ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ক্যাম্পাসে বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৭:২৬ পিএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ০৭:২৬ পিএম
ক্যাম্পাসে বিজ্ঞানসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান
ছবি : সংগৃহীত

পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়তে বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিজ্ঞানসম্মতভাবে করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর। 

মঙ্গলবার (২১ মে) ইউজিসিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অংশীজন সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।

অধ্যাপক আলমগীর হোসেন বলেন, দেশের জনসংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক হতে হবে। উচ্চশিক্ষার মানোনয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যা রাতারাতি অর্জন করা সম্ভব নয়। উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন নিয়ে আসতে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে ইউজিসি থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। 

ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কমিশনের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া। কমিশনের উপসচিব ও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের ফোকাল পয়েন্ট মো. আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় ইউজিসির কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট ও অংশীজনরা অংশ নেন।

ঢাবি শিক্ষকদের ৩ অর্ধদিবস কর্মবিরতির ডাক

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১০:২৩ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:০৭ পিএম
ঢাবি শিক্ষকদের ৩ অর্ধদিবস কর্মবিরতির ডাক

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সম্প্রতি চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’ বাতিলের দাবিতে এবার টানা তিন দিন অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষকরা। তবে পরীক্ষা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

আগামী ২৫ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ওই কর্মবিরতি থাকবে এবং দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রবিবার (২৩ জুন) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। উক্ত তিন দিন কলা ভবনের মূল ফটকে শিক্ষকরা (দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত) অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, চলমান পরীক্ষাসমূহ এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

এর আগেও একই দাবিতে কয়েক দফা কর্মবিরতি পালন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে গত ১৩ মার্চ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, যেসব শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ১ জুলাই তারিখের পর যোগদান করবেন তাদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ‘প্রত্যয় স্কিম’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য বিদ্যমান অবসর সুবিধা সংক্রান্ত বিধিবিধান প্রযোজ্য হবে না।

আরিফ জাওয়াদ/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজ প্রযুক্তি ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ভর্তির পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ পিএম
প্রযুক্তি ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ভর্তির পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাদানকল্পে পরিচালিত প্রযুক্তি ইউনিট, গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট এবং রাজধানীর অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষার উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছুদের বিষয় ও কলেজ পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবাসাইটের মাধ্যমে ওই পছন্দক্রমের ফরম পূরণ করতে পারবেন। 

রবিবার (২৩ জুন) ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজ, প্রযুক্তি ইউনিট ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট এর পাশকৃত শিক্ষার্থীদের বিষয় ও কলেজ পছন্দক্রম পূরণ করার সময়সীমা আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

জানা যায়, ভর্তি সংশ্লিষ্ট ওয়েব সাইটে (https://collegeadmission.eis.du.ac.bd) গিয়ে প্রার্থীর ভর্তির প্রাথমিক আবেদনের বিস্তিারিত ফরম ও শিক্ষার্থীর ভর্তিযোগ্য বিষয়সমূহের পছন্দক্রম ফরম অবশ্যই সর্তকতার সাথে অনলাইনে পূরণ করতে হবে। পছন্দক্রম ফরম পরবর্তীতে কোনো অবস্থাতেই আর পরিবর্তন করতে পারবে না।

উল্লেখ্য, ঢাবি অধিভুক্ত রাজধানীর কলেজগুলো হলো, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

অন্যদিকে প্রযুক্তি ইউনিট অধিভুক্ত কলেজগুলোর ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রযুক্তি ইউনিটের অধীনে ৬টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১টি টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট। ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মধ্যে ৩টি সরকারি কলেজ এবং ১টি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং টেক্সটাইল রিলেটেড ২টি বেসরকারি কলেজ। 

এবং গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে একটি সরকারি কলেজ ও বাকি পাঁচটি বেসরকারি কলেজ রয়েছে। ঢাবি অধিভুক্ত গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ক কলেজগুলো হলো, গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স, বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকনমিক্স কলেজ, ময়মনসিংহ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, আকিজ কলেজ অব হোম ইকনমিক্স এবং বরিশাল হোম ইকনমিক্স কলেজ।

