ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সারা দেশে ভূমিকম্প অনুভূত সুরে সুরে শেষ হলো বিশ্ব সংগীত দিবসের বর্ণিল আয়োজন টাইব্রেকারে জামালপুরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মাগুরা প্রকৃত মুমিন নিজেকে কীভাবে সামলে নেয়? সহিংসতা এড়াতে গোপালগঞ্জেও পৌঁছেছে সেনাবাহিনী ‘মসজিদ-মাদরাসায় রাজনৈতিক সভা ও জামায়াত রাজনীতি নিষিদ্ধে সংসদে আইন পাসের  দাবি’ রাম মূর্তি নির্মাণ ও হিন্দুত্ববাদী তৎপরতার প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিক্ষোভ মিছিল নাশকতা ঠেকাতে গাজীপুরেও সেনা মোতায়েনের নির্দেশ চবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন ফরিদপুরে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সেনাবাহিনী মোতায়েন শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে মাত্র ৫ দিনে মিলল প্রায় ১৮ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ঈশ্বরদীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা আলিয়ার শুটিংয়ে একজনের মৃত্যু ফুলবাড়ীতে বাংলা মদের কারখানায় পুলিশের অভিযান সমুদ্রে জ্বালানিসম্পদ নিশ্চিত, উত্তোলনে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: নৌপরিবহনমন্ত্রী আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ ডিভোর্স হতে পারে স্বামী-স্ত্রীর, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে নয়: এমপি সিরাজ জেন্ডার বাজেট বাড়লেও নারীর নিরাপত্তা-ক্ষমতায়ন নিয়ে প্রশ্ন অধিকারকর্মীদের সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল, সংসদে নোটিশ উত্থাপন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও দুর্নীতির মূলোৎপাটন অপরিহার্য: সংস্কৃতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু আসন্ন আলিম পরীক্ষা নিয়ে মাদরাসা বোর্ডের নির্দেশনা নওগাঁয় চীনা পর্যটককে হেনস্তার অভিযোগে টিকটকার গ্রেপ্তার কুমিল্লা বোর্ডের ৮ কলেজে নেই এইচএসসি পরীক্ষার্থী! Two Friends and a Bear বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ১ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র বিরোধীদলীয় নেতার ১০ কেজি উপহার, পেলেন এমপি থেকে পিয়ন সবাই আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফেনীতে বিশ্ব ক্লাবফুট দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও সচেতনতামূলক সভা

Unit-5: Climate Change, Lesson-5: A Friend of the Earth থেকে ১টি প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
Unit-5: Climate Change, Lesson-5: A Friend of the Earth থেকে ১টি প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার ইংরেজি ১ম পত্র
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। ছবি- সংগৃহীত

Unit-2 : Climate Change

Lesson-5 : A Friend of the Earth

Part A: Reading Test 

Read the passage. Then answer the questions no. 2.

Let’s save our planet!
Everyone must play a part in protecting the environment. There are many things you can do on your own every day to help save the planet. Here are some suggestions.

Reduce!
Really, the best thing we can do for the planet is to use its resources properly. Our unplanned activities are mainly responsible for the environmental crisis. Here are some questions you can ask yourself before buying something. “Do I really need this?” or “Is there another product which would do the same thing but is more sustainable?” or ask the question, “Will this last a long time?” Some other questions may be, “Do I know how this item was made, how it will be used and how it will be disposed of?”

Reuse!
What do you think of using your own ceramic cup or mug at your school or local club? It means there are no plastic cups to throw away. You can wash it and reuse it every day. Unfortunately, we are encouraged to buy a new ‘improved’ item even if the one we have can be repaired or reused. When we buy things, we should buy those that are durable; we should use them properly, and have them repaired when necessary. If we practice this, many things will not only last a lifetime, but also be passed on for future use. However, if something is truly unusable for its original purposes, try to be more creative and think of how else it might be used. When you are done with it, think of whether someone else might be able to use it. You can donate some of the things to the poor. You may also sell some of your used items through personal advertisements in a local newspaper or in social media.

আরো পড়ুন : Unit-5 : Climate Change, Lesson-5 : A Friend of the Earth থেকে ১টি প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা, ১ম পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার ইংরেজি ১ম পত্র

Recycle!
Rather than throwing an item out when neither you nor anyone else can make use of it, have it recycled. And if recycling is not possible, it is better to send goods to a landfill or have them burned up. Find out what types of materials can be recycled in your area. Clean and sort the materials before putting them out in the bin. Recycling your drink and food cans means there will be less trash in a resource recovery facility or landfill. Moreover, a company can use the old cans to make new ones.

