ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরেও যাবেন: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যকে নেতৃত্বের ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অসাধারণ কৃতিত্ব: ৮ মাসে কোরআন হিফজ, সংবর্ধিত আল-আমীন ব্রাজিল ম্যাচ জেতায় মাথা ন্যাড়া করলেন আর্জেন্টিনার সমর্থক ফরিদপুরে ‘গে গ্রুপ’ ইস্যুতে ৩ জন আটক জামায়াত গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না: মির্জা ফখরুল ব্যস্ত জীবন, ভার্চুয়াল বিনোদন: আমরা এখন কোন পথে? লেবাননে হামলার জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা তেহরানের রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ধ্রুব-সম্পাদক জিসান বরিশাল বিভাগ এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশর দিনব্যাপী নৌ-বিহার আগস্টে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলে মাতোয়ারা ‘প্রচেষ্টা’র এক দিন জিয়াউর রহমান জনগণের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও থামেনি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬ হরিণাকুণ্ডুতে আ.লীগ–বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৬ ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সাঈদা শম্পার ‘মন বোঝে না’ চট্টগ্রামে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর ‘বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’ প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমান কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা! প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’ নায়িকা ববির কথিত স্বামী আবুল বাশার গ্রেপ্তার সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

রাবিতে চাকরিতে নিয়োগের দাবিতে জুলাই চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির অবস্থান

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
রাবিতে চাকরিতে নিয়োগের দাবিতে জুলাই চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির অবস্থান
রাবিতে চাকরিতে নিয়োগের দাবিতে জুলাই চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির অবস্থান কর্মসূচি। ছবি: খবরের কাগজ

রাবিতে ‘জুলাই চেতনা বাস্তবায়ন কমিটি’ নামে একটি প্লাটফর্ম সিন্ডিকেট সভায় জুলাইযোদ্ধা হিসেবে তাদের নিয়োগের দাবি করেছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে চাকরির জন্য অবস্থান নিয়েছে ‘জুলাই চেতনা বাস্তবায়ন কমিটি’ নামে এই প্লাটফর্ম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেষ সিন্ডিকেট সভা ঘিরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) উত্তপ্ত পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে।

প্লাটফর্মটি এই সিন্ডিকেটে জুলাইযোদ্ধা হিসেবে তাদের নিয়োগের দাবি করছে। এ জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ‘জোরপূর্বক’ উপাচার্যের অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন। অফিসের ভিতরে এক সাংবাদিক ভিডিও করায় তাকে ভিডিও ডিলেট করতেও চাপ দেওয়া হয়।

এদিকে এই প্ল্যাটফর্মটি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনকে ‘হুমকি’ দিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসনের একটি সূত্র। তবে উপ-উপাচার্য সেটাকে হুমকি হিসেবে না নিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে আজ সন্ধ্যায় ৫৪৬তম সিন্ডিকেট সভা বসবে। এই সভা ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই বেশ আলোচনা হচ্ছে ক্যাম্পাসে। অনেকে মনে করছেন, নির্বাচনের আগে এটাই এই প্রশাসনের শেষ সিন্ডিকেট সভা। এরপর প্রশাসনের অনেকেই হয়তো পদত্যাগ করবেন। এ কারণে নির্বাচনের আগে এই সিন্ডিকেট সভাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেট সভায় রাজপথে থাকা জুলাইযোদ্ধাদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য চাপও তৈরি হয়েছে। তবে প্রশাসন এই বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না।

প্রশাসনের সঙ্গে বসতে আজ সকাল থেকে ৬০ থেকে ৭০ জন ‘জুলাই চেতনা বাস্তবায়ন কমিটি’ প্লাটফর্মের নেতা-কর্মীরা নিয়োগের দাবি জানিয়ে ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন।

তারা প্রথমে বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার জন্য আসেন। উপাচার্যের আরেকটি কাজ থাকায় সেসময় তারা দেখা করতে পারেননি। পরে আরও কয়েক দফা দেখা করতে যান তারা। তবে দুপুরের দিকে দেখা করার জন্য তারা সবাই উপাচার্যের অফিস কক্ষে ঢুকে পড়েন।  

