবে ক্রাস নামের একটি প্রোটিনকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এ প্রোটিন প্রায় সব ধরনের অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ওষুধটি ক্রাস প্রোটিনকে নিষ্ক্রিয় করার মধ্য দিয়ে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি থামাতে সাহায্য করে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার অ্যাকশনের প্রধান নির্বাহী পলা হ্যানফোর্ড বলেছেন, এটি অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের চিকিৎসায় তার দেখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতিগুলোর একটি।

হ্যানফোর্ড বলেন, অনেক দিন ধরেই অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসার সুযোগ খুবই সীমিত ছিল এবং বেঁচে থাকার হারও উদ্বেগজনকভাবে কম ছিল। কার্যকারিতা পরীক্ষায় ওষুধটি গুরুতর পর্যায়ের অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার সময় প্রায় দ্বিগুণ করার যে সম্ভাবনা দেখিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, ফুসফুস ও কোলন ক্যানসারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ওষুধের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আমান/

আজ বিশ্ব সাইকেল দিবস

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আজ বিশ্ব সাইকেল দিবস
ছবি: সংগৃহীত

আজ বিশ্ব সাইকেল দিবস। অধ্যাপক লেসজেক সিবিলস্কির উদ্যোগে ২০১৮ সালে ৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস ঘোষণা করে জাতিসংঘ।

তারপর থেকে প্রতিবছর এ দিনে বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় দিবসটি। মঙ্গলবার (৩ জুন) বাংলাদেশেও সীমিত পরিসরে পালিত হচ্ছে বিশ্ব সাইকেল দিবস। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সাইকেল রাইড সংগঠনগুলো নিয়েছে নানা কর্মসূচি।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন অধ্যাপক লেসজেক সিবিলস্কি, তিনি বাইসাইকেল নিয়ে একটি প্রচারাভিযান শুরু করেন। তার অন্যতম লক্ষ্য ছিল জাতিসংঘ বিশ্বে সাইকেলের সমর্থনে একটি দিন নির্ধারণ করা।

২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র সর্বসম্মতিক্রমে ৩ জুনকে বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই প্রস্তাবে তুর্কমেনিস্তান ব্যাপক সমর্থন জানিয়েছিল এবং প্রায় ৫৬টি দেশ পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল।

সাইকেল ব্যবহারের সুফলের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য মূলত এই দিবস উদযাপন করা হয়। সাইকেল এমন একটি যানবাহন যা ধনী থেকে গরিব সবাই বহন করতে পারে। এটি বায়ু দুষণ কমায় এবং যানজট কমায়।

গবেষণা বলছে, যদি শহরের ১০% যাত্রা সাইকেলে হয়, তাহলে একটি মাঝারি শহরের কার্বন নির্গমন বছরে প্রায় ১১% কমতে পারে।

সাইকেলে চড়ে কেউ জীবিকার তাগিদে বের হন। কেউবা আবার বের হন মনের ক্ষুধা মেটাতে, রোমাঞ্চের খোঁজে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায়। কারও কারও কাছে সাইকেল মানে স্বাধীনতা। আপন ভুবনে নিজের মতো করে চলা এবং সব বাধা ঠেলে সামনে এগিয়ে চলা।

সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার

তামান্না রুপা/আমান

গরমের বিপদ হিট স্ট্রোক, ঝুঁকি এড়াতে করণীয়

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
গরমের বিপদ হিট স্ট্রোক, ঝুঁকি এড়াতে করণীয়
ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে প্রচণ্ড দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। সারা দেশেই গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, আর তীব্র গরমে দিশেহারা মানুষ এবং প্রাণীকুল। এছাড়া নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকেই। তবে এমন গরমে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ার কথা বলছেন চিকিৎসকরা।

হিট স্ট্রোক কী?

গরমের সময়ের একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যার নাম ‘হিট স্ট্রোক’। চিকিৎসা শাস্ত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়। শরীরের তাপমাত্রা যখন ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে ঘাম বন্ধ হয়ে যায় এবং আক্রান্ত ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে যায় তখন জরুরি অবস্থাকে হিট স্ট্রোক বলে।

হিট স্ট্রোক কাদের বেশি হয়?

প্রচণ্ড গরমে ও আর্দ্রতায় যে কারও হিট স্ট্রোক হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যেমন—

(১) শিশু ও বৃদ্ধদের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকায় হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ ছাড়া বয়স্ক ব্যক্তিরা যেহেতু প্রায়ই বিভিন্ন রোগে ভোগেন যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার বা হার্টের রোগী, স্ট্রোক বা ক্যান্সারজনিত রোগে যারা ভোগেন, এমনকি যেকোনো কারণে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম কিংবা নানা ওষুধ সেবন করেন, যা হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

(২) যারা দিনের বেলায় প্রচণ্ড রোদে কায়িক পরিশ্রম করেন, তাদের হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। যেমন কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক।

(৩) শরীরে পানিস্বল্পতা হলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

(৪) কিছু কিছু ওষুধ হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় বিশেষ করে প্রস্রাব বাড়ানোর ওষুধ, বিষণ্নতার ওষুধ, মানসিক রোগের ওষুধ ইত্যাদি।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কী?

তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহে নানা রকম প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। প্রাথমিকভাবে হিট স্ট্রোকের আগে অপেক্ষাকৃত কম মারাত্মক হিট ক্র্যাম্প অথবা হিট এক্সহসশন হতে পারে। হিট ক্র্যাম্পে শরীরের মাংসপেশিতে ব্যথা হয়, শরীর দুর্বল লাগে এবং প্রচণ্ড পিপাসা পায়।

এর পরের ধাপে হিট এক্সহসশনে দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস, মাথাব্যথা, ঝিমঝিম করা, বমিভাব, অসংলগ্ন আচরণ ইত্যাদি দেখা দেয়। এই দুই ক্ষেত্রেই শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ঠিক থাকে এবং শরীর অত্যন্ত ঘামতে থাকে। এ অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে হিট স্ট্রোক হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো—

(১) শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রিº ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়।

(২) ঘাম বন্ধ হয়ে যায়।

(৩) ত্বক শুষ্ক ও লালচে হয়ে যায়।

(৪) নিশ্বাস দ্রুত হয়।

(৫) নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ ও দ্রুত হয়।

(৬) রক্তচাপ কমে যায়।

(৭) খিঁচুনি, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বাভাবিক আচরণ, হ্যালুসিনেশন, অসংলগ্নতা ইত্যাদি।

(৮) প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়।

(৯) রোগী শকেও চলে যায়। এমনকি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।

প্রতিরোধের উপায় কী?

গরমের দিনে কিছু সতর্কতা মেনে চললে হিট স্ট্রোকের বিপদ থেকে বেঁচে থাকা যায়। এগুলো হলো—

(১) হালকা, ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। কাপড় সাদা বা হালকা রঙের হতে হবে। সুতি কাপড় হলে ভালো।

(২) যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন।

(৩) বাইরে যেতে হলে মাথার জন্য চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করুন।

(৪) বাইরে যারা কাজকর্মে নিয়োজিত থাকেন, তারা মাথায় ছাতা বা মাথা ঢাকার জন্য কাপড়জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে পারেন।

(৫) প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল পান করুন। মনে রাখবেন, গরমে ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ দুই-ই বের হয়ে যায়। তাই পানির সঙ্গে সঙ্গে লবণযুক্ত পানীয় যেমন-খাবার স্যালাইন, ফলের রস, লাচ্ছি ইত্যাদিও পান করতে হবে। পানি অবশ্যই বিশুদ্ধ হতে হবে।

(৬) তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয় যেমন-চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।

(৭) রোদের মধ্যে শ্রমসাধ্য কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। এসব কাজ সম্ভব হলে রাতে বা খুব সকালে করুন। যদি দিনে করতেই হয়, তবে কিছুক্ষণ পরপর রোদ থেকে সরে গিয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিতে হবে, প্রচুর লবণযুক্ত পানি ও স্যালাইন পান করতে হবে।

আক্রান্ত হলে কী করণীয়?

প্রাথমিকভাবে হিট স্ট্রোকের আগে যখন হিট ক্র্যাম্প বা হিট এক্সহসশন দেখা দেয়, তখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি নিজেই যা করতে পারেন তা হলো—

(১) দ্রুত শীতল কোনো স্থানে চলে যান। যদি সম্ভব হয়, ফ্যান বা এসি ছেড়ে দিন।

(২) ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে ফেলুন। সম্ভব হলে গোসল করুন।

(৩) প্রচুর পানি ও খাবার স্যালাইন পান করুন। চা বা কফি পান করবেন না।

কিন্তু যদি হিট স্ট্রোক হয়েই যায়, তবে রোগীকে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে, ঘরে চিকিৎসা করার কোনো সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে রোগীর আশপাশে যাঁরা থাকবেন তাদের করণীয় হলো—

(৪) রোগীকে দ্রুত শীতল স্থানে নিয়ে যান।

(৫) তার কাপড় খুলে দিন।

(৬) শরীর পানিতে ভিজিয়ে দিয়ে বাতাস করুন। এভাবে তাপমাত্রা কমাতে থাকুন।

(৭) সম্ভব হলে কাঁধে, বগলে ও কুচকিতে বরফ দিন।

(৮) রোগীর জ্ঞান থাকলে তাকে খাবার স্যালাইন দিন।

(৯) দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

(১০) সব সময় খেয়াল রাখবেন হিট স্ট্রোকে অজ্ঞান রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস এবং নাড়ি চলছে কি না। প্রয়োজন হলে কৃত্রিমভাবে নিশ্বাস ও নাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করতে হতে পারে। হিট স্ট্রোকে জীবন বিপন্ন হতে পারে। এমনকি রোগী মারাও যেতে পারেন। গরমের এই সময়টায় সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে। দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও হাসপাতালে ভর্তি করে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া গেলে বেশির ভাগ রোগীই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন।

(১১) গরমে শিশুদের জন্য ঝুঁকিটা বেশি। বাচ্চাদের বেশি বেশি পানি খাওয়াতে হবে। তারা যেন রোদের মধ্যে অনেক বেশি দৌড়ঝাঁপ না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

লেখক: ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ।

আরো পড়ুন>>

দিনাজপুরে তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

আমান/