ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা বাতিলের দাবি খুলনায় ধারাবাহিক খুনচাঁদাবাজিতে উদ্বেগ, কাজে আসছে না বিশেষ অভিযানও নারায়ণগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, আহত ১০ জয়পুরহাটে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা গ্রাহকের ব্যানারে আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তারা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে ৪৫ শতাংশ সাভারে তিন কারখানা থেকে ১৮৬৮ শ্রমিক অব্যাহতি এখনো উৎপাদনে আসেনি বন্ধ চিনিকল ৭ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সিরাজগঞ্জে ৪০০ একর জমির ওপর শিল্প পার্ক ৭ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ‘বরফ চিবিয়ে’ দিন পার, হামাগুড়ি দিয়ে বেস ক্যাম্পে ফেরা, বেঁচে ফেরা পর্বতারোহীর রোমহর্ষক বর্ণনা বন্ধ কারখানা চালু হলে গতি ফিরবে অর্থনীতিতে ময়মনসিংহে বাড়তি ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের ভোগান্তি দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাবেশ যত আক্রোশ মুক্তিযুদ্ধে ৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২
Nagad desktop

বরিশালে বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদ, ৩টি বিয়ের বিপরীতে ভাঙছে ১টি সংসার

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ১০:০৪ এএম
আপডেট: ১৮ মে ২০২৬, ১০:১২ এএম
বরিশালে বাড়ছে বিবাহবিচ্ছেদ, ৩টি বিয়ের বিপরীতে ভাঙছে ১টি সংসার
ছবি: খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

বরিশালে আশঙ্কাজনক হারে বিবাহবিচ্ছেদ বাড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৯টি বিচ্ছেদের আবেদন জমা পড়ছে। এ ছাড়া প্রতি তিনটি বিয়ের বিপরীতে একটি সংসার ভেঙে যাচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের পক্ষ থেকে বিচ্ছেদের আবেদনের সংখ্যা বেশি হচ্ছে।

দাম্পত্য বিচ্ছেদের এসব ঘটনা স্থানীয় সমাজে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা পারিবারিক কাঠামোর দুর্বলতা, আর্থিক চাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাবকে এই অস্থিরতার মূল কারণ হিসেবে দেখছেন।

জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে বরিশাল জেলায় মোট ১০ হাজার ৭৩৮টি বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে নিবন্ধিত হয়েছে ৩২ হাজার ১৩টি বিয়ে। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি তিনটি বিয়ের বিপরীতে প্রায় একটি সংসার ভেঙে যাচ্ছে। আবেদনকারীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি বলেও জানায় কার্যালয়টি।

জানা গেছে, ২০২৩ সালে ৯ হাজার ৬৬৬টি বিয়ের বিপরীতে বিচ্ছেদ হয়েছে ৩ হাজার ৫টি। ২০২৪ সালে ৮ হাজার ৯৭৮টি বিয়ের মধ্যে ভেঙে যায় ৩ হাজার ৩৪৭টি সংসার। আর ২০২৫ সালে ১৩ হাজার ৩৬৯টি বিয়ের বিপরীতে বিচ্ছেদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৮৬টিতে।

শতকরা হিসাবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিচ্ছেদের হার ছিল ৩১ দশমিক ১ শতাংশ। পরের অর্থবছরে তা বেড়ে ৩৭ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছায়। চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত এ হার দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৮ শতাংশে।

বিশ্লেষকদের মতে, বরিশালে দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙনের পেছনে একাধিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণ কাজ করছে। পারিবারিক কাঠামোর দুর্বলতা, মানসিক দূরত্ব, আর্থিক চাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে ওঠার প্রবণতায় দাম্পত্য জীবনে অস্থিরতা বাড়ছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর বিয়ে করে বাস্তব জীবনের চাপ সামাল দিতে না পারা অনেক ক্ষেত্রে দাম্পত্য বিচ্ছেদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মত তাদের।

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে দাম্পত্য কলহ ঘিরে একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। নথুল্লাবাদ এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ী কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে চিকিৎসায় তিনি সুস্থ হন। স্থানীয়দের ভাষ্য, দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েন এখন অনেক পরিবারেই দৃশ্যমান।

নারীরা অভিযোগ করছেন, স্বামীর বেকারত্ব, মাদকাসক্তি ও পারিবারিক নির্যাতনের কারণে অনেক সংসার টেকেনি। আবার কিছু ক্ষেত্রে স্ত্রীর দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা, আর্থিক সংকট কিংবা পারিবারিক দ্বন্দ্বও বিচ্ছেদের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