দুপুর সোয়া ১টার পর খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান উপাচার্যের অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি বলতে থাকেন, ‘কেন তারা একজন উপাচার্যের কক্ষে এভাবে প্রবেশ করেছেন। যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইল হারাতো। তাদের এখানে আসা উচিত হয়নি।’

এ সময় একজন সাংবাদিক বিষয়টির ভিডিও ধারণ করেন। এরপর সেখান থেকে প্রক্টর চলে গেলে ওই সাংবাদিককে উপাচার্যের কার্যালয়ে সবাই ঘিরে ধরে। তারা বার বার পরিচয় জানতে চায় এবং ধারণকৃত ভিডিও ডিলিট করার জন্য চাপ দেয়। একপর্যায়ে প্রক্টরকে ফোন করেন ওই সাংবাদিক।

ওই ফোনে জুলাই চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলে ওই সাংবাদিককে দেয়। তবে তারা ছেড়ে দেওয়ার আগে ফোন নম্বর, কোন বিভাগে পড়েন এবং পরিচয়পত্র চেক করে।

এর পর প্লাটফর্মটির সদস্যরা সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীনের কার্যালয়ে যায়। তারা সেখানে গিয়ে তাকে হুমকি দিয়ে এসেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

নির্বাচনের পর ‘জুলাইযোদ্ধাদের বলার জায়গা থাকবে না’

কর্মসূচিতে থাকা জুলাইযোদ্ধাদের দাবি, তারা রাজপথে বর্তমান প্রশাসনের অনেকের সঙ্গে আন্দোলন করেছেন। নির্বাচনের পর নতুন সরকার আসবে। তখন সেটা হয়ে যাবে জনগণের সরকার। তখন এভাবে জুলাইযোদ্ধাদের বলার জায়গা বা অধিকারের জায়গাটা থাকবে না। জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে গঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রশাসন বিপ্লবী প্রশাসন। তাই তারা চাকরির জন্য এখানে এসেছেন। কিন্তু প্রশাসন তাদের কথা শুনতে চাচ্ছে না।

জুলাই চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে স্বৈরাচার পতনে যারা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, তাদের মধ্য থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। প্রশাসন আগে এ বিষয়ে আশ্বাস দিলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে মজুরিভিত্তিক নিয়োগ হলেও আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা সেখান থেকে উপেক্ষিত হয়েছেন। তার ভাষ্য, বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগ পাওয়া অনেকেই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষকদের আত্মীয়স্বজনও নিয়োগ পেয়েছেন। এ ছাড়া মামলাভুক্ত কিছু শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে আজকে অন্তত পাঁচবার উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সাক্ষাতের সুযোগ না দেওয়ায় তারা উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে অবস্থান করছিলেন। তারা শেষ পর্যন্ত সাক্ষাতের জন্য রাত হলেও অবস্থান করবেন।’

সাংবাদিকের ভিডিও ডিলিট করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক হিসেবে তাকে চিনতে পারেনি অনেকে। এ কারণে তারা ভিডিওটা ডিলিট করতে বলেছিলেন। কারণ সেখানে নিউজ করার মত কিছু ঘটেনি।’

‘আমি থ্রেট ফিল করি না’

এদিকে নিজের দপ্তরে জুলাইযোদ্ধাদের হুমকি পেয়েও এটা থ্রেট হিসেবে দেখছেন না উপ-উপাচার্য মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন।
তিনি বলেন, ‘আজকের সিন্ডিকেট সভায় কোনো নিয়োগসংক্রান্ত এজেন্ডা নেই এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকশ মানুষের চাকরি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, এমন তথ্য আশপাশ এলাকায় গুজব আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে কিছু লোক নিয়োগ থেকে বাদ পড়ে যায় কি না তা নিশ্চিত হতে ক্যাম্পাসে এসেছিলেন তিনি।

হুমকি দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের থ্রেট ফিল করি না। কেউ আমাকে থ্রেট দিলে সেটাকে আমি থ্রেট হিসেবে নিই না। আসলে এখানে থ্রেটের মতো কোনো বিষয়ই নেই।’

রাতে ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে কোনো আশঙ্কা আছে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবস্থান করলেও কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হবে না। কারণ আজকের সিন্ডিকেটে নিয়োগসংক্রান্ত কোনো আলোচ্যসূচিই নেই।’

তারা দাবি করছে তারা জুলাইযুদ্ধা। তাদেরকে মূল্যায়ন করা হয়নি,  এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কথা হলো আমরা প্রসেসটা শুরু করতে পারি নাই। আমরা এমপ্লয়ী রিক্রুটমেন্টের জন্য যে সব অফিশিয়াল কাগজপত্র রেডি করা সেগুলা তো এখনো হয়নি আরকি। আমি ওটাই বলছি যে আমরা সেটা করলে ফরমালি সেই রিক্রুটমেন্ট শুরু করব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে জোর জবরদস্তি করে চাকরি আদায়ের চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থি। নিয়োগ হলে তা অবশ্যই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যোগ্যতার ভিত্তিতে হতে হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রশাসনিক কাজ ও শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত করে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর নামে এমন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। হুমকি বা চাপের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার অধিকার রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে আইনিভাবে মোকাবিলা করা হবে।’

নিয়োগ বন্ধে ইউসিজির হস্তক্ষেপ চেয়ে বিএনপিপন্থিদের চিঠি

এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতিতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ বন্ধে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, জিয়া পরিষদ ও ইউট্যাব। এই চিঠিতে এই তিন সংগঠনের সভাপতির স্বাক্ষর রয়েছে।

চিঠিতে তারা উল্লেখ করেছেন, তারা জানতে পেরেছেন যে আজ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সিন্ডিকেট সভায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান প্রশাসন নিয়ম বহির্ভূতভাবে অ্যাডহক ভিত্তিতে বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। গত জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল বৈষম্যবিরোধী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান কর্তৃপক্ষের নিয়োগের ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ছাড়াও এই দ্রুততম সময়ে বিজ্ঞাপন ছাড়া এতো অধিকসংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও আলোচিত হচ্ছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অভিভাবক হিসেবে এই নিয়ম বহির্ভূত অবৈধ নিয়োগ বন্ধে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, ‘এই ধরনের নিয়োগ তৎপরতা এক থেকে দেড় মাস ধরে চলছে। নির্বাচনের আগে এ ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রাখতে আমরা বার বার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে বলেছি। আজ ও গতকাল রাত থেকে এ নিয়ে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে একদল। এ কারণে আমরা আজ দুপুরে বিষয়টি ইউজিসি চেয়ারম্যানকে অবগত করেছি।’  

শাকিবুল হাসান/সুমন/

রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ধ্রুব-সম্পাদক জিসান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ধ্রুব-সম্পাদক জিসান
ধ্রুব-জিসান। ছবি: খবরের কাগজ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রেসক্লাবের ২০২৬-২৭ বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও দৈনিক ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক আশিকুল ইসলাম ধ্রুবকে সভাপতি ও একই বিভাগের একই বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদক জুবায়ের জিসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন ) বেলা ৩টায় সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-  সহ-সভাপতি ডেইলি ক্যাম্পাস ও মানবজমিনের প্রতিনিধি মারুফ হোসেন মিশন ও  দৈনিক ইনকিলাবের মিরাজ আফ্রিদি। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনটিভি ও দৈনিক বনিক বার্তার আবু ছালেহ শোয়েব, কোষাধ্যক্ষ দৈনিক নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি ফজলে রাব্বি পরশ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি ফাহমিদুর রহমান ফাহিম , প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি আজাহারুল ইসলাম মীর তুহিন, দপ্তর সম্পাদক দৈনিক মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি আবু বকর অনিক ও ক্রীড়া সম্পাদক এশিয়া পোস্টের সৈয়দ হুজ্জাত উল্লাহ মাহিন।

এতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মানবকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি বিপ্লব উদ্দিন, বাণিজ্য বার্তার প্রতিনিধি সামিয়া আক্তার ও জাগরণ নিউজের প্রতিনিধি  রাফাসান আলম।

ফলাফল ঘোষণার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রেসক্লাবের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার ও সদ্য বিদায়ী সভাপতি মনির হোসন মাহিন, মানবজমিনের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান ডালিম হোসেন শান্ত।

শাকিবুল হাসান/রিফাত/

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা
ছবি: খবরের কাগজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৫৫তম ব্যাচ) স্নাতকের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়েরি, ক্লাস ব্যাগ ও বার্ষিক ক্যালেন্ডার দিয়ে বরণ করে নেয়। বিভিন্ন অনুষদের প্রায় দুই হাজার নবীন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন নবীনদের একাডেমিক পড়াশোনা ও গবেষণায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল, নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ রাস্তাসহ নানা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আশা-আকাঙ্ক্ষা জানতে চান এবং যথাসম্ভব সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছ। তোমরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে দেশের যোগ্য মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

এর আগে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং প্রতিটি বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীরা বাহারি রকমের গাছের চারা রোপণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “তোমরা কঠোর প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেধার স্বাক্ষর রেখে দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় ঐতিহ্যের অংশ হতে পেরে এক অনন্য সুযোগ লাভ করেছ। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জায়গা নয়; এটি মুক্তবুদ্ধি চর্চা, সংস্কৃতি এবং আত্ম-আবিষ্কারের এক বিশাল মঞ্চও বটে।”

তিনি আরও বলেন, “এখানে তোমাদের এই নতুন পথচলাকে সফল করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি। আমরা চাই তোমরা শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় শিক্ষিত না হয়ে, একজন মানবিক, নৈতিক ও দায়িত্বশীল সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠো। সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাও, নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলো এবং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে অবিচল থাকো। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন ও মূল্যবোধ মেনে চলে তোমরা এই প্রতিষ্ঠানের সম্মান আরও উজ্জ্বল করবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রবসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

আমান/এএফ

জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ
ছবি: খবরের কাগজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের আগমনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তন সংলগ্ন রাস্তায় এ প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তাদের হাতে ‘একাডেমিক নিপীড়কদের ক্রমাগত দায়মুক্তি দেওয়ায় উপাচার্যকে অভিনন্দন’, ‘জুলাই বিচারের নামে অশ্বডিম্ব পাড়ায় অভিনন্দন’, ‘ভবন নির্মাণ is going well, গবেষণা is no more’সহ বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের প্রচার সম্পাদক সাদিয়া ইমরোজ ইলা বলেন, “বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে শুরু করে একাডেমিক সব কাজেই চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিচারের নামে প্রহসন, একাডেমিক নিপীড়কদের ক্রমাগত দায়মুক্তি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে অপরাধীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত করেছেন। ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার দুই মাস পার হয়ে গেলেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে ন্যূনতম অগ্রগতি নেই। এসব বিশৃঙ্খলার বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনতেই আমরা এ প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করেছি।”

জাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পদ্ধতি থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট উত্তোলন পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা হয়রানি ও অবিচারের শিকার হচ্ছেন। অভ্যুত্থানের পর উপাচার্য দায়িত্ব নিয়েও একাডেমিক কিংবা প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সামান্যতম পরিবর্তন আনতে পারেননি। এই ব্যর্থতার দায় মনে করিয়ে দিতেই আজকের কর্মসূচি। যতদিন শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত না হবে, ততদিন আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”

আমানউল্লাহ/এএইউ

চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে জাবির কর্মচারীদের অবস্থান

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:১১ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে জাবির কর্মচারীদের অবস্থান
ছবি: খবরের কাগজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কর্মরত কর্মচারীরা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টা থেকে নতুন প্রশাসনিক ভবনের নিচে প্রায় ৫০ জন কর্মচারী অবস্থান করেছেন।

প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দৈনিক মজুরিতে কাজ করে আসা এসব কর্মচারীদের মধ্যে অনেকেই ৯ থেকে ১৪ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ১১৭ জন কর্মচারী রয়েছেন। জ্যেষ্ঠরা ২০১৩ সালে এবং সর্বশেষ ২০১৭ সালে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সময় আন্দোলনকারীরা ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও, লড়াই করো’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’, ‘আমাদের দাবি মানতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কর্মচারীরা জানান, মাত্র ১৬,৫০০ টাকা বেতনে সংসার চালানোই কষ্টকর। কোনো লিখিত ছুটি, বোনাস বা অন্যান্য সুবিধা নেই। সন্তানের লেখাপড়া ও চিকিৎসার মতো মৌলিক প্রয়োজনগুলোও তাদের কাছে বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রশাসন চাকরি স্থায়ীকরণের আশ্বাস দিলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

শহিদ ফেলানি খাতুন হলের হল অ্যাটেনডেন্ট মো. আবু রায়হান বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক মজুরিতে কাজ করে যাচ্ছি। বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কিছুই হয়নি। সম্প্রতি ১৫ জন গার্ডের যে সার্কুলার হয়েছে, সেখানকার বয়সসীমা আমাদের অনেকেরই পার হয়ে গেছে। এতদিন স্থায়ী করার কথা বলে এখন আবেদন করতেও পারছি না।”

অবস্থান কর্মসূচির একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে। সুফিয়া কামাল হলের হল অ্যাটেনডেন্ট মোহাম্মদ নাইম বলেন, “আমাদের জানানো হয়েছে, শুরুতে ব্যানারে তারেক রহমানের ছবি থাকায় উপর মহলে গোয়েন্দা সংস্থার নেগেটিভ ধারণা হয়েছে। এজন্য প্রশাসন লিখিত ক্ষমাপ্রার্থনা চেয়েছে।”

তিনি আরও জানান, প্রশাসন এখন তাদের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অথচ নিয়োগের সময় সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছিল এবং ইউজিসি অনুমোদিত সিন্ডিকেটে অনুমোদন হয়েছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, “ইঙ্গিতে বলা হচ্ছে আমাদের নিয়োগ অবৈধ। এটা আমাদের জন্য পরোক্ষ হুমকি। ন্যায্য দাবি তুললেই যদি চাকরিটাও চলে যায়, তাহলে আমরা কোথায় দাঁড়াব? এতদিন কেন বলা হয়নি যে চাকরি অবৈধ? শুধু আশ্বাসই দেওয়া হয়েছে।”

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে আগামী রবিবার থেকে আরও তীব্র ও লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

আমানউল্লাহ/ এএফ

কিউএস র‍্যাঙ্কিংয়ে আবারও দেশসেরা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম
কিউএস র‍্যাঙ্কিংয়ে আবারও দেশসেরা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস ২০২৭-এ আবারও বাংলাদেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)। এবারের র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি ৯০১–৯৫০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় এক ধাপ অগ্রগতি নির্দেশ করে।

এ বছর বিশ্বের ১,৫০৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়নের আওতায় এনে র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে কিউএস। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নির্ধারণে এটি বিশ্বের অন্যতম স্বীকৃত সূচক হিসেবে বিবেচিত। একাডেমিক সুনাম, কর্মসংস্থান সক্ষমতা ও স্নাতকদের অর্জন, শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক সুযোগ-সুবিধাসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হয়।

র‍্যাঙ্কিংয়ে অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যার পরেই রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। সরকারি ও বেসরকারি—উভয় ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে পর্যায়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অবস্থান তৃতীয়। একই সঙ্গে এটি দেশের সর্বোচ্চ স্থানপ্রাপ্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অবস্থান বজায় রেখেছে।

এনএসইউর উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অবস্থান ধরে রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার প্রতিফলন। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, গবেষণা এবং বৈশ্বিক সম্পৃক্ততায় আরও উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করবে।”