ঢাকা ৬ বৈশাখ ১৪৩১, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

পতেঙ্গায় ফিশিংবোটে আগুন, আরও এক জেলের মৃত্যু

প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:০৫ পিএম
পতেঙ্গায় ফিশিংবোটে আগুন, আরও এক জেলের মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় একটি ফিশিং বোটের ইঞ্জিন বিস্ফোরণ হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মাহমুদুল করিম (৩৯) নামের আরও এক জেলের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মাহমুদুল করিমের ভাই আনছারুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

জানা গেছে, মাহমুদুল করিম মহেশখালী পৌরসভার ঘোনারপাড়া এলাকার মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র। 

গত ২৮ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় একটি ফিশিং বোটের ইঞ্জিন বিস্ফোরণ হয়ে ৪ জন দগ্ধ হয়েছিল। পাশাপাশি আব্দুল জলিল নামের একজন নিখোঁজ ছিলেন। দুদিন পর আব্দুল জলিলের মরদেহ কর্ণফুলী নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। 

তাছাড়া গত ৩১ মার্চ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন শাহ আলম মাঝি। শাহ আলম মাঝি উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের লম্বাঘোনা এলাকার মো. বোরহানের পুত্র। তাছাড়া আজ সোমবার মাহমুদুল করিম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সবমিলিয়ে এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। 

তারেক মাহমুদ/এমএ/

চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৩ ডিগ্রি

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৪০ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৩ ডিগ্রি
ছবি : খবরের কাগজ

৭০ বছর বয়সী আব্দুল ওহাব। টানা ৩৫ বছর ধরে চুয়াডাঙ্গা শহরে রিকশা চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এই তীব্র গরম আর রোদে এখনো পায়ে প্যাডেল ঘুরিয়ে রিকশা চালাচ্ছি। অল্পতে হাঁপিয়ে উঠছি। কিছুক্ষণ পরপর বিশ্রাম ও শরীরে পানির ছিটা নিতে হচ্ছে। গরমে তেমন কেউই বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে যাত্রীও কম হচ্ছে।’

কয়েকদিন ধরে চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখিরও হাঁসফাঁস অবস্থা। তীব্র খরতাপে স্বস্তি নেই কোথাও। অনাবৃষ্টি, খরতাপে ফলমূল, ফসলি জমি, সবজি নষ্ট হয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন কৃষকরা। 

শুক্রবার (১৯) এপ্রিল বেলা ৩টায় জেলায় ৪১ দশমিক ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১৭ শতাংশ। যা চলতি মৌসুমে এ জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি,  বুধবার (১৭ এপ্রিল) ৪০ দশমিক ৮ ডিগ্রি ও মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। যা ছিল দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

চলমান তাপদাহে জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে হিটস্টোক প্রতিরোধে জেলাব্যাপী মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হচ্ছে।

ফসল রক্ষায় কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, ‘আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগামী আরও কিছুদিন তীব্র দাবদাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এমতাবস্থায় ফল বিভাগ, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট চাষীদের পরামর্শ দিয়েছে।’

বেশ কয়েকজন পান চাষি বলেন, ‘রোদের কারণে ক্ষতির মুখে পান গাছ। শুকিয়ে যাচ্ছে পানের বরজ। ঝরে পড়ছে পান পাতা। ওষুধ দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে চাষিদের।’

জেলার জীবননগর উপজেলার চাষি ইজাজ উদ্দিন বলেন, ‘আমার জমির ধান শুকিয়ে যাচ্ছে। তীব্র রোদের কারণে কিছু ধান গাছ মারাও গেছে। জমিতে সেচ দিতে হচ্ছে একদিন পরপর। তাতে অনেক খরচ হচ্ছে। এ ছাড়া বাগানের আম, কাঁঠাল ও লিচু ঝরে যাচ্ছে।’

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, ‘আজ বেলা ৩টায় জেলায় ৪১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।’

আফজালুল হক/সালমান/

মৌলভীবাজারে বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট পালন

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৩৫ পিএম
মৌলভীবাজারে বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট পালন
ছবি : খবরের কাগজ

জলবায়ু পরিবর্তনের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এবং পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট ২০২৪ পালন করেছে মৌলভীবাজারের অর্ধশত শিক্ষার্থী।