2. Read the passage again. Now, answer the following questions in your own words.  2x5=10 

(a) Whom does the author blame for the environmental crisis?
(b) How many questions can you ask yourself before buying the things?
(c) Why is it necessary to save our planet?
(d) Do you think recycling can contribute to the development of our country? How?
(e) ‘Our customer society is mainly responsible for the environmental crisis.’ Explain how they are responsible.

Answer: 2. a. The author blames mainly the user or the consumer society for the environmental crisis.
b. Before buying the things, we can ask ourselves four questions. Those are: whether the materials are needed or not, if there is another product more sustainable, how long this item will last, how this item was made and how it is used and disposed of.
c. Unless the planet is saved, our lives on earth will of course, be under tremendous threat. Without saving the planet, we can hardly expect a peaceful and comfortable life.
d. Yes, I think recycling can contribute to the development of our country because as a poor and developing country, we cannot produce more and more new things. So, when we reuse something, it will definitely help flourish our economic growth.
e. The users of necessary items are shown here as customers. In fact, customers are of varied qualities, of varied backgrounds. They often buy things which are not at all required by them. Moreover, some of them are not conscious of the maintenance of environment. They pollute the environment by misusing their things.

লেখক : সিনিয়র শিক্ষক, ইংরেজি
লেক সার্কাস গার্লস হাই স্কুল, কলাবাগান ঢাকা

কবীর

Two Friends and a Bear বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ১ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম
Two Friends and a Bear বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ১ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র
ভালুক দেখে ভয়ে দুই বন্ধুর একজন গাছে ওঠে পড়ে আরেকজন মাটিতে মৃত ব্যক্তির মতো শুয়ে পড়ে। ছবি- সংগৃহীত

Story Writing

Two Friends and a Bear

One evening two friends were passing through a jungle. They were very intimate with each other. There lived wild beasts in the jungle. 
After walking for some time, they saw a bear coming towards them. Both of them got afraid. One of them knew how to climb up a tree. He climbed up a nearby tree and left his friend alone.
The other was fatty and did not know how to climb up a tree. He gave up the hope of his life. He knew that a bear does not touch a dead body. So he fell flat on the ground like a dead person. He stopped breathing also.
The bear came near him. It smelt him all over the body. The bear thought him to be a dead man. So it did not touch him. It went away slowly and gently.
The friend who was on the tree saw everything. He got down from the tree. He went to his friend and asked him eagerly, ‘Oh! Dear, what did the bear whisper to your ear?’ 
In reply the friend said, ‘It advised me not to trust a false friend.’ It said, ‘Don't mix with the friend who leaves you in time of danger. He's not a friend indeed.’ 
So we should bear in mind that ‘A friend in need is a friend indeed.’

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১৬টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১৬টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

অস্টম অধ্যায় : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক  সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

ইউনিসেফের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম

প্রশ্ন: UNICEF-এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর:  UNICEF-এর পূর্ণরূপ হলো- United Nations Children’s Fund.

প্রশ্ন: ইউনিসেফের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ইউনিসেফের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত। 

প্রশ্ন: ইউনিসেফ কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
উত্তর: ইউনিসেফ একটি আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। 

প্রশ্ন: শিশুদের বইপুস্তক সরবরাহ করা ইউনিসেফের কোন ধরনের শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর:  শিশুদের বইপুস্তক সরবরাহ করা ইউনিসেফের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত। 

প্রশ্ন: শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ইউনিসেফের কোন ধরনের শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর:  শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ইউনিসেফের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।

প্রশ্ন: গণশিক্ষা ইউনিসেফের কোন ধরনের শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: গণশিক্ষা ইউনিসেফের অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত। 

প্রশ্ন: ঢাকার শিশু হাসপাতাল কোন পরিষদের অধীনে পরিচালিত হয়?
উত্তর: ঢাকার শিশু হাসপাতাল বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদের অধীনে পরিচালিত হয়।

প্রশ্ন: ইউনিসেফের শিশুকল্যাণ কার্যক্রমে মূলত কোন সমাজকর্ম পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ইউনিসেফের শিশুকল্যাণ কার্যক্রমে মূলত ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন: ইউনিসেফ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর:  ইউনিসেফ ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

ইউএনডিপির উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম

প্রশ্ন: UNDP-এর সদর দপ্তর কোথায়?
উত্তর:  UNDP-এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

প্রশ্ন: UNDP-এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: UNDP-এর পূর্ণরূপ হলো- United Nations Development Programme.

