ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

নষ্ট হচ্ছে সরকারের কোটি টাকা মূল্যের আধুনিক ভবন হাসপাতালে মাদকের আখড়া

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৪৫ এএম
হাসপাতালে মাদকের আখড়া
ছবি : খবরের কাগজ

ঢাকার ধামরাইয়ে অর্থ বাজেট ও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২০ শয্যার সরকারি হাসপাতাল ধ্বংসের মুখে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে পলেস্তারা, দরজা, জানালা। নির্মাণের ১৮ বছর পেরিয়ে গেলেও চিকিৎসাসেবার সুফল পাননি স্থানীয় সাধারণ জনগণ। নষ্ট হচ্ছে সরকারের কোটি টাকা মূল্যের আধুনিক ভবন। 

জানা গেছে, ২০০৬ সালের ৩ নভেম্বর ৪ একর জায়গার ওপর নির্মিত  হয়েছে হাসপাতালটি। বর্তমানে চালু হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই। হাসপাতালে নেই কোনো ডাক্তার, নার্স। নেই কোনো চিকিৎসাপত্র। রোগী আসে না, এলেও কোনো চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ নেই। হাসপাতালে কোনো ওষুধ নেই। নিরাপত্তার জন্য নেই কোনো নিরাপত্তা প্রহরী। সব সময় হাসপাতালটির প্রধান ফটকের ছোট গেট খোলা থাকে। হাসপাতালের সামনেই স্থানীয়দের গোবর শুকাতে দেখা যায়। মাঠে দেখা যায় গবাদিপশু চরছে। ডাক্তারদের আবাসিক ভবনের সামনে রয়েছে ময়লা আবর্জনা ও গোবর। দুপুর গড়িয়ে বিকেল বা সন্ধ্যা হলেই মাদকসেবীদের আড্ডা চলে। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখার পরও কিছু বলতে সাহস পান না। 

এমন দৃশ্য দেখা যায়, উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল রোয়াইল ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর এলাকায়। ২০০৬ সালের ৩ নভেম্বর ওই ২০ শয্যার হাসপাতালটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন  সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের  নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাপনা ইউনিটের প্রধান প্রকৌশলী কর্নেল মো. ফজলুর রশিদ মৃধা।  তিনি ওই গ্রামেরই সন্তান।

সরেজমিনে দেখা যায়, ২০ শস্যাবিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালটি  বেশির ভাগ সময়ই বন্ধ থাকে। আলমগীর হোসেন নামে একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োজিত রয়েছেন। তিনিও নিয়মিত আসেন না। প্রতি সপ্তাহে এক-দু দিন আসেন। আবার দু-এক ঘণ্টা থাকার পর চলে যান। নিরাপত্তা প্রহরী না থাকায় যে কেউ অনায়াসে হাসপাতালের ভেতর ঢুকতে পারেন। মূল হাসপাতালটির দরজার গ্লাস ভেঙে পড়ছে, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বাল্ব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ডাক্তার নার্সদের থাকার আবাসিক ভবনগুলোর ভেতরে চলে মাদকের আড্ডা। 

একটি আবাসিক ভবনের ভেতর দেখা যায়, বিড়ি-সিগারেটের প্যাকেট, মদের বোতল ও ইনজেকশনের সিরিজ। ভবনের ভেতর থেকে বেশির ভাগ বৈদ্যুতিক পাখা, তার ও বাল্ব নিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।

কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা অনেক দূরে গিয়ে পড়াশোনা করি। হাসপাতালটি চালু না হলে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হয়, তাহলেও অনেক উপকার হবে। তা ছাড়া এই হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে যাবে, পরিণত হবে মাদকসেবীদের আড্ডাখানা। আমরা মানুষের সেবার জন্য জায়গা দিয়েছি। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কোনো সেবা ১৮ বছর পেরিয়ে গেলেও পাইনি।’

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ বলেন, ‘হাসপাতালের কোনো কার্যক্রম নেই। একজন লোক সপ্তাহে দু-এক দিন আসেন। কিছু সময় থেকে চলে যান। চিকিৎসা নিতে গেলে বলেন, আপনারা এখানে আসেন কেন? কোনো ওষুধপত্র নেই। যারা আসেন তারা বলেন, আমরা শুধু উপস্থিতি দেখানোর জন্য আসি। না হলে চাকরি চলে যাবে।’

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম ইফাত বলেন, ‘হাসপাতাল থাকার দরকারটা কী, যদি চিকিৎসাই দিতে না পারে? তার বদলে স্কুল করে দিলে আমরা পড়াশোনা করতে পারব।’

৭০ বছরের বৃদ্ধ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতাল নির্মাণের পর আজও চালু হয়নি। এভাবেই পড়ে আছে। ডাক্তার আসেন, কোনো চিকিৎসা দেন না। এসেই চলে যান।’ 