ধর্মঘটকারীরা জানান, বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে খরা, বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যাবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে পরিবেশের ভারসাম্য।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে চাঁদনীঘাট মনুব্রিজ সংলগ্ন স্থানে ‘বেঁচে থাকার অধিকার, চাই জলবায়ুর সুবিচার’ স্লোগানে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইকের ব্যানারে এই জলবায়ু ধর্মঘটের আয়োজন করা হয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানান ধর্মঘটকারীরা। এ সময় তারা তাদের দাবি-সংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।

এ সময় ধর্মঘটকারীরা জানান, বিশ্বের তাপমাত্রা আরও বাড়লে, খরা, বন্যা ও প্রচণ্ড গরমের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। যা কয়েক মিলিয়ন মানুষের ধ্বংস, বাস্তুচ্যুতি ও দারিদ্র্যের কারণ হবে। বিশেষ করে বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর মানুষের জন্য এটি একটি বিড়ম্বনার বিষয়। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনে এ অঞ্চলের লোকেরা সবচেয়ে কম ভূমিকা রাখলেও, সবচেয়ে বড় মূল্য তাদের দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের মুখে পড়ার জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বলে উল্লেখ করেন ধর্মঘটকারীরা।

ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক দ্বীপ্র ধর অর্ঘ্য বলেন, ‘আমাদের ধর্মঘট থেকে বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের কাছে আমরা দাবি জানাই যে, জ্বালানি ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ চাই, ক্ষতিকর জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধ চাই। তাই আমাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে তরুণ ও সচেতন মহলের এগিয়ে আসতে হবে।’

ধর্মঘটে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জাতীয় পরিষদ সদস্য আ স ম সালেহ সোহেল বলেন, ‘এই জলবায়ু ধর্মঘটে নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের বিরুদ্ধে একসঙ্গে আওয়াজ তুলতে সংগঠিত হতে সহায়তা করবে। আমরা মুখবুজে কষ্ট সহ্য করতে পারি না। সময় এসেছে কীভাবে পৃথিবীকে সুরক্ষিত করা যায় এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা যায়।’

পুলক পুরকায়স্থ/জোবাইদা/

নির্বাচনি ষড়যন্ত্রে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দাবি উপজেলা চেয়ারম্যানের

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৩৩ পিএম
নির্বাচনি ষড়যন্ত্রে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দাবি উপজেলা চেয়ারম্যানের
ছবি : খবরের কাগজ

বরগুনার তালতলীতে একই নারীর সঙ্গে একের পর এক রাজনৈতিক নেতাদের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরালের ঘটনার পর বিষয়টিকে নির্বাচনি ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তালতলী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজকবি-উল-কবির জোমাদ্দার। 

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে তার বাসভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

সংবাদ সম্মেলনে রেজকবি-উল-কবির বলেন, 'আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমার নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বী  ঈর্ষান্বিত হয়ে গত নির্বাচনের মতো এবারও আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বর্তমানে মিথ্যা এবং বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে নিয়ে প্রযুক্তির কারসাজির মাধ্যমে (সুপার এডিট) নোংরা ষড়যন্ত্র করে সামাজিকভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। যে বিষয়টি নিয়ে আমি খুবই বিব্রত এবং লজ্জিত। আমাকে নিয়ে যে কুচক্রী মহলটি এই অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেব।'

বৃহস্পতিবার তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পচাকোড়ালীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদারের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর অবস্থার ছবি-ভিডিও ভাইরাল হয়। এর আগে গত ১২ এপ্রিল তালতলী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন মিঠুর সঙ্গেও ওই একই নারীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তিনি তার সাংগঠনিক পদবঞ্চিত হন। 

এ ছাড়াও তালতলী উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আরও স্থানীয় কয়েক নেতার সঙ্গেও ওই একই নারীর এমন ভিডিও রয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। এ নিয়ে ইতিমধ্যে তালতলীর নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাচ্চু ওই নারীর বিরুদ্ধে তালতলী থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করেন। ওই মামলার সাক্ষী ছিলেন চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার এবং ওই মামলায় বর্তমানে জেলহাজতে আছেন ওই নারী।

মহিউদ্দিন অপু/জোবাইদা ইসলাম/

তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে সমুদ্রের টানে পর্যটকরা

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:২৩ পিএম
তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে সমুদ্রের টানে পর্যটকরা
তীব্র তাপদাহ উপেক্ষা করে মানুষ ঘুরতে এসেছে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। ছবি: খবরের কাগজ

তীব্র গরম উপেক্ষা করে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আনন্দ উল্লাসে মেতে হাজার পর্যটক। ৪৩ বছরের ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাতেও নোনা জলে জলকেলিতে প্রশান্তি খোঁজ করছেন তারা। তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় বিক্রি বেড়েছে স্থানীয় শরবত ও কোমল পানিয়র দোকানগুলোতে।

