ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড় গোপালগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ ৬ ঘণ্টা পরে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক কর্মস্থলে গরমে হাঁসফাঁস ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে আসছে ত্রৈমাসিক ব্যবস্থা গোপালপুরে ২ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে নেমেছে পুলিশ ভূঞাপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত ১, মাইকিং করে ফের সংঘর্ষের ঘোষণা পর্যটন খাতে তাপের প্রভাব বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের অধিকাংশ শাখায় কলমবিরতি হয়নি নাটোরে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু বেলকুচিতে বাসচাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত বন্ধ শিল্প ও প্রতিষ্ঠান সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ফেনীতে প্রখর রোদে দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ বজ্রপাতে চার জেলায় নিহত ১০ দিলারার রেকর্ড গড়া ইনিংসে বাংলাদেশের জয় কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরি ৫ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল
Nagad desktop

সিভি রিভিউ যেভাবে করবেন

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ১২:১১ পিএম
সিভি রিভিউ যেভাবে করবেন
ছবি: সংগৃহীত

একটি ভালো সিভি শুধু তথ্যের তালিকা নয়, বরং এটি এমনভাবে তৈরি হওয়া উচিত যা আপনাকে সরাসরি ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে। চাকরির ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রথম ধারণা তৈরি হয় সিভির মাধ্যমেই। তাই কোনো প্রতিষ্ঠান বা নিয়োগদাতার কাছে সিভি জমা দেওয়ার আগে এর প্রতিটি অংশ ভালোভাবে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়াকেই বলা হয় সিভি রিভিউ (CV Review)।

সঠিকভাবে সিভি পর্যালোচনা করলে এর মান ও গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য সিভি তৈরি করার সময় এবং তৈরি হওয়ার পর নিজের কাছেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা প্রয়োজন। এসব প্রশ্নের উত্তরই বলে দেবে আপনার সিভি কতটা কার্যকর ও পেশাদার হয়েছে। এ লেখায় এমন কিছু প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তুলে ধরা হলো, যা আপনার সিভিকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

ছবি

সিভিতে সাম্প্রতিক ছবি ব্যবহার করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে তোলা ছবি ব্যবহার করুন।

ছবিটি কি সেলফি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘না’। সিভিতে প্রফেশনাল ছবি ব্যবহার করা প্রয়োজন।

আরো পড়ুন: জনবল নেবে ইস্টার্ন ব্যাংক, কর্মস্থল ঢাকা

ছবিতে পরিষ্কার ও মার্জিত পোশাক পরে আছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। পেশাদারত্বের অভাব প্রকাশ পায়, এমন কোনো পোশাক পরে সিভির ছবি তোলা থেকে বিরত থাকুন।

ব্যক্তিগত তথ্য

সিভিতে এমন ই-মেইল, ফোন নাম্বার ও ঠিকানা ব্যবহার করেছেন কি, যার মাধ্যমে আপনার সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করা যায়?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’।

সিভিতে এমন কোনো ব্যক্তিগত তথ্য দিয়েছেন কি, যা নিয়োগদাতা জানতে চাননি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘না’। যেমন- নিজের উচ্চতা বা ওজন সম্পর্কিত তথ্য সিভিতে উল্লেখ করা উচিত নয়। কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটতে পারে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

চাকরির যোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত শিক্ষাগত যোগ্যতাগুলো আগে উল্লেখ করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’।

পড়াশোনার সময় কোনো প্রজেক্টে কাজ করে থাকলে তার উল্লেখ করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। এর মাধ্যমে আপনার কাজের আগ্রহ সম্পর্কে নিয়োগদাতা একটা ধারণা পাবেন।

কোনো একাডেমিক স্কলারশিপ/পুরস্কার থাকলে তা উল্লেখ করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। এর মাধ্যমে আপনার প্রতি নিয়োগদাতার ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পরীক্ষার ফলাফল (ক্লাস/গ্রেড), পাসের বছর এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। ভুল তথ্য (সেটা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে হোক) আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দেবে নিয়োগদাতাকে।

কাজের অভিজ্ঞতা

চাকরির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজের অভিজ্ঞতা আগে উল্লেখ করেছেন কি?