স্থানীয় শহিদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজও চালু হয়নি। হাসপাতালটি চালু হলে সাধারণ জনগণকে আর সাভার, মানিকগঞ্জ গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে না। আর চালু না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করা হোক। তারপরও যেন কোটি টাকার হাসপাতালটি ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে যায়।’ 

স্থানীয় আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বিকেলের দিকে বহিরাগত লোকজন আসে। রাত পর্যন্ত থাকে। মাদকের আড্ডা বসে।  সব জানার পরও স্থানীয়রা কেউ কোনো কথা বলতে সাহস পায় না। ডাক্তারদের থাকার যে ভবনগুলো রয়েছে, সেখানে শুধু মাদকের চিহ্ন রয়েছে।’

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আলমগীর হোসেন বলেন,  হাসপাতাল ও ওষুধপত্রের  জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। নেই কোনো নিরাপত্তা প্রহরী। চারপাশের দেয়ালের নিচে দিয়ে লোকজন ভেতরে চলে আসে। তদারকির লোকজন না থাকায় মাদকসেবীদের আড্ডার জায়গা হয়ে উঠেছে। যদি হাসপাতালটি চালু করা যেত, একদিকে কোটি টাকার ভবন ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পেত। অপরদিকে স্থানীয় গরিব অসহায় লোকজনের জন্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যেত। কৃষ্ণনগর গ্রামের লোকজন সঠিক চিকিৎসা পেত। অর্থ বাজেট না থাকায় কোনো ওষুধ দিতে পারি না। তবে ডাক্তার আসার কথা স্বীকার করলেও চিকিৎসা দিতে পারেন না বলে স্বীকার করেন আলমগীর হোসেন। 

মাদকের বিষয়টি তিনি স্বীকার করে জানান, গেটে পাহারাদার না থাকায় লোকজন অবাধে বিচরণ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত আরা বলেন, আন্তবিভাগের জন্য বরাদ্দ না থাকায় আন্তবিভাগ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু আউটডোর চালু আছে। 

গোপালগঞ্জে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:১৬ এএম
গোপালগঞ্জে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
ছবি : খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে সাহিদ শেখ (৩৩) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) ভোর রাতে মুকসুদপুর উপজেলার মোচনা ইউনিয়নের আইকদিয়া গ্রামের মিঠাপুকুর নামক স্থান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত খবির শেখের ছেলে।

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

তিনি জানান, একটি নারিকেল গাছের তলায় সাহিদ শেখকে পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মৃতদেহের বুকে, পিঠে ও মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর ওই স্থানে ফেলে রেখে যেতে পারে দূর্বৃত্তরা। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা না হলেও বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। 

বাদল সাহা/জোবাইদা/অমিয়/

ঈদের ছুটি শেষে সচল বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:১৫ এএম
ঈদের ছুটি শেষে সচল বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর
ছবি : খবরের কাগজ

ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষের ছুটি শেষে সচল হয়েছে পঞ্চগড়ের চার দেশীয় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম। 

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভূটানের সঙ্গে পাথরসহ সকল প্রকার পণ্য আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম সচল হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি আব্দুল লতিফ তারিন। 

পবিত্র ঈদুল ফিতর, শবে কদর ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যবসায়ীদের যৌথ সিদ্ধান্তে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে গত ৮ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। ছুটি শেষে সোমবার সকাল থেকে পুনরায় স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হয়েছে।

তবে স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও স্বাভাবিক ছিল বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত।

এ বিষয়ে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষের ছুটি শেষে আজ সকাল থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম সচল হয়েছে।

রনি মিয়াজী/জোবাইদা/অমিয়/

ডাকাতিয়ার পাড়ে মাসব্যাপী বৈশাখী মেলা

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৪৭ এএম
ডাকাতিয়ার পাড়ে মাসব্যাপী বৈশাখী মেলা
ছবি : খবরের কাগজ

চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ষবরণ ও প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে মাসব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং চাঁদপুরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে বর্ণিল আনন্দ শোভাযাত্রা ডাকাতিয়ার পাড়ে বৈশাখী মেলায় এসে শেষ হয়। পরে সেখানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ও বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।

বৈশাখী মেলাকে ঘিরে ডাকাতিয়ার পাড়ে বসে হরেক রকম পণ্যের দোকান। এসব দোকানগুলোতে মাটির তৈরি খেলনাসহ লোকজ সংস্কৃতির হরেক রকম পণ্য দেখা গেছে। 

সকাল থেকেই বৈশাখী মেলায় যেনো মানুষের ঢল নামে। গ্রামাঞ্চল থেকে ট্রেনে, বাসে করেও আনন্দপ্রিয় মানুষদের ছুটে আসতে দেখা যায় সার্বজনীন এ উৎসবে। 

