ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ভোলায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, উপকূলে আতঙ্ক

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৪:১২ পিএম
আপডেট: ২৬ মে ২০২৪, ০৮:১০ পিএম
ভোলায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, উপকূলে আতঙ্ক
ভোলায় বিপদ সংকেত ঘোষণা করা হচ্ছে

ভোলায় সকাল থেকেই ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ১০ নম্বর বিপদ সংকেত ঘোষণার পর সবধরনের নৌযান চলাচলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জেলার চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে। 

রবিবার (২৬ মে) সকাল থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ভোলা। বেড়েছে বাতাসের গতিবেগ। উত্তাল হয়ে উঠছে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী।

ঘুর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির উপ-পরিচালক আবদুর রশিদ জানান, দুপুরের দিকে ঝড়ের অগ্রভাগ উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাত উপজেলায় সাতটি ও জেলা সদরে একটি কন্ট্রোল রুম খুলে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করা হচ্ছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র।

উদ্ধার কাজের জন্য সিপিপি ও রেডক্রিসেন্টর প্রায় ১৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবী প্রচারণা ও উদ্ধার কাজের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্গম চর ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, মেঘনা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। তবে এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।

এদিকে সকাল থেকে ভোলার সঙ্গে দেশের মূল ভূখণ্ডের যোগাোযাগ বন্ধ রয়েছে। জেলা অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছে বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএ।  ঢাকা-ভোলা, ভোলা-বরিশাল রুটে লঞ্চ ও ভোলা-বরিশাল, ভোলা-লক্ষীপুর রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

ইমতিয়াজ/পপি/অমিয়/

খুলে দেওয়া হলো সিলেটের সব পর্যটনকেন্দ্র

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০১:০০ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:৫৬ এএম
খুলে দেওয়া হলো সিলেটের সব পর্যটনকেন্দ্র
ছবি : খবরের কাগজ

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় খুলে দেওয়া হয়েছে সিলেটের সব পর্যটনকেন্দ্র। রবিবার (২৩ জুন) সকালে সিলেটের গোয়াইনঘাট, বিকালে কোম্পানীগঞ্জ, সাদাপাথর ও জৈন্তাপুর উপজেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইউএনও সুনজিত কুমার চন্দ ও জৈন্তাপুরের উপজেলার ইউএনও উম্মে সালিক রুমাইয়া।

চলতি মৌসুমে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির পর দুই দফায় সিলেটে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ছিল। এর মধ্যে প্রথম ধাপে গত ৩০মে সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে আবার ৭জুন থেকে পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ার হয়। দ্বিতীয় দফায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হলে ১৮ জুন থেকে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। 

শাকিলা ববি/এমএ/

কিশোরগঞ্জ ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি মামলা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ১১:৩২ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ১১:৩২ পিএম
কিশোরগঞ্জ ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি মামলা
ছবিতে বামে নাজমুল হোসেন হীরা, মাঝখানে হীরার ছোট মামা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন, ডানে হীরার বড় মামা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেন মোল্লা বাবুল। ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে। রবিবার (২৩ জুন) দুপুরের দিকে কিশোরগঞ্জের আমলি আদালতে এক তরুণী এই মামলা করেন। 

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের ব্রাঞ্চ সহকারী (পেশকার) শিখা। তিনি বলেন, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশিকুর রহমানের আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানাকে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন, তার বড় ভাই যুবলীগ নেতা মোশারফ হোসেন মোল্লা বাবুল ও তাদের ভাগ্নে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি নাজমুল হোসেন হীরা। তারা কিশোরগঞ্জে জেলা শহরের বয়লা তারাপাশা এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী তরুণী কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বাসিন্দা। 

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়াপ্রবাসী এক যুবকের সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ে হয়। বিয়ের এক মাস পরই তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এরপর ওই তরুণী বাপের বাড়িতে চলে আসেন। সেখান থেকে কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে পড়ালেখা শুরু করেন। কলেজে যাওয়ার পথে প্রায়ই তাকে প্রেম নিবেদন করতেন হীরা। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চলে শারীরিক সম্পর্ক। এ সময় হীরা কৌশলে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে ওই তরুণী বিষয়টি হীরার মামা আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমন ও মোশাররফ হোসেন মোল্লা বাবুলকে জানান। তখন সুমন ও বাবুল তরুণীকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তাদের ভাগ্নের সঙ্গে বেশি বাড়াবাড়ি করলে শহরে থাকতে দেবে না।’ পরে বাধ্য হয়েই হীরার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে ওই তরুণী বাধ্য হন। এরপর আবারও তিনি হীরাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। পরে ২০২৩ সালের ৮ জুন গোপনে কাজি ডেকে বিয়ে করেন তারা। বিয়ের পরে তিনি জানতে পারেন হীরা বিবাহিত। বাড়িতে তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি মৌখিকভাবে হীরাকে তালাক দেন। পরবর্তী সময়ে হীরা শারীরিক সম্পর্ক না রাখলে তাদের অন্তরঙ্গ মুহেূর্তের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেন। এভাবে তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল করে হীরা দুবারে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করেন। 

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মোল্লা সুমনকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা খবরের কাগজকে বলেন, আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তাসলিমা আক্তার মিতু/এমএ/

রাজশাহীতে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৪৮ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৪৮ পিএম
ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৭
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। রবিবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মেরাজুল ইসলাম মেরাজ ছাড়াও গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন- মারুফ হোসেন, তরঙ্গ আলী, শাজামাল লিটন, নাসির উদ্দিন, মতিউর রহমান ও গোলাম মোস্তফা।

এর আগে, গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কতিপয় ব্যক্তি দলিল লেখক সমিতির নামে ক্রেতার কাছে জোরপূর্বক অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রতিবাদে বাঘা উপজেলার সচেতন নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. লায়েব উদ্দিন লাভলু এবং বাঘা পৌর মেয়র আক্কাছ আলীর কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।

একই সময় বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাছ আলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজন প্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে মানববন্ধনের ডাক দেয় বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগ। উভয় পক্ষের কর্মী সমর্থকরা উপজেলা চত্বরে জড়ো হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ককটেল ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবলু ও এক পথচারীসহ অনন্ত ৫০ জন আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাকুড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ, মারুফ হোসেন, তরঙ্গ আলী, শাজামাল লিটন, নাসির উদ্দিন, মতিউর রহমান, গোলাম মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বাঘা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে রবিবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এনায়েত করিম/এমএ/

মুন্সীগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ, আহত ২

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩৩ পিএম
মুন্সীগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ, আহত ২
গজারিয়ায় আ.লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ ও অর্ধশত চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ছবি : খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ ও অর্ধশত চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুজন। 

রবিবার (২৩ জুন) বিকেলে আনাপুরা খেলার মাঠে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

আহতরা হলেন আওয়ামী লীগ কর্মী মোহাম্মদ হোসেন (২৫) ও স্থানীয় এক আইপি টিভির সাংবাদিক সোলাইমান সিকদার (৩৭)।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আজ বিকেল পাঁচটায় আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে উপজেলার আনাপুরা খেলার মাঠে জনসভার আয়োজন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ। জনসভা মঞ্চের ব্যানারে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল হক তপনের নাম না থাকায় এবং তার জন্য চেয়ার নির্ধারিত না রাখায় নেতা-কর্মীদের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তার সমর্থকরা স্লোগান দিতে থাকেন। ওই সময় মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহর সমর্থক মোহাম্মদ হোসেন তাদের শান্ত হতে বলেন। এতে মাজহারুলের সমর্থকরা তাকে মারধর করেন। একই সময় ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভ করতে গিয়ে হামলাকারীদের টার্গেটে পরিণত হন আইপি টিভির সাংবাদিক সোলায়মান শিকদার। হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও অর্ধশত চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। আহতদের উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহ বলেন, ‘এটি মূলত উপজেলা আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠান, সে জন্য ব্যানারে জেলা পর্যায়ের অনেক নেতার নাম রাখা হয়নি। নাম না রাখা হলেও তাদের বসার ব্যবস্থা এবং বক্তব্য দেওয়ার ব্যবস্থা রেখে ছিলাম আমরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই একটি পক্ষ বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। তখন আমি আমার নিজের চেয়ারটি ছেড়ে দিই। কিন্তু তাতেও তারা শান্ত হয়নি। তারা পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা ঘটিয়ে অনুষ্ঠান পণ্ড করতে চেয়েছিল।’

বিষয়টি সম্পর্কে অধ্যাপক ডা. মাজহারুল হক তপনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখানে যা-ই ঘটুক, আর যেভাবেই ঘটুক, তার দায় উপজেলা আওয়ামী লীগের।’

গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহানা তাহামিনা ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব। 

সেতু ভেঙে ৯ জন নিহতের ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:০৩ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:০৩ পিএম
সেতু ভেঙে ৯ জন নিহতের ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি
আমতলীতে সেতু ভেঙে মাইক্রোবাস নদীতে পড়ে ৯ জন নিহত হন

বরগুনার আমতলীতে সেতু ভেঙে মাইক্রোবাস নদীতে পড়ে ৯ জন নিহতের ঘটনায় ২টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নদীতে তলিয়ে যাওয়া মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেষ বিশ্বাসকে প্রধান করে গতকাল শনিবার (২২ জুন) রাতেই ৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন- বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী, আমতলী-তালতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার, বিআরটিএ বরগুনার সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক এবং আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কমিটিকে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপর দিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর আরেকটি ৩ সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পটুয়াখালীর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মহির উদ্দিন শেখকে প্রধান করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

জেলা প্রশাসক বলেন, সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগসহ দুর্ঘটনা তদন্তে এই কমিটি কাজ করবে এবং কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের পর দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমতলীর ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক হাসান জানিয়েছেন, রবিবার তদন্ত কমিটি তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

এদিকে দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাসটি ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা শনিবার রাত ১২টার দিকে নদী থেকে টেনে পাড়ে তুলেছে।

এ ঘটনায় আমতলী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা (ইউডি কেইস) হয়েছে বলে ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু জানিয়েছেন।

গত শনিবার দুপুরে মাদারীপুর থেকে বরগুনার আমতলীতে বউভাতের অনুষ্ঠানে আসার সময় একই পরিবারের ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ থেকে মাইক্রোবাস খালে পড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন সবাই। এ সময় নিহত হয়েছেন আমতলীর আরও দুইজন। এ ঘটনায় উভয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অপরদিকে দায়সারা ব্রিজ নির্মাণের অভিযোগ তুলে নির্মাণকারী ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধার শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।