ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সম্মানে বিনা তেলে তৈরি সাওল ইফতার

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০১ পিএম
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সম্মানে বিনা তেলে তৈরি সাওল ইফতার
ছবি: সংগৃহীত

শত শত বছরের তেলময় খাদ্যাভ্যাসের বিপরীতে বিনা তেলে তৈরি স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও সুস্বাদু ‘সাওল ইফতার’ আয়োজন করেছে সাওল হার্ট সেন্টার, বাংলাদেশ। 

বুধবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে ‘কাজল মিলনায়তনে’ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সম্মানে সাওলের ‘ওয়েল ফ্রি কিচেন’-এর তৈরি ব্যতিক্রমী, অভিনব ও জনসচেতনতামূলক এ ইফতার।

মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ভোজ্যতেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় সংযম সাধনের মাস রমজানে। কাটাছেঁড়া-রক্তপাত ছাড়া বিনা রিং, বিনা অপারেশনে হৃদরোগ চিকিৎসার পথিকৃৎ সাওল হার্ট সেন্টার, বাংলাদেশ ‘জনস্বাস্থ্য আন্দোলন’-এর অংশ হিসেবে রমজানে বিনা তেলে ইফতার তৈরি করে থাকে। হৃদরোগ সৃষ্টির ১৫টি কারণের মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল। এর মধ্যে ভোজ্যতেল মহাঘাতক। খাবারে ভোজ্যতেল পরিহার করতে পারলে হৃদরোগের, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ অতি ওজন, গ্যাস্ট্রিকসহ অনেক রোগের বিরাট ঝুঁকি দূর হয়ে যায়। ২০০৮ থেকে বিনা তেলে রান্না আর ২০০৯ সাল থেকে রমজানে সাওল হার্ট সেন্টার, বাংলাদেশ বিনা তেলে তৈরি স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও সুস্বাদু ‘সাওল ইফতার’ সরবরাহ করছে।

স্বাস্থ্য সচেতনতার এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে সাওল হার্ট সেন্টার, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান কবি মোহন রায়হান অতিথিদের ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

সাওল ইফতার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ম হামিদ, সিনিয়র সাংবাদিক শামসুদ্দিন পেয়ারা, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, সমাজতাত্ত্বিক সলিমুল্লাহ খান, দৈনিক প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, দৈনিক প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক, সমকালের উপদেষ্টা সম্পাদক আবু সাঈদ খান, নিউ এজের সম্পাদক নুরুল কবির, দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মোস্তফার মামুন, কথাসাহিত্যিক সুমন্ত আসলাম, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক আশিস সৈকত, মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা প্রধান রেজওয়ানুল হক রাজা, কবি ও লেখক ফরিদুর রহমান, ইনসাইডার সৈয়দ বোরহান কবির, কথাসাহিত্যক আন্দালিব রাশদী, সাংবাদিক মুন্নি সাহা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজ্জাদ আলম খান তপু, সাংবাদিক রুমি নোমান, মানবজমিনের প্রধান বার্তা সম্পাদক কাজল ঘোষ, কথাসাহিত্যিক ঝর্না রহমান, কবি কামরুল হাসান, কথাসাহিত্যিক সালাহউদ্দিন শুভ, লেখক এহসান মাহমুদ, কবি জাহানারা পারভিন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি, সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহিদ খান, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব ও লেখক হোসেন আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম, আইইডিসিআরের পরামর্শক, কাজী মিনা আহমেদ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল, সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডা. লিয়াকত আলী, ডা. আমিনুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল হামিদ প্রমুখ।

বিজ্ঞপ্তি/ইসরাত চৈতী/ 

ফয়েস লেকে ঈদ উৎসবে দর্শনার্থীদের ভিড়

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:২৭ পিএম
ফয়েস লেকে ঈদ উৎসবে দর্শনার্থীদের ভিড়
ছবি : খবরের কাগজ

ঈদ উৎসবে মেতে উঠেছে চট্টগ্রামের ফয়েস লেক। দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদ নিয়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আর  আনন্দ হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে ফয়েস লেক। 

