ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রান্তিক ধাপের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের সুবিধা পাবেন না বস্তিবাসী ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা গাছ লাগান, সওয়াব কামান পাসপোর্ট ও বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে জটিলতা দূর, বাংলাদেশে টিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা মাস্টার বাড়ি কোরবানির চামড়া বিক্রিতে ধস বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টা কৃষি শব্দকোষ নড়াইলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ঝিনাইদহের এসপি প্রত্যাহার টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ ঝিনাইদহে গাছ থেকে ঝুলন্ত নারীর মরদেহ উদ্ধার জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন সোনারগাঁয় মেঘনা টোলপ্লাজায় লরির ধাক্কায় আহত ৬ খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল
Nagad desktop

যেভাবে হবেন ভালো ধারাভাষ্যকার

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
আপডেট: ১৮ মে ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
যেভাবে হবেন ভালো ধারাভাষ্যকার
কণ্ঠকে পুঁজি করে কুমার কল্যাণ গড়ে তুলেছেন এক মজবুত ক্যারিয়ার। ছবি: খবরের কাগজ

একজন মানুষের স্বপ্ন যখন জেদে রূপ নেয়, তখন কোনো বাধাই আর বাধা থাকে না। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে ‘কুমার কল্যাণ’ এমনই এক নাম, যিনি অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন। আমাদের সমাজে যেখানে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বাইরে অন্য কিছু ভাবা বিলাসিতা ছিল, সেখানে তিনি শুধু তার কণ্ঠকে পুঁজি করে গড়ে তুলেছেন এক মজবুত ক্যারিয়ার। ধারাভাষ্যকার কুমার কল্যাণের সেই শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প ও তার অভিজ্ঞতালব্ধ পরামর্শ তুলে ধরেছেন ইকবাল মাহমুদ। 

স্বপ্ন থেকে মাইক্রোফোনে

যশোরের মাটিতে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই কুমার কল্যাণের মনে জন্ম নেয় ধারাভাষ্যকার হওয়ার স্বপ্ন, যখন তিনি রেডিওতে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ডার্বির উত্তেজনাপূর্ণ ধারাভাষ্য শুনে মুগ্ধ হতেন। সেই অনুপ্রেরণা থেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেই শুরু করেন অনুশীলন, আর প্রথম সুযোগ পান স্কুলের ‘হেমচন্দ্র পাল স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে’। মাইক্রোফোন হাতে নেওয়ার পর আর থেমে থাকেননি–স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের সহযোগিতায় যশোর স্টেডিয়ামে ধারাভাষ্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তার স্বপ্ন ধীরে ধীরে বাস্তবতায় রূপ নিতে শুরু করে।

অদম্য জেদ

কুমার কল্যাণের জীবনের টার্নিং পয়েন্ট ২০০৩ সাল। বাড়িতে বাধা ছিল, পরিবার চাইত না একমাত্র ছেলে ভবঘুরের মতো খেলার মাঠে পড়ে থাকুক। বাবা একবার আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘খেলাধুলা কি তোকে খেতে দেবে?’ বাবার সেই কথাই সেদিন কল্যাণের মনে জেদ ধরিয়ে দিয়েছিল। পকেটে মাত্র ২৫০ টাকা আর এক বুক সাহস নিয়ে তিনি পাড়ি জমান ঢাকায়। উঠেছিলেন মামাতো বোনের বাসায়। সেখানে থেকে বহু কষ্টে খুঁজে বের করেন জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাতকে। 

অডিশনে প্রথম হয়েও বঞ্চনা

২০০৫ সালে বাংলাদেশ বেতারে ধারাভাষ্যকার নিয়োগের অডিশনে ৮৪ জনের মধ্যে প্রথম হয়েছিলেন কুমার কল্যাণ। অথচ অবাক করা বিষয় হলো, প্রথম হয়েও তিনি শুরুতে সুযোগ পাননি; সুযোগ পেয়েছিলেন দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া প্রার্থীরা। কিন্তু প্রতিভা কি আর চেপে রাখা যায়? ২০০৬ সালে ইংল্যান্ড দলের বাংলাদেশ সফরের সময় বড় ভাইদের অনুরোধে মাত্র দুই ওভারের জন্য মাইক্রোফোন পান তিনি।