আপনার যদি কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে, তা হলে উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। যে পদের জন্য আবেদন করছেন, তার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত কাজের কথা উল্লেখ করুন।

আপনার আগের কাজের ধরন, দায়িত্ব ও অর্জন নিয়ে তথ্য দিয়েছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। তবে লম্বা বিবরণ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

কোনো স্বেচ্ছাস্বেবী সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে তা উল্লেখ করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। এর মাধ্যমে নিয়োগদাতা আপনার ব্যক্তিগত আগ্রহ ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ধারণা পাবেন।

দক্ষতা

চাকরির সঙ্গে সম্পর্কিত দক্ষতাগুলো সবার আগে উল্লেখ করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’।

আপনার দক্ষতাগুলো কীভাবে চাকরির সঙ্গে সম্পর্কিত, সে ব্যাপারে তথ্য দিয়েছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। তথ্য দেওয়ার আগে চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা দক্ষতাগুলো ভালোভাবে পড়ে নিন। এতে করে গোছানোভাবে আপনার তথ্য উপস্থাপন করতে পারবেন।

অপ্রাসঙ্গিক কিংবা আপনার না থাকা কোনো দক্ষতার কথা উল্লেখ করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘না’। অপ্রাসঙ্গিক দক্ষতার উল্লেখ করলে কিংবা দক্ষতা সম্পর্কে বাড়িয়ে লিখলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

রেফারেন্স

যাদের কথা রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তাদের অনুমতি নিয়েছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। অনুমতি ছাড়া কারও নাম রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

রেফারেন্স হিসেবে যাদের উল্লেখ করেছেন, তাদের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করা যায় কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। নিয়োগদাতা যেকোনো সময় আপনার ব্যাপারে রেফারেন্সের ব্যক্তিদের মতামত জানতে চাইতে পারেন।

আপনার যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে সরাসরি পরিচিত কাউকে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করেছেন কি?

উত্তর হওয়া উচিত ‘হ্যাঁ’। এক্ষেত্রে আপনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক কিংবা আগের কর্মস্থানের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম অনুমতিসাপেক্ষে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

তারেক/

চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন
ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ চাকরিজীবীর আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকে। মাস শেষে নির্ধারিত বেতন হাতে এলেও ব্যয়ের তালিকা কিন্তু প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, পরিবার পরিচালনা ও হঠাৎ আসা অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে গিয়ে অনেকেই আর্থিক চাপে পড়ে যান। যত হিসাব করেই চলা হোক না কেন, অনেক সময় নির্দিষ্ট আয়ে সব প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই স্বচ্ছন্দ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

আরো পড়ুন: প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত

এছাড়া চাকরির ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা এখন খুবই সাধারণ বিষয়। যেকোনো সময় কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, যা আর্থিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আয়ের একটি উৎস অনেকটাই ভরসা জোগায়। আবার সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও বাড়তি উপার্জন মানে নিজের ও পরিবারের জন্য আরও ভালো কিছু করার সুযোগ তৈরি হওয়া। একটু বেশি সঞ্চয়, নিজের শখ পূরণ কিংবা ভবিষ্যতের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক। নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অবসর সময় কাজে লাগিয়ে সহজেই বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব। ফুল টাইম চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত উপার্জনের কিছু কার্যকর উপায় জেনে নিতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করুন

যদি আপনার কর্মক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কোনো সমস্যা না হয় এবং এটি আপনাকে কোনো আইনি সমস্যায় না ফেলে, তবে আপনার অবসর সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। আপনি লিখতে পারেন, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারেন, প্রোগ্রামিং বা ডিজিটাল মার্কেটিংয়েও কাজ করতে পারেন। এতে নিজের দক্ষতা প্রমাণের পাশাপাশি আপনি দ্রুতই অর্থশালী হয়ে উঠবেন।

কোচিং করাতে পারেন

আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ হন তবে অনলাইনে টিউটরিং বা কোচিং শুরু করতে পারেন। আপনি কারুশিল্প শেখাতে পারেন, কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারেন যেখানে আপনি যে ক্ষেত্রে ভালো সে বিষয়ে কোর্স শেখাতে পারেন। এভাবে আপনি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং আয়ের পথ তৈরি করতে পারবেন।

