নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (২১ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন দুদক, নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান, উপসহকারী পরিচালক মো. জাহেদ আলম, কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিসসহ একটি দল।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রণীত নিয়োগ নীতিমালা লঙ্ঘন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে ড. মো. শফিউল্লাহ নামে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়োগকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক, রয়েছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, তাকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে গণ্য করে সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যদিও তিনি আগে সহকারী অধ্যাপক ছিলেন না। ইউজিসির নীতিমালায় স্পষ্ট বলা আছে, সহযোগী অধ্যাপক পদে আবেদন করতে হলে চার বছর সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ ছাড়া এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে নির্ধারিত জিপিএ থাকা বাধ্যতামূলক।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। সিনিয়র লেকচারার সমান সহকারী অধ্যাপক সারা বিশ্বে এটাই নিয়ম। পিএইচডি ডিগ্রি থাকলে যেকোনো একটি ফলাফল শিথিলযোগ্য। এ ছাড়া আমরা বিভিন্ন বিষয় ভেরিফাই করেই নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্তে এসেছি।’