আরো পড়ুন: পূবালী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

সেই দুই ওভারেই তিনি এমন জাদু দেখালেন যে, উপস্থিত সবাই মুগ্ধ হয়ে বললেন একে এখনই নিয়মিত করা হোক। সেই শুরু, এরপর ২০১১ বিশ্বকাপসহ অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে নিজের কণ্ঠের ছাপ রেখে গেছেন তিনি।

শখ যখন পেশা 

বাংলাদেশে ধারাভাষ্যকে একমাত্র পেশা হিসেবে বেছে নেওয়াটা ছিল পাগলামির নামান্তর। কিন্তু কুমার কল্যাণ সেটিকেই ধ্যান-জ্ঞান করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি একদিনে চারটি টি-টোয়েন্টি বা ১৬০ ওভার পর্যন্ত একা কমেন্ট্রি করেছি। এমনকি টস থেকে শুরু করে প্রেজেন্টেশন পর্যন্ত একাই সামলেছি। আজ এই ধারাভাষ্য দিয়েই আমি আমার মা-বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তানের মুখে অন্ন তুলে দিই। এটাই আমার একমাত্র জব।’
কেবল ক্রিকেট বা ফুটবলেই সীমাবদ্ধ থাকেননি তিনি। ভলিবল, বাস্কেটবল, হ্যান্ডবল, কাবাডি থেকে শুরু করে রোলার স্কেটিং এমন কোনো খেলা নেই যেখানে তার কণ্ঠ পৌঁছায়নি। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা পুলিশ বাহিনীর ক্রীড়া উৎসবেও আজ তিনি অপরিহার্য।

নতুনদের জন্য কুমার কল্যাণের পরামর্শ 

নতুন যারা ধারাভাষ্য পেশায় আসতে চান, তাদের জন্য কুমার কল্যাণের পরামর্শ যেমন বাস্তবসম্মত, তেমনি কিছুটা কঠোরও। কারণ, এই পেশা শুধু কথা বলার নয়, এটি জ্ঞান, ব্যক্তিত্ব, কণ্ঠশৈলী ও পেশাগত মর্যাদার সমন্বয়। নিচে তার মূল পরামর্শগুলোর সঙ্গে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক সাজিয়ে দেওয়া হলো–


১. শুদ্ধ উচ্চারণ ও ভাষার ব্যবহার: একজন ধারাভাষ্যকারের প্রথম পরিচয় তার ভাষা। আঞ্চলিক টান বা উচ্চারণ পরিহার করে প্রমিত বাংলায় কথা বলা অত্যন্ত জরুরি। অপ্রয়োজনীয় ‘বাংলিশ’ ব্যবহার শ্রুতিকটু হয়ে ওঠে এবং পেশাদারত্বে ঘাটতি তৈরি করে। ভাষা হতে হবে পরিষ্কার, প্রাঞ্জল ও শ্রুতিমধুর।

২. খেলা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান: শুধু খেলা দেখা বা বর্ণনা করাই যথেষ্ট নয়। খেলার নিয়মকানুন, কৌশল, টেকনিক্যাল টার্ম–সবকিছু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। একজন ভালো ধারাভাষ্যকার খেলার ভেতরের গল্পটিও তুলে ধরেন, যা সাধারণ দর্শক হয়তো বুঝতে পারেন না।

৩. কণ্ঠস্বরের নিয়ন্ত্রণ ও ভঙ্গি: কণ্ঠস্বরই আপনার মূল অস্ত্র। পরিস্থিতি অনুযায়ী কণ্ঠের ওঠানামা, আবেগের প্রকাশ এবং গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে কণ্ঠে প্রাণ থাকতে হবে, আবার সাধারণ মুহূর্তে শান্ত ও স্বাভাবিক থাকতে হবে। একঘেয়ে কণ্ঠস্বর শ্রোতার আগ্রহ নষ্ট করে।

৪. তাৎক্ষণিক বিশ্লেষণ ক্ষমতা: ধারাভাষ্য শুধু বর্ণনা নয়, এটি বিশ্লেষণও। খেলার মুহূর্ত বুঝে দ্রুত ও যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা দেওয়ার দক্ষতা থাকতে হবে। কেন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, কোন কৌশল কাজে লাগছে–এসব ব্যাখ্যা দর্শকের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করে।

৫. শব্দভাণ্ডার ও ভাষার সৌন্দর্য: একই শব্দ বারবার ব্যবহার করলে ধারাভাষ্য একঘেয়ে হয়ে যায়। তাই সমৃদ্ধ শব্দভাণ্ডার গড়ে তোলা জরুরি। ভাষায় বৈচিত্র্য, ছন্দ এবং সৃজনশীলতা থাকলে ধারাভাষ্য আরও আকর্ষণীয় হয়।

৬. ব্যক্তিত্ব ও পোশাক: একজন ধারাভাষ্যকার শুধু কণ্ঠ দিয়ে নয়, ব্যক্তিত্ব দিয়েও নিজেকে উপস্থাপন করেন। মার্জিত, স্মার্ট ও পেশাদার পোশাক দর্শকের কাছে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ব্যক্তিত্বে আত্মবিশ্বাস ও স্থিরতা থাকতে হবে।

৭. পেশার মর্যাদা বজায় রাখা: অনেক নতুন ধারাভাষ্যকার দ্রুত পরিচিতি পাওয়ার আশায় বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে চান বা নিজে থেকে সুযোগ খোঁজেন। কুমার কল্যাণ মনে করেন, এটি এই পেশার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। নিজের কাজের মূল্য বুঝতে হবে এবং পেশার সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

৮. গবেষণা ও প্রস্তুতি: একজন দক্ষ ধারাভাষ্যকার কখনো প্রস্তুতি ছাড়া মাইক্রোফোন হাতে নেন না। খেলার আগে দল, খেলোয়াড়, পরিসংখ্যান, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স–সব বিষয়ে ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। এতে ধারাভাষ্য তথ্যবহুল ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।

৯. সময়জ্ঞান ও ভারসাম্য: ধারাভাষ্যে কখন কথা বলতে হবে, কখন নীরব থাকতে হবে–এই ভারসাম্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত কথা যেমন বিরক্তিকর, তেমনি প্রয়োজনের সময় চুপ থাকাও অস্বস্তিকর। সঠিক মুহূর্তে সঠিক কথা বলাই দক্ষতার পরিচয়।

১০. শ্রোতাবান্ধব উপস্থাপনা: ভাষা ও উপস্থাপন এমন হতে হবে, যাতে সাধারণ দর্শক সহজেই বুঝতে পারে। অতিরিক্ত জটিল বা দুর্বোধ্য ব্যাখ্যা এড়িয়ে চলা উচিত। সহজ, সাবলীল ও আকর্ষণীয় উপস্থাপনাই সফল ধারাভাষ্যের চাবিকাঠি।

১১. নিরপেক্ষতা বজায় রাখা: একজন ধারাভাষ্যকারের অন্যতম গুণ হলো নিরপেক্ষতা। কোনো দল বা খেলোয়াড়ের প্রতি ব্যক্তিগত পক্ষপাত দেখালে তা দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারায়। সব সময় ভারসাম্যপূর্ণ ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে হবে।

১২. প্রযুক্তিগত দক্ষতা: মাইক্রোফোন ব্যবহার, স্টুডিও পরিবেশ, সম্প্রচার প্রক্রিয়া–এসব বিষয়ে মৌলিক ধারণা থাকলে কাজ আরও পেশাদার হয়। প্রযুক্তির সঙ্গে স্বচ্ছন্দতা একজন ধারাভাষ্যকারকে এগিয়ে রাখে।

১৩. আত্মবিশ্বাস ও মানসিক দৃঢ়তা: লাইভ ধারাভাষ্যে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ হলো–ভুলকে সামলে নেওয়ার মানসিক শক্তি। আত্মবিশ্বাস হারালে পুরো উপস্থাপন ভেঙে পড়ে। তাই চাপের মধ্যেও স্থির থাকা শিখতে হবে।

১৪. নিরন্তর অনুশীলন: ভালো ধারাভাষ্যকার রাতারাতি হওয়া যায় না। নিয়মিত অনুশীলন, খেলা দেখে নিজে নিজে ধারাভাষ্য দেওয়া, নিজের ভুল বিশ্লেষণ করা–এসবের মাধ্যমেই দক্ষতা বাড়ে।

 

তারেক/

চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা
ছবি: সংগৃহীত

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কাস্টমস, ভ্যাট এবং ডিইডিও কমপ্লায়েন্স বিভাগ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গত ২ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে ওয়ালটনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ: ২ জুন ২০২৬

পদ সংখ্যা: ১টি

লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয় 

আরো পড়ুন: আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ: ২ জুন ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ জুন ২০২৬

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.waltonhil.com

আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

পদের নাম: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ

বিভাগ: কাস্টমস, ভ্যাট এবং ডিইডিও কমপ্লায়েন্স

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অ্যাকাউন্টিংয়ে বিবিএ/এমবিএ

অন্যান্য যোগ্যতা: এনবিআর/ভ্যাট অডিট, ডিইডিও (ডিউটি ​​ড্রব্যাক) পরিচালনার অভিজ্ঞতা। এনবিআর অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহারের দক্ষতা এবং এমএস এক্সেলে পারদর্শী। 

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ থেকে ৫ বছর 

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে 

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়) 

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই 

কর্মস্থল: ঢাকা (বসুন্ধরা)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে 

অন্যান্য সুবিধা: মোবাইল বিল, মুনাফার অংশ, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বিমা, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস। 

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

আবেদনের শেষ সময়: ৬ জুন ২০২৬

তারেক/

চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন
ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ চাকরিজীবীর আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকে। মাস শেষে নির্ধারিত বেতন হাতে এলেও ব্যয়ের তালিকা কিন্তু প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, পরিবার পরিচালনা ও হঠাৎ আসা অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে গিয়ে অনেকেই আর্থিক চাপে পড়ে যান। যত হিসাব করেই চলা হোক না কেন, অনেক সময় নির্দিষ্ট আয়ে সব প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই স্বচ্ছন্দ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

আরো পড়ুন: প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত

এছাড়া চাকরির ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা এখন খুবই সাধারণ বিষয়। যেকোনো সময় কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, যা আর্থিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আয়ের একটি উৎস অনেকটাই ভরসা জোগায়। আবার সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও বাড়তি উপার্জন মানে নিজের ও পরিবারের জন্য আরও ভালো কিছু করার সুযোগ তৈরি হওয়া। একটু বেশি সঞ্চয়, নিজের শখ পূরণ কিংবা ভবিষ্যতের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক। নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অবসর সময় কাজে লাগিয়ে সহজেই বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব। ফুল টাইম চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত উপার্জনের কিছু কার্যকর উপায় জেনে নিতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করুন

যদি আপনার কর্মক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কোনো সমস্যা না হয় এবং এটি আপনাকে কোনো আইনি সমস্যায় না ফেলে, তবে আপনার অবসর সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। আপনি লিখতে পারেন, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারেন, প্রোগ্রামিং বা ডিজিটাল মার্কেটিংয়েও কাজ করতে পারেন। এতে নিজের দক্ষতা প্রমাণের পাশাপাশি আপনি দ্রুতই অর্থশালী হয়ে উঠবেন।

কোচিং করাতে পারেন

আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ হন তবে অনলাইনে টিউটরিং বা কোচিং শুরু করতে পারেন। আপনি কারুশিল্প শেখাতে পারেন, কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারেন যেখানে আপনি যে ক্ষেত্রে ভালো সে বিষয়ে কোর্স শেখাতে পারেন। এভাবে আপনি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং আয়ের পথ তৈরি করতে পারবেন।

রুম বা সম্পত্তি ভাড়া দিন

আপনার যদি একটি অতিরিক্ত রুম থাকে, তাহলে সেটি দিয়ে হতে পারে আপনার বাড়তি আয়ের সুযোগ। অতিরিক্ত রুমটি আপনি ভাড়া দিতে পারেন। এতে খালি পড়ে থাকা রুমটি দিয়ে আপনি খুব সহজেই উপার্জনের পথ তৈরি করে নিতে পারবেন। একইভাবে আপনার গাড়িটিও কাজে লাগাতে পারেন। ভাড়া দিয়ে খুব সহজেই বাড়তি উপার্জন করতে পারেন।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করুন

আমাদের প্রায় সবার বাড়িতেই অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থাকে। হয়তো বছরের পর বছর পড়ে আছে কিন্তু কোনো কাজে লাগছে না। হতে পারে, সেই জিনিসটিই অন্য কারও অনেক প্রয়োজন কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে কিনতে পারছে না। এমন অবস্থায় আপনার সেই পড়ে থাকা জিনিসটা যদি অনলাইনে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন, খুব দ্রুতই বিক্রি হয়ে যাবে। এতে আপনার বাড়ি থেকে জঞ্জাল কমবে, আবার বাড়তি আয়েরও সুযোগ হবে।

অনলাইন সার্ভে অংশগ্রহণ করুন

অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চ স্টাডিতে অংশগ্রহণ আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে সহায়তা করতে পারে। হ্যাঁ, পেআউটগুলো ছোট, কিন্তু এটি আপনাকে কিছুটা হলেও বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেবে। তাই এই কাজে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। অবসর সময়ে অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

সতর্কতা

চাকরির পাশাপাশি আয় করতে গিয়ে কখনোই অর্থের দিকে ঝুঁকে পড়া যাবে না। এমনটা হলে মূল পেশায় খুবই খারাপ প্রভাব পড়বে। একপর্যায়ে চাকরিতে সমস্যা হবে আপনার। এতে আপনিই বিপদে পড়বেন। এ জন্য সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে আপনাকে। আবার অতিরিক্ত অর্থের লোভে অনৈতিক কোনো ব্যবসায় বিনিয়োগ করা থেকেও দূরে থাকতে হবে। মনে রাখবেন, বাড়তি উপার্জনের আশায় অর্থের লোভে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া যাবে না।

তারেক/

আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ
ছবি: সংগৃহীত

ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকটি সিনিয়র ম্যানেজার পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গত ২ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত। 

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে এনসিসি ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম: ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক পিএলসি

চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ: ২ জুন ২০২৬

পদ সংখ্যা: ১টি

লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয় 

আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

আবেদন শুরুর তারিখ: ২ জুন ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ জুন ২০২৬

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.nccbank.com.bd

আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক পিএলসি

পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার

বিভাগ: ট্রানসাকশান ব্যাংকিং অ্যান্ড ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট (এভিপি-এসএভিপি)

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় 

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি

অন্যান্য যোগ্যতা: বাণিজ্যিক ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং, ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কর্পোরেট ব্যাংকিং, ব্যাংকিং অপারেশন বা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে দক্ষতা। 
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৮ বছর 

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে 

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়) 

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই 

কর্মস্থল: ঢাকা 

বেতন: আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজ

অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ জুন ২০২৬

তারেক/

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়
ছবি: খবরের কাগজ

ক্লায়েন্টের চাহিদা ও পছন্দ ভালোভাবে বুঝতে পারলে পণ্য বা সেবা বিক্রি করা অনেক সহজ হয়ে যায়। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের একাধিক পণ্য বা সেবা রয়েছে, তাদের জন্য একই গ্রাহকের কাছে বিভিন্ন পণ্য উপস্থাপন করা বড় একটি চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়িক ভাষায় এটিকে ক্রস সেলিং বলা হয়। সফলভাবে এটি করতে হলে ক্লায়েন্টের সঙ্গে আন্তরিক ও বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ক্লায়েন্টের সঙ্গে কার্যকরভাবে কীভাবে আলাপ চালিয়ে যাবেন, সে বিষয়ে কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো—

দিনকাল কেমন যাচ্ছে? ব্যবসা কেমন যাচ্ছে?

প্রতিটি সাক্ষাতের শুরুতেই আমরা এই দুটি প্রশ্ন করে থাকি। মাঝে মধ্যে এই দুটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে ক্লায়েন্টের চাহিদা জানা যায় এবং তা নিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি আলাপ করা যায়।

নিজের কোম্পানি সম্পর্কে বক্তব্য দিন

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব পরিচিতিমূলক বক্তব্য থাকে যেখানে কোম্পানির পরিচিতি ও কর্মপরিধি উল্লেখ থাকে। এছাড়া কখন ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে তাও জিজ্ঞেস করে নেওয়া হয়। পুরো বক্তব্য দুই-তিন মিনিটের বেশি হবে না, এর বেশি হলেই ক্লায়েন্ট তার মনোযোগ হারিয়ে ফেলবে।

আপনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী কী? 

এই ওপেন এন্ডেড প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আপনার ক্লায়েন্ট তার কাছে যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে কথা বলবে। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় আপনার ক্লায়েন্টকে আপনি সাহায্য করতে পারবেন বা পরবর্তী সাক্ষাতের এজেন্ডা নির্ধারণ করে দেবে যখন আপনি জানবেন ক্লায়েন্টের চাহিদা পূরণে আপনার পণ্য/সেবাই সঠিক সমাধান।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলাপ করলে যে করেই হোক পরবর্তী সাক্ষাতের ক্ষেত্র তৈরি করে নিতে হবে। চলমান আলাপের মাধ্যমেই ক্লায়েন্টের আয় বৃদ্ধি, নতুন ক্লায়েন্ট বা বেশি করে ক্রস সেলিং করার সুযোগ আসে। আপনার কাজ হবে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে এবং তাদের ব্যাপারে যত বেশি তথ্য পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা এবং আপনার কাজ ছাড়া আপনার ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা। প্রতিটি আলাপের পর তাদের কাছে আপনি নির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবনা বা সম্ভাব্য সমাধান দিতে পারেন আর দেখবেন যে আপনার ক্লায়েন্টই আপনার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রাসঙ্গিক আলাপের মাধ্যমে বেশি বেশি ক্রস সেলিংয়ের সুযোগ তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসাকে লাভবান করবে।

তারেক/

কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল
ছবি: খবরের কাগজ

অফিস মানেই ব্যস্ততা আর কাজের চাপ। কর্মক্ষেত্রে চাপ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেক সময় সেই চাপ এতটাই বেড়ে যায় যে, তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে মানসিক অবস্থার ওপরও। আর কাজের চাপের পাশাপাশি যদি অফিস পলিটিক্স যোগ হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সবকিছু সামলাতে গিয়ে নিজের মানসিক স্বস্তি ধরে রাখাও তখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

অফিসে কাজের ফাঁকে সহকর্মীদের সঙ্গে একটু আড্ডা বা গল্প হতেই পারে। তবে সেটি যেন সীমার মধ্যেই থাকে। কারণ, আড্ডা শেষে আবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে হয় কাজেই। কর্মক্ষেত্রে সব সময় যে অনুকূল পরিবেশ পাওয়া যাবে, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। তাই আগে থেকেই জানা দরকার, কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে সামলে নিতে হবে।

সহকর্মী কটু কথা বললে

আপনার কোনো সহকর্মী হয়তো আপনাকে কড়া ভাষায় কথা বলেছে। আপনিও মনে মনে চাচ্ছেন তার চেয়েও কড়া ভাষায় উত্তর দিতে। এমনটা যদি করেন তাহলে ভুল করবেন। সহকর্মীর কড়া ভাষার উত্তর দিতে যাবেন না। কারণ, এটি তর্ক বাড়িয়ে দেবে। অফিসে শান্তি বজায় রাখার জন্য আপনি শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। সহকর্মী যদি আপনার প্রিয় কেউ হন তবে তাকে বুঝতে চেষ্টা করুন। হতে পারে তিনি খুব বেশি কাজের চাপে এমনটা করছেন। মনে রাখবেন–তর্কে তর্ক বাড়ে। 

বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে

কোনো কাজের ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হলে মনোবল হারানো চলবে না। নিজের মনোবল শক্ত করে অন্যদের ভরসা দিন। মনে রাখবেন–সব সমস্যার সমাধান আছে। সমস্যা গুরুতর হলে শান্তভাবে বসুন এবং চিন্তা করুন এর সমাধান কীভাবে করবেন। একজন সিনিয়রের সঙ্গে কথা বলুন, যিনি সমস্যাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

সব কাজ মেইলের মাধ্যমে করুন। মৌখিক আলোচনা গুজবের জন্ম দিতে পারে। তাই কাজের প্রমাণ রাখুন।

খোলামেলা আলোচনা করুন

আপনার যুক্তিতে ‘সঠিক’, কিন্তু বসের মতে ‘বেঠিক’–অধিকাংশ সময় এরকম দোটানায় জড়িয়েই বসের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে। এরকম পরিস্থিতিকে কী করবেন? এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপারটি নিয়ে আপনার বসের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। দেখবেন সমাধান বের হয়ে আসছে।

কাজের ক্রেডিট অন্য কেউ নিলে

অনেক সময় দেখা যায়, আপনি খেটেখুটে একটি সফল প্রজেক্ট দাঁড় করিয়েছেন। কিন্তু সেই কাজের পুরো কৃতিত্বই বিভাগীয় প্রধান নিয়ে নিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কী করবেন? আপনি বলবেন, ‘আমার পয়েন্ট স্পটলাইট করার জন্য ধন্যবাদ’। আপনি সংযমের সঙ্গে কথাগুলো বলুন। ভদ্রভাবে কথা বলে অনেক কিছুই সহজ করা সম্ভব। এতে আপনাদের যিনি বস, তিনিও বুঝে যাবেন যে কাজটি আপনার। আপনি যে কাজটি করে দিয়েছেন, তার বিস্তারিত প্রমাণ নিজের কাছে রাখুন। যাতে করে পরবর্তী সময়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে সামাল দিতে পারেন।

অফিসে বেশি সময় থাকতে বললে

অনেক সময় দেখা যায়, সিনিয়ররা তার অধীনস্থ কর্মীদের বেশি সময় অফিসে থাকতে এক প্রকার বাধ্য করেন। এমন পরিস্থিতিতে রেগে গেলে চলবে না। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। বিনয়ের সঙ্গে বলুন, আপনার অন্য জায়গায় কাজ রয়েছে। আপনি যে এই কাজে অপারগ তা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বের হয়ে আসুন। সেই সঙ্গে যখন আপনার সিনিয়রের মন ভালো থাকে তখন তার সঙ্গে বসে কাজের সময়ের সীমা নির্ধারণ করে ফেলুন।

সরাসরি ‘না’ বলবেন না

অফিসে কখনো কখনো এমন অনেক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যখন আপনাকে না চাইলেও ‘না’ বলতে হবে। তবে এটি সরাসরি বলা যাবে না। বলতে হবে সঠিকভাবে কায়দা করে। যদি মনে করেন আপনার ওপর অতিরিক্ত কাজ বা দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তবে সুন্দরভাবে জানিয়ে দিন যে, আপনি একটি টিমের সঙ্গে কাজ করতে পারেন, আপনার পক্ষে একা এই কাজ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কৌশলী হতে হবে, অনুরোধটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবেন না। অনেক বসই ‘না’ শব্দটি সহ্য করতে পারেন না।

সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন

অফিসের সব সহকর্মী এক ধরনের হয় না। কিছু কিছু সহকর্মী পাবেন যারা আপনাকে সব সময় দমিয়ে রাখার চেষ্টা করবে। আপনি যা-ই করেন না কেন তারা আপনার সমালোচনা করবে। এ ধরনের বস আপনার নিজস্ব উন্নয়নের জন্য খুব বিপজ্জনক। পারলে সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের বসের সঙ্গে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করুন। যদি মানিয়ে নিতে না পারেন তাহলে এ ধরনের কর্মকর্তার অধীনে কাজ না করাই শ্রেয়।

তারেক/