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শান্ত বলেন, ‘এই প্রথম চাঁদপুরে প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মাসব্যাপী বাঙালির সাংস্কৃতিক উৎসব বৈশাখী মেলা আয়োজন করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য বাঙালিকে জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করা। শুধুমাত্র পহেলা বৈশাখে এটি সীমাবদ্ধ না থাকে, বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য যাতে সারাবছর মানুষ ধারণ করে, তার চেষ্টা করতে হবে। আমরা যত জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হব, তত আমরা বিভিন্ন অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়তে পারব।’

জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের আয়োজনটি বাঙালির সংস্কৃতির আয়োজন। নতুন প্রজন্মদেরকে আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই কিন্তু আমাদের এই আয়োজন। সংস্কৃতির অংশ হিসেবে আমরা বিভিন্ন দেশীয় খেলাধুলার আয়োজন করে পুরস্কৃত করেছি। নতুন প্রজন্ম এখন বেশিই আধুনিক। তারা যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। কারণ র্যালিতে নতুন প্রজন্মদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।’

শরীফুল ইসলাম/জোবাইদা/অমিয়/

নরসিংদীর সড়কে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৪৪ এএম
নরসিংদীর সড়কে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া
ছবি : খবরের কাগজ

নরসিংদীর সড়কে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। আর তা না দিলে যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে বাসের হেলপাররা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদ পরবর্তী পহেলা বৈশাখে ঘুরে ফিরে ঘর ও কর্মস্থলমুখী যাত্রীরা নরসিংদীর ভৈরব বাসস্ট্যান্ড, জেলখানা মোড়, পাঁচদোনা মোড়ে টঙ্গী-গাজীপুর বাসস্ট্যান্ড, মাধবদী বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করছে চালক ও হেলপাররা। বাড়তি টাকা না দিলে বাসে যাত্রী নিচ্ছে না। এতে ভোগান্তিতে পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।

সজল সাহা নামে এক যাত্রী জানান, ভেলানগর থেকে টঙ্গী যাবেন তিনি। উত্তরা পরিবহন ট্রান্সপোর্ট লিমিডেটের রপ্তানিমুখী একটি বাসের হেলপার তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে। বেশি টাকা না দিতে চাওয়ায় বাসে তুলে আবার নামিয়ে দিয়েছে।

এ সময় ওই গাড়ির চালকের দুই সহযোগীর কাছে জানতে চাইলে তাদের দুর্ব্যবহার আরও প্রকাশ্যে আসে।

পাঁচদোনা মোড়ে টঙ্গী-গাজীপুর বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, স্থানীয়দের দাপটে কাউন্টারে বসা টিকেট বিক্রেতারা কাউকে পরোয়া না করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বাড়া নিচ্ছে। রাত সাড়ে ৭টার দিকে উত্তরা পরিবহন ট্রান্সপোর্ট লিমিডেট রপ্তানি কাউন্টারে অভিযোগের বিষয়ে জানালে তারা বলেন, ‘হে বেশি নিচ্ছি, তাতে কি হইছে?’

এ সময় কাউন্টারে বসা মো. রনি নামে এক যুবক বেশ দাপটে কথা বলেন, ‘নিউজ করেন বা অভিযোগ দেন গিয়া। আমনের ভাড়া লাগতো না। ফেরত লইয়া যান।’ 

অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে ও যাত্রী হয়রানি করছে ট্রাফিক পুলিশের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে, নরসিংদীর ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ঈদের আগে থেকে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ নেই। তবুও আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।’ 

খন্দকার শাহিন/জোবাইদা/অমিয়/

কালিয়াকৈরে বাসচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৯ এএম
কালিয়াকৈরে বাসচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

গাজীপুরে কালিয়াকৈরে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বাসের চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- উপজেলার বড়ইতলী গ্রামের আসিফ মাহমুদ (২৬) ও তার স্ত্রী তানজিম বকশী (২১)।

নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন তাদের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, নিহত আসিফ ও তানজিম তাদের আত্মীয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে বাইপাস এলাকায় মহাসড়ক পার হওয়ার সময় টাঙ্গাইলগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে দুজন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাদের সাভারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেওয়ার পথেই তাদের মৃত্যু হয়।

ওসি বলেন, স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনায় বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে। মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ওসি জানান, ‘রাতে দুরপাল্লার মালামাল লোড করা ট্রাকগুলো খুব ধীরগতিতে কালিয়াকৈর ফ্লাইওভারে উঠে। দুরপাল্লার বাস ওই ধীরগতি ট্রাকের পেছন না গিয়ে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে বেপরোয়া গতিতে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, এ বেপরোয়া গতির জন্যই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

পলাশ প্রধান/সাদিয়া নাহার/অমিয়/