রুম বা সম্পত্তি ভাড়া দিন

আপনার যদি একটি অতিরিক্ত রুম থাকে, তাহলে সেটি দিয়ে হতে পারে আপনার বাড়তি আয়ের সুযোগ। অতিরিক্ত রুমটি আপনি ভাড়া দিতে পারেন। এতে খালি পড়ে থাকা রুমটি দিয়ে আপনি খুব সহজেই উপার্জনের পথ তৈরি করে নিতে পারবেন। একইভাবে আপনার গাড়িটিও কাজে লাগাতে পারেন। ভাড়া দিয়ে খুব সহজেই বাড়তি উপার্জন করতে পারেন।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করুন

আমাদের প্রায় সবার বাড়িতেই অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থাকে। হয়তো বছরের পর বছর পড়ে আছে কিন্তু কোনো কাজে লাগছে না। হতে পারে, সেই জিনিসটিই অন্য কারও অনেক প্রয়োজন কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে কিনতে পারছে না। এমন অবস্থায় আপনার সেই পড়ে থাকা জিনিসটা যদি অনলাইনে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন, খুব দ্রুতই বিক্রি হয়ে যাবে। এতে আপনার বাড়ি থেকে জঞ্জাল কমবে, আবার বাড়তি আয়েরও সুযোগ হবে।

অনলাইন সার্ভে অংশগ্রহণ করুন

অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চ স্টাডিতে অংশগ্রহণ আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে সহায়তা করতে পারে। হ্যাঁ, পেআউটগুলো ছোট, কিন্তু এটি আপনাকে কিছুটা হলেও বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেবে। তাই এই কাজে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। অবসর সময়ে অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

সতর্কতা

চাকরির পাশাপাশি আয় করতে গিয়ে কখনোই অর্থের দিকে ঝুঁকে পড়া যাবে না। এমনটা হলে মূল পেশায় খুবই খারাপ প্রভাব পড়বে। একপর্যায়ে চাকরিতে সমস্যা হবে আপনার। এতে আপনিই বিপদে পড়বেন। এ জন্য সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে আপনাকে। আবার অতিরিক্ত অর্থের লোভে অনৈতিক কোনো ব্যবসায় বিনিয়োগ করা থেকেও দূরে থাকতে হবে। মনে রাখবেন, বাড়তি উপার্জনের আশায় অর্থের লোভে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া যাবে না।

তারেক/

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়
ছবি: খবরের কাগজ

ক্লায়েন্টের চাহিদা ও পছন্দ ভালোভাবে বুঝতে পারলে পণ্য বা সেবা বিক্রি করা অনেক সহজ হয়ে যায়। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের একাধিক পণ্য বা সেবা রয়েছে, তাদের জন্য একই গ্রাহকের কাছে বিভিন্ন পণ্য উপস্থাপন করা বড় একটি চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়িক ভাষায় এটিকে ক্রস সেলিং বলা হয়। সফলভাবে এটি করতে হলে ক্লায়েন্টের সঙ্গে আন্তরিক ও বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ক্লায়েন্টের সঙ্গে কার্যকরভাবে কীভাবে আলাপ চালিয়ে যাবেন, সে বিষয়ে কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো—

দিনকাল কেমন যাচ্ছে? ব্যবসা কেমন যাচ্ছে?

প্রতিটি সাক্ষাতের শুরুতেই আমরা এই দুটি প্রশ্ন করে থাকি। মাঝে মধ্যে এই দুটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে ক্লায়েন্টের চাহিদা জানা যায় এবং তা নিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি আলাপ করা যায়।

নিজের কোম্পানি সম্পর্কে বক্তব্য দিন

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব পরিচিতিমূলক বক্তব্য থাকে যেখানে কোম্পানির পরিচিতি ও কর্মপরিধি উল্লেখ থাকে। এছাড়া কখন ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে তাও জিজ্ঞেস করে নেওয়া হয়। পুরো বক্তব্য দুই-তিন মিনিটের বেশি হবে না, এর বেশি হলেই ক্লায়েন্ট তার মনোযোগ হারিয়ে ফেলবে।

আপনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী কী? 

এই ওপেন এন্ডেড প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আপনার ক্লায়েন্ট তার কাছে যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে কথা বলবে। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় আপনার ক্লায়েন্টকে আপনি সাহায্য করতে পারবেন বা পরবর্তী সাক্ষাতের এজেন্ডা নির্ধারণ করে দেবে যখন আপনি জানবেন ক্লায়েন্টের চাহিদা পূরণে আপনার পণ্য/সেবাই সঠিক সমাধান।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলাপ করলে যে করেই হোক পরবর্তী সাক্ষাতের ক্ষেত্র তৈরি করে নিতে হবে। চলমান আলাপের মাধ্যমেই ক্লায়েন্টের আয় বৃদ্ধি, নতুন ক্লায়েন্ট বা বেশি করে ক্রস সেলিং করার সুযোগ আসে। আপনার কাজ হবে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে এবং তাদের ব্যাপারে যত বেশি তথ্য পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা এবং আপনার কাজ ছাড়া আপনার ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা। প্রতিটি আলাপের পর তাদের কাছে আপনি নির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবনা বা সম্ভাব্য সমাধান দিতে পারেন আর দেখবেন যে আপনার ক্লায়েন্টই আপনার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রাসঙ্গিক আলাপের মাধ্যমে বেশি বেশি ক্রস সেলিংয়ের সুযোগ তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসাকে লাভবান করবে।

তারেক/

কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল
ছবি: খবরের কাগজ

অফিস মানেই ব্যস্ততা আর কাজের চাপ। কর্মক্ষেত্রে চাপ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেক সময় সেই চাপ এতটাই বেড়ে যায় যে, তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে মানসিক অবস্থার ওপরও। আর কাজের চাপের পাশাপাশি যদি অফিস পলিটিক্স যোগ হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সবকিছু সামলাতে গিয়ে নিজের মানসিক স্বস্তি ধরে রাখাও তখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

অফিসে কাজের ফাঁকে সহকর্মীদের সঙ্গে একটু আড্ডা বা গল্প হতেই পারে। তবে সেটি যেন সীমার মধ্যেই থাকে। কারণ, আড্ডা শেষে আবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে হয় কাজেই। কর্মক্ষেত্রে সব সময় যে অনুকূল পরিবেশ পাওয়া যাবে, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। তাই আগে থেকেই জানা দরকার, কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে সামলে নিতে হবে।

সহকর্মী কটু কথা বললে

আপনার কোনো সহকর্মী হয়তো আপনাকে কড়া ভাষায় কথা বলেছে। আপনিও মনে মনে চাচ্ছেন তার চেয়েও কড়া ভাষায় উত্তর দিতে। এমনটা যদি করেন তাহলে ভুল করবেন। সহকর্মীর কড়া ভাষার উত্তর দিতে যাবেন না। কারণ, এটি তর্ক বাড়িয়ে দেবে। অফিসে শান্তি বজায় রাখার জন্য আপনি শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। সহকর্মী যদি আপনার প্রিয় কেউ হন তবে তাকে বুঝতে চেষ্টা করুন। হতে পারে তিনি খুব বেশি কাজের চাপে এমনটা করছেন। মনে রাখবেন–তর্কে তর্ক বাড়ে। 

বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে

কোনো কাজের ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হলে মনোবল হারানো চলবে না। নিজের মনোবল শক্ত করে অন্যদের ভরসা দিন। মনে রাখবেন–সব সমস্যার সমাধান আছে। সমস্যা গুরুতর হলে শান্তভাবে বসুন এবং চিন্তা করুন এর সমাধান কীভাবে করবেন। একজন সিনিয়রের সঙ্গে কথা বলুন, যিনি সমস্যাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

সব কাজ মেইলের মাধ্যমে করুন। মৌখিক আলোচনা গুজবের জন্ম দিতে পারে। তাই কাজের প্রমাণ রাখুন।

খোলামেলা আলোচনা করুন

আপনার যুক্তিতে ‘সঠিক’, কিন্তু বসের মতে ‘বেঠিক’–অধিকাংশ সময় এরকম দোটানায় জড়িয়েই বসের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে। এরকম পরিস্থিতিকে কী করবেন? এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপারটি নিয়ে আপনার বসের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। দেখবেন সমাধান বের হয়ে আসছে।

কাজের ক্রেডিট অন্য কেউ নিলে

অনেক সময় দেখা যায়, আপনি খেটেখুটে একটি সফল প্রজেক্ট দাঁড় করিয়েছেন। কিন্তু সেই কাজের পুরো কৃতিত্বই বিভাগীয় প্রধান নিয়ে নিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কী করবেন? আপনি বলবেন, ‘আমার পয়েন্ট স্পটলাইট করার জন্য ধন্যবাদ’। আপনি সংযমের সঙ্গে কথাগুলো বলুন। ভদ্রভাবে কথা বলে অনেক কিছুই সহজ করা সম্ভব। এতে আপনাদের যিনি বস, তিনিও বুঝে যাবেন যে কাজটি আপনার। আপনি যে কাজটি করে দিয়েছেন, তার বিস্তারিত প্রমাণ নিজের কাছে রাখুন। যাতে করে পরবর্তী সময়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে সামাল দিতে পারেন।

অফিসে বেশি সময় থাকতে বললে

অনেক সময় দেখা যায়, সিনিয়ররা তার অধীনস্থ কর্মীদের বেশি সময় অফিসে থাকতে এক প্রকার বাধ্য করেন। এমন পরিস্থিতিতে রেগে গেলে চলবে না। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। বিনয়ের সঙ্গে বলুন, আপনার অন্য জায়গায় কাজ রয়েছে। আপনি যে এই কাজে অপারগ তা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বের হয়ে আসুন। সেই সঙ্গে যখন আপনার সিনিয়রের মন ভালো থাকে তখন তার সঙ্গে বসে কাজের সময়ের সীমা নির্ধারণ করে ফেলুন।

সরাসরি ‘না’ বলবেন না

অফিসে কখনো কখনো এমন অনেক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যখন আপনাকে না চাইলেও ‘না’ বলতে হবে। তবে এটি সরাসরি বলা যাবে না। বলতে হবে সঠিকভাবে কায়দা করে। যদি মনে করেন আপনার ওপর অতিরিক্ত কাজ বা দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তবে সুন্দরভাবে জানিয়ে দিন যে, আপনি একটি টিমের সঙ্গে কাজ করতে পারেন, আপনার পক্ষে একা এই কাজ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কৌশলী হতে হবে, অনুরোধটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবেন না। অনেক বসই ‘না’ শব্দটি সহ্য করতে পারেন না।

সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন

অফিসের সব সহকর্মী এক ধরনের হয় না। কিছু কিছু সহকর্মী পাবেন যারা আপনাকে সব সময় দমিয়ে রাখার চেষ্টা করবে। আপনি যা-ই করেন না কেন তারা আপনার সমালোচনা করবে। এ ধরনের বস আপনার নিজস্ব উন্নয়নের জন্য খুব বিপজ্জনক। পারলে সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের বসের সঙ্গে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করুন। যদি মানিয়ে নিতে না পারেন তাহলে এ ধরনের কর্মকর্তার অধীনে কাজ না করাই শ্রেয়।

তারেক/

কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
আপডেট: ০১ জুন ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম
কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রমালিকানাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ‘কর্মসংস্থান ব্যাংক’ বিভিন্ন শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তিনটি পদে মোট ২৮৭ জনকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেবে। 

পদের বিবরণ ও বেতন স্কেল

১. সহকারী অফিসার (সাধারণ): পদসংখ্যা ১২৫। বেতন স্কেল: ১১,০০০–২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড–১৩)।

২. সহকারী অফিসার (ক্যাশ): পদসংখ্যা ৬৩। বেতন স্কেল: ১১,০০০–২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড–১৩)।

৩. ডাটা এন্ট্রি অপারেটর: পদসংখ্যা ৯৯। বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)।

আবেদনের যোগ্যতা ও বয়স

সহকারী অফিসার (সাধারণ ও ক্যাশ): যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরেই তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রার্থীরা এই দুটি পদের যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন।

আরো পড়ুন: প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে (কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয়)। কম্পিউটার টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি এবং ন্যূনতম ছয় মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সনদ থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ১ মে ২০২৬ তারিখে আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীদের টেলিটকের নির্ধারিত এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। অনলাইন ব্যতীত অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন ফি বাবদ সব পদের জন্য ১১২ টাকা (টেলিটক সার্ভিস চার্জসহ) এবং অনগ্রসর শ্রেণির (ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ) প্রার্থীদের জন্য ৫৬ টাকা আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা দিতে হবে।

আবেদন শুরু: ২৪ মে ২০২৬, সকাল ১০টা।

আবেদনের শেষ সময়: ২৩ জুন ২০২৬, বিকেল ৫টা।

তারেক/

 

প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত
ছবি: খবরের কাগজ

হাসি মানুষের জীবনে ইতিবাচকতার এক অসাধারণ শক্তি। একজন মানুষ যত বেশি হাসিখুশি থাকেন, তার মনও তত বেশি প্রফুল্ল ও শান্ত থাকে। আন্তরিক একটি হাসি মানুষের দূরত্ব কমায়, সম্পর্ককে আরও গভীর করে তোলে। রাগ, অভিমান কিংবা মানসিক ক্লান্তি দূর করতেও হাসির ভূমিকা অনেক বড়। এটি দুশ্চিন্তা কমিয়ে মনকে হালকা করে এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মানসিক চাপ কমিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়াতেও হাসি কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তবে অনেক কর্মক্ষেত্রে এখনো মনে করা হয়, বেশি হাসিঠাট্টা কাজের পরিবেশকে ব্যাহত করে। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। গবেষকদের মতে, প্রাণবন্ত ও হাসিখুশি পরিবেশ কর্মীদের মনোবল বাড়ায় এবং কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরি করে। হাসি কর্মক্ষেত্রের চাপ কমাতে সাহায্য করে, সহকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটায়। একটি আন্তরিক হাসি কঠিন পরিস্থিতিকেও সহজ করে তুলতে পারে এবং পুরো কর্মপরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

আরো পড়ুন: জনবল নেবে অ্যাপেক্স, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

হাসির একটি প্রধান সুবিধা হলো এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। কাজ চাপযুক্ত হতে পারে এবং ক্রমাগত চাপের মধ্যে থাকা কর্মীদের বার্নআউট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, যা উৎপাদনশীলতা এবং কাজের মান কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, হাসি এন্ডোরফিন নিঃসরণকে ট্রিগার করে। এটি প্রাকৃতিকভাবে স্ট্রেস লেভেল কমাতে সাহায্য করে এবং সুখ ও বিশ্রামের অনুভূতি বাড়াতে পারে।

মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি, হাসি সহকর্মীদের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলতেও সাহায্য করে। মানুষ যখন একসঙ্গে হাসে, তখন তাদের মধ্যে বন্ধন এবং বন্ধুত্বের অনুভূতি তৈরি হয়। যা তাদের মধ্যে আরও ভালো যোগাযোগ ও সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি করে। সেই সঙ্গে দলগতভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দেয়। তাই কর্মক্ষেত্রে হাসিখুশি থাকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, হাসিখুশি থাকার মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি হয়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়, সমস্যা সমাধান সহজ হয় এবং আরও ইতিবাচক কাজের পরিবেশ তৈরি হয়।

হাসির সঙ্গে সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনের সম্পর্ক রয়েছে। কর্মীর মানসিক অবস্থা ইতিবাচক এবং স্বস্তিদায়ক থাকলে বৃত্তের বাইরে চিন্তা করার ও সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। হাসি মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করতেও সাহায্য করে, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং সামগ্রিক কাজের কর্মক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

নিয়োগকর্তারা কর্মক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক কাজের পরিবেশ তৈরি করে হাসিখুশি থাকাকে উৎসাহিত করতে পারে। সামাজিক ইভেন্ট, কর্মীদের কৃতিত্ব উদযাপন এবং কর্মীদের জোকস বা মজার গল্পগুলো ভাগাভাগি করে নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে দলনেতাকেও হাসিখুশি থাকতে হবে। তাহলে কর্মীরাও মন খুলে হাসতে ভয় পাবেন না।

অফিসে কাজের চাপ থাকবে, এটা স্বাভাবিক। তাই বলে সারাক্ষণ কাজ নিয়েই থাকলেন, এটা ঠিক নয়। এতে কাজের চাপের পাশাপাশি মনের ওপর চাপ পড়বে। কর্মক্ষেত্রে যিনি সবচেয়ে বেশি হাসিখুশি তাকেই সবাই পছন্দ করেন বেশি। তাই বলে কেবল হাসলেই হবে না। সঙ্গে অফিসের কাজটাকেও গুছিয়ে করতে হবে। আর কর্মক্ষেত্রে হাসিখুশি থাকার কিছু কায়দাও আছে। কাজের ফাঁকে সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলুন, হাসুন, চা-কফি খান। পারলে একটু হাঁটাহাঁটি করুন। এতে মন যেমন ভালো থাকবে, তেমনি কাজও দ্রুত শেষ হবে।

তারেক/