দশম অধ্যায় : খনিজ সম্পদ: ধাতু ও অধাতু
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-১
উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।
আয়রনের আকরিক হলো ম্যাগনেটাইট, হেমাটাইট ইত্যাদি। এই আকরিক থেকে ঢালাই লোহা সহজেই পাওয়া যায়।
ক. বিগলন কী?
খ. ‘সব খনিজই আকরিক নয়’ ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের ধাতুটি নিষ্কাশনের মূলনীতি ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের ধাতুটি নিষ্কাশনে যেসব বিক্রিয়া ঘটে, তা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: ক. বিগলন: যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে তরলে পরিণত করা হয়, তাকে বিগলন বলে।
খ. প্রকৃতিতে প্রাপ্ত যেসব পদার্থ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু নিষ্কাশন করা যায়, তাকে আকরিক বলে। অন্যদিকে, খনিজ হলো প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন অজৈব পদার্থ, যা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান দিয়ে গঠিত। সব আকরিক খনিজ হলেও সব খনিজ আকরিক নয়। উদাহরণস্বরূপ, বক্সাইট অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক, তাই এটি খনিজও। কিন্তু মাটিও এক ধরনের খনিজ, যা থেকে কোনো ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না। তাই এটি আকরিক নয়।
আরো পড়ুন :অ্যাসিড-ক্ষারক সমতা অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব
গ. উদ্দীপকের ধাতু আয়রন বা লোহা। আয়রন নিষ্কাশনের মূলনীতি হলো কার্বন বিজারণ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে লোহার আকরিককে কার্বনের সঙ্গে উত্তপ্ত করে লোহাকে মুক্ত করা হয়।
ঘ. আয়রন নিষ্কাশনের জন্য প্রধানত হেমাটাইট (Fe₂O₃) আকরিক ব্যবহার করা হয়। এই আকরিক থেকে লোহা নিষ্কাশনের জন্য নিম্নোক্ত বিক্রিয়াগুলো ঘটে-
বিজারণ বিক্রিয়া:
Fe₂O₃ (s) + 3CO (g) → 2Fe (l) + 3CO₂ (g)
কার্বন ডাই-অক্সাইড গঠন:
C (s) + O₂ (g) → CO₂ (g)
কার্বন মনোক্সাইড গঠন:
CO₂ (g) + C (s) → 2CO (g)
লেখক : প্রধান শিক্ষক
হাজী রফিজুদ্দিন ভূঁইয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
কবীর