প্রশ্ন: UNDP-এর একটি লক্ষ্য উল্লেখ করো। 
উত্তর: UNDP-এর একটি লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা। 

প্রশ্ন: প্রবীণ হিতৈষী সংঘ কী?
উত্তর:  বাংলাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে প্রবীণদের সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান হলো প্রবীণ হিতৈষী সংঘ। 

প্রশ্ন: MDG-এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: MDG-এর পূর্ণরূপ হলো Milennium Development Goals.

প্রশ্ন: ইউএনডিপি কী?
উত্তর:  ইউএনডিপি হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক উন্নয়নমূলক সংস্থা। 

প্রশ্ন: প্রবীণ কারা?
উত্তর:  জাতিসংঘের মতে, ৬০ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী ব্যক্তিদের প্রবীণ বলা হয়।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

 

পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর গঠন। ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : পৃথিবীর গঠন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। ভূত্বকের গড় গভীরতা কত কিলোমিটার?
ক) ৭ কিলোমিটার     খ) ১৭ কিলোমিটার
গ) ২৭ কিলোমিটার    ঘ) ৩৭ কিলোমিটার

২। মহাদেশীয় ভূভাগজুড়ে বহিরাবরণ হিসেবে ভূপৃষ্ঠের কোন স্তর বিদ্যমান?
ক) সিমা স্তর          খ) সিয়াল স্তর
গ) অলিভিন স্তর    ঘ) সেফিক স্তর

৩। সিয়াল ও সিমার মধ্যে বিভাজনকারী রেখার নাম কী?
ক) কনরাড বিযুক্তি    খ) গুটেনবার্গ বিযুক্তি
গ) সনোরা লাইন       ঘ) মোহোবিযুক্তি

৪। পৃথিবীর উপরিভাগে একটি কঠিন পাতলা আবরণ সৃষ্টি হয়-
i. তাপ বিকিরণ করে তরল হয়ে    
ii. জমাট বেঁধে
iii. উপরিভাগের চাপের কারণে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii      খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৫। অশ্মমণ্ডল ও গুরুমণ্ডল বিচ্ছেদকারী তলকে কী বলে?
ক) কনরাড বিযুক্তি    খ) মোহো বিযুক্তি
গ) উইচার্ট বিযুক্তি      ঘ) গুটেনবার্গ বিযুক্তি

আরো পড়ুন : প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

৬। কেন্দ্রমণ্ডল উত্তপ্ত হলেও চাপের প্রভাবে এ স্তরের উপাদানগুলো কী অবস্থায় রয়েছে?
ক) স্থিতিস্থাপক ও চটচটে    খ) তরল ও দ্রবণীয়
গ) বাষ্পীয় ও উদ্বায়ী            ঘ) কঠিন ও চটচটে

৭। অশ্মমণ্ডল নিচের কোন দুটি স্তরে বিভক্ত?
ক) সিমা ও ক্রোফেসিমা    খ) সিয়াল ও সিমা
গ) নিফেমিয়া ও সিমা        ঘ) নিফেসিমা ও ক্রোফেসিমা

৮। গুরুমণ্ডল গঠনকারী উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে-
i. সিলিকন    
ii. অ্যালুমিনিয়াম
iii. ম্যাগনেশিয়াম
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii      খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৯। জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের পর্বত?
ক) ভঙ্গিল পর্বত           খ) ক্ষয়জাত পর্বত
গ) সঞ্চয়জাত পর্বত     ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত

উত্তর: ১. খ, ২. খ, ৩. ক, ৪. ক, ৫. খ, ৬. ক, ৭. খ, ৮. খ, ৯. গ।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায় থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:৫১ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম
জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায় থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
প্রকৃতি ও পরিবেশ। ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা 

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন (√) দাও বা সঠিক উত্তরটি লেখ।

ক) জীবজগতের সব শক্তির উৎস কী?
i) সূর্য         ii) সবুজ উদ্ভিদ
iii) খাদ্য     iv) বায়ু

খ) নিচের কোন উপাদানের জন্য উদ্ভিদ প্রাণীর ওপর নির্ভরশীল?
i) অক্সিজেন    ii) কার্বন ডাই-অক্সাইড
iii) পানি          iv) বংশবৃদ্ধি