কাশিপুর এলাকার এক নবদম্পতির বিচ্ছেদের ঘটনা সম্প্রতি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় আসে। পরিবারের দাবি, আর্থিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও পারিবারিক বিরোধই সম্পর্ক ভাঙনের মূল কারণ। একইভাবে নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের এক তরুণী অভিযোগ করেন, স্বামীর পরিবারের আর্থিক চাপ ও অসুস্থতাজনিত সংকট তার সংসার ভাঙনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের বরিশাল শাখার সভাপতি অধ্যাপক শাহ সাজেদা বলেন, ‘বিবাহ এখন অনেক ক্ষেত্রে শুধু আইনি বা আর্থিক সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে। পারস্পরিক বোঝাপড়া ও মূল্যবোধের অভাবে সংসার ভাঙছে, যার প্রভাব পড়ছে সন্তান ও সমাজে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি ছাড়াই অনেকেই সংসারজীবনে প্রবেশ করছেন। ফলে ছোটখাটো সমস্যাও বড় সংকটে রূপ নিচ্ছে।’

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহিদা বেগম বলেন, ‘সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তনও বিচ্ছেদের হার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। ফলে একপর্যায়ে তারা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।’ এ ক্ষেত্রে এককভাবে কাউকে দায়ী করা যায় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান মৃধা বলেন, ‘অধিকাংশ বিচ্ছেদসংক্রান্ত মামলায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ পুরুষদের ক্ষেত্রেও রয়েছে। তবে নারীদের পক্ষ থেকে এটি উল্লেখযোগ্য হারে আসছে।’

বরিশাল জেলা রেজিস্ট্রার মো. মোহছেন মিয়া জানান, তিন বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, তালাকের আবেদনকারীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। তিনি বলেন, ‘সামাজিক সচেতনতা ও পারিবারিক মূল্যবোধ জোরদার না হলে আগামী দিনে বিচ্ছেদের হার আরও বাড়তে পারে, যা সমাজের জন্য নতুন চাপ ও সংকট তৈরি করবে।’

ময়মনসিংহে বাড়তি ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের ভোগান্তি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:২৬ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
ময়মনসিংহে বাড়তি ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের ভোগান্তি
মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাজারো যাত্রী। নির্ধারিত ভাড়ার চার থেকে পাঁচ গুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং যাত্রী হয়রানির অভিযোগ উঠেছে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ও জরিমানা কার্যক্রম চললেও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

শনিবার (৬ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড়, মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নগরীর বাইপাস মোড় ঘুরে দেখা যায়, কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের দীর্ঘ সারি। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে নির্ধারিত ভাড়ায় যানবাহন পাননি। ফলে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই তারা রওনা হচ্ছেন।

নগরীর বাইপাস মোড়ে ফরিদ আহমেদ নামে এক যাত্রী বলেন, ‘ইউনাইটেড ছাড়া অন্যান্য বাসে সাধারণ সময়ে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় যেতে যে ভাড়া ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, সেখানে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত যেতেই ৫০০ টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। আমাদের বাধ্য হয়েই যেতে হচ্ছে।’
গাজীপুরে গার্মেন্টে কাজ করেন আরিফা খাতুন। তিনি বলেন, ‘ছুটি শেষে কাজে যোগ না দিলে চাকরি নিয়ে সমস্যা হতে পারে। তাই বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে।’

জুয়েল রানা নামে এক বাসচালক বলেন, ‘অনেকেই বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে। তাই আমিও নিচ্ছি। তবে আগের চেয়ে মাত্র ৫০ টাকা বেশি নিচ্ছি। অন্যরা আরও বেশি টাকা নিচ্ছে।’

মটর মালিক সমিতির সভাপতি আলমগীর মাহমুদ আলম বলেন, ‘কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে সব পরিবহনকে দায়ী করা ঠিক হবে না। আমরাও চাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিত চলুক।’

এ বিষয়ে বিআরটিএ ময়মনসিংহের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইফফাত হাশেম বলেন, ‘অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’

দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩
গ্রেপ্তার হওয়া বাস চালক, হেলপার ও সুপার ভাইজার। ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় বাসের চালক, সুপারভাইজার ও চালকের সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নৌ পুলিশ। এ দুর্ঘটনায় ফেরির অবকাঠামো ও যাত্রীদের মালামাল মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাতে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবুজার গিফারী বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলাটি করেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর এলাকার বাসচালক মো. ঝন্টু আলী (৪৮), কুষ্টিয়ার সুগ্রীবপুর এলাকার সুপারভাইজার মো. আজমল হোসেন (৩৮) এবং আলামপুর এলাকার চালকের সহকারী শাকিব হোসেন (২২)।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন। সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে কুাষ্টিয়া থে‌কে আসা ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিঘাটে পৌঁছায়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরিতে ওঠার আগে যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য চালককে নির্দেশ দেন নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নির্দেশনা অনুসারে বাসের যাত্রীরা নেমে পায়ে হেঁটে ফেরির দিকে যেতে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পরই ঘটে বিপত্তি। চালক ঝন্টু আলী বাসটি স্টার্ট দিয়ে বেপরোয়া ও অবহেলামূলকভাবে চালাতে শুরু করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত ফেরি 'বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর'-এ না তুলে বাসটি দ্রুতগতিতে পন্টুন অতিক্রম করে সেখানে অবস্থানরত 'করবী অক্সফ্যাম' ফেরির ওপর উঠে যায়। এরপর ফেরিটির শেষ প্রান্তের র‌্যাম্পে সজোরে ধাক্কা দিলে র‌্যাম্পের শিকল ও ছিটকিনি ছিঁড়ে যায় এবং বাসটি সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

নৌ পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার আগমুহূর্তে সুপারভাইজার ও হেলপার কৌশলে লাফ দিয়ে ফেরিতে নেমে যান। আর চালক সাঁতরে পন্টুনের কাছে এলে নৌ পুলিশ ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, দুর্ঘটনায় করবী অক্সফ্যাম ফেরির র‌্যাম্প, ক্যাবল ও শিকল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি যাত্রীদের ব্যাগ ও মালামালের একটি বড় অংশ পানিতে ভিজে, ডুবে বা হারিয়ে যায়। এতে সব মিলিয়ে আনুমানিক ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, নৌ পুলিশের দায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে পেনাল কোডের ২৭৯, ৪২৭, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৫ এপ্রিল একই নৌরুটে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস পদ্মা নদীতে ডুবে গেলে নারী ও শিশুসহ ২৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর এবারের ঘটনায় চালকের বেপরোয়া গাড়ি চালানোকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। বারবার এই ঘাটে দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সুমন/নাঈম

মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ
আলম হোসেন মোল্যা। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কোরকদী ইউনিয়নের বন্দর শংকরপুর দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মো. আলম হোসেন মোল্যার বিরুদ্ধে জাল সনদে দীর্ঘ ৯ বছর চাকরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সরকারি বিধি মোতাবেক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন, যার ফলে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে।

জাল সনদের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকাবাসী ২০১৯ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মো. আলম হোসেন মোল্যা ২০০৮ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত বন্দর শংকরপুর দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, তিনি কখনো কওমি মাদরাসার কিতাব বিভাগে অধ্যয়ন না করেই জাল সনদ দাখিল করে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভ করেন। অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তৎকালীন এক সহকারী পরিচালক তদন্ত পরিচালনা করেন। ওই তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষক, মসজিদ কমিটির সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাক্ষ্য দেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুনরায় ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক গঠিত ছয় সদস্যের একটি তদন্ত বোর্ড অভিযুক্ত শিক্ষকের সনদ যাচাই-বাছাই করে। যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি ছিলেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সোহরাব হোসেন। যাচাই-বাছাই শেষে তদন্ত বোর্ডে দাখিল করা সনদ জাল বলে প্রমাণিত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরও তিনি শিক্ষক পদে বহাল থাকার জন্য বিভিন্ন মহলে তদবির করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাল সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ গ্রহণ করেছেন তিনি। তার এ জালিয়াতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, চাকরি থেকে অব্যাহতি, সরকারি অর্থ ফেরত আদায় এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আলম হোসেন মোল্যার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, তিনি যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য। সেখানে আমি কতটুকু ন্যায়বিচার পেতে পারি? আমার সনদপত্র জাল নয়। আমার সনদে একই ব্যক্তির একই ধরনের স্বাক্ষর রয়েছে। অভিযোগকারীরা কোথা থেকে একই ব্যক্তির দুই ধরনের স্বাক্ষরসংবলিত সনদপত্র পেয়েছেন, তা আমার জানা নেই।’

এ বিষয়ে সনদ যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য মুফতি কামরুজ্জামান বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আলম হোসেন মোল্যাকে তার কাগজপত্রসহ কমিটির সামনে হাজির করা হলে সনদ অনুযায়ী তিনি কোন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন, তা জিজ্ঞাসা করা হয়। কিন্তু তিনি সন্তোষজনকভাবে উত্তর দিতে পারেননি। এতে বোর্ডের সদস্যদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে যে তার সনদগুলো সঠিক নয়।’

ফরিদপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. ইয়াসিন মোল্যা বলেন, ‘মো. আলম হোসেন মোল্যার সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তার সনদ ও প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওশনা জাহান বলেন, ‘এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমার দপ্তরে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি ইসলামিক ফাউন্ডেশনই ভালো জানে।’

নয়ন/রিফাত/

গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:২০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:২০ পিএম
গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

গাইবান্ধার সাঘাটায় ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রিপন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ‎

শনিবার (৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বোনারপাড়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন কলেজ মোড় সিগন্যাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

‎নিহত রিপন মিয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ‎হরিরামপুর ইউনিয়নের ধুনদিয়া গ্রামের মৃত্যু দুদু মিয়ার ছেলে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা করতোয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি বোনারপাড়া স্টেশন ছেড়ে গাইবান্ধার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে বোনারপাড়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন কলেজ মোড় সিগন্যাল এলাকায় ট্রেনটি এলে ট্রেনের নিচে পড়ে তার দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

‎দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও বোনারপাড়া রেলওয়ে (জিআরপি) পুলিশ তাকে প্রথমে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। 

আহত যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বিকেলে ‎বোনারপাড়া রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন খবরের কাগজকে জানান, আহত যুবকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল থেকে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে রংপুরে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

‎মিলন/নাঈম

দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান
‘মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করছেন দৈনিক খবরের কাগজের সিলেট ব্যুরো অফিসের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববি। ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক খবরের কাগজের সিলেট ব্যুরো অফিসের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৪ সাংবাদিকে দেওয়া হয়েছে ‘মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড’। এরই সঙ্গে আরও দুজন সাংবাদিককে দেওয়া সম্মাননা।

 শুক্রবার (৫ জুন) রাতে নির্ভানা ইন হলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার এবং সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

মাহমুদ হোসাইন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রবর্তিত মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রিন্ট ক্যাটাগরিতে পেয়েছেন দৈনিক খবরের কাগজের সিলেট ব্যুরো অফিসের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববি, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ক্যাটাগরিতে চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের সিলেট প্রতিনিধি আজহার উদ্দিন শিমুল, ফটো সাংবাদিকতায় স্থানীয় দৈনিক একাত্তরের কথার মোহিদ হোসেন ও মফস্বল ক্যাটাগরিতে দৈনিক যুগান্তরের গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি হারিছ আলী।

পাশাপাশি প্রবীণ সাংবাদিক সম্মাননা পেয়েছেন মুহম্মদ বশিরুদ্দিন ও মরণোত্তর ক্যাটগরিতে সম্মাননা পেয়েছেন ২৪ এর আন্দোলনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে শহীদ সাংবাদিক এ.টি এম তুরাব।

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের উপদেষ্টা( ফরেন অ্যাডভাইজারি কাউন্সিল) ইংল্যান্ডের টাওয়ার হ্যামলেটস বারা’র প্রথম নির্বাহী ডেপুটি মেয়র অহিদ আহমদের সভাপতিত্বে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিথি শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো ভাইস চেন্সলর অধ্যাপক সাজেদুল করিম, সিটি করপোরেশন প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিএমএর সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা.শামিমুর রহমান, ইংল্যান্ডের জজ ব্যারিস্টার নাজ খসরু,স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালক মাহবুবুল আলম, সিলেট চেম্বারের সাবেক সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ, সিলেট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সিলেট ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান সেলিম, বাংলাদেশ স্কাউট সিলেটের আঞ্চলিক কমিশনার মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নারজিস, দৈনিক সিলেট মিররের প্রধান সম্পাদক জিয়াউস শামস শাহীন, সিলেট ভয়েসের প্রকাশক সেলীনা চৌধুরী, সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি সুবর্ণা হামিদ, সিলেট উইমেন্স চেম্বারের সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা, সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম আউয়াল প্রমুখ।

‘মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড’ এর আয়োজক অহিদ আহমদ বলেন, মরহুম মাওলানা রশীদ আহমদ আমাদের ভাই ছিলেন। আমরা আমাদের ভাইর স্মৃতি ধরে রাখতে এ উদ্যোগ নিয়ে।  কারণ তিনি জীবদ্দশায় সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে কাজ করতে চেয়েছিলেন। আমরা তার স্বপ্নকেই প্রাধান্য দিয়েছি। প্রথম এমন কিছু আয়োজন। তাই অনুষ্ঠান পরিচালনায় আমাদের অনেক ঘাটতি ছিল। তবে এটাই শেষ নয়। এই পুরস্কার অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আমরা অনেক সুশৃঙ্খল অনুষ্ঠান করবো।

শাকিলা ববি/এসএ