ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত স্ত্রী, আশঙ্কাজনক স্বামী

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১০:১২ এএম
লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত স্ত্রী, আশঙ্কাজনক স্বামী

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে গভীর রাতে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে জ্যোৎস্না আক্তার (৩০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন তার স্বামী আলাউদ্দিন (৩৬)। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাত আড়াইটার দিকে নুরুল হকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত ও আহত স্বামী-স্ত্রী দুজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। 

আহত আলাউদ্দিন মৃত শাহে আলমের ছেলে।

অভিযুক্তরা হলেন- একই এলাকার বকুলের বাপের বাড়ির আবদুর রবের ছেলে সিরাজ, মাহফুজ ও নিজাম। তারা সম্পর্কে আলাউদ্দিনের খালাতো ভাই।

আহত আলাউদ্দিনের মামা নুরুল হক ও স্বজনরা জানান, রমজান মাসে আলাউদ্দিনের বসতঘরের পাশের একটি পুকুরে ড্রেজিং করে মাটি নিয়ে যায় অভিযুক্ত সিরাজ। এরপর গেল সপ্তাহে ওই পুকুরে আবারও পানি নিষ্কাশনের জন্য সেচ পাম্প বসায় সিরাজ। এতে বাড়িঘর পুকুরে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় বাধা দিলে আলাউদ্দিনের সঙ্গে সিরাজের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় সিরাজ।

এই বিরোধের জেরে রবিবার রাত ২টার দিকে আলাউদ্দিনের ঘরে হামলা চালায় সিরাজ, মাহফুজ ও নিজামসহ ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল। এ সময় দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রীকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা আহত স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক জ্যোৎস্না বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আলাউদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. এ কে আজাদ জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। আলাউদ্দিনের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।
 
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার খবরের কাগজকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রফিকুল ইসলাম/জোবাইদা/অমিয়/

সিসিকের হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিল করে রি-এসেসমেন্টের সিদ্ধান্ত

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ১২:১১ পিএম
সিসিকের হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিল করে রি-এসেসমেন্টের সিদ্ধান্ত
ছবি: খবরের কাগজ

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) চলমান ২৭টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং ট্যাক্স রি-এসেসমেন্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ মে) রাত ৮টায় নগর ভবনে এক জরুরি সাধারণ সভার পর সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।  

এর আগে সিটি মেয়রের সভাপতিত্বে এবং কাউন্সিলরদের সম্মতিক্রমে সব হোল্ডিংয়ের এসেসমেন্ট, রি-এসেসমেন্ট বাতিল করা এবং ৪২টি ওয়ার্ডের হোল্ডিংগুলো নতুন করে রি-এসেসমেন্টের সিদ্ধান্ত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, ‘৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় অব্যাহত থাকবে। কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে করপোরেশনের নাগরিকদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে ২৭টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট, রি-এসেসমেন্ট বাতিল করে হোল্ডিংসমূহে নতুন করে রি-এসেসমেন্ট ও একই সঙ্গে নতুন অন্তর্ভুক্ত ১৫টি ওয়ার্ডের এসেসমেন্ট কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

এ সময় বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের জন্য নগরবাসীকে অনুরোধ জানান তিনি।

মেয়র বলেন, চলমান এসেসমেন্ট নিয়ে নগরবাসী ধৈর্যশীলতার সঙ্গে আমার অনুরোধ রেখেছেন। এ জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নগরীর কল্যাণে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। জনগণের প্রতিষ্ঠানে জনমত প্রাধান্য পাবে।

এ সময় সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, সচিবসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

শাকিলা ববি/ইসরাত চৈতী/অমিয়/  

জামালপুরে ধানখেত থেকে অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ১২:০৫ পিএম
জামালপুরে ধানখেত থেকে অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরে ধানখেত থেকে শাহাদাত হোসেন (৫৫) নামে এক অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

শনিবার (২৫ মে) সকালে সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের পারপাড়া গ্রামের ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের পারপাড়া গ্রামে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের অদূরে ধানক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। 