গ) খাদ্যশৃঙ্খলে উৎপাদক কোনটি?
i) ছত্রাক                ii) সবুজ উদ্ভিদ
iii) পশুর খামার    iv) কলকারখানা

উত্তর: ক) i) সূর্য; খ) ii) কার্বন ডাই-অক্সাইড; গ) ii) সবুজ উদ্ভিদ।

আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: শূন্যস্থান পূরণ করো।

ক) খাদ্যশৃঙ্খলে সবুজ উদ্ভিদকে বলা হয় _______।
খ) _______ প্রাণী হলো প্রথম শ্রেণির খাদক।
গ) উদ্ভিদের বীজের বিস্তারে সাহায্য করে _______।

উত্তর: ক) উৎপাদক; খ) তৃণভোজী; গ) পাখি।

সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

প্রশ্ন: উদ্ভিদ কীভাবে জড় বস্তুর ওপর নির্ভরশীল?

উত্তর: উদ্ভিদ বেঁচে থাকার জন্য মাটি, পানি, বায়ু ও সূর্যের আলোর ওপর নির্ভরশীল। সূর্যের আলো ব্যবহার করে উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। মাটি থেকে পানি ও পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে উদ্ভিদ তার বৃদ্ধি সম্পন্ন করে।

প্রশ্ন: উদ্ভিদ বংশবৃদ্ধির জন্য প্রাণীর ওপর কীভাবে নির্ভরশীল?

উত্তর: উদ্ভিদের পরাগায়ন ও বীজ বিস্তরণে অনেক প্রাণী সাহায্য করে। মৌমাছি, প্রজাপতি ও পাখি এক ফুল থেকে অন্য ফুলে পরাগ স্থানান্তর করে। ফল পাখিরা খায় এবং বীজ দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে দেয়, ফলে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি করা সহজ হয়।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
আগাছা পরিষ্কারের কাজেও যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা

কৃষিকাজে বিজ্ঞান

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের সফল প্রয়োগের উপায়:  কৃষিভিত্তিক দেশ হিসেবে কৃষির উন্নতির ওপরই আমাদের দেশের সামগ্রিক উন্নতি নির্ভরশীল। কিন্তু কৃষকদের অজ্ঞতার জন্য বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি আমরা ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতে পারছি না। তাই প্রথমেই দেশে শিক্ষার হার বাড়াতে হবে। কৃষকদের আধুনিক কৃষি পদ্ধতির সঙ্গে পরিচয় করাতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি কৃষি সংস্থা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং প্রযুক্তিতে কৃষির ওপর গবেষণা চালাচ্ছে। দেশের কৃষকদের এ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে এবং যাতে তারা বিজ্ঞানসম্মতভাবে কৃষিকাজ করতে পারে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। কৃষিবিদ্যায় শিক্ষাপ্রাপ্ত কৃষিকর্মীদের গ্রামে গ্রামে কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। হাতে-কলমে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রত্যেক কৃষককে সচেতন ও দক্ষভাবে গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশের কৃষি কাজে বিজ্ঞানের সর্বাঙ্গীন প্রয়োগ ত্বরান্বিত হবে এবং এ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অধিকতর নিশ্চিত হবে।
উদাহরণ: বিস্ফোরণোন্মুখ জনসংখ্যার ভারে বাংলাদেশ আজ ন্যুব্জ। জনসংখ্যার গুরুভার খাদ্যসংকট সৃষ্টি করেছে। আমাদের দেশের প্রচলিত প্রাচীন কৃষি পদ্ধতি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সমতা বজায় রেখে কৃষিক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না। আমাদের মাটির তুলনায় জাপানের মাটির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা এক-চতুর্থাংশ। অথচ তারা কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের চেয়ে কম জমিতে সর্বাধিক ফসল ফলিয়ে খাদ্য সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপিন্স, চীন, কোরিয়া প্রভৃতি দেশের লোকেরা যে কৃষিবিজ্ঞানকে ব্যবহার করে কৃষির উন্নয়ন করেছে, আমরা এরূপ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারি।

অত্যাধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি: আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি হলো কৃষি কাজে বিজ্ঞানের এক অসাধারণ অবদান যা কৃষি কাজে মানুষের শ্রমের পরিমাণ ব্যাপকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি কৃষকরা ব্যবহার করছেন, যার মাধ্যমে তারা কাজের গতি এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করেছেন। এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
মোয়ার: এটি একটি শস্য ছেদনকারী যন্ত্র যা শস্য কাটার কাজে ব্যবহৃত হয়।
রুপার: এই যন্ত্রটি মূলত ফসল কাটার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা কৃষকের জন্য অনেকটাই সময়সাশ্রয়ী।
বাইন্ডার: এটি ফসল বাধার জন্য ব্যবহৃত একটি যন্ত্র, যা ফসল কাটার পর তা একত্রিত করে রাখে।
থ্রেশিং মেশিন: এটি ফসলের মাড়াইয়ের কাজ সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত হয়, এর ফলে শস্যের ভেতরের দানা বের করা যায়।
ম্যানিউর স্পেডার: এটি সার বিস্তরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যাতে জমিতে সার সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

আরো পড়ুন : কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

ট্রাক্টর: এটি একটি অত্যাধুনিক চাষাবাদ যন্ত্র, যা জমি চাষ, পোঁতা এবং অন্যান্য কৃষি কাজে ব্যবহৃত হয়।
সিল ড্রিম: এটি গর্ত খননের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র, যা বিভিন্ন কৃষি কাজে ভূমিকা রাখে।
বিরিড্রাম সিডার: এটি বীজ বপনের যন্ত্র, যা সঠিক পরিমাণে বীজ জমিতে ছড়িয়ে দেয়।
স্পেয়ার: এই যন্ত্রটি কৃষি কাজের জন্য যেকোনো অস্থির বা জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হতে পারে।
ডায়া ফার্ম পাম্প: এটি সেচ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ পাম্প।
ট্রেডল পাম্প: সেচ কাজে ব্যবহৃত আরেকটি কার্যকর পাম্প।
রোয়ার পাম্প: এই পাম্পটি জমিতে পানি সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়।
এ ছাড়া, বহু আধুনিক যন্ত্রপাতি কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি, কাজের গতি ত্বরান্বিত এবং কৃষকদের শ্রম কমিয়ে দিয়েছে। এসব যন্ত্রপাতি কৃষকদের জন্য এক নতুন যুগের সূচনা করেছে, যেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাহায্যে কৃষিকাজ আরও সহজ ও সঠিকভাবে করা সম্ভব হচ্ছে।

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের ক্ষতিকর দিক: বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষিকাজ যেমন উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে তুলেছে তেমনি এর কিছু নেতিবাচক প্রভাবও ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ হওয়ায় আমাদের জন্য এ ক্ষতিকর দিকগুলো এড়িয়ে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমত, জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার এবং কীটনাশকের ব্যবহার জমির উর্বরতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দিচ্ছে। এই রাসায়নিকগুলো বৃষ্টির পানির সঙ্গে কাছাকাছি জলাশয়ে মিশে যাচ্ছে, যা পরিবেশ এবং জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। দূষিত পানি মানব স্বাস্থ্যেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে, যেখানে মানুষ পুকুর বা নদীর পানি ব্যবহার করে।
দ্বিতীয়ত, কৃষি কাজে সেচের জন্য অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। এর ফলে অনেক এলাকায় পানিতে আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান মিশে যাচ্ছে যা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
তৃতীয়ত, যান্ত্রিক কৃষি কাজের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার বেড়েছে। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে জমির ওপরের স্তর শক্ত হয়ে যায়, যা বায়ু চলাচল এবং পানি ধারণক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে জমিতে প্রাকৃতিকভাবে জীবাণু ও পোকামাকড়ের উপস্থিতি কমে যায় যা দীর্ঘমেয়াদে মাটির প্রাকৃতিক গুণাগুণ নষ্ট করে।
চতুর্থত, রাসায়নিক কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার শুধু ক্ষতিকারক পোকামাকড় ধ্বংস করে না বরং জমির উপকারী জীবাণুগুলোকেও মেরে ফেলে। এতে মাটির স্বাভাবিক জৈব প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

উপসংহার: বিজ্ঞান জীবনের সবদিকেই উন্নতির স্বাক্ষর রেখেছে। কৃষি কাজে বিজ্ঞানের অবদান অনন্য। আমাদের জাতীয় উন্নয়ন সম্পূর্ণরূপে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই একমাত্র আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমেই কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে আমরা আমাদের খাদ্য সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি পরনির্ভরশীলতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে পারি।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর