ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগপত্র দাখিল বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা লালমনিরহাটের ৩ সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে ৫ লাখ ১২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে ডাকবাংলোয় মা-মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু: খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ
Nagad desktop

মৌলভীবাজারে দোল পূর্ণিমায় চা-বাগানে ফাগুয়ার আমেজ

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩২ এএম
মৌলভীবাজারে দোল পূর্ণিমায় চা-বাগানে ফাগুয়ার আমেজ
ফাগুয়া উৎসবে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর চা-বাগানে চা-শ্রমিকদের ঐতিহ্যবাহী ঝুমুর নাচ ও কাটি নাচ পরিবেশিত হয়। ছবি: খবরের কাগজ

দেশের চা-বাগানগুলোতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করেন। ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে এসে আবাস গড়া চা-শ্রমিকদের যেমন নিজেদের পৃথক ভাষা রয়েছে, তেমনি আছে পৃথক সংস্কৃতি। তবে ফাল্গুনের ‘ফাগুয়া’ উৎসবে এসে সবাই এক হয়ে মেতে ওঠেন রঙের উৎসবে।

প্রতিটি চা-বাগানের বিভিন্ন এলাকায় তখন যেদিকে তাকানো যায়, সেদিকেই রঙের ছড়াছড়ি। নানা বয়সী নারী-পুরুষরা মেতে ওঠেন ফাগুয়া উৎসবে। একে অপরের দিকে রং ছুড়ে দেন, ছন্দ-তাল লয়ের সংমিশ্রণে নেচে-গেয়ে চা-বাগানগুলোতে এভাবেই চলে সপ্তাহব্যাপী রঙের উৎসব।

গতকাল মঙ্গলবার দোল পূর্ণিমার রঙিন আহ্বানে সনাতন সম্প্রদায়ভুক্ত চা-শ্রমিকদের মাঝে শুরু হয় সপ্তাহব্যাপী ফাগুয়া উৎসব। রং, আবির, গান আর নাচে মুখর হয়ে ওঠে চা-বাগানগুলোতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল আয়োজন।
মঙ্গলবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর চা-বাগানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফাগুয়া উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনার (সিলেট) অনিরুদ্ধ দাস।

বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাম ভজন কৈরীর সভাপতিত্বে এবং সজল কৈরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, কমলগঞ্জ থানার ওসি আবদুল আউয়াল, সিলেটের ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রাজেশ ভাটিয়া, আলীনগর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম রানা প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্যে সভাপতি রাম ভজন কৈরী ফাগুয়া উৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরেন। পরে প্রধান অতিথি অনুরুদ্ধ দাসসহ অতিথিরা চা-শ্রমিক নেতাদের গালে ও কপালে আবিরের রং ছড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের উদ্বোধন করেন।

এরপর চা-শ্রমিকদের ঐতিহ্যবাহী ঝুমুর নাচ ও কাটি নাচ পরিবেশিত হয়। এ সময় দেখা যায়, চা-বাগানে শিবমন্দির প্রাঙ্গণে নানা বয়সী শতাধিক নারী-পুরুষ আবির নিয়ে রঙের খেলায় মেতে উঠেন। সবুজ চায়ের বাগান রক্তিম হয়ে ওঠে রঙে রঙে।

চা-জনগোষ্ঠীর কয়েকজন প্রবীণ সদস্য জানান, শারদীয় দুর্গাপূজার পর এটিই তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব। শত দুঃখ-কষ্ট, অভাব-অনটনের মধ্যেও উৎসবের কয়েকটি দিন চা-জনগোষ্ঠী পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দে কাটানোর চেষ্টা করেন। শ্রমিকরা এই আনন্দ ভাগাভাগি করেন প্রতিবেশীদের সঙ্গে।

ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা উপভোগ করতে পেরে যেমন আনন্দে ভেসেছেন চা-শ্রমিকরা তেমন অভিভূত হয়েছেন উৎসবে আসা নাগরিক সমাজও। অনুষ্ঠানে আসা সাজু আহমদ বলেন, ‘শহরের ব্যস্ততার বাইরে চা-বাগানের এই উৎসব এক অন্যরকম অনুভূতি দেয়।’
সাংস্কৃতিক কর্মী নির্মল এস পলাশ বলেন, ‘চা-বাগানের মানুষদের নিজস্ব সংস্কৃতি এত সুন্দর ও প্রাণবন্ত, তা চাক্ষুষ না দেখলে বোঝা যাবে না।

এত বৈচিত্রপূর্ণ আয়োজন দেখে অন্য সবার মতো আমিও অভিভূত।’ রামভজন কৈরী বলেন, ‘চা-শ্রমিকরা সারা বছর বিভিন্ন সমস্যায় ভুগলেও উৎসবের দিনগুলোতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু ভালো থাকার চেষ্টা করেন।’ প্রধান অতিথি অনুরুদ্ধ দাস বলেন, ‘সিলেটে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই আমার প্রথম ফাগুয়া উৎসবে অংশগ্রহণ।’

ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই
ছবি: খবরের কাগজ

মায়ের মৃত্যুর পর যেন থমকে গেছে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তিন ভাইয়ের জীবন। ক্ষুধা লাগলে নির্বাক এই তিন ভাই হাতে খাবারের প্লেট নিয়ে বসে থাকেন মায়ের চিতার পাশে। পটুয়াখালীর বাউফলে মানবেতর জীবনযাপন করা এই তিন ভাই এখন বেঁচে আছেন কেবল প্রতিবেশীদের সহায়তার ওপর ভর করে।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নের চাদকাঠী গ্রামের দাসনগর এলাকায় একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করেন রিপন দাস (৪৫), সাধন দাস (৩৮) ও নিদু দাস (৩৫)। জন্ম থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেড়ে ওঠা এই তিন ভাইয়ের মধ্যে সাধন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, আর রিপন ও নিদু বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ক্ষুধা লাগলে তারা ঠিকমতো খাবারও চাইতে পারেন না। 

একসময় বাবা রতন চন্দ্র দাস ও মা সরস্বতী রানীর স্নেহ-ভালোবাসায় কোনোমতে চলছিল তাদের জীবন। কিন্তু ২০২৫ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে মায়ের কাঁধে। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিন সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন লিভার ও কিডনি রোগে ভুগে গত মাসে মারা যান মা সরস্বতী রানীও। এরপর থেকেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন তিন প্রতিবন্ধী ভাই।

পরিবারের পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে বড় বোন প্রায় ২০ বছর আগে ভারতে চলে যান। অপর এক ভাই দিনমজুরের কাজ করে নিজের সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার মতো সামর্থ্য তারও নেই।

স্থানীয়রা খবরের কাগজকে জানান, এখন তাদের জীবন চলে প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবারে। কেউ খাবার দিলে তারা খেতে পারেন, না দিলে অনেক সময় না খেয়েই দিন কাটাতে হয়। ক্ষুধার কষ্টে কখনও কখনও তারা খাবারের প্লেট হাতে মায়ের কবরের পাশে গিয়ে বসে থাকেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা খবরের কাগজকে বলেন, ‘এক বেলা খাবার খাইলে দুই বেলা না খাইয়া থাকতে হয়। আমরা যদি খাবার না দেই, তাইলে না খাইয়া দিন কাটে। প্রতিবেশীরা তো সবসময় সাহায্য করতে পারে না। সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি এগিয়ে আসে, তাহলে তাদের একটু উপকার হয়।’

আরেক প্রতিবেশী বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পরও তাদের মা অনেক কষ্ট করে তিন সন্তানকে আগলে রাখছিলেন। কিন্তু মা মারা যাওয়ার পর তারা একেবারে অসহায় হয়ে গেছে। এখন দুই বেলা খাবার দেওয়ার মতোও কেউ নাই। কেউ দিলে খায়, না দিলে না খাইয়াই থাকতে হয়।’

এদিকে, তিন ভাইয়ের দুর্দশার খবর পেয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ খবরের কাগজকে বলেন, ‘তিন প্রতিবন্ধী ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ কেজি চাল ও ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও তাদের পরিবারের যে সুস্থ ভাই আছেন, তার জন্য একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকবে।’

মা-বাবা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের জীবনে এখন সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা দুবেলা খাবার। ক্ষণস্থায়ী সরকারি সহায়তা মিললেও দীর্ঘমেয়াদে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন স্থায়ী সহযোগিতা। স্থানীয়দের আশা, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবেন এ তিন ভাই।

মশিউর মিলন/থিও

নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের
ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর হাপানিয়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ২৩৮ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, ভারতীয় ৮৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পান্নাছড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করে। যাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। তবে হাপানিয়া বিওপির টহল দল ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় সীমান্তের শূন্য লাইনেই আটকে দিয়েছে।

বর্তমানে তাদের কাঁটাতারবিহীন অংশ দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

তামান্না রুপা/

ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান
ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

ব্যবসায়ীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হলে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ঘণ্টাখানেক পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

বাজারে কাপড়, কসমেটিকস, ফলের দোকানসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান ছিল বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে।

তামান্না রুপা/

মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০১:০১ পিএম
মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ যৌথ অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা ও মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ৯টা ৩০ মিনিটে সদর থানার টরকী উচ্চ বিদ্যালয় (জুনিয়র স্কুল) সংলগ্ন ব্রীজের ওপর থেকে তাদের আটক করা হয়।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা গিয়েছে, আটককৃতরা হলেন, সুমন মিঝি (২৮), খান জাহান আলী (২৪), মো: লিংক মিঝি। আটক তিনজনই সদর উপজেলার টরকী এলাকার বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সুমন মিঝি, খান জাহান আলী ও মোঃ লিংক মিঝি কে ২৪ ক্যান করে মোট ৭২ ক্যান বিয়ারসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে সুমন মিঝি ও খান জাহান আলীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক দশটার দিকে জাহেদ মিঝি গংদের পুকুর পাড়ের ঝোপের মধ্যে থেকে ১৬৮ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সুমন/থিও/

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশহর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- অটোরিকশাচালক মাহবুব (৪৫), অটোরিকশার যাত্রী জোসনা বেগম (৪০) ও তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫)। 

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন জোসনার স্বামী কাউসার (৫০) ও তার মেয়ে আদিবা (৪)। আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বাড়ি জেলার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে।

পুলিশ জানায়, সকালে কসবা থেকে অটোরিকশায় করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সরাইল-বিশ্বরোড যাচ্ছিলেন কাউসার। পথিমধ্যে বিয়াল্লিশহর এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মাছভর্তি পিকআপভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় অটোরিকশার যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ওই তিনজনের মৃত্যু হয়।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই পিকআপের চালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি।

আজিজুল সঞ্চয়/তামান্না রুপা/