এদিকে ঘটনাস্থল থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে পূর্ব কুটামনি গ্রামের এক বাঁশঝাড়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পরিত্যাক্ত অবস্থায় পরে থাকতে দেখা যায়, পরে পুলিশ অটোরিকশাটি উদ্ধার করে। 

নিহত শাহাদাত সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের ভেড়া পাথালিয়া গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে। তিনি গতকাল রাত ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেন নি।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহব্বত কবীর খবরের কাগজকে বলেন, নিহত অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। নিহতের অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হলেও ব্যাটারি চুরি হয়ে গিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

আসমাউল আসিফ/ইসরাত চৈতী/  

ফরিদপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে ৪০ হাজার ডলার উদ্ধার

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ১১:২২ এএম
ফরিদপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে ৪০ হাজার ডলার উদ্ধার
উদ্ধার করা ডলার

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা পুলিশ এক চোরকে আটক করেছে। এ সময় টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে চুরি করা প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন ডলার উদ্ধার করা হয়, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৭ লাখ টাকা।

শুক্রবার (২৪ মে) পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভাঙ্গা পৌরসভার রায়পাড়া সদরদী গ্রামের মৃত আলতাফ কাজীর ছেলে মেহেদী হাসান তামিমকে আটক করে। এ সময় তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে ডলারগুলো উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি চুরির মামলা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী হাসান তামিম ঢাকায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ করতেন। গত ২২ মে বসুন্ধরা গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ার এস এম তৌহিদুজ্জামানের বাসায় বিদ্যুতের কাজ করতে যান মেহেদী হাসান তামিম। কাজ করার এক ফাঁকে কৌশলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ইঞ্জিনিয়ারের ছোট ভাইকে পাঠানোর জন্য বাসায় রাখা ৪০ হাজার ইউএস ডলার চুরি করে মেহেদী হাসান তামিম, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৭ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, ৪০ হাজার ডলার নিয়ে গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পালিয়ে আসেন তামিম। পরে তৌহিদুজ্জামানের লিখিত অভিযোগের ভিত্তি শুক্রবার সকালে তামিমের বাড়ি ভাঙ্গা পৌরসভার রায়পাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ৪০ হাজার ডলারের মধ্যে ৩৬ হাজার ২০০ ডলার উদ্ধার করা হয়।

স্বামী জীবিত তবুও পাচ্ছেন বিধবা ভাতা!

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ১১:০৭ এএম
স্বামী জীবিত তবুও পাচ্ছেন বিধবা ভাতা!

স্বামী জীবিত থাকলেও তিন বছর ধরে বিধবা ভাতা পাচ্ছেন। নিজেকে কাগজে-কলমে বিধবা বানিয়ে তালিকাভুক্ত হয়ে বছরের পর বছর বিধবা ভাতার টাকা নিচ্ছেন কিছু নারী। এ রকম চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে হাতিয়ার পৌর এলাকা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে। 

অনৈতিকভাবে বিধবা ভাতার সুবিধা পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ভাতাবঞ্চিত সাধারণ মানুষ।

ঘটনার জানাজানি হয় হাতিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মধ্য লক্ষিদিয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী কুলসুমা বেগমের বিধবা ভাতা উত্তোলনের মাধ্যমে। কুলসুমা বেগম তিন বছর ধরে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুস্থ মহিলা হিসেবে ভাতার আওতায় বিধবা ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। তার ভাতা পরিশোধের বই নং ৫৫৮। ভাতার বইতে স্বামীকে মৃত দেখানো হলেও তিনি জীবিত। এমনকি তার পরিবারের অন্য সদস্যরা সুস্থ হওয়ার পরও পাচ্ছেন প্রতিবন্ধী ভাতা।

কুলসুমা বেগমের স্বামী নজরুল ইসলাম হাতিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের চরলটিয়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। তিনি উপজেলা সদর ওছখালী পুরাতন বাজারের একজন ব্যবসায়ী।