আরিফ জাওয়াদ/এমএ/

ছাত্রীদের অঙ্কনে সাজল বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০১:৩৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০১:৩৬ পিএম
ছাত্রীদের অঙ্কনে সাজল বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল

পড়াশোনার তাগিদে মাতৃস্নেহ ত্যাগ করে শহরে ছুটে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নিজেদের বাড়ি ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলই শিক্ষার্থীদের কাছে নিরাপদ আবাসস্থল। এখানেই তারা নিজেদের সুখ-দুঃখ একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেন। আবাস্থলের কক্ষগুলোও গাঁয়ের ঘরগুলোর মতো আপন হয়ে ওঠে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা নিজেদের আপন বাড়ি থেকে দূরে থাকলেও তাদের কাছে হল হয়ে ওঠে আরও একটি বাড়ি আরও একটি নতুন পরিবার।

এই বাড়িকে তাই নিজেদের মতো করেই তুলি-রঙে সাজিয়ে রাখেন তারা। নিজেদের কল্পনাগুলোকেই নানাভাবে তুলে ধরেন। নিজ বাড়ির বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে সাজসজ্জাকে ঘিরে থাকা আগ্রহ-উৎসাহ, আনন্দকে নতুন পরিবারের জন্য নিংড়ে দেন তারা। নতুন বাড়িকে নিয়েই তৈরি হয় কল্পনার নতুন নতুন পটচিত্র। বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে নতুন নতুন থিম তৈরি করে হলের ফ্লোরগুলোকে তুলি-রং, রং-বেরঙের কাগজ দিয়ে সাজান শিক্ষার্থীরা। প্রতিবছর উৎসব অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিজেদের ফ্লোরগুলোতে আল্পনায়, দেয়ালচিত্রে নতুন রঙের মহল তৈরি করেন। সবাই মিলেই কাজগুলোকে ভাগাভাগি করে নেন। ক্ষণিকের জন্যই অঙ্কন শিল্পীর দায়িত্ব নিজেরাই নিয়ে নেন।

সবার নিজের কাছে থাকা পানির বোতল, বাটি ইত্যাদিই যেন রংযুদ্ধের বাহন হিসেবে সঙ্গী হয়। এগুলোতে রং নিয়েই তুলি দিয়ে নিজেদের ফ্লোর সাজানোয় অংশ নেন। নিজেদের এই সরঞ্জামাদি নিয়েই কয়েকদিনের মধ্যেই নিজেদের ফ্লোরকে সাজানো সম্পন্ন করেন। প্রতিবার নতুন বছর আসে, রং পুরোনো হলেও নতুন করে আবারও নিজের স্মৃতিগুলোকেই যেন মনে করতে চান, নতুন কোনো রঙের আঁচড়ে আরও একবার।

কলি

মাইলস্টোন কলেজ একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম
মাইলস্টোন কলেজ একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাইলস্টোন কলেজ। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও দেশসেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম মাইলস্টোন কলেজের পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০২ সালে। কলেজটি ২০০৮ সালে অর্জন করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি। শিক্ষাবান্ধব এমএনআরএস ট্রাস্ট পরিচালিত মাইলস্টোন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা কর্নেল নুরন্ নবী (অব.)। যিনি দেশসেরা রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। কর্মজীবনে তিনি ফৌজদারহাট এবং ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজেও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মাইলস্টোন কলেজ প্রতিষ্ঠার পর বেশ কবছর অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে কর্নেল নুরন্ নবী (অব.) উপদেষ্টা হিসেবে সার্বিক দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন।

মাইলস্টোন কলেজে রয়েছে প্লে/নার্সারি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে পড়ার সুযোগ। জুনিয়র সেকশনে প্লে/নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত, সিনিয়র সেকশনে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি এবং কলেজ সেকশনে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যায়নের সুযোগ রয়েছে। মাইলস্টোন কলেজ শুরু থেকেই বাংলা মাধ্যমের মতো ইংরেজি ভার্সনে তাদের পাঠকার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ইংরেজি ভার্সনে দেশের সর্ববৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম।  

এইচএসসি এবং এসএসসির ফলাফল
প্রতিষ্ঠানটির অতীত ও সাম্প্রতিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মেধাতালিকা পদ্ধতি থাকাকালীন ১৩ বার দেশসেরা ও বোর্ডের মেধাতালিকায় স্থান, সর্বোচ্চ সংখ্যক ছাত্রছাত্রী নিয়ে শতভাগ পাসসহ মাইলস্টোন কলেজের রয়েছে ধারাবাহিক সাফল্যের এক বিস্ময়কর রেকর্ড। প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৩ সালে মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ২৯৫৩ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬৮৫ জন। ২০২৪ সালে মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে মোট ১৭৫০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৯৮ জন।

জেএসসি এবং পিইসির ফলাফল
এইচএসসি এবং এসএসসির মতো জেএসসি এবং পিইসির ফলাফলেও মাইলস্টোন কলেজের রয়েছে অনন্য এক সাফল্যের গল্প। জানা যায়, সবশেষ ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত জেএসসিতে মাইলস্টোন কলেজে থেকে পাসের হার ছিল শতভাগ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করে ৫৮৯ জন। মেধাতালিকা পদ্ধতি থাকাকালীন ঢাকা বোর্ডে জেএসসির মেধাক্রমে ২০১০ সালে ১৩তম, ২০১২ সালে সপ্তম এবং ২০১৩ সালে চতুর্থ স্থান অধিকার লাভ করে। অন্যদিকে, ২০১৯ সালে সবশেষ অনুষ্ঠিত পিইসি পরীক্ষায় মাইলস্টোন কলেজের অন্তর্ভুক্ত মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুল থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১১৮১ জন পরীক্ষার্থী, শতভাগ পাসসহ জিপিএ-৫ অর্জন করে ১১৩৮ জন। পিইসির প্রাতিষ্ঠানিক মেধাক্রমে সারা দেশে ২০১১ ও ২০১২ সালে চতুর্থ স্থান এবং ২০১৩ ও ২০১৪ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন করে মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুল।  

একাডেমিক পর্ষদ
৪৫০ জনের নবীন, প্রবীণ এবং গুণগতমানের একাডেমিক পর্ষদ নিয়ে চলছে মাইলস্টোন কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনাকারী এমএনআরএস ট্রাস্টের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন প্রাজ্ঞজন মমতাজ বেগম। মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ পদে কর্মরত আছেন আইটি বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম। স্কুল শাখার নির্বাহী অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মিসেস রিফাত নবী আলম এবং কলেজের জ্যেষ্ঠ পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে কর্মরত আছেন মো. মাসুদ আলম। মাইস্টোন কলেজ শিক্ষক-শিক্ষিকার পেশাদারির ক্ষেত্রে সচেতন। এখানে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

অবকাঠামো
উত্তরা মডেল টাউন ক্যাম্পাস ছাড়াও উত্তরা তৃতীয় প্রকল্পের দিয়াবাড়ীতে সুবিশাল এলাকাজুড়ে রয়েছে মাইলস্টোন কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাস। যা মেট্রোরেল উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে অবস্থিত। বিশাল খেলার মাঠ, চারদিকে খোলামেলা সবুজ-শ্যামল পরিবেশের ক্যাম্পাসটি ইতোমধ্যেই উত্তরা এবং সারা দেশের শিক্ষার্থীদের প্রাণের ক্যাম্পাসে পরিণত হয়েছে। মাইলস্টোনে ছাত্র এবং ছাত্রীদের ক্লাস আলাদা আলাদা ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। রয়েছে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত ছাত্রছাত্রীরা কলেজের নিজস্ব পরিবহনে যাতায়াতের সুযোগ পায়। রয়েছে ইন্টারনেট সুবিধাসহ আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, ব্যবহারিক ল্যাবরেটরি এবং সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। সার্বক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ খাবার পানি এবং উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা মাইলস্টোন কলেজকে পরিণত করেছে সময় উপযোগী অনন্য এক ক্যাম্পাসে।    

সহশিক্ষা কার্যক্রম
একাডেমিকভাবে সেরা ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও নিজেদের সেরা নৈপুণ্য প্রদর্শনে সক্ষম মাইলস্টোন কলেজ। বিতর্ক, বিজ্ঞান, কুইজ, আবৃত্তি, সংগীত, ক্রিকেট, ফুটবল, হ্যান্ডবল, ফটোগ্রাফি প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক ক্লাবের মাধ্যমে সারা বছরই চর্চা হয় সহশিক্ষা কার্যক্রমের। রয়েছে বিএনসিসি, স্কাউট এবং গার্লস গাইডের শাখা। মাইলস্টোন কলেজে অনুষ্ঠিত সহশিক্ষা কার্যক্রমের অনন্য দিক হলো শিক্ষাবর্ষের শেষভাগে অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী খেলাধুলা প্রতিযোগিতা যাতে শিক্ষার্থীরা মনোদৈহিক বিকাশের পাশাপাশি নিজেদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়।

অবস্থান
৩০ ও ৪৪ গরিব-ই-নেওয়াজ অ্যাভিনিউ, সেক্টর-১১ এবং দিয়াবাড়ী (মেট্রোরেল উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে), তুরাগ, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০।

কলি

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন চাঁবিপ্রবি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০১:৩২ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০১:৩২ পিএম
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন চাঁবিপ্রবি

দ্বাদশ পাঞ্জেরী-দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় উল্লাস (ফাইনাল) পর্বে সংসদীয় বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চাঁবিপ্রবি)। বিপক্ষ দল হিসেবে ছিল চাঁদপুর সরকারি কলেজ। প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমিতে।

প্রতিযোগিতার আয়োজনে ছিল চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশন, চাঁদপুর বিতর্ক একাডেমি। সার্বিক সহযোগিতা করেছে অক্ষর-পত্র প্রকাশনী, দারসুন পাবলিকেশন্স। 
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঁচ সদস্যের একটি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সদস্যরা হলেন- ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের তানজিন তাজ ছোঁয়া, এস এম মানজুরুল ইসলাম সাজিদ, মো. নাইমুর রহমান নিয়ামুল, সাদিয়া ফারহানা, মোছা. অবনী খন্দকার এবং দলটির সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক মো. বাইজীদ আহম্মেদ রনি।

সেরা বক্তা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তানজিন তাজ ছোঁয়া। সেরা দায়িত্ববান শিক্ষক নির্বাচিত হন দলটির সমন্বয়কারী বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক মো. বাইজীদ আহম্মেদ রনি।

বিজয়ী দলের বিতার্কিকদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার। 
সেরা বক্তা তানজিন তাজ ছোঁয়া বলেন, ‘বিতর্ক করার আগ্রহ ছিল ছোট থেকেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আবার নতুন করে সুযোগ পাচ্ছি। আমার খুব ভালোলাগা কাজ করছে। সেরা বক্তা হওয়া ছিল আরও বেশি আনন্দের।’

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার বলেন, ‘আমার বিতর্ক টিমের উন্নতি কামনা করি। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্ক ক্লাব আছে। শিক্ষার্থীরা সাফল্যের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যাক এই প্রত্যাশা থাকবে।’

দলটির দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক ক্লাবের সমন্বয়কারী ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক মো. বাইজীদ আহম্মেদ রনি বলেন, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথম প্রচেষ্টাতেই দ্বাদশ পাঞ্জেরী চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ফাইনালে জিতেছে।

তিনি আরও বলেন, চাঁবিপ্রবি বিতর্ক ক্লাবের সমন্বয়কারী হিসেবে প্রথম থেকেই এই বিতার্কিকদের আমি তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আজকে আমার শিক্ষার্থীদের সাফল্যে আনন্দ অনুভব করছি। আশা করি তারা ভবিষ্যতে ভালো ফলাফল অর্জন করবে।

 কলি