নাগরিক কোলাহল থেকে মুক্তি পেতে প্রতি সপ্তাহের ন্যায় শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) পর্যটন নগরী পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হাজার পর্যটক ভ্রমণে এসেছে। সকাল থেকে তীব্র গরম উপেক্ষা করে সৈকতের তপ্ত বালিতে প্রিয়জনের সঙ্গে ছাতা হাতে কেউবা আবার মাথায় ক্যাপ-গামছা পেঁচিয়ে হেঁটে বেরাচ্ছেন। কেউবা আবার বেঞ্চিতে বসে শান্ত সমুদ্রের বিশালতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য  উপভোগ করছেন। তীব্র গরমের কারণে অনেকে হোটেল রুমে অবস্থান করছেন। ফলে ট্যুর গাইডগুলো অনেকটাই অলস সময় পার করে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত।

ফরিদপুর থেকে বন্ধুদের নিয়ে কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা ফয়সাল জানান, প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করেই ঘুরতে আসতে হয়েছে কেননা ইদ ছাড়া সব বন্ধুরা এক হওয়া হয় না। ঈদের ছুটিতে সবাই এক সঙ্গে ঘুরতে এসেছি আর এই গরমে সমুদ্রে সময় কাটাতে ভালোই লাগছে।

মাগুরা থেকে ঘুরতে আসা মাহাতাব হোসাইন বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে এই প্রথমবার কুয়াকাটা এসেছি। বছরের শুরুতেই পরিকল্পনা করে রেখেছিলাম কিন্তু এত গরমের মধ্য আসতে হবে বুঝতে পারিনি। সমুদ্র সৈকতে এসে বাচ্চারা অনেক খুশি কিন্তু এত গরমে বেশি সময় বিচে থাকা অসম্ভব।’

তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরমে সবেচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ফুটপাতের দোকানদার, অটোরিকশাচালক, সৈকতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলো। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরাও পড়েছেন বিপাকে।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এলাকার ভ্যানচালক সুলতান আহমেদ বলেন, ‘এই মৌসুমে যাত্রীর অনেক চাপ এবং ইনকামও বেশি কিন্তু সারাদিন রোদে গরমে যাত্রী আনা-নেওয়ায় খুব কষ্ট হয়।’

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ডাব ব্যবসায়ী সিদ্দিক খান বলেন, ‘প্রচন্ড গরমের মধ্যে আমাদের কুয়াকাটায় অনেক লোকজন আসতেছে। এই গরমে সবাই ডাব খাইতেছে। গরমের কয়দিনে আমার ব্যবসাও ভালো হইতেছে।’

ঝিনুক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পর্যটক বেশি হলেও বিকাল ছাড়া কাস্টমার হয় না কারণ এই গরমে সবাই সমুদ্রে সময় কাটায় না হয় হোটেলে। সারাদিন কাস্টমার থাকলে বেশি বেচাকেনা হত।’

কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছেন টুরিস্ট পুলিশ। সার্বক্ষণিক মাইকিং করে সচেতন করা হচ্ছে পর্যটকদের। তীব্র গরমে কোন পর্যটক অসুস্থ হয়ে পরলেও আমরা তার সেবা নিশ্চিতকরণে কাজ করবো। আমাদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সদস্যরাও পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’

বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কলাপাড়া স্টেশনের টহল টিম ইনচার্জ ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমরা সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি সৈকত এলাকায় অবস্থান করি। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় ফায়ার সার্ভিসের একটি টহল টিম সব সময় প্রস্তুত আছে। যেকোনো দুর্ঘটনা মোকাবেলায় আমরা তৈরি আছি।’

হাসিবুর রহমান/সাদিয়া নাহার/

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:১৯ পিএম
ফরিদপুরের নগরকান্দায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ছবি : খবরের কাগজ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ট্রেনে কাটা পড়ে মো. মিঠু নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের পাড়াদিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ভাটিয়াপাড়া এক্সপ্রেস নামের একটি ট্রেন নগরকান্দার পাড়াদিয়া নামক স্থানে পৌঁছালে রেললাইনে থাকা ওই ব্যক্তির রেলে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। নিহত মিঠু সদরপুরের যাত্রাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আমিনুর রহমান বলেন, 'খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজবাড়ী রেলওয়ে পুলিশের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।'

সঞ্জিব দাস/জোবাইদা/