ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগপত্র দাখিল বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা লালমনিরহাটের ৩ সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে ৫ লাখ ১২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে ডাকবাংলোয় মা-মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু: খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ
Nagad desktop

দেলদুয়ারে নির্বাচনি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনও’র বিরুদ্ধে

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম
আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
দেলদুয়ারে নির্বাচনি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনও’র বিরুদ্ধে
দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জোহরা সুলতানা যূথি। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (ভোট ও গণভোট) পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া বরাদ্দের অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জোহরা সুলতানা যূথির বিরুদ্ধে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে বিপুল অর্থ বরাদ্দ দেয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকালীন ব্যয়ের জন্য সে সময় বরাদ্দের সম্পূর্ণ অর্থই উত্তোলন করা হয়। তবে কমিশন নির্ধারিত খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় না করেও ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে কাগজে-কলমে সম্পূর্ণ অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ের তিন ধাপে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১৬টি ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৮০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এছাড়া সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তরের নির্বাচনি কার্যক্রম, ফলাফল সংগ্রহ, কন্ট্রোল রুমসহ অন্যান্য কমিটির আপ্যায়ন বাবদ ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা, বিভিন্ন স্টেশনারি ক্রয় বাবদ এক লাখ ৬০ হাজার টাকা, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তরের নির্বাচনি কার্যক্রমের জন্য পিওএল, স্পিডবোট, জলযান, ট্রলার, ট্যাক্সি ও ভ্যান ভাড়া বাবদ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসে ২ মাসের জন্য একজন খণ্ডকালীন করণিকের সম্মানী ভাতা ৩৬ হাজার টাকা ও একজন পিয়নের সম্মানী ভাতা ২৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

নির্বাচনকালীন সময়ে একদিনে এত পরিমাণ যাতায়াত না হলেও ভুয়া ভাউচার জমা দিয়ে বরাদ্দের সম্পূর্ণ অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে।

এছাড়া ইউএনওর ব্যবহৃত গাড়ির জ্বালানি বাবদ নিয়মিত সরকারি মাসিক বরাদ্দের তেলও ব্যবহার দেখিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেলদুয়ার উপজেলায় নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহ ও দ্রুত তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানোর জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) স্থাপন করা হয়। ওই কন্ট্রোল রুমে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করেন।

নির্বাচনের আগের দিন থেকে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আপ্যায়ন বাবদ কমিশন থেকে দুই ধাপে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অথচ এক বোতল পানিও খেতে দেওয়া হয়নি বলে জানান কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী।

তাদের দাবি, আপ্যায়নের জন্য যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা পুরোপুরি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া নির্বাচনকালীন সময়ে দুই মাসের জন্য সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে একজন খণ্ডকালীন করণিক ও একজন পিয়ন নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও তাদের জন্য বরাদ্দকৃত ৬৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে খণ্ডকালীন করণিক ও পিয়ন জেলার কোনো উপজেলাতেই নিয়োগ দেওয়া হয়নি। সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দাবি, এই ধরনের কোনো বরাদ্দই তারা পাননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, টানা তিনদিন নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করেছেন তারা। কিন্তু এই তিনদিন তাদের চা-নাস্তা তো দূরের কথা, এক বোতল পানিও দেওয়া হয়নি। সবাইকে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে খেতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্যও নিজেদের টাকা খরচ করতে হয়েছে।

ভোটকেন্দ্রে মালামাল আনা-নেওয়ার কাজে নিয়োজিত একাধিক গাড়িচালক জানান, নির্বাচনে এসব পরিবহন সংক্রান্ত সব বিষয় দেখভাল করেছে থানা পুলিশ। তবে তাদের কাউকে খাওয়ার জন্য এক হাজার টাকা করে এবং দূরত্ব অনুযায়ী গাড়িতে জ্বালানি দেওয়া হয়েছে ইউএনও কার্যালয়ের টোকেনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট তেলের পাম্প থেকে।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউএনও’র নির্দেশে ৫৭টি কেন্দ্রে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫৭টি ট্রাক এবং ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্যবহারের জন্য ১৫টি হাইয়েস গাড়ি দেওয়া হয়েছিল। এসবের জন্য ইউএনও অফিস থেকে দূরত্ব অনুযায়ী জ্বালানি এবং চালকদের খাওয়ার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাচনকালীন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জোহরা সুলতানা যূথি বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময় খণ্ডকালীন দুই মাসের জন্য একজন করণিক ও একজন পিয়ন নিয়োগের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে কোনো বরাদ্দ পাইনি, তাই তিনি নিয়োগ দেননি। আরও কিছু জানার থাকলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে পারেন।’ 

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মোহন্ত জানান, এ ধরনের কোনো অনিয়মের অভিযোগ তিনি পাননি। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া কেউ কেউ অবশিষ্ট টাকা নির্বাচন কমিশনে চেকের মাধ্যমে ফেরত দিয়েছেন।

জুয়েল রানা/রিফাত/

ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই
ছবি: খবরের কাগজ

মায়ের মৃত্যুর পর যেন থমকে গেছে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তিন ভাইয়ের জীবন। ক্ষুধা লাগলে নির্বাক এই তিন ভাই হাতে খাবারের প্লেট নিয়ে বসে থাকেন মায়ের চিতার পাশে। পটুয়াখালীর বাউফলে মানবেতর জীবনযাপন করা এই তিন ভাই এখন বেঁচে আছেন কেবল প্রতিবেশীদের সহায়তার ওপর ভর করে।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নের চাদকাঠী গ্রামের দাসনগর এলাকায় একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করেন রিপন দাস (৪৫), সাধন দাস (৩৮) ও নিদু দাস (৩৫)। জন্ম থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেড়ে ওঠা এই তিন ভাইয়ের মধ্যে সাধন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, আর রিপন ও নিদু বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ক্ষুধা লাগলে তারা ঠিকমতো খাবারও চাইতে পারেন না। 

একসময় বাবা রতন চন্দ্র দাস ও মা সরস্বতী রানীর স্নেহ-ভালোবাসায় কোনোমতে চলছিল তাদের জীবন। কিন্তু ২০২৫ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে মায়ের কাঁধে। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিন সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন লিভার ও কিডনি রোগে ভুগে গত মাসে মারা যান মা সরস্বতী রানীও। এরপর থেকেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন তিন প্রতিবন্ধী ভাই।

পরিবারের পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে বড় বোন প্রায় ২০ বছর আগে ভারতে চলে যান। অপর এক ভাই দিনমজুরের কাজ করে নিজের সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার মতো সামর্থ্য তারও নেই।

স্থানীয়রা খবরের কাগজকে জানান, এখন তাদের জীবন চলে প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবারে। কেউ খাবার দিলে তারা খেতে পারেন, না দিলে অনেক সময় না খেয়েই দিন কাটাতে হয়। ক্ষুধার কষ্টে কখনও কখনও তারা খাবারের প্লেট হাতে মায়ের কবরের পাশে গিয়ে বসে থাকেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা খবরের কাগজকে বলেন, ‘এক বেলা খাবার খাইলে দুই বেলা না খাইয়া থাকতে হয়। আমরা যদি খাবার না দেই, তাইলে না খাইয়া দিন কাটে। প্রতিবেশীরা তো সবসময় সাহায্য করতে পারে না। সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি এগিয়ে আসে, তাহলে তাদের একটু উপকার হয়।’

আরেক প্রতিবেশী বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পরও তাদের মা অনেক কষ্ট করে তিন সন্তানকে আগলে রাখছিলেন। কিন্তু মা মারা যাওয়ার পর তারা একেবারে অসহায় হয়ে গেছে। এখন দুই বেলা খাবার দেওয়ার মতোও কেউ নাই। কেউ দিলে খায়, না দিলে না খাইয়াই থাকতে হয়।’

এদিকে, তিন ভাইয়ের দুর্দশার খবর পেয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ খবরের কাগজকে বলেন, ‘তিন প্রতিবন্ধী ভাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ কেজি চাল ও ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও তাদের পরিবারের যে সুস্থ ভাই আছেন, তার জন্য একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকবে।’

মা-বাবা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের জীবনে এখন সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা দুবেলা খাবার। ক্ষণস্থায়ী সরকারি সহায়তা মিললেও দীর্ঘমেয়াদে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন স্থায়ী সহযোগিতা। স্থানীয়দের আশা, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবেন এ তিন ভাই।

মশিউর মিলন/থিও

নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের
ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর হাপানিয়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ২৩৮ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, ভারতীয় ৮৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পান্নাছড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করে। যাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ৫ জন শিশু রয়েছে। তবে হাপানিয়া বিওপির টহল দল ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় সীমান্তের শূন্য লাইনেই আটকে দিয়েছে।

বর্তমানে তাদের কাঁটাতারবিহীন অংশ দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

তামান্না রুপা/

ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান
ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

ব্যবসায়ীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হলে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ঘণ্টাখানেক পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

বাজারে কাপড়, কসমেটিকস, ফলের দোকানসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান ছিল বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে।

তামান্না রুপা/

মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০১:০১ পিএম
মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ যৌথ অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা ও মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ৯টা ৩০ মিনিটে সদর থানার টরকী উচ্চ বিদ্যালয় (জুনিয়র স্কুল) সংলগ্ন ব্রীজের ওপর থেকে তাদের আটক করা হয়।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা গিয়েছে, আটককৃতরা হলেন, সুমন মিঝি (২৮), খান জাহান আলী (২৪), মো: লিংক মিঝি। আটক তিনজনই সদর উপজেলার টরকী এলাকার বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সুমন মিঝি, খান জাহান আলী ও মোঃ লিংক মিঝি কে ২৪ ক্যান করে মোট ৭২ ক্যান বিয়ারসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে সুমন মিঝি ও খান জাহান আলীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক দশটার দিকে জাহেদ মিঝি গংদের পুকুর পাড়ের ঝোপের মধ্যে থেকে ১৬৮ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সুমন/থিও/

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২০ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপভ্যানের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশহর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- অটোরিকশাচালক মাহবুব (৪৫), অটোরিকশার যাত্রী জোসনা বেগম (৪০) ও তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫)। 

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন জোসনার স্বামী কাউসার (৫০) ও তার মেয়ে আদিবা (৪)। আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বাড়ি জেলার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে।

পুলিশ জানায়, সকালে কসবা থেকে অটোরিকশায় করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সরাইল-বিশ্বরোড যাচ্ছিলেন কাউসার। পথিমধ্যে বিয়াল্লিশহর এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মাছভর্তি পিকআপভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় অটোরিকশার যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ওই তিনজনের মৃত্যু হয়।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই পিকআপের চালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি।

আজিজুল সঞ্চয়/তামান্না রুপা/