একই এলাকার আমিরুল ইসলামের স্ত্রী স্বপ্না বেগম ২০২১ সাল থেকে পাচ্ছেন বিধবা ভাতা। তার ভাতা পরিশোধের বই নং ৪৫৯। ভুয়া কাগজপত্র এবং তথ্য গোপন করে স্বামীকে মৃত দেখিয়ে এ ভাতা উত্তোলন করছেন তিনি। অথচ তার স্বামী আমিরুল ইসলাম এখনো জীবিত এবং স্বাবলম্বী।

শুধু কুলসুমা ও স্বপ্না বেগম নয়, জনপ্রতিনিধিদের ম্যানেজ করে অবৈধভাবে বিধবা, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সব রকম ভাতার সুবিধা নিচ্ছেন অনেকে। অথচ সমাজে অনেক অসহায় মানুষ রয়েছেন যারা ভাতা পাওয়ার উপযোগী কিন্তু ভাতা পাচ্ছেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা স্বজনপ্রীতি ও অর্থের বিনিময়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব অনিয়ম করছেন। জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের ইচ্ছেমতো নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট করে নিজেদের পছন্দের লোকদের ভাতা দিচ্ছেন। 

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঝাড়ুদার রোকেয়া বেগম (৫২) খবরের কাগজকে বলেন, আমি কয়েকবার এলাকার ওয়ার্ড মেম্বারের মাধ্যমে বিধবা ভাতার আবেদন করেও আজ পর্যন্ত তালিকাভুক্ত হতে পারিনি।

এ ব্যাপারে কুলসুমা বেগমের সঙ্গে কথা বললে তিনি প্রথমে ভাতা পাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে কথা বলার একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী মারা গেছেন তাই আমার বাড়ির পাশের একজন আমাকে রহমত কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে ভাতার কার্ড ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।’ 

আমিরুল ইসলামের স্ত্রী স্বপ্না বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী নেই। তাই অভাব অনটনের কারণে আমি বিধবা ভাতার জন্য আবেদন করেছিলাম। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে ভাতা দেওয়া হয়।’ 

হাতিয়া পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রহমত উল্লাহর কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখানে সমাজসেবা অফিসেও সরাসরি অনেক কাজ হয়ে থাকে, রাজনৈতিক বিবেচনায়ও কিছু কাজ হয়ে থাকে, অনেক কাজেই আমরা অবহিত থাকি না।’ 

এ বিষয়ে হাতিয়া সমাজসেবা কর্মকর্তা কাজী ইমরান হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, ‘আপনার মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হলাম। অফিসিয়ালি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে উদ্যোক্তার মাধ্যমে আবেদন করা ফরমগুলো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যয়নে নেওয়া হয়।’   

হানিফ উদ্দিন/ইসরাত চৈতী/অমিয়/ 

চট্টগ্রামে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আত্মীয় গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ১০:৩৮ এএম
চট্টগ্রামে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আত্মীয় গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের খুলশীতে মা ও মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল করিম (৪০) নামে তাদের এক  নিকটাত্মীয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাতে নগরীর খুলশী থানার ঝাউতলা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযুক্ত আব্দুল করিমের বাড়ি (৪২) কুমিল্লা জেলায়। তবে তিনি চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার জালালাবাদ এলাকায় বসবাস করতেন। পেশায় তিনি একজন ইলেকট্রিশিয়ান।

শুক্রবার (২৪ মে) দুপুরে খুলশী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল বাশার খবরের কাগজকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেন।  

খুলশী থানা পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার ৩৭ বছর বয়সি গৃহবধূ খুলশী থানার ঝাউতলা বাজার কলোনিতে ১১ বছর বয়সি মেয়ে ও স্বামীকে নিয়ে একটি বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। গত ২২ মে ওই বাসাতেই গৃহবধূ ও তার মেয়ে ধর্ষণের শিকার হন। অভিযুক্ত আব্দুল করিম গৃহবধূর স্বামীর ভগ্নিপতি।

নুরুল বাশার খবরের কাগজকে বলেন, আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আমরা এখনও ঘটনাটি তদন্ত করছি। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

মনির/পপি/