এই ছুটির সময়ে সকলকে নিয়ে উল্লাসে মেতে উঠার সুযোগ পুরো বছরে কমই আসে। খুশির এই ঈদে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠার জন্য প্রস্তুত ফয়েস লেক কমপ্লেক্স। যেখানে সব বয়সি মানুষের আনন্দ বিনোদনের জন্য রযেছে অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, ওয়াটার পার্ক সি-ওয়ার্ল্ড, ফয়েস লেক রিসোর্ট, বেস ক্যাম্পসহ নানারকম আয়োজন।

ফয়েস লেক ভ্রমণে নগরবাসী পায় অনন্দের পরিপূর্ণতা। কারণ এখানে রয়েছে বিনোদনের সকল উপকরণ আর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যববস্থা।

সাধারণত ঈদের লম্বা ছুটিতে আনন্দ ভাগ করে নিতে উপচেপড়া ভিড় থাকে নগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো। চট্টগ্রামের অনেক পর্যটন কেন্দ্রের মাঝেও অন্যতম প্রধান বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে ফয়েস লেক কমপ্লেক্স বিবেচিত হয়।

চট্টগ্রাম শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত ৩৩৬ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত নগরীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র ফয়েস লেক কমপ্লেক্স। যার মধ্যে রয়েছে প্রায় পাঁচ কিলামিটার জুড়ে আঁকাবাকা সৌন্দর্যমণ্ডিত লেক। নগরের জিরো পয়েন্ট জিইসি থেকে তিন কিলোমিটার যাওয়ার পর মূল সড়কের একটু পাশেই বিশাল এক তোরণ, আর এই তোরণ পাড় করে ভেতরে প্রবেশ করলেই অ্যামিউজমেন্ট পার্ক। এই পার্ক সাজানো হয়েছে অনেকগুলো রাইড নিয়ে। 

উল্লেখযোগ্য রাইডগুলোর মধ্যে রয়েছে সার্কাস সুইং, বাম্পার কার, ফ্যামিলি রোলার কোস্টার, ফেরিস হুইল, পাইরেট শিপ, কফিকাপ, রেড ড্রাইল্লাইড, ইয়োলো ড্রাই-স্লাইড, বাগ বইন্স ইত্যাদি খাবার-দাবারের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট যেখানে পাওয়া যায় দেশি-বিদেশি নানা রকম খাবার অ্যাডভেঞ্চারল্যান্ড রেস্টুরেন্ট। ঠিক পাশেই দেখা মিলবে হরেক রকম মাছের খেলা। অ্যামিউজমেন্ট পার্কের সিড়ি ভেঙ্গে উপড়ে উঠলেই দেখা মিলবে ফয়েস লেকের।

লেকের দু-পাশে শুধু যেন সবুজের ছোয়া আর দিগন্ত জুড়ে নীল আকাশ জীববৈচিত্র্যে ভরপুর, সারি সারি পাহাড় আর হরেক রকম গাছ-গাছালি। এখানকার বিভিন্ন পাহাড়ের নামকরণ করা হয়েছে অরুণিমা, জলটুঙ্গি, গোধুলি, অস্তাচল, আকাশমণি, বনশ্রী, হিমঝুরি, আসমানি, গগণদ্বীপ, উদয়ণ প্রভৃতি নামে।

পাহাড়ের ঠিক উপড়েই আছে ফটো কর্ণার। যেখানে দেখা মিলবে নানা ভঙ্গিতে হরেক রকম প্রাণীর ভাস্কর্য। লেকের গা-ঘেঁষেই তৈরি করা হয়েছে সমুদ্রিক প্রাণীদের ভাস্কর্য নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে পিকনিক স্পট অ্যাকুয়াটিক জোন। 

ফয়েস লেকের বোট স্টেশন থেকে ইঞ্জিন বোটে দশ মিনিটের পথ পেরোলেই দেখা মিলবে দেশের সর্ববৃহৎ ওয়াটার পার্ক সি-ওর্য়াল্ড। একপ্রান্তে গড়ে তোলা হয়েছে জলের রাজ্যে এক রোমাঞ্চকর এই পার্ক। দিনভর সকলকে নিয়ে জলকেলি উৎসবে মেতে উঠার জন্য রোমাঞ্চকর সব রাইডে গড়ে তোলা হয়েছে এ জায়গাটি। এখানকার সবচেয়ে আর্কষণীয় স্থান কৃত্রিম সমুদ্র সৈকত যা ওয়েভ-পুল নামে পরিচিত। সাগরের ঢেউয়ের মতোই উচু উচু ঢেউ খেলা করে এখানে। টিউবে বসে ঢেউয়ের তালে ভেসে বেড়ানো যায় ইচ্ছেমতো, ডুবে যাওয়ার ভয় থাকেন না একদম।

ওয়েভ-পুলের ঠিক পাশেই রয়েছে ড্যান্সিং জোন যেখানে কৃত্রিম বৃষ্টি, নানা রঙ্গের আলো আর মনমাতানো মিউজিক তালে তালে নেয়ে উঠে আগত দর্শনার্থীরা। চিলড্রেন পুলটি সাজানো বাচ্চাদের উপযোগী অনেকগুলো রাইড নিয়ে যা দিয়ে অনায়াসে উপভোগ করতে পারে তাদের জন্য গড়ে তোলা এ স্বপ্ন রাজ্যটি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে মজা করার জন্য আছে ফ্যামিলি পুল। সামান্য উচু থেকে নিচের দিকে খুব দ্রুত নিচের দিকে পানির নিচে পড়ে মজা পায় দর্শনার্থীরা। বেশ উচু জায়গা থেকে আঁকাবাকা পথ পেরিয়ে পুলে ধপাস করে পড়ার মজা পাওয়া যাবে এখানকার স্লাইড ওয়ার্ল্ডে। এ ছাড়াও মালি প্রাইড, ডোম স্লাইড, প্লে-জোনের মতো মজার মজার সব রাইড।

ফয়েস লেক কমপ্লেক্সের ম্যানেজার বিশ্বজিৎ চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, ‘ঈদের উপলক্ষে ১০ দিন পর্যন্ত চলবে ডিজে শো। তরুণ তরুণীদের কাছে চট্টগ্রামের আনন্দ বিনোদনের সবচেয়ে আর্কষণীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত হয় ওয়াটার পার্ক সি ওর্য়াল্ড। ঈদের লম্বা ছুটি কাটাতে জন্য সঠিক গন্তব্য হতে পারে ফয়েস লেক রির্সোট ও বাংলো। ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাইডসে বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে।’ 

জানা যায়, ওয়াটার পার্ক সি-ওয়ার্ল্ড লাগোয়া রিসোর্টে রয়েছে শীততপ নিয়ন্ত্রিত পাহাড়মুখী ও হ্রদমুখী কক্ষ যেখান থেকে উপভোগ করা যাবে সবুজ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। নিরিবিলি পরিবেশে লেকের পাশেই পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে তোলা হয়েছে বাংলো। পর্যটকদের খাবার-দাবারের জন্য রয়েছে মানসম্পন্ন রেস্টুরেন্ট যা ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। 

লেকের পাড় বেয়ে উপড়ে উঠলেই বেস ক্যাম্পের মূল ফটক। আর এখানে ভেতরে প্রবেশ করে পাহাড়ি পথে সিড়ি পেরিয়ে জিপলাইনের কাঠামো এখান থেকেই তারে ঝুলে শূণ্যে ভেসে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাওয়ার ব্যবস্থা।

জিপলাইনের চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে পাহাড়ি পথ বেয়ে উঠলেই ট্রিটপ অ্যাডভেঞ্চার যেখানে ১০টি ধাপের নানারকম অ্যাডভেঞ্চারমূলক কার্যক্রম। বিভিন্ন ধাপের নিচে পাহাড়ি ঢল আর উপড়ে এক গাছ থেকে অন্য গাছে যেতে হয় হবে কাঠের পাটাতন টায়ার, সরু ব্রিজ, মাকড়সার জালের মতো জাল ধরে চলাচল, বাকা-ত্যাড়া নানা নকশার ছোট ছোট সেতু। এরপর অবস্টেবল কোর্স যা বেস ক্যাম্পের অ্যাডভেঞ্চারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। 

আরেক রোমাঞ্চকর অনুভূতি হবে জায়ান্ট সুইং-এ। প্রকাণ্ড এক লৌহ কাঠামোতে শূণ্যে ভেসে দোলার অনুভূতি নিয়ে শিহরণ জাগাবে। পাহাড়ের ঢালজুড় জারান্ট হামক যেখানে বসে বা শুয়ে নিরিবিরি প্রকৃতি অনুভব করা যায় নিজের মতো করে। পাহাড়ের পাদদেশে সাপের মতো আঁকাবাঁকা হ্রদ ভ্রমণে কায়া কিং উপভোগের দারুন এক সুযোগ।

বাচ্চাদের জন্য রয়েছে চিলড্রেনক্টিভিটিস এক এলাকা। বেস ক্যাম্পের সবকিছুই আউটডোর কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে আর্চারি, ওয়াটার জিপলাইন, ক্রলিং, মাডট্রেইল, প্যাডেল বোটিং, ওয়াটার জিপলাইন, রিভার ক্রসিং। ভ্রমণের পূরিপূর্ণতা দিতে সান্ধ্যকালীন সময়ে পুরো ক্যাম্প জুড়ে নাইটসাফারির ব্যবস্থা। ফয়েস লেক বেস ক্যাম্পে ভ্রমণ আরও রোমাঞ্চকর করতে খোলা আকাশের নিচে তাবু টাঙিয়ে রাত কাটানোর সুব্যবস্থা। হ্রদ ভ্রমণে কায়া কিং উপভোগের দারুন এক সুযোগ রয়েছে।

রয়েছে প্রাতঃরাশ থেকে শুরু করে দুপুর ও বিকেলের খাবারসহ বারবিকিউ-এর আয়োজন।
 
আবদুস সাত্তার/জোবাইদা/অমিয়/

পিসিআই-ডিএসএস সনদ পেল এনসিসি ব্যাংক

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ০২:১০ পিএম
পিসিআই-ডিএসএস সনদ পেল এনসিসি ব্যাংক
পিসিআই-ডিএসএস সনদ অর্জন করেছে এনসিসি ব্যাংক
কার্ডের তথ্য সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ পেমেন্ট কার্ড ইন্ডাস্ট্রি ডাটা সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ড (পিসিআই-ডিএসএস) সনদ অর্জন করেছে এনসিসি ব্যাংক।
 
সম্প্রতি এ উপলক্ষ্যে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ইনোভেশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) এম. শামসুল আরেফিন, সহযোগী সিএমএস পার্টনার ও আইটিসিএলের পরিচালক ওসমান হায়দার, ইআইসির সিইও মসিউল ইসলাম, এনসিসি ব্যাংকের এসইভিপি ও সিআইও মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, কার্ডস অ্যান্ড ডিজিটাল পেমেন্ট ডিভিশনের প্রধান জুবায়ের মাহমুদ ফাহিমসহ ব্যাংকের আইটি বিভাগের এবং ইআইসির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) এম. শামসুল আরেফিন বলেন, এই পিসিআই-ডিএসএস সার্টিফিকেশন  প্রাপ্তির মাধ্যমে এনসিসি ব্যাংকের কার্ডের তথ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা নতুন উচ্চতায় উন্নীত হলো এবং গ্রাহকদের কার্ডের তথ্যের নিরাপত্তা আরও বেশি সুরক্ষিত হলো।
 
তিনি বলেন, এনসিসি ব্যাংক গ্রাহদের তথ্যের নিরাপত্তা প্রদানে এবং সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় পিসিআই-ডিএসএস সার্টিফিকেশন অর্জন আমাদের আর্ন্তজাতিক মানের কর্ডের তথ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা অর্জনে সহায়ক হবে।
 
এসইভিপি ও সিআইও মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, বিশ্বখ্যাত পেমেন্ট কার্ড ব্রান্ড VISA, MasterCard, AMEX JBC কর্তৃক গৃহীত পিসিআই-ডিএসএ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত তথ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড। এনসিসি ব্যাংকের এই সার্টিফিকেশন অর্জন একটি মাইলফলক যা পুরো প্রজেক্ট টিমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে। 
 
পরিশেষে, তিনি পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যদের প্রতি এই অর্জনে সার্বিক সহোযোগীতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
 
অন্যান্যের মধ্যে আইটিসিএলের পরিচালক ওসমান হায়দার, ইআইসির সিইও মসিউল ইসলাম, এনসিসি বাংকের কার্ডস অ্যান্ড ডিজিটাল পেমেন্ট ডিভিশনের প্রধান জুবায়ের মাহমুদ ফাহিম এবং হেড অব ইনফরমেশন সিকিউরিটি অ্যান্ড আইটি গভর্ন্যান্স মো. মিজানুর রহমান তাদের বক্তব্যে, গ্রাহকদের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনে ব্যাংকের আরও এক ধাপ সামনে এগিয়ে যাওয়া এবং এই অর্জনের মাধ্যমে ব্যাংক মানসম্মতভাবে গ্রাহকদের সংবেদনশীল তথ্যগুলোর নিরাপত্তা বিধান করতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
 
বিজ্ঞপ্তি/অমিয়/

ঈদের আমেজে কনকা ফ্রিজে চলছে নগদ ছাড়

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ০১:০০ পিএম
ঈদের আমেজে কনকা ফ্রিজে চলছে নগদ ছাড়
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষকে ঘিরে দেশ ব্যাপী কনকা ফ্রিজে চলছে বিশেষ নগদ ছাড়। ফ্রিজে ঈদের খুশি এবার হবে বেশী বেশী এই অফারে ক্রেতাদের জন্য রয়েছে নগদ বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়।

দেশের যে কোনো ইলেক্টেধা মার্ট শোরুম, ডিসপ্লে সেন্টার, পার্টনার শোরুম ও ডিলারদের নিকট থেকে কনকা ফ্রিজ কিনলে পাচ্ছেন ক্রাচ কার্ডের কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে এই ছাড়।  

এর আওতায় ইতোমধ্যে বিশ হাজার টাকা নগদ ছাড় জিতে নিয়েছেন চট্টগ্রামের চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী গ্রামের মোহাম্মদ হেফাজ উদ্দিন, ঢাকার শাহজাদপুর সিটি ইলেকট্রনিক্স থেকে মোছাৎ শারমিন আক্তার, সাতক্ষীরার কলারোয়া মনির ইলেকট্রনিক্স থেকে মো.রেজাউল ইসলামসহ আরও অনেকে। কনকা ফ্রিজের সাথে থাকুন, পুরষ্কার  জিতুন, ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলন।

বিজ্ঞপ্তি/ইসরাত চৈতী/ 

রোকনুজ্জামান খান দাদাভাইয়ের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:১৭ পিএম
রোকনুজ্জামান খান দাদাভাইয়ের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী আজ
ছবি: সংগৃহীত

কচি-কাঁচার মেলার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রখ্যাত শিশু সংগঠক, শিশু সাহিত্যিক ও সাংবাদিক রোকনুজ্জামান খান দাদাভাইয়ের জন্মবার্ষিকী আজ। 

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দাদাভাইয়ের ৯৯তম জন্মদিনে বিকাল চারটায় কচি-কাঁচা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে জন্মশতবর্ষ অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী পর্ব।

২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল দাদা ভাইয়ের জন্মের শতবর্ষ পূর্ণ হবে। শিশু-কিশোরদের চিত্তবৃত্তির উন্মেষ ও সহজাত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনা ও দেশাত্মবোধে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দাদাভাই আমৃত্যু ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে গেছেন। কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা বর্ষব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশু কল্যাণব্রতী এই অনন্য মানুষটির জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।   

দাদাভাইয়ের জন্মশতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী, মহান মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা যোদ্ধা ও কেন্দ্রীয় মেলার সহ-সভাপতি সৈয়দ আবুল বারক আলভী। আলোচনা পর্বে অংশ নেবেন অধ্যক্ষ মাহফুজা খানম ও কেন্দ্রীয় মেলার সহ-সভাপতি খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান, কাশেম হুমায়ুন, আলপনা চৌধুরী এবং মো. আমিনুর রশীদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবে শিশুবক্তা আনুশা রহমান এবং সভাপতিত্ব করবে মেলার ভাই ইব্রাহিম আযান।

বিজ্ঞপ্তি/ইসরাত চৈতী/ 

বগুড়ায় জনতা ব্যাংকের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২১ এএম
বগুড়ায় জনতা ব্যাংকের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অসহায়, দরিদ্র মানুষদের খাদ্যসামগ্রী দিয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসি।

রবিবার (৯ এপ্রিল) বগুড়ার গাবতলী এলাকায় এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ব্যাংকের পরিচালক মো. আব্দুল মজিদ পাশার সভাপতিত্বে স্থানীয় সংসদ সদস‌্য অধ‌্যাপক ডা. মোস্তফা আলম নান্নু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে ব‌্যাংকের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের জিএম অরুণ প্রকাশ বিশ্বাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বন‌্যা, বিশিষ্ট ব‌্যক্তি ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। 

বিজ্ঞপ